খুঁজুন
, ,

যে ১০ অভ্যাস অনুসরণ করলে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৬:৪৯ পূর্বাহ্ণ
যে ১০ অভ্যাস অনুসরণ করলে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে?

সমাজে বা কর্মক্ষেত্রে সবার কাছে গুরুত্ব পাওয়া বা শ্রদ্ধার পাত্র হওয়া কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। সম্মান এমন কিছু নয় যা আপনি জোর করে আদায় করতে পারবেন, বরং এটি আপনার প্রতিদিনের আচরণের মাধ্যমে অর্জিত হয়। আপনি যখন নিজের সময়, শক্তি এবং যোগ্যতাকে মূল্য দিতে শুরু করবেন, তখনই চারপাশের পরিবেশ এবং মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি আপনার প্রতি বদলে যাবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিচের ১০টি অভ্যাস অনুসরণ করতে পারলে মানুষ আপনাকে গুরুত্ব দিতে শুরু করবে:

১. কথা দিয়ে কথা রাখা: যদি কাউকে কোনো প্রতিশ্রুতি দেন, তবে তা রক্ষা করুন। কোনো অজুহাত বা গড়িমসি না করে নিজের দায়িত্ব পালন করা বিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করে। আপনি যখন নিয়মিত আপনার কথা ও কাজের মিল রাখবেন, তখন মানুষ আপনাকে নির্ভরযোগ্য মনে করবে এবং আপনার ওপর ভরসা করতে শুরু করবে।

২. অকারণে ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন: কথা বলার সময় ‘বিরক্ত করার জন্য দুঃখিত’ বা ‘আমি কোনো বিশেষজ্ঞ নই, তবে…’—এ ধরনের দ্বিধাগ্রস্ত বাক্য এড়িয়ে চলুন। নিজের মতামত সরাসরি এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রকাশ করুন। নিজের অন্তর্দৃষ্টি বা বুদ্ধিকে অন্যদের কাছে বোঝা মনে না করে এর গুরুত্ব তুলে ধরুন।

৩. ব্যক্তিগত সীমানা রক্ষা করা: সীমানা নির্ধারণ করা মানে অভদ্রতা নয়, বরং অন্যরা আপনার সাথে কেমন আচরণ করবে তার একটি নির্দেশিকা। কেউ আপনার সময় নষ্ট করলে বা মূল্যবোধে আঘাত দিলে নির্দ্বিধায় এবং কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই ‘না’ বলতে শিখুন। এটি অন্যদের বাধ্য করবে আপনার সময়ের মর্যাদা দিতে।

৪. বলার চেয়ে শোনাকে প্রাধান্য দিন: প্রকৃত আত্মবিশ্বাস থাকে নীরবতায় । কোনো আলোচনা বা সভায় সারাক্ষণ কথা বলে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা না করে মন দিয়ে অন্যের কথা শুনুন। আপনি যখন আবেগীয় পরিপক্বতা নিয়ে কথা শুনবেন, তখন আপনার নিজের প্রতিটি শব্দের গুরুত্ব বা ওজন অনেক বেড়ে যাবে।

৫. সময়ানুবর্তিতা বজায় রাখা: দেরি করে পৌঁছানো আপনাকে ব্যস্ত প্রমাণ করে না, বরং এটি আপনাকে অগোছালো এবং আত্মকেন্দ্রিক হিসেবে তুলে ধরে। সঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়া মানে আপনি অন্যের সময়েরও মূল্য দেন। এটি একটি তাত্ক্ষণিক আস্থা তৈরি করে এবং আপনাকে একজন পেশাদার মানুষ হিসেবে অন্যদের চেয়ে আলাদা করে।

৬. নিজের ভুল স্বীকার করা: ভুল ঢাকতে অজুহাত তৈরি না করে সরাসরি তা স্বীকার করুন এবং ক্ষমা চান। নিজের ইগো রক্ষা করার চেয়ে দায়িত্বশীল হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। এটি প্রমাণ করে যে আপনি যেকোনো ব্যর্থতা সামলানোর মতো যথেষ্ট পরিপক্ব ।

৭. সংকটে অবিচল থাকা: যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে বা সংকটের সময়ে আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকাই নেতৃত্বের বড় গুণ। যখন সবাই দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন আপনি যদি মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন, তবে মানুষ প্রাকৃতিকভাবেই আপনার ওপর নির্ভর করবে এবং আপনার দিকনির্দেশনা খুঁজবে।

৮. ধারাবাহিকতাকে প্রাধান্য দেওয়া: মাঝে মাঝে দুর্দান্ত কাজ করার চেয়ে প্রতিদিন পরিমিত কিন্তু মানসম্মত কাজ করা অনেক বেশি কার্যকর। আপনার নির্ভরযোগ্যতা যখন একটি নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হবে, তখন সবার চোখে আপনার মূল্য এবং গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যাবে।

৯. নিজের সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রাখা: যেকোনো ছোট সিদ্ধান্তের জন্য অন্যদের অনুমতি বা অনুমোদনের অপেক্ষা করা বন্ধ করুন। পরামর্শ নেওয়া ভালো, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিজেই নিন এবং তাতে অটল থাকুন। এই স্বাধীনতা বা স্বনির্ভরতা আপনার ব্যক্তিত্বকে কমান্ডিং বা প্রভাবশালী করে তুলবে।

১০. নিজেকে নিজে মর্যাদা দেওয়া: দুনিয়া আপনাকে ঠিক ততটুকুই সম্মান দেবে, যতটুকু আপনি নিজেকে দেবেন। আপনি যদি নিজের মর্যাদা বজায় না রাখেন বা নিজেকে ছোট করে কথা বলেন, তবে অন্যরাও আপনাকে অবহেলা করবে। নিজের আত্মমর্যাদার সাথে অন্যদের প্রতি দয়ালু ও শ্রদ্ধাশীল আচরণ করুন, সম্মান এমনিতেই আসবে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।