খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

গাড়িতে তেল নেওয়ার পরিমাণ বেঁধে দিল বিপিসি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
গাড়িতে তেল নেওয়ার পরিমাণ বেঁধে দিল বিপিসি

মধ‍্যপ্রাচ‍্য পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমে গেছে। এতে দেশেও জ্বালানি তেলের সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে ফিলিং স্টেশনে ভিড় করছে এবং বেশি বেশি তেল কিনছে। তাই ফিলিং স্টেশন থেকে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

শুক্রবার (০৬ মার্চ) বিপিসির এক নির্দেশনায় বলা হয়, একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাবে ১০ লিটার তেল।

স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস দিনে পাবে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারবে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলারেরা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কিছু কিছু ভোক্তা ও ডিলার ফিলিং স্টেশন হতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে অননুমোদিতভাবে মজুত করার চেষ্টা করছেন মর্মে খবর প্রকাশ হচ্ছে, যা জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এবং বিপিসিসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

জনগণের আতঙ্ক কমানোর লক্ষ্যের কথা জানিয়ে নির্দেশনায় বলা হয়, দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য বিদেশ হতে আমদানি কার্যক্রম/সূচি নির্ধারিত রয়েছে। নিয়মিতভাবে চালান দেশে আনা হচ্ছে। পাশাপাশি ডিলারদের সাময়িকভাবে প্রধান স্থাপনা হতে সারা দেশের সব ডিপোতে নিয়মিতভাবে রেল ওয়াগন/ট্যাংকারের মাধ্যমে তেল পাঠানো হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশে জ্বালানি তেলের বাফার স্টক (পর্যাপ্ত মজুত) গড়ে উঠবে।

রসিদ দেখিয়ে তেল নিতে হবে

ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে রসিদ দিতে হবে এবং প্রতিবার তেল কেনার সময় আগের রসিদ দেখাতে হবে বলে উল্লেখ করা হয় নির্দেশনায়।

বিপিসি আরও বলেছে, ডিলারেরা বরাদ্দ ও ভোক্তার ক্রয় রসিদ গ্রহণ করে তেল সরবরাহ করবে। ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রির তথ‍্য ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল গ্রহণ করবে।

ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহের আগে বর্তমান বরাদ্দ ও মজুতের তথ‍্য পর্যালোচনা করে সরবরাহ করা হবে এবং কোনো অবস্থায় বরাদ্দের চেয়ে বেশি তেল দেওয়া যাবে না বলেও উল্লেখ করেছে বিপিসি।

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে আজ ছুটির দিনেও উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

যেমন পরিবাগে মেঘনা মডেল সার্ভিস সেন্টার ফিলিং স্টেশনের সামনে থেকে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে হয়ে শাহবাগ মেট্রোরেলের নিচ পর্যন্ত মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। লাইনে দাঁড়ানো নিয়ে মোটরসাইকেল দুপুর সোয়া ১২টার দিকে বেশ কয়েকজন মোটরসাইকেল চালকের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হতে দেখা যায়। কে কার আগে যাবেন, এ নিয়ে কেউ কেউ হাতাহাতিতে লিপ্ত হন।

৫০ মিনিট লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নিয়েছেন উবারচালক নাজমুল হাসান। তিনি শাহবাগ মেট্রোরেলের স্টেশনের নিচ থেকে তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়েছেন বলে জানান। প্রায় ৫০ মিনিট পর তেল নিতে পেরেছেন। এ সময়ে দুই থেকে তিনটি ভাড়া পেতেন বলে জানান এই চালক। বলেন, প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার তেল লাগে। অন্যদের মানুষদের অল্প হলেও চলে, কিন্তু এই তেল ছাড়া তাঁদের চলবে না।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলছে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে। ইরানও পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে যুদ্ধ। ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় জ্বালানি তেল নিয়ে সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ বলছে, জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। দেশে জ্বালানি তেলের মজুত ফুরিয়ে যায়নি। তবে অনেকে দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে তেল কিনছেন।

সূত্র : প্রথম আলো

ফরিদপুরে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২১

ফরিদপুরে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তানহা (১৮ মাস) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২১ জনে। একই সঙ্গে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬২ জন রোগী জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) হামের উপসর্গ নিয়ে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তানহাকে। সে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার হাসানদিয়া গ্রামের দ্বীন ইসলামের মেয়ে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার তার মৃত্যু হয়।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৬২ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪১ জন। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে হামের উপসর্গে আক্রান্ত ১৭৮ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু।

তিনি আরও বলেন, হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় অভিভাবকদের শিশুদের টিকাদান নিশ্চিত করার পাশাপাশি জ্বর, সর্দি, কাশি ও শরীরে লালচে দাগ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আগুন দিল জনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে আগুন দিল জনতা

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোনাখোলা গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী আয়ুব আলী ও ময়না বেগমের বাড়িঘর ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা। দীর্ঘদিন ধরে তারা স্বামী-স্ত্রী মিলে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ।

শুক্রবার (০৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার আলগী ইউনিয়নের সোনাখোলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সোনাখোলা গ্রামের বাসিন্দা আয়ুব আলী ও ময়না বেগম (স্বামী-স্ত্রী) দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ধরনের মাদক ব্যবসা করে আসছিলেন। কয়েকদিন আগে এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে তাদের বসতঘরে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্য ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে। পরে উদ্ধারকৃত মাদক ও অস্ত্র ধ্বংস করা হয়। তাদের মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে বারবার অনুরোধ জানান। কিন্তু তারা এলাকাবাসীর অনুরোধ কর্ণপাত না করে তাদের মাদককারবারী চালিয়ে আসছিল। এ ঘটনার জের ধরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের এলাকা থেকে উচ্ছেদের দাবিতে তাদের বাড়িঘরে ভাঙচুর চালায় বলে জানা গেছে।

একাধিক এলাকাবাসী বলেন, বারবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগ দিয়েও তাদের মাদক ব্যবসা বন্ধ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এলাকার যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নিয়েছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, মাদক সমাজকে ধ্বংস করে। আমরা চাই আমাদের সন্তানরা সুন্দর পরিবেশে বেড়ে উঠুক। তাই মাদকের বিরুদ্ধে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। সোনাখোলার মতো প্রতিটি এলাকায় সচেতন জনগণ ঐক্যবদ্ধ হলে মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব।

এ বিষয়ে জানতে আলগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ম.ম.সিদ্দিক মিঞার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো সম্ভব হবে।

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রাতভর নিখোঁজ, সকালে পদ্মায় মিলল ট্রাক্টরচালকের মরদেহ

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে রাতভর নিখোঁজ, সকালে পদ্মায় মিলল ট্রাক্টরচালকের মরদেহ

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীর পাড়ের আমন ধানের জমিতে চাষ গিতে গিয়ে ট্যাফে ট্রাক্টর উল্টে জয় বিশ্বাস (২০) নামের এক ড্রাইভারের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (০৫ জুন) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার চর ঝাউকান্দা ইউনিয়নের বালুরঘাট গ্রামের পদ্মা নদীর পাড় থেকে ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় লোকজন ও পুলিশের সহায়তায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত জয় বিশ্বাস ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের বাসিন্দা গোলাম আলী বিশ্বাসের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার (৩ মে) চরভদ্রাসন উপজেলার চর ঝাউকান্দা ইউনিয়নের বালুরঘাট গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর মাহিন্দ্র ট্রাক্টরের চালক ছিলেন জয়।
গত দুইদিনই  জয় বিশ্বাস মোহাম্মদ আলীর ট্যাফে ট্রাক্টর দিয়ে কৃষিজমি চাষাবাদের কাজ করছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ট্রাক্টর দিয়ে জয় নদীর তীরবর্তী জমিতে চাষ দিচ্ছিল। এসময় সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পরে প্রায় পুরোটাই ডুবে যায়।এতে ট্রাক্টরের  চালক জয় বিশ্বাস ট্রাক্টরের নিচে আটকা পড়েন। রাতে তার সাথে আর কেউ না থাকায় বিষয়টি টের পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে  স্থানীয় লোকজন নদীতে ট্রাক্টরের চাকা ও অন্যান্য অংশ ভাসতে দেখে থানায় খবর দেন। পরে চরভদ্রাসন ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বেলা ১১টার দিকে ওই চালকের মরদেহ উদ্ধার করে।

চরভদ্রাসন ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ওহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। ট্রাক্টরটি নদীর পাড়ে কিছুটা তলিয়ে গিয়েছিল পুরোটা ডুবে ছিল না।

তিনি বলেন, আমরা ধারণা করছি চালকের ঘুম এসে যাওয়ায় বা নদীর পাড়ের মাটি ভেঙে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চরভদ্রাসন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হক বিশ্বাস বলেন, আমরা লাশ উদ্ধারের পর সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছি। নিহতের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। তাদের সাথে আলাপ করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।