খুঁজুন
সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১৪ বৈশাখ, ১৪৩৩

গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে থাকছে না? জানুন মুক্তির ৫ উপায়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৩ পূর্বাহ্ণ
গুরুত্বপূর্ণ কথা মনে থাকছে না? জানুন মুক্তির ৫ উপায়

চাবি কোথায় রাখলেন মনে পড়ছে না? কিংবা খুব জরুরি কোনো মিটিংয়ের কথা একেবারেই মাথা থেকে বেরিয়ে গেছে? ব্যস্ত জীবনে অল্পস্বল্প ভুলে যাওয়া স্বাভাবিক।

তবে এই প্রবণতা যদি নিয়মিত হতে শুরু করে, তখন তা আর হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে অনেক সময় ‘ব্রেন ফগ’ বলা হয়।

তবে আশার কথা, সঠিক জীবনযাপন ও কিছু কার্যকর কৌশল মেনে চললে স্মৃতিশক্তিকে আবার শাণিত করা সম্ভব।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, দরকারি কথা ভুলে যাওয়ার কারণ কী এবং কীভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

কেন আমরা দরকারি কথা ভুলে যাই?

স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার পেছনে শুধু বয়স নয়, আধুনিক জীবনের কিছু অভ্যাসও বড় ভূমিকা রাখে—

মাল্টিটাস্কিং

একসঙ্গে অনেক কাজ করতে গিয়ে মস্তিষ্ক কোনো একটি বিষয়ে গভীর মনোযোগ দিতে পারে না। ফলে তথ্য ঠিকভাবে জমা থাকে না।

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব

ঘুমের সময়ই আমাদের মস্তিষ্ক সারাদিনের তথ্য ও স্মৃতিগুলোকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। ঘুম কম হলে এই প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ

অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা মস্তিষ্কের ‘হিপোক্যাম্পাস’ অংশকে প্রভাবিত করে, যা স্মৃতি ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুষ্টির ঘাটতি

ভিটামিন বি-১২ ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের অভাব স্মৃতিশক্তি দুর্বল করে দিতে পারে।

ভুলে যাওয়ার সমস্যা থেকে মুক্তির ৫টি বৈজ্ঞানিক কৌশল

১. ‘মোনোটাস্কিং’ বা এক কাজে মন দিন

মাল্টিটাস্কিংয়ের বদলে এক সময়ে একটিই কাজ করুন। কোনো জরুরি কথা শুনলে বা পড়লে মোবাইল ও অন্যান্য বিক্ষিপ্ততা দূরে রাখুন। মনোযোগ যত গভীর হবে, স্মৃতি তত দীর্ঘস্থায়ী হবে।

২. নামতা বা পাজল সমাধানের অভ্যাস গড়ুন

সুডোকু, শব্দজব্দ, দাবা কিংবা নামতার চর্চার মতো ‘ব্রেন গেম’ মস্তিষ্ককে সক্রিয় রাখে। প্রতিদিন নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করলে নিউরনগুলো সচল থাকে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়ক।

৩. ‘ভিজ্যুয়ালাইজেশন’ পদ্ধতি ব্যবহার করুন

কোনো তথ্য মনে রাখতে সেটিকে একটি ছবির সঙ্গে মিলিয়ে নিন। যেমন— কারও নাম মনে রাখতে হলে তার চেহারার কোনো বিশেষ বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে নামটি জুড়ে দিন। তথ্যের চেয়ে ছবি মস্তিষ্কে দ্রুত ও দীর্ঘসময় ধরে থাকে।

৪. মেডিটেশন ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস

প্রতিদিন ১০-১৫ মিনিট ধ্যান বা মেডিটেশন করলে মস্তিষ্কের কর্টেক্স পুরু হয় এবং মনোযোগ বাড়ে। পাশাপাশি খাদ্যতালিকায় আখরোট, ডার্ক চকোলেট, গ্রিন টি ও পালংশাকের মতো ‘ব্রেন ফুড’ রাখুন।

৫. লিখে রাখার অভ্যাস করুন

ডিজিটাল যুগে সবকিছু ফোনে সেভ করলেও, কাগজে-কলমে লিখলে তা মস্তিষ্কে বেশি গেঁথে যায়। গুরুত্বপূর্ণ কাজের তালিকা বা ‘টু-ডু লিস্ট’ তৈরি করলে মস্তিষ্কের বাড়তি চাপও কমে।

কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

যদি ভুলে যাওয়ার ধরন এমন হয় যে, পরিচিত মানুষের নাম একেবারেই মনে করতে পারছেন না, বা চেনা রাস্তা হারিয়ে ফেলছেন, তাহলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের (Neurologist) পরামর্শ নিন। এটি ভিটামিন বি-১২-এর তীব্র অভাব কিংবা প্রাথমিক ডিমেনশিয়ার লক্ষণও হতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

ফরিদপুরের পদ্মার সেই কুমির ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার, ফিরবে নোনা পানিতে

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের পদ্মার সেই কুমির ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার, ফিরবে নোনা পানিতে

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলের বরশিতে আটকা পড়া একটি কুমিরকে প্রায় ৯ ঘণ্টা পর উদ্ধার করেছে খুলনা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিশেষ টিম।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের কাজী বাড়ির খেয়াঘাট এলাকা থেকে কুমিরটি উদ্ধার করা হয়।

এর আগে সকালে উপজেলার গোপালপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় জেলেদের ফেলা হাজাইরা বরশিতে কুমিরটি আটকা পড়ে। পরে স্থানীয় জেলেরা কুমিরটিকে নিরাপদে উদ্ধার করে কাজী বাড়ির ঘাটে নিয়ে আসেন এবং প্রশাসনকে খবর দেন।

খবর পেয়ে সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে কুমিরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। বিকেলে খুলনা থেকে আসা বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে কুমিরটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

খুলনা বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা তন্ময় আচার্য জানান, উদ্ধার করা কুমিরটি একটি পুরুষ নোনা পানির প্রজাতির। সাধারণত এ ধরনের কুমির সমুদ্র বা উপকূলীয় লবণাক্ত পানিতে বাস করে। তবে জোয়ার-ভাটা, খাদ্যের সন্ধান কিংবা প্রাকৃতিক কারণে মাঝে মাঝে তারা মিঠা পানির নদীতেও চলে আসতে পারে।

তিনি আরও জানান, কুমিরটিকে প্রথমে খুলনায় নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। পরবর্তীতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপযুক্ত পরিবেশে—সম্ভবত নোনা পানির আবাসস্থলে—এটিকে অবমুক্ত করা হবে।

উদ্ধারে সহায়তাকারী জেলে স্বপন ব্যাপারী, রাজীব ব্যাপারী, রবিউল ব্যাপারী ও বিল্লাল খান জানান, প্রতিদিনের মতো তারা মাছ ধরতে গিয়ে হঠাৎ বরশিতে অস্বাভাবিক টান অনুভব করেন। পরে বুঝতে পারেন একটি বড় কুমির আটকা পড়েছে। ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তারা কুমিরটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই বন বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে কুমিরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। তিনি নদীতীরবর্তী এলাকাবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “যেহেতু নোনা পানির কুমির পাওয়া গেছে, তাই শিশু ও গবাদিপশু নিয়ে নদীতে নামার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি।”

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা চালানো হবে।

উল্লেখ্য, পদ্মা নদী কুমিরের স্বাভাবিক আবাসস্থল না হলেও অতীতে বিচ্ছিন্নভাবে এখানে কুমির দেখা যাওয়ার ঘটনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও খাদ্যের সন্ধান—এসব কারণেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে।

ফরিদপুরে বৃত্তি পরীক্ষার ১৫৪ শিক্ষার্থীর ওএমআর শিট উধাও, দুই কর্মকর্তা বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বৃত্তি পরীক্ষার ১৫৪ শিক্ষার্থীর ওএমআর শিট উধাও, দুই কর্মকর্তা বদলি

ফরিদপুর সদরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৫৪ জন শিক্ষার্থীর ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন) শিট কেন্দ্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের দুই কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার শেষ দিনে এ ঘটনা ঘটে। ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত “বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়” বিষয়ের পরীক্ষার সময় ফরিদপুর সদরের ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এসব ওএমআর শিট হারিয়ে যায়।

ভাটিলক্ষ্মীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি শহরের চুনাঘাটা মোড় এলাকায় অবস্থিত। এই কেন্দ্রে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষার শেষ দিনে ১৫৪ জন পরীক্ষার্থীর ওএমআর শিট নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি পরে ধরা পড়ে।

সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোশাররফ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শেষ দিনের পরীক্ষায় এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে জানান, ওএমআর শিট হারিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নে কোনো সমস্যা হবে না। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্ট ডিভিশন (আইএমডি) ইতোমধ্যে তথ্য পুনরুদ্ধার (রিকভার) করেছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর প্রশাসনিকভাবে তার এবং সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অজয় কুমার দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের ফরিদপুরের বাইরে বদলি করা হয়েছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে দোষ প্রমাণিত হলে আরও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন জানান, ওএমআর শিট হারানোর ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে এবং বিষয়টি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

ফরিদপুরের পদ্মায় জেলের বরশিতে ধরা পড়ল কুমির

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের পদ্মায় জেলের বরশিতে ধরা পড়ল কুমির

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে জেলের বরশিতে একটি কুমির ধরা পড়ার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার গোপালপুর এলাকার পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেদের হাজাইরা বরশিতে কুমিরটি আটকা পড়ে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, প্রতিদিনের মতোই তারা ভোরে নদীতে মাছ ধরতে যান। এ সময় হঠাৎ করে তাদের বরশিতে বড়সড় কিছু আটকে যায়। প্রথমে মাছ ভেবে টানতে থাকলেও পরে কাছে এনে দেখেন সেটি একটি কুমির। পরে তারা সতর্কতার সঙ্গে কুমিরটিকে উদ্ধার করে চরভদ্রাসন সদর ইউনিয়নের কাজি বাড়ির ঘাটে নিয়ে আসেন।

কুমির ধরা পড়ার খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতা নদীর পাড়ে ভিড় জমায়। স্থানীয়দের অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো কাছ থেকে কুমির দেখার সুযোগ পান।

উদ্ধার কাজে অংশ নেওয়া প্রত্যক্ষদর্শী স্বপন ব্যাপারী, রাজীব ব্যাপারী, রবিউল ব্যাপারী ও বিল্লাল খান জানান, কুমিরটি বরশির সঙ্গে জড়িয়ে পড়ায় তারা সেটিকে সাবধানে নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং প্রশাসনের কাছে হস্তান্তরের জন্য ঘাটে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুরাইয়া মমতাজ বলেন, “ঘটনার খবর পাওয়ার পর আমরা বনবিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কুমিরটিকে নিরাপদে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

চরভদ্রাসন উপজেলা ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা ফজলে করিম জানান, তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। কুমিরটি উদ্ধারের জন্য খুলনা থেকে একটি বিশেষজ্ঞ উদ্ধারকারী দল রওনা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, নদীর পানির স্রোত ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে কুমিরটি পদ্মা নদীর এই অংশে চলে এসেছে। বনবিভাগের দল এসে কুমিরটির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে এবং প্রয়োজন হলে এটিকে নিরাপদ আবাসস্থলে স্থানান্তর করা হবে।

এদিকে, স্থানীয় প্রশাসন জনসাধারণকে কুমিরটির কাছাকাছি না যাওয়ার জন্য সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে কোনো ধরনের দুর্ঘটনা না ঘটে।