খুঁজুন
বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

মুখে দুর্গন্ধ কেন হয়? সহজ সমাধান জানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ
মুখে দুর্গন্ধ কেন হয়? সহজ সমাধান জানুন

মুখের দুর্গন্ধ কিংবা হ্যালিটোসিসের প্রধান কারণ হলো— মুখের ভেতরে জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া, যা দাঁত, মাড়ি ও জিহ্বায় খাদ্যকণা পচিয়ে সালফার গ্যাস তৈরি করে থাকে। অপরিষ্কার মুখগহ্বর, দাঁতের প্লাক, মাড়ির রোগ, শুষ্ক মুখ, ধূমপান এবং পেঁয়াজ-রসুনজাতীয় খাবার এ সমস্যা বাড়িয়ে তোলে। এ ছাড়া গ্যাস্ট্রিক, সাইনাস কিংবা টনসিলের সমস্যাও এর কারণ হতে পারে।

সাধারণত মুখের দুর্গন্ধের মূল কারণ হচ্ছে— মুখের ভেতরের মাইক্রোবায়োম বা ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া। মুখে দুর্গন্ধ বা হ্যালিটোসিস একটি খুব সাধারণ সমস্যা। মুখ থেকে দুর্গন্ধ বেরোলে তা অত্যন্ত অস্বস্তিকরও বটে। এর পেছনে থাকা কারণগুলো অনেকেই ঠিকভাবে জানেন না। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কোন কারণে মুখে দুর্গন্ধ হয়।

ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট

আমাদের মুখের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে অনেক ধরনের ভালো কিংবা খারাপ ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন এই ব্যালান্স ঠিক থাকে, তখনই মুখে কোনো সমস্যা হয় না। আর কিছু কারণে এই ভারসাম্য নষ্ট হলে খারাপ ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বাড়তে থাকে এবং তারা সালফারজাতীয় যৌগ তৈরি করে, যার ফলে মুখে দুর্গন্ধ হয়।

ডায়েট নিয়ন্ত্রণ

আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসও একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পেঁয়াজ, রসুন, মসলাদার খাবার খাওয়ার পর মুখে দুর্গন্ধ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে যদি দুর্গন্ধ থাকে, তাহলে তা শরীরের অন্য সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। এই যেমন মাড়ির রোগ, সংক্রমণ কিংবা হজমের সমস্যা।

মুখ শুকিয়ে যাওয়া

মুখ শুকিয়ে যাওয়াও এ সমস্যার একটি বড় কারণ। লালা বা স্যালাইভা মুখের ব্যাকটেরিয়া নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু যখন লালা কম তৈরি হয়, তখন ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং দুর্গন্ধ বাড়ে। দীর্ঘ সময় না খাওয়া, কম পানি পান করা কিংবা কিছু ওষুধের কারণে এ সমস্যা হতে পারে।

দাঁত পরিষ্কার করা

মুখে দুর্গন্ধের অন্যতম বড় একটি কারণ হচ্ছে— সঠিকভাবে দাঁত পরিষ্কার না করা। অনেক সময় আমরা শুধু দাঁত ব্রাশ করি, কিন্তু জিহ্বা পরিষ্কার করি না। জিহ্বার ওপর জমে থাকা ব্যাকটেরিয়া থেকেই দুর্গন্ধ বেশি হয়ে থাকে। এ ছাড়া দাঁতের ফাঁকে খাবার আটকে থাকলেও তা পচে গিয়ে বাজে গন্ধ তৈরি হয়।

সুতরাং সমস্যা এড়াতে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ সমস্যা এড়াতে প্রতিদিন অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করা, জিহ্বা পরিষ্কার করা, নিয়মিত ফ্লস ব্যবহার করা এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা ভীষণ জরুরি। এর পাশাপাশি নিয়মিত ডেন্টিস্টের কাছে চেক-আপ করানোও প্রয়োজন বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র : যুগান্তর

 

সঙ্গী আপনাকে আর্থিকভাবে ঠকাচ্ছেন কি না, খেয়াল করুন ৫ লক্ষণ

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:১২ পূর্বাহ্ণ
সঙ্গী আপনাকে আর্থিকভাবে ঠকাচ্ছেন কি না, খেয়াল করুন ৫ লক্ষণ

দাম্পত্য জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো পারস্পরিক বিশ্বাস। কিন্তু বর্তমান সময়ে অনেক সুখী গৃহকোণ বিষিয়ে দিচ্ছে একটি নীরব সমস্যা; যাকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন ‘আর্থিক বিশ্বাসঘাতকতা’।

আমাদের সামাজিক প্রেক্ষাপটে বিয়ের জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন আর বাজেটিং নিয়ে মাসের পর মাস পরিকল্পনা চললেও, বিয়ের পর সংসার খরচ কীভাবে চলবে তা নিয়ে দম্পতিরা খুব কমই খোলামেলা আলোচনা করেন। সবাই ধরে নেন যে বিয়ের পর সবকিছু ‘এমনিতেই’ ঠিক হয়ে যাবে, কিন্তু এই আলোচনার অভাবই মূলত ভবিষ্যতের বড় কোনো ঝামেলার সূত্রপাত করে।

আর্থিক প্রতারণা বা বিশ্বাসঘাতকতা মানেই যে কেবল বড় কোনো জালিয়াতি বা ব্যাংক ব্যালেন্স খালি করে দেওয়া, তা কিন্তু নয়। অনেক সময় এটি শুরু হয় খুব ছোট ছোট গোপনীয়তা বা অস্বচ্ছতা থেকে। যেমন: সঙ্গীর কাছে নিজের ব্যয়ের কথা গোপন করা, আয়ের তথ্য লুকিয়ে রাখা কিংবা দাম্পত্যকে অংশীদারিত্বের বদলে কেবল নিজের আর্থিক নিরাপত্তার মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। যখন সম্পর্কের মাঝে অর্থের এই অস্বচ্ছতা চলে আসে, তখন তা কেবল পকেটে টান ফেলে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বাসের ভিতকেও নাড়িয়ে দেয়।

আপনার জীবনসঙ্গী কি সচেতনভাবে বা নিজের অজান্তেই আপনাকে আর্থিকভাবে ঠকাচ্ছেন? নিচের ৫টি লক্ষণের মাধ্যমে আপনি বিষয়টি সহজে বুঝে নিতে পারেন—

১. তোমার আয় সংসারের জন্য, আমারটা কেবল জমানোর জন্য

অনেক পরিবারেই দেখা যায় স্বামীর বেতন থেকে সব খরচ; যেমন ইএমআই, ঘর ভাড়া, স্কুলের ফি, বাজার, এমনকি ছোটখাটো অনলাইন অর্ডারের বিলও মেটানো হয়। অন্যদিকে স্ত্রীর আয় সম্পূর্ণ আলাদাভাবে কেবল নিজের নামে সঞ্চয় করা হচ্ছে। সঞ্চয় করা অবশ্যই ভালো অভ্যাস, কিন্তু যখন ভারসাম্য থাকে না এবং একজন সব খরচ করে নিঃস্ব হয়ে যান আর অন্যজন গোপনে নিজের সম্পদ (যেমন এফডি, সোনা বা জমি) বাড়াতে থাকেন, তখন সেখানে অস্বচ্ছতা কাজ করে। বিয়ের সম্পর্ক হওয়া উচিত পারস্পরিক অংশীদারিত্বের, যেখানে অন্তত খরচের ব্যাপারে সঠিক তথ্য আদান-প্রদান থাকবে।

২. নিজের পরিবারের জন্য মুক্তহস্ত কিন্তু আপনার পরিবারে অনীহা

এটি অনেক সময় সম্পর্কের মধ্যে তিক্ততার সৃষ্টি করে। স্ত্রী যদি নিজের পরিবারের বা ভাই-বোনের প্রয়োজনে বড় অংকের টাকা খরচ করতে দ্বিধা না করেন, কিন্তু স্বামীর বাবা-মায়ের প্রয়োজনে খরচ করতে গেলেই তাকে ‘অপ্রয়োজনীয় ব্যয়’ বা ‘ভুল পরিকল্পনা’ বলে অভিহিত করেন, তবে তা একটি অশঙ্কাজনক লক্ষণ। এই ধরণের বৈষম্য দাম্পত্যে দীর্ঘস্থায়ী ক্ষোভের জন্ম দেয়।

৩. কেনাকাটা, সঞ্চয় বা ঋণের গোপনীয়তা

বর্তমানে ডিজিটাল পেমেন্ট ও অনলাইন শপিংয়ের যুগে টাকা খরচ করা বা গোপন করা অনেক সহজ হয়ে গেছে। যদি দেখেন ঘরে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পার্সেল আসছে কিন্তু আপনি জানেন না এর টাকা কোথা থেকে আসছে, অথবা তিনি আপনার অজান্তে ক্রেডিট কার্ড বা লোন নিচ্ছেন; তবে বুঝতে হবে সম্পর্কে স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে। কেনাকাটা করা দোষের কিছু নয়, কিন্তু বড় কোনো আর্থিক সিদ্ধান্ত বা খরচ যদি জানাজানি হওয়ার ভয়ে গোপন করা হয়, তবে তা কেবল টাকার সমস্যা নয়, বরং বিশ্বাসের ঘাটতি।

৪. আবেগী ব্ল্যাকমেইল বা মানসিক চাপ সৃষ্টি

অপ্রয়োজনীয় খরচ নিয়ে কোনো যৌক্তিক প্রশ্ন তুললে যদি আপনাকে ‘কিপটে’, ‘অসাপোর্টিভ’ বা ‘সংকীর্ণমনা’ বলে অপবাদ দেওয়া হয়, তবে এটি আর্থিক নিয়ন্ত্রণের একটি কৌশল হতে পারে। অনেক সময় সামাজিক মর্যাদা রক্ষার চাপে পড়ে স্বামীরা লোন নিতে বা সঞ্চয় ভাঙতে বাধ্য হন, যা শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যক্তিগত আর্থিক লক্ষ্যগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সুস্থ দম্পতিরা অর্থের বিষয়ে একটি দলের মতো আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন।

৫. দাম্পত্যকে কেবল ‘আর্থিক নিরাপত্তা’ হিসেবে দেখা

আপনার সম্পর্কটি কি সত্যিই একটি অংশীদারিত্ব নাকি কেবল একজনের জন্য আর্থিক নিরাপত্তার মাধ্যম? স্ত্রী যদি আর্থিকভাবে সচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও যৌথ দায়িত্ব নিতে অনীহা প্রকাশ করেন এবং কেবল আপনার আয়ের ওপর নির্ভরশীল হয়ে নিজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে চান, তবে তা দাম্পত্যের মূল আদর্শের পরিপন্থী। আধুনিক দাম্পত্যে দায়িত্ব কেবল একজনের কাঁধে থাকা সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রস্রাবের এই ৬ উপসর্গ ‘নীরব ক্যানসারের’ সংকেত

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:০৩ পূর্বাহ্ণ
প্রস্রাবের এই ৬ উপসর্গ ‘নীরব ক্যানসারের’ সংকেত

দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততায় আমরা অনেকেই শরীরের ছোটখাটো অস্বস্তিকে গুরুত্ব দিই না। প্রস্রাবের সময় সামান্য জ্বালাপোড়া, রাতে বারবার বাথরুমে যাওয়া কিংবা কোমরের নিচের দিকে হালকা ব্যথা—এমন উপসর্গগুলোকে আমরা সাধারণত পানিশূন্যতা, ধকল, বয়স বা সাধারণ ইনফেকশন বলে এড়িয়ে চলি।

কিন্তু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, শরীর অনেক সময় খুব সাধারণভাবেই বড় কোনো বিপদের আগাম বার্তা দেয়। প্রস্রাবের এই সাধারণ সমস্যাগুলোই হতে পারে মূত্রনালি, মূত্রাশয়, কিডনি বা প্রোস্টেট ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ।

নীরব ঘাতক যখন ক্যানসার

মূত্রতন্ত্রের ক্যানসারগুলো অত্যন্ত নিঃশব্দে শরীরে বাসা বাঁধে। ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, মূত্রাশয় বা কিডনির ক্যানসার যদি ছড়িয়ে পড়ার আগেই শনাক্ত করা যায়, তবে তা নিরাময় করা অনেক সহজ হয়। কিন্তু অবহেলার কারণে রোগটি ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসা যেমন জটিল হয়ে ওঠে, তেমনি তা শারীরিক ও আর্থিকভাবেও বিপর্যয় ডেকে আনে।

যে ৬টি লক্ষণ কখনোই এড়িয়ে যাবেন না

চিকিৎসকদের মতে, প্রস্রাবের নিম্নলিখিত পরিবর্তনগুলো দেখলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি:

প্রস্রাবের সাথে রক্ত: এটি সবচেয়ে আশঙ্কাজনক লক্ষণ। ব্যথা ছাড়াই যদি প্রস্রাবের সাথে মাত্র একবারও রক্ত দেখা যায়, তবে তাকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়।

ঘন ঘন প্রস্রাবের বেগ: বিশেষ করে রাতে যদি বারবার বাথরুমে যেতে হয়, তবে তা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া: সাধারণ ইনফেকশন ভেবে প্রস্রাবের সময়ের জ্বালাপোড়াকে দীর্ঘকাল অবহেলা করা ঠিক নয়।

প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণে সমস্যা: প্রস্রাবের বেগ ধরে রাখতে কষ্ট হওয়া কিংবা প্রস্রাবের ধারা বা ফ্লো দুর্বল হয়ে যাওয়া।

অব্যাহত বেগ অনুভব করা: প্রস্রাব করার পরও মনে হওয়া যে আরও প্রস্রাব বাকি আছে অথবা সারাক্ষণ একটি তাগিদ অনুভব করা।

তলপেট বা পিঠে ব্যথা: তলপেটে অস্বস্তি কিংবা কোমরের নিচের দিকে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা হওয়া।

কেন দ্রুত শনাক্তকরণ জরুরি?

রেডিয়েশন অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. অনিল থাকওয়ানি জানান, ‘অনেকে বয়সজনিত সমস্যা মনে করে এসব লক্ষণ লুকিয়ে রাখেন। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী এই উপসর্গগুলো মূত্রনালির ক্যানসারের ইঙ্গিত হতে পারে। রোগ দেরিতে ধরা পড়লে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়’। আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে প্রাথমিক পর্যায়ে ক্যানসার ধরা পড়লে সার্জারি বা রেডিয়েশনের মাধ্যমে তা সফলভাবে নিরাময় সম্ভব।

কারা বেশি ঝুঁকিতে আছেন?

৫০ বছরোর্ধ্ব ব্যক্তি, ধূমপায়ী এবং যারা কলকারখানার রাসায়নিকের সংস্পর্শে কাজ করেন, তাদের ঝুঁকি বেশি। বিশেষ করে ধূমপান মূত্রাশয় ক্যানসারের অন্যতম প্রধান কারণ। এ ছাড়া পরিবারের কারও ক্যানসার ইতিহাস থাকলেও সতর্ক থাকতে হবে।

লজ্জা নয়, সচেতনতাই জীবন বাঁচায়

আমাদের সমাজে অনেকেই প্রস্রাবের সমস্যা নিয়ে কথা বলতে দ্বিধা বা লজ্জা বোধ করেন। এই লজ্জার কারণে চিকিৎসা নিতে দেরি হয়, যা শেষ পর্যন্ত জীবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়ায়। মনে রাখবেন, মাত্র কয়েক দিনের অবহেলা ভবিষ্যতে কঠিন লড়াইয়ের কারণ হতে পারে। শরীর কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখালে লজ্জা ঝেড়ে ফেলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

ফরিদপুরের সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই ভূমিসেবা মেলার আয়োজন করা হয়। মেলার শুরুতে উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন, সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ সহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণকে এখন অনেক দ্রুত ও সহজে ভূমিসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডিজিটাল এই সেবার সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি ভোগ করতে পারেন, সেটাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ভূমি সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।