খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যে ৫ ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ পূর্বাহ্ণ
নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা যে ৫ ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন?

আমাদের চারপাশে এমন অনেক সফল ব্যক্তিত্ব আছেন যারা খুব সাধারণ বা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তাদের জীবনদর্শন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা এবং প্রতিকূলতা মোকাবিলার ধরন রুপালি চামচ মুখে দিয়ে জন্মানো ব্যক্তিদের চেয়ে কিছুটা আলাদা।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, শৈশবে সম্পদের সীমাবদ্ধতা বা অভাব মানুষের মধ্যে এমন কিছু বিশেষ গুণ ও অভ্যাস তৈরি করে, যা তাদের সাফল্যের পথে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গবেষণার আলোকে এমন পাঁচটি ক্ষেত্রের কথা নিচে তুলে ধরা হলো:

১. সীমিত সম্পদের সঠিক ব্যবহার ও সৃজনশীলতা

সুবিধাবঞ্চিত পরিবেশে বড় হওয়ার কারণে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা অল্প সম্পদে সেরা ফল বের করে আনতে শেখেন। ২০২৩ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, শৈশবে অভাবের অভিজ্ঞতা মানুষের মস্তিষ্ককে আরও তীক্ষ্ণ এবং সৃজনশীল করে তোলে। তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারেন এবং বিকল্প পথ খুঁজে বের করতে পারদর্শী হন। যেখানে অঢেল সুযোগে বড় হওয়া ব্যক্তিরা কোনো সহায়তার অভাবে ভেঙে পড়তে পারেন, সেখানে এই মানুষেরা তাদের উদ্ভাবনী শক্তি দিয়ে বাধা জয় করেন।

২. ইস্পাতদৃঢ় মানসিক সক্ষমতা

দার্শনিক নিৎশে বলেছিলেন, ‘যা তোমাকে মেরে ফেলে না, তা তোমাকে আরও শক্তিশালী করে।’ শৈশবে প্রতিকূলতা ও প্রত্যাখ্যানের সম্মুখীন হওয়া ব্যক্তিরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর মানসিকভাবে অনেক বেশি শক্তিশালী হন। ড. সুনিয়া লুথারের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ছোটবেলার মাঝারি মানের প্রতিকূলতা মানুষের মধ্যে ‘স্টিলিং এফেক্টস’ (Steeling Effects) বা মানসিক দৃঢ়তা তৈরি করে। এই অভ্যন্তরীণ শক্তি কোনো অর্থ দিয়ে কেনা সম্ভব নয়; এটি কেবল জীবনের কঠিন সংগ্রাম আর ব্যর্থতা থেকেই অর্জিত হয়।

৩. অন্যের প্রতি অকৃত্রিম সহানুভূতি

কথায় আছে, অন্যের জুতোয় পা না দিলে তার কষ্ট বোঝা যায় না। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হওয়া মানুষেরা আর্থিক ও সামাজিক টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে যান বলে তারা অন্যের দুঃখ-দুর্দশা সহজে অনুভব করতে পারেন। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিজেরা আর্থিক কষ্টের মুখোমুখি হয়েছেন, তারা অন্যদের প্রতি অনেক বেশি সহানুভূতিশীল এবং পরোপকারী আচরণ প্রদর্শন করেন।

৪. উচ্চতর আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বা ‘ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স’

মনস্তাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, নিম্ন-আর্থসামাজিক পরিবার থেকে আসা ব্যক্তিরা মানুষের আবেগ এবং উদ্দেশ্য বুঝতে অন্যদের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হন। সম্পদ কম থাকায় অন্যের মনোভাব বুঝে চলা বা অন্যের লুকানো উদ্দেশ্য বুঝতে পারা তাদের কাছে এক ধরনের ‘সারভাইভাল স্কিল’ বা টিকে থাকার কৌশল হিসেবে কাজ করে। এই বিশেষ গুণটি তাদের প্রখর ‘স্ট্রিট স্মার্টনেস’ এবং উচ্চতর ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স দান করে।

৫. কঠোর পরিশ্রমের মানসিকতা ও কর্মনিষ্ঠা

যাদের সবকিছু নিজের যোগ্যতায় অর্জন করতে হয়, কঠোর পরিশ্রম তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়। ধনী পরিবারের সন্তানরা পছন্দ অনুযায়ী কঠোর পরিশ্রম করতে পারেন, কিন্তু নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানদের কাছে পরিশ্রম ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প থাকে না। এই বাস্তবতাই তাদের কাজের প্রতি এক গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী সংযোগ তৈরি করে এবং তাদের মধ্যে শক্তিশালী ‘ওয়ার্ক এথিক’ বা কর্মনিষ্ঠা গড়ে তোলে। পরিশেষে বলা যায়, শৈশবের অভাব বা সীমাবদ্ধতা কেবল বাধা নয়, বরং এটি অনেক ক্ষেত্রে মানুষকে আরও দক্ষ ও সফল হওয়ার রসদ জোগায়। এই বিশেষ গুণাবলিই তাদের জীবনের দীর্ঘ দৌড়ে জয়ী হতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৭ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বাগানের গাছে ঝুলছিল বৃদ্ধের লাশ

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের পরমানন্দপুর, বিষ্ণুদিয়া ও ভবানীপুর তিন গ্রামের সীমানা সংলগ্ন একটি বিলের মাঝখানে বাগান থেকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় এক বৃদ্ধের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির নাম রঞ্জিত সরকার (৬০)। তিনি কোতোয়ালি থানার বিষ্ণুদিয়া গ্রামের মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকারের ছেলে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ এপ্রিল সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে তিনি কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তিনি আর বাড়ি ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরবর্তীতে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে ভবানীপুর গ্রামের এক কৃষক জমিতে কাজ করার সময় বাগানের ভেতরে একটি মেহগনি গাছের সঙ্গে রশি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। পরে তিনি বিষয়টি স্থানীয়দের জানান। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি রঞ্জিত সরকারের বলে শনাক্ত করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তার পরিবারকে অবহিত করা হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নূর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ক্রাইম সিন ইউনিটকে অবহিত করেন। পরে ক্রাইম সিন টিমের উপস্থিতিতে মরদেহটি গাছ থেকে নামানো হয় এবং প্রাথমিকভাবে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

পুলিশ জানায়, মরদেহের প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য লাশটি ময়নাতদন্তের উদ্দেশ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

কোতোয়ালি থানার এসআই নূর হোসেন বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এটি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৬ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে সংস্কৃতি মন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু খাল পুনঃখনন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আশাবাদ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় খাল পুনঃখনন কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নে মধুমতি নদী থেকে কামারগ্রাম স্লুইচগেট পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। দেশব্যাপী নদী-নালা, খাল ও জলাধার খনন এবং পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে খালটির পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিচ্ছিল। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল এবং বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ বাড়ছিল স্থানীয়দের। খালটি পুনঃখনন করা হলে পানিপ্রবাহ স্বাভাবিক হবে, সেচ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটবে এবং কৃষকদের উৎপাদন ব্যয় কমে ফলন বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকাটির পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে গুনবহা ইউনিয়নের নদীয়ারচাঁদ এলাকায় আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, “খাল পুনঃখননের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে এবং কৃষকরা সহজে সেচ সুবিধা পাবেন। সরকারের এ ধরনের উদ্যোগ দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সঞ্জায় সাহা এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক, আমিনা মামুন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার আশরাফুল আলম মামুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালমারী-মধুখালী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. আজম খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম রকিবুল হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিব্বির আহমেদ এবং বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে এবং শুকনো মৌসুমে কৃষিজমিতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ নিশ্চিত হবে, যা এলাকার সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফরিদপুর অঞ্চলের উদ্যোগে উপজেলা ও থানা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরের মুসলিম মিশন প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এসময় ফরিদপুরসহ আশপাশের পাঁচ জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে তারা দাবি করেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত ছিল। অনেকেই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি; সত্য কথা বলায় অনেকে হয়রানি, গ্রেপ্তার কিংবা আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ দীর্ঘদিন বিনা বিচারে কারাগারে ছিলেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তারা দাবি করেন, জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা।

সম্মেলনে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, অঞ্চল প্রধান শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব এবং জেলা নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।