খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফোনের নীল আলোই কি আপনার ঘুমের বারোটা বাজাচ্ছে?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১১ পূর্বাহ্ণ
ফোনের নীল আলোই কি আপনার ঘুমের বারোটা বাজাচ্ছে?

দশকের পর দশক ধরে আমাদের সতর্ক করা হচ্ছে যে, শোবার আগে স্মার্টফোন বা ল্যাপটপের পর্দার নীল আলো আমাদের ঘুমের চরম শত্রু। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, আসল অপরাধী হয়তো এই আলো নয়, বরং অন্য কিছু।

গত ১০ বছর ধরে আমরা শুনে আসছি, ডিজিটাল ডিভাইসের নীল আলো শরীরের প্রাকৃতিক ঘড়ি বা ‘বডি ক্লক’-এর ছন্দ নষ্ট করে দেয়। এই ভয়ের সূত্রপাত হয়েছিল ২০১৪ সালের একটি গবেষণার মাধ্যমে, যেখানে দেখা গিয়েছিল ঘুমানোর আগে আইপ্যাড ব্যবহারকারীদের ঘুম আসতে দেরি হয় এবং তাদের শরীরে মেলাটোনিন (নিদ্রা হরমোন) কম তৈরি হয়।

তবে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেমি জেইটজার এই গবেষণাকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে অভিহিত করেছেন। তার মতে, ল্যাবরেটরির কৃত্রিম পরিবেশে যা দেখা যায়, বাস্তব জীবনে মানুষের অভিজ্ঞতা তার চেয়ে অনেক আলাদা।

কেন নীল আলোই একমাত্র কারণ নয়?

বিজ্ঞানীদের মতে, আমাদের চোখের ‘মেলানোপসিন’ নামক একটি প্রোটিন নীল আলোর প্রতি সংবেদনশীল এবং এটি ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলে ঠিকই, কিন্তু ফোনের স্ক্রিন থেকে যে পরিমাণ আলো নির্গত হয়, তা ঘুমের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলার জন্য যথেষ্ট নয়।

১১টি গবেষণার এক সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ফোনের আলো বড়জোর আপনার ঘুমকে মাত্র ৯ মিনিট দেরি করিয়ে দিতে পারে, যা জীবন বদলে দেওয়ার মতো কোনো ঘটনা নয়।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, আমরা রোদে মাত্র এক মিনিট থাকলে যে পরিমাণ নীল আলোর সংস্পর্শে আসি, ডিজিটাল ডিভাইস থেকে সেই পরিমাণ আলো পেতে টানা ২৪ ঘণ্টা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। এমনকি মেঘলা দিনেও বাইরের আলোর তীব্রতা থাকে ১০,০০০ লাক্স, যেখানে আপনার ফোনের সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতা মাত্র ৫০ থেকে ৮০ লাক্স।

আসল সমস্যা কোথায়?

গবেষকরা বলছেন, নীল আলোর চেয়েও বড় সমস্যা হলো আপনি শোবার আগে ফোনে কী দেখছেন বা করছেন। অধ্যাপক জেইটজারের মতে, পর্দার আলোর চেয়ে ফোনের ‘কনটেন্ট’ বা বিষয়বস্তু মানুষকে বেশি জাগিয়ে রাখে। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্ক্রল করা বা উত্তেজনাপূর্ণ কোনো ভিডিও দেখার ফলে মস্তিষ্ক সজাগ হয়ে ওঠে, যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

ভালো ঘুমের আসল দাওয়াই

বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের মান উন্নত করতে নীল আলোর ফিল্টার বা বিশেষ চশমা ব্যবহারের চেয়ে ‘টোটাল লাইট এক্সপোজার’ বা সারাদিনে আপনি কতটা আলো পাচ্ছেন তা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

১. দিনের শুরুতে পর্যাপ্ত আলো:*সকালে ঘুম থেকে উঠে যত বেশি সম্ভব উজ্জ্বল আলোর সংস্পর্শে থাকুন। এটি আপনার বডি ক্লককে সজাগ করে তোলে এবং রাতে দ্রুত ঘুমাতে সাহায্য করে।

২. বিকেলে বাইরে হাঁটা: বিকেল ৩টার পর অন্তত ৩০ মিনিট বাইরে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। এটি আপনার শরীরকে রাতের আলোর প্রতি কম সংবেদনশীল করে তুলবে।

৩. আলোর বৈপরীত্য (Contrast): দিনের বেলা ঘর উজ্জ্বল রাখুন এবং রাত বাড়ার সাথে সাথে আলো কমিয়ে দিন। এই বৈপরীত্য শরীরকে বুঝতে সাহায্য করে যে এখন ঘুমের সময়।

মোমবাতির আলো ও মনস্তাত্ত্বিক সংকেত

ফিচারের লেখক থমাস জার্মেইন তার ব্যক্তিগত পরীক্ষায় দেখেছেন যে, নীল আলো আটকানো বিশেষ চশমা খুব একটা আরামদায়ক নয়। তবে রাতে মোমবাতি বা মৃদু আলো ব্যবহার করা একটি কার্যকর ‘সাইকোলজিক্যাল কিউ’ বা মনস্তাত্ত্বিক সংকেত হিসেবে কাজ করতে পারে। যখন আমরা স্ক্রিনের উজ্জ্বলতা কমাই বা ঘরের আলো নিভিয়ে দিই, তখন আমাদের মস্তিষ্ক প্যাভলভিয়ান কন্ডিশনিংয়ের মাধ্যমে বুঝে নেয় যে ঘুমের প্রস্তুতি নেওয়ার সময় হয়েছে।

পরিশেষে বলা যায়, ফোনের নীল আলোকে পুরোপুরি দোষ না দিয়ে আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা এবং শোবার আগের অভ্যাসের দিকে নজর দেওয়াই হবে সুনিদ্রার আসল চাবিকাঠি।

তথ্যসূত্র : বিবিসি

সাংবাদিক আনিচের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন, অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ১২:৫৫ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক আনিচের ওপর হামলার প্রতিবাদে ফরিদপুরে মানববন্ধন, অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি

দেশ টিভি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) ফরিদপুর প্রতিনিধি মো. আনিচুর রহমান আনিচের ওপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ফরিদপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (০৬ জুন) সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সংবাদকর্মীরা এ মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে বক্তারা সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামলার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক আনিচুর রহমান হামলার শিকার হয়েছেন। এটি শুধু একজন সাংবাদিকের ওপর হামলা নয়, বরং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সত্য প্রকাশের অধিকারকে বাধাগ্রস্ত করার অপচেষ্টা। এ ধরনের ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে ভবিষ্যতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

হামলার শিকার সাংবাদিক আনিচুর রহমান বলেন, “সংবাদ সংগ্রহ ও সত্য তুলে ধরা একজন সাংবাদিকের পেশাগত দায়িত্ব। একটি সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে আমি বিভিন্ন সময় হুমকি পেয়েছি। পরে হাসপাতালের ভেতরেও আমার ওপর হামলা চালানো হয়েছে। আমি এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং জড়িতদের কঠোর শাস্তি চাই, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সাংবাদিক এ ধরনের হামলার শিকার না হন।”

মধুখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হোসেন পলাশ বলেন, “সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধ করতে হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যারা সাংবাদিকের ওপর হামলা চালিয়েছে, তারা মূলত সত্যকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে। প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের মুখোমুখি করা হোক।”

ভাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি ও আরটিভির সাংবাদিক আল ইমরান বলেন, “উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। আমরা এ ঘটনার দ্রুত বিচার চাই।”

বক্তারা আরও বলেন, সম্প্রতি ফরিদপুরে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি ও হয়রানির ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

এব্যাপারে জানতে চাইলে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। মতপ্রকাশ ও সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করে এমন কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

উল্লেখ্য, এলজিইডির একটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সংগ্রহের জেরে গত ২০ মে ফরিদপুর ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাংবাদিক আনিচুর রহমানের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় ঠিকাদারসহ ৮-৯ জনের বিরুদ্ধে ফরিদপুর কোতয়ালী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ফরিদপুরের ভুবনেশ্বর নদে ভেসে উঠল অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৭:০১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরের ভুবনেশ্বর নদে ভেসে উঠল অজ্ঞাত কিশোরীর মরদেহ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ভুবনেশ্বর নদ থেকে অজ্ঞাতনামা এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া মরদেহটি অনেকটাই বিবস্ত্র ও অর্ধগলিত অবস্থায় ছিল বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। নিহত কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৪ থেকে ১৫ বছর হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে উপজেলার চরকৃষ্ণপুর এলাকার ভুবনেশ্বর নদে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে সদরপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে নদীর পানিতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখতে পান কয়েকজন জেলে ও এলাকাবাসী। বিষয়টি দ্রুত স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল জলিল মিয়াকে জানানো হলে তিনি থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করে।

সদরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করি। মরদেহের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

সদরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ জানান, মরদেহটির পরিচয় শনাক্তে ফরেনসিক ও সিআইডি টিম কাজ করছে। এখন পর্যন্ত নিহত কিশোরীর কোনো পরিচয় পাওয়া যায়নি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, এটি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড—তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লন্ডনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ফরিদপুরের শামসুল আজম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ৬:৩১ পূর্বাহ্ণ
লন্ডনে ওয়ার্ড কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন ফরিদপুরের শামসুল আজম

লন্ডনের মাটিতে লাল-সবুজের আরও একটি গর্বের পতাকা উড়ল। যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লন্ডনের মেইজব্রুক ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার কৃতী সন্তান এম. এম. শামসুল আজম। বৃটেনের রাজনৈতিক দল লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন তিনি।

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বুকে নিয়ে ২০০৩ সালে লন্ডনে পাড়ি জমিয়েছিলেন শামসুল আজম। পড়াশোনা শেষ করার পর লন্ডনেই চাকরি আর ব্যবসার পাশাপাশি জড়িয়ে পড়েন সমাজসেবামূলক কাজে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় কমিউনিটির উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেন। এবার মেইজব্রুকের বাসিন্দারা ব্যালটের মাধ্যমে তাঁর সেই সেবার প্রতিদান দিলেন।

নির্বাচনে জয়লাভের পর শামসুল আজম বলেন, ‘এই বিজয় আমার একার নয়, এটি মেইজব্রুকের সকল বাসিন্দার বিজয়। আমি আপনাদের সেবা করতে এবং এলাকাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

বিদেশের মাটিতে বড় এই সাফল্যের পরও নিজের শিকড়কে ভুলে যাননি নবনির্বাচিত এই কাউন্সিলর। নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে শামসুল আজম বলেন, ‘আমি যেখান থেকে এসেছি—বোয়ালমারী, ফরিদপুর—সেই মাটির প্রতি আমার গভীর মমতা রয়েছে। প্রবাসে থেকেও আমি বাংলাদেশের মান-সম্মান বৃদ্ধিতে কাজ করে যাব।’

শামসুল আজমের এই সাফল্যে যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনন্দন বার্তায় ভাসছেন তিনি। এদিকে তাঁর এই বড় অর্জনের খবর বোয়ালমারী ও ফরিদপুরে পৌঁছালে সেখানেও মিষ্টি বিতরণ ও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। দূর পরবাসে দেশের মুখ উজ্জ্বল করায় তাঁকে নিয়ে গর্ব করছেন এলাকাবাসী।

সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টিভি