খুঁজুন
, ,

কোন বয়সের পর নারীদের হাড় দুর্বল হতে শুরু করে?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ৭:৪০ পূর্বাহ্ণ
কোন বয়সের পর নারীদের হাড় দুর্বল হতে শুরু করে?

ত্বকের যত্ন, ওজন নিয়ন্ত্রণ কিংবা হরমোনজনিত পরিবর্তন; নারীদের স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনায় এসব বিষয় প্রায়ই গুরুত্ব পায়। কিন্তু নীরবে শরীরের ভেতরে চলতে থাকা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন অনেক সময়ই আড়ালে থেকে যায়। সেটি হলো হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি নির্দিষ্ট বয়সের পর নারীদের হাড় ধীরে ধীরে দুর্বল হতে শুরু করে। শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ না থাকায় অধিকাংশ নারী বিষয়টি বুঝতেই পারেন না। অথচ সময়মতো সচেতন না হলে ভবিষ্যতে এটি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হতে পারে।

৩৫-এর পর শরীরে শুরু হয় নীরব পরিবর্তন

বিশেষজ্ঞদের মতে, নারীদের হাড়ের সর্বোচ্চ শক্তি বা ‘পিক বোন মাস’ সাধারণত ২০-এর শেষ ভাগ কিংবা ৩০-এর শুরুর দিকে পৌঁছায়। এরপর শরীরে হাড় ভাঙা ও নতুন হাড় তৈরির ভারসাম্য বদলে যেতে শুরু করে।

নয়াদিল্লির মণিপাল হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জন ডা. ললিত নেমিচাঁদ বাফনা বলেন, অনেক নারীই ৩০-এর দশকে হাড়ের স্বাস্থ্য নিয়ে খুব একটা ভাবেন না। অথচ এ সময় থেকেই শরীরে বড় পরিবর্তন শুরু হয়। ৩৫ বছরের পর শরীরে হাড় ক্ষয়ের গতি নতুন হাড় তৈরির চেয়ে দ্রুত হয়ে যায়। ফলে ধীরে ধীরে হাড়ের ঘনত্ব কমতে থাকে।

তার মতে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো এই পরিবর্তনের শুরুতে সাধারণত কোনো স্পষ্ট লক্ষণ দেখা যায় না। না থাকে ক্লান্তি, না থাকে দৃশ্যমান দুর্বলতা। দীর্ঘদিন নীরবে হাড় ক্ষয় হতে থাকে, পরে গিয়ে সেটি ভাঙন বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হিসেবে ধরা পড়ে।

শুরুতে হাড় ক্ষয় টের পাওয়া যায় না

হাড় দুর্বল হওয়ার সবচেয়ে জটিল দিক হলো, প্রথম দিকে এটি শরীরে তেমন কোনো অনুভূতি তৈরি করে না। ফলে অনেকেই ধরে নেন সবকিছু স্বাভাবিক আছে।

প্রথম দিকের কিছু লক্ষণ হতে পারে—

উচ্চতা সামান্য কমে যাওয়া

মাঝেমধ্যে পিঠে ব্যথা

সামান্য পড়ে গেলেও হাড় ভেঙে যাওয়া

তবে এসব লক্ষণ দেখা দেওয়ার সময় পর্যন্ত হাড়ের ঘনত্ব অনেকটাই কমে যেতে পারে।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অব হেলথ-এ প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়েছে, ভারতে বিশেষ করে ৪০ বছরের বেশি বয়সী নারীদের মধ্যে অস্টিওপোরোসিস অনেক ক্ষেত্রেই ধরা পড়ে তখনই, যখন হাড় ভেঙে যায়।

অস্টিওপোরোসিস আসলে কী?

অনেকে অস্টিওপোরোসিসকে শুধু ‘হাড় দুর্বল হওয়া’ বলে ভাবেন। কিন্তু এটি আসলে হাড়ের গঠনগত পরিবর্তন।

স্বাভাবিক হাড়কে যদি ঘন স্পঞ্জের সঙ্গে তুলনা করা হয়, তাহলে অস্টিওপোরোসিসে সেই স্পঞ্জের ভেতরে বড় বড় ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। ফলে হাড় হালকা, ভঙ্গুর ও চাপ সহ্য করতে অক্ষম হয়ে পড়ে।

নারীদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়ে কেন?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু বয়স নয়; জীবনযাপন, হরমোন এবং শারীরিক পরিবর্তনের কারণেও নারীদের হাড় দ্রুত দুর্বল হতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তন

ইস্ট্রোজেন হরমোন হাড়কে সুরক্ষা দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মেনোপজের আগেই এই হরমোনের মাত্রা ওঠানামা শুরু হয়। সেই পরিবর্তন ধীরে ধীরে হাড়ের শক্তিতে প্রভাব ফেলে।

ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি

ব্যস্ত নগরজীবনে অনেক নারীর শরীরে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি পৌঁছায় না। এনআইএইচ-এর একাধিক গবেষণায় ভারতীয় নারীদের মধ্যে ব্যাপক ভিটামিন ডি ঘাটতির তথ্য উঠে এসেছে।

কম শারীরিক পরিশ্রম

হাড় শক্ত রাখতে শরীরচর্চা জরুরি। হাঁটা, ব্যায়াম বা ওজন বহনের মতো কাজ শরীরকে হাড় মজবুত রাখতে সংকেত দেয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় বসে কাজ করার অভ্যাস সেই প্রক্রিয়াকে দুর্বল করে।

গর্ভধারণ ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকালে শরীর থেকে প্রচুর ক্যালসিয়াম ব্যবহার হয়। সঠিকভাবে পুষ্টি পূরণ না হলে হাড়ের রিজার্ভ কমে যেতে পারে, যা কখনো কখনো দীর্ঘ সময় পর্যন্ত প্রভাব ফেলতে পারে।

যে পরীক্ষাটি অনেক নারী দেরিতে করেন

হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করার জন্য ডেক্সা স্ক্যান করা হয়। এটি সহজ, ব্যথাহীন এবং খুব কম সময়ের একটি পরীক্ষা।

তবু অধিকাংশ নারী এই পরীক্ষা করানোর কথা ভাবেন অনেক দেরিতে। অনেকের ধারণা, হাড়ের পরীক্ষা শুধু বয়স্কদের জন্য প্রয়োজন। এই ভুল ধারণার কারণেই প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যা ধরা পড়ে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সময়মতো স্ক্রিনিং ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে হাড় ভাঙার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।

হাড় ক্ষয় ধীর করতে কী করবেন?

৩৫-এর পর শরীর আগের মতো দ্রুত হাড় তৈরি করতে না পারলেও সঠিক যত্নে ক্ষয় ধীর করা সম্ভব।

বিশেষজ্ঞরা যেসব অভ্যাসে গুরুত্ব দিচ্ছেন—

নিয়মিত হাঁটা, যোগব্যায়াম বা ওজন বহনের ব্যায়াম

খাবারের মাধ্যমে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ

প্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকা, যাতে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়

স্ট্রেন্থ ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে হাড় ও পেশি শক্ত রাখা

গুরুতর ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। কখনো কখনো হাড় ভাঙার কারণে ভার্টিব্রোপ্লাস্টি বা জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্টের মতো চিকিৎসাও লাগতে পারে।

যে বিষয়টি নিয়ে খুব কম কথা হয়

৩৫-এর পর হাড় ক্ষয় নাটকীয়ভাবে শুরু হয় না। এটি ধীরে ধীরে, নীরবে শরীরে জায়গা করে নেয়। আর ঠিক এ কারণেই বিষয়টি অনেক সময় গুরুত্ব পায় না।

ত্বকের যত্ন নিয়ে আলোচনা হয়, ওজন নিয়ে উদ্বেগ থাকে; কিন্তু হাড়ের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তুলনামূলক অনেক কম।

অথচ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর প্রভাব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখন সুস্থ হয়ে উঠতেও সময় বেশি লাগে, জটিলতাও বাড়ে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২০

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৬:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, আহত ২০

ফরিদপুরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের করিমপুর এলাকায় দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকাগামী রয়েল পরিবহন এবং মাগুরাগামী আপন পরিবহনের দুটি বাস করিমপুর এলাকায় মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের ফলে উভয় বাসের অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হন।

স্থানীয় লোকজন, কোতোয়ালি থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

ফরিদপুর কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কোতোয়ালী থানা পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে দুর্ঘটনাকবলিত বাস দুটি মহাসড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন স্থগিত

আগামী ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির ২০২৬-২০২৯ মেয়াদের নির্বাচন। তবে আদালতের আদেশে আপাতত সেই নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে ফরিদপুরের বিজ্ঞ সিভিল জজ আদালতের বিচারক রুমানা আক্তার এ সংক্রান্ত স্থগিতাদেশ প্রদান করেন।

বিষয়টি ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ মো. আবু জাফর।

জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট বিশ্বজিৎ গাঙ্গুলী নির্বাচন স্থগিত চেয়ে আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা দায়ের করেন। মামলাটির নম্বর ৩৯৪/২০২৬। মামলার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি শেষে আদালত আগামী ৪ জুলাই নির্ধারিত ফরিদপুর ডায়াবেটিক সমিতির নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দেন।

তবে মামলার আবেদনে কী কী বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির তারিখ কবে নির্ধারণ করা হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

এদিকে আদালতের এ আদেশের ফলে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

ফ্রিজের আয়ু বাড়ানোর সহজ উপায়, এক পলকে দেখে নিন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ
ফ্রিজের আয়ু বাড়ানোর সহজ উপায়, এক পলকে দেখে নিন

একটা ভালো মানের ফ্রিজ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে ১২ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত সার্ভিস দেয়। কিন্তু বাংলাদেশে অনেক পরিবারে দেখা যায় সাত-আট বছরেই ফ্রিজ ঘন ঘন সমস্যা করতে শুরু করে। এর পেছনে যন্ত্রের দোষ কম, ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভ্যাসের দোষ বেশি।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফ্রিজের বাড়তি চাপ:

ইউরোপ বা আমেরিকার তুলনায় বাংলাদেশে ফ্রিজের উপর চাপ অনেক বেশি। গরমের মাসগুলোতে তাপমাত্রা ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়। বাইরের তাপমাত্রা বেশি হলে ফ্রিজের কম্প্রেসরকে বেশি কাজ করতে হয়। এর সাথে যোগ হয় লোডশেডিংয়ের সমস্যা। বিদ্যুৎ চলে গিয়ে ফিরে আসার সময় ভোল্টেজের ওঠানামা কম্প্রেসরের জন্য সবচেয়ে বড় ক্ষতির কারণ। এই চাপ কমাতে সহজ কিছু অভ্যাস মেনে চললে ফ্রিজের আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করুন:

লোডশেডিংয়ের পর বিদ্যুৎ ফিরলে প্রায়ই ভোল্টেজ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বা কম থাকে। এই অবস্থায় কম্প্রেসর চালু হলে মোটরে অতিরিক্ত চাপ পড়ে এবং ধীরে ধীরে ক্ষতি হয়। ভালো মানের ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার ব্যবহার করলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখবেন না:

রান্নার পরপরই গরম খাবার ফ্রিজে রাখলে ফ্রিজের ভেতরের তাপমাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে কম্প্রেসরকে অনেক বেশি কাজ করতে হয়। খাবার ঘরের তাপমাত্রায় ঠান্ডা হওয়ার পর ফ্রিজে রাখুন।

পেছনের কয়েল পরিষ্কার রাখুন:

ফ্রিজের পেছনে বা নিচে কালো রঙের কুণ্ডলী পাকানো যে অংশটা থাকে সেটা কনডেন্সার কয়েল। এই কয়েলে ধুলো জমলে তাপ ছাড়তে পারে না, ফলে কম্প্রেসর বেশি চলতে হয়। প্রতি ছয় মাসে একবার নরম ব্রাশ দিয়ে এই কয়েল পরিষ্কার করুন।

দরজার রাবার সিল পরীক্ষা করুন:

ফ্রিজের দরজার চারপাশে রাবারের সিল থাকে যেটা ঠান্ডা বাতাস বের হতে দেয় না। এই সিল নষ্ট হলে বা আলগা হলে ঠান্ডা বাতাস বের হয়ে যায় এবং কম্প্রেসর সারাক্ষণ চলতে থাকে। একটা সহজ পরীক্ষা হলো দরজায় একটা কাগজ রেখে বন্ধ করুন, সহজেই টেনে বের করতে পারলে সিল দুর্বল হয়ে গেছে।

ফ্রিজের চারপাশে বাতাস চলাচলের জায়গা রাখুন:

দেয়াল বা আসবাবপত্রের একদম সাথে লাগিয়ে ফ্রিজ রাখলে কনডেন্সারের তাপ বের হতে পারে না। ফ্রিজের পেছনে এবং দুই পাশে কমপক্ষে চার থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার ফাঁকা রাখুন।

অতিরিক্ত ঠেসে ভরবেন না:

ফ্রিজের ভেতর বায়ু চলাচল না হলে সব জায়গায় সমান ঠান্ডা পৌঁছায় না। কম্প্রেসর তখন বেশি কাজ করে। খাবার গুছিয়ে রাখুন যাতে ঠান্ডা বাতাস সব দিকে ছড়াতে পারে।

কখন বুঝবেন মেরামত নয়, বদলানোর সময় হয়েছে:

ফ্রিজের বয়স ১০ বছরের বেশি হলে এবং ঘন ঘন কম্প্রেসর বা কুলিং সমস্যা হলে মেরামতে টাকা ঢালা সবসময় বুদ্ধিমানের কাজ নয়। পুরনো ফ্রিজ বিদ্যুৎও বেশি খরচ করে। সেক্ষেত্রে *বাজারে নতুন ফ্রিজের মডেল ও দাম* [https://www.bdstall.com/refrigerator/] অনলাইনে দেখে তুলনা করে নেওয়াটা সময় ও অর্থ দুটোই বাঁচায়।

ফ্রিজ একটা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। একটু সচেতন থাকলে এবং সহজ কিছু অভ্যাস মেনে চললে একই ফ্রিজ অনেক বেশি সময় ধরে ভালো সার্ভিস দেবে।