খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

চোখ ভালো আছে কিনা বুঝবেন যেসব লক্ষণে

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ
চোখ ভালো আছে কিনা বুঝবেন যেসব লক্ষণে

চোখ আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছোট কোনো সমস্যাও যদি অবহেলা করা হয়, তাহলে তা বড় ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে। অনেক সময় দৃষ্টিশক্তি হঠাৎ কমে যায়, আবার কখনো ধীরে ধীরে সমস্যা বাড়ে। এসব পরিবর্তন আগে থেকে বুঝতে পারলে এবং সময়মতো ব্যবস্থা নিলে দৃষ্টিশক্তি রক্ষা করা সম্ভব। চোখের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকদের পরামর্শের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন।

দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার ধরন

দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। যেমন—

সেন্ট্রাল ভিশন লস: চোখের মাঝখানের অংশে স্পষ্টভাবে দেখতে অসুবিধা

পেরিফেরাল ভিশন লস: চারপাশের দিক বা কোণের দৃষ্টি কমে যাওয়া

সম্পূর্ণ দৃষ্টিহীনতা: পুরোপুরি দেখতে না পারা

নাইট ব্লাইন্ডনেস: কম আলো বা অন্ধকারে দেখতে সমস্যা

ঝাপসা দৃষ্টি: কুয়াশার মতো বা অস্পষ্টভাবে দেখা, শুধু ছায়া বা আকার বোঝা

হঠাৎ দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ

মাইগ্রেন

মাইগ্রেনের রোগীদের একটি বড় অংশের চোখে ভিজ্যুয়াল সমস্যা দেখা যায়। জিগজ্যাগ আলো, ঝিলিমিলি দেখা, টানেলের মতো দৃষ্টি বা এক পাশের দৃষ্টি হঠাৎ কমে যেতে পারে। সাধারণত এই সমস্যা ১০ থেকে ৩০ মিনিট স্থায়ী হয়।

কেরাটাইটিস

চোখের কর্নিয়ায় প্রদাহ হলে দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যেতে পারে। কনট্যাক্ট লেন্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়। চোখে ব্যথা ও লালভাবও থাকতে পারে। সঠিক চিকিৎসায় এটি সেরে যায়।

কনজাঙ্কটিভাইটিস বা পিঙ্ক আই

চোখ লাল হয়ে যাওয়া, জ্বালা ও ঝাপসা দেখার পাশাপাশি সাময়িকভাবে দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে নিজে থেকেই সেরে যায়, তবে সংক্রমণ হলে চিকিৎসা দরকার হয়।

চোখের ক্লান্তি

দীর্ঘ সময় মোবাইল, কম্পিউটার বা টিভির দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখে চাপ পড়ে। এতে দৃষ্টি ঝাপসা হতে পারে। এ ক্ষেত্রে ২০ মিনিট পরপর কিছুক্ষণ দূরে তাকানো উপকারী।

চোখে আঘাত

চোখে আঘাত লাগলে দৃষ্টিশক্তি সাময়িক বা স্থায়ীভাবে নষ্ট হতে পারে। এমন হলে দেরি না করে চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।

ধীরে ধীরে দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার কারণ

বয়সজনিত ম্যাকুলার ডিজেনারেশন

৫০ বছরের পর অনেকের চোখের মাঝখানের দৃষ্টি ধীরে ধীরে দুর্বল হতে থাকে।

গ্লুকোমা

চোখের স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে চারপাশের দৃষ্টি কমে যায়। শুরুতে তেমন লক্ষণ না থাকায় নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করা জরুরি।

ডায়াবেটিক রেটিনোপ্যাথি

ডায়াবেটিসের কারণে চোখের রেটিনার রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে দৃষ্টি হারানোর ঝুঁকি থাকে। নিয়মিত পরীক্ষা করলে আগেভাগে ধরা সম্ভব।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন

দৃষ্টিশক্তি কমে গেলে দেরি করা উচিত নয়। নিচের লক্ষণগুলোর যে কোনোটি দেখা গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন—

তীব্র মাথাব্যথা

কথা বলতে অসুবিধা

মুখ বেঁকে যাওয়া

শরীরের এক পাশে দুর্বলতা

চোখে তীব্র ব্যথা

কীভাবে চোখের যত্ন নেবেন

চোখকে বিশ্রাম দিন: স্ক্রিন ব্যবহার করার সময় নিয়মিত বিরতি নিন

সুরক্ষামূলক চশমা ব্যবহার করুন: খেলাধুলা বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজে চোখ ঢেকে রাখুন

সানগ্লাস পরুন: রোদে বের হলে অতিবেগুনি রশ্মি থেকে চোখ রক্ষা করুন

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করুন: ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করুন: সমস্যা না থাকলেও চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছে যান

পুষ্টিকর খাবার খান ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন: এতে চোখ সুস্থ থাকে

চোখের সামান্য পরিবর্তনকেও অবহেলা করা ঠিক নয়। সব ধরনের দৃষ্টিশক্তি হারানো প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও সচেতনতা, সঠিক অভ্যাস এবং সময়মতো চিকিৎসা চোখ ভালো রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। নিয়মিত যত্ন নিলে দীর্ঘদিন সুস্থ দৃষ্টি বজায় রাখা সম্ভব।

সূত্র: মেডিকেল নিউজ টুডে

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলাটিতে বাদীপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মামলাটিতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ হয়।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়।

তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাদের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ মামলায় ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।