খুঁজুন
, ,

মুড়ি না চিড়া—কোন খাবারটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫২ পূর্বাহ্ণ
মুড়ি না চিড়া—কোন খাবারটি বেশি স্বাস্থ্যকর?

সকালের হালকা নাশতা বা গল্প-আড্ডার সময় চিড়া ও মুড়ি দুটোই বেশ জনপ্রিয়। কেউ চিড়া বেশি পছন্দ করেন, কেউ মুড়ি। দুটিই চাল থেকে তৈরি হলেও প্রস্তুতি ও পুষ্টিগুণে পার্থক্য রয়েছে।

চিড়া ও মুড়ির প্রস্তুতি:

মুড়ি তৈরি হয় চালকে উচ্চ তাপে ফুলিয়ে, এতে পানি খুব কম থাকে। চিড়া তৈরি হয় ভিজিয়ে, চাপ দিয়ে ও শুকিয়ে; এতে প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে। দু’টিই মূলত কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ, তবে চিড়ায় ফাইবার ও খনিজ বেশি থাকতে পারে।

মুড়ি:

ওজন কমানোর জন্য মুড়ি বেশ জনপ্রিয়। এতে ক্যালোরি কম, হজম সহজ এবং ফ্যাটও কম। তবে হজমের পর তা দ্রুত ক্ষুধা বাড়ায়, ফলে অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা হতে পারে।

চিড়া:

চিড়া তুলনামূলকভাবে ভারী ও দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে। দই, বাদাম বা ফল মিশালে এটি পুষ্টিকর নাশতা হিসেবে আদর্শ। এতে প্রোটিন ও ফাইবার থাকলে রক্তে শর্করার হঠাৎ বৃদ্ধি কম হয়।

হজমের দিক:

মুড়ি হালকা ও সহজে হজম হয়। অ্যাসিডিটি থাকলে খালি পেটে মুড়ি অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে। চিড়া ভিজিয়ে খেলে তা পেটের জন্য আরামদায়ক হয়।

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য:

চিড়া-মুড়ি উচ্চ গ্লাইসেমিক ইনডেক্সযুক্ত হতে পারে। তাই পরিমিত খাওয়া জরুরি। প্রোটিন বা ফাইবার সঙ্গে মিশালে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ।

শিশু ও বয়স্কদের জন্য:

উভয়ই শিশুর ও বয়স্কদের জন্য উপকারী। মুড়ির সঙ্গে সেদ্ধ ছোলা, শসা বা সামান্য সরিষার তেল মেশানো হলে পুষ্টিকর হয়। চিড়া দুধ বা দইয়ের সঙ্গে খেলে শক্তির উৎস হিসেবে কার্যকর।

 

জীবনসঙ্গী কেমন চান, জানালেন সাফা কবির

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
জীবনসঙ্গী কেমন চান, জানালেন সাফা কবির

ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির। তার সমসাময়িক অনেকেই বিয়ে করে সংসারী হয়েছেন।সংসার সামলানোর পাশাপাশি অভিনয়ও চালিয়ে যাচ্ছেন সমানতালে। তবে বিয়ে নিয়ে সামাজিক প্রত্যাশা আর নানা প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় সাফা কবিরকে।এসব প্রশ্নে বিরক্ত এই অভিনেত্রীর মতে, বিয়ে করা কিংবা একা থাকার সিদ্ধান্ত একান্তই ব্যক্তিগত।
সম্প্রতি এক আড্ডায় নিজের জীবনযাপন, অভিনয় ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন সাফা কবির।

সেখানে উঠে আসে বিয়ে ও একক জীবন নিয়ে তার ভাবনার প্রসঙ্গও।
মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের প্রতি আরও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, তারকারাও সাধারণ মানুষের মতোই।

তাদেরও রয়েছে ব্যক্তিগত জীবন, নিজস্ব সময় ও নিজের মতো করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা। বিষয়টি সবার বোঝা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি।
বিয়ে নিয়ে নানা প্রশ্নের মুখে পড়লেও নিজের বর্তমান জীবন নিয়ে সন্তুষ্ট সাফা কবির। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নিজের জীবন নিয়ে আমি বেশ সন্তুষ্ট। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় সুন্দর একটি জীবন কাটছে আমার।’

তবে জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। শিক্ষিত, রসবোধসম্পন্ন ও ভালো মনের একজন মানুষকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে চান তিনি।

অভিনয়জীবন নিয়েও নিজের উপলব্ধির কথা জানিয়েছেন সাফা কবির। নিজের অভিনীত কাজ নিয়ে কখনোই শতভাগ সন্তুষ্ট হতে পারেন না বলে জানান তিনি। তার মতে, একজন শিল্পীর মধ্যে নিজের কাজ নিয়ে এমন অতৃপ্তি থাকা প্রয়োজন। কারণ, এই অতৃপ্তিই আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগায়।

সব মিলিয়ে বিয়ে নিয়ে সামাজিক প্রত্যাশার চেয়ে নিজের ভালো থাকা, আত্মনির্ভরশীলতা ও ব্যক্তিগত পছন্দকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান সাফা কবির।

জটিল রোগে আক্রান্ত নগরকান্দার সাংবাদিক বোরহান আনিসের পাশে মুফতি রায়হান জামিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
জটিল রোগে আক্রান্ত নগরকান্দার সাংবাদিক বোরহান আনিসের পাশে মুফতি রায়হান জামিল

ফরিদপুরের নগরকান্দার সিনিয়র সাংবাদিক, দৈনিক সমকাল ও দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিনিধি এবং নগরকান্দা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি বোরহান আনিস দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও কিডনির জটিলতায় ভুগছেন। তাঁর উভয় কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়ায় নিয়মিত ডায়ালিসিসসহ ব্যয়বহুল চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হচ্ছে। তবে পর্যাপ্ত অর্থের অভাবে তাঁর চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমন সংকটময় মুহূর্তে অসুস্থ সাংবাদিকের পাশে দাঁড়িয়েছেন সুনামধন্য সমাজসেবক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চরভদ্রাসন উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি রায়হান জামিল। বোরহান আনিসের অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি নগরকান্দায় তাঁর বাড়িতে ছুটে যান। সেখানে অসুস্থ সাংবাদিকের খোঁজখবর নেন, তাঁকে সান্ত্বনা দেন এবং দ্রুত সুস্থতার জন্য দোয়া করেন। পাশাপাশি তাঁর চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় বাজারসদাই কেনার জন্য নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।

এ সময় মুফতি রায়হান জামিল বলেন, “সাংবাদিক বোরহান আনিসের জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়ে আমি তাঁর বাড়িতে ছুটে এসেছি। তাঁকে সান্ত্বনা দিয়েছি এবং মহান আল্লাহর কাছে তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছি। সামর্থ্য অনুযায়ী তাঁর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী। দুদিন আগে কিংবা পরে আমাদের সবাইকে এ পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো।”

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় সমাজসেবা ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে পরিচিতি পেয়েছেন মুফতি রায়হান জামিল। তাঁর উদ্যোগে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর ১০ টাকায় ইলিশ মাছ, ৩০ নভেম্বর ১ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস এবং ১১ জুলাই ২ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হয়। এসব ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়ে সারা দেশে ব্যাপক আলোচনা হয়। এ ছাড়া গভীর রাতে অসহায় মানুষের বাড়িতে বাড়িতে এক বস্তা চাল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগও প্রশংসা পেয়েছে।

সদরপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৫০০ শ্রমজীবীর মধ্যে খাবার বিতরণ

শিশির খাঁন
প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৭:৪৭ অপরাহ্ণ
সদরপুরে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৫০০ শ্রমজীবীর মধ্যে খাবার বিতরণ

জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ফরিদপুরের সদরপুরে পাঁচ শতাধিক অসহায়, হতদরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) সদরপুর উপজেলার বিভিন্ন মোড়ে অটো ও ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শ্রমজীবী মানুষের হাতে উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আজিজুল ইসলাম নান্নুর পক্ষ থেকে এ খাবার তুলে দেওয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক দল নেতা মোতালেব পেয়াদা, সুইট আলম মোল্যা, কবির বেপারি, স্বপন মাতুব্বর, মিঠুন আহমেদ, সাহেব বেপারি, খোকন খান ও সোহাগ হাওলাদারসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আজিজুল ইসলাম নান্নু বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অসহায়, হতদরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো সবার নৈতিক দায়িত্ব।’

বিশেষ করে অটো ও ভ্যানচালকসহ দিনমজুর মানুষেরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করেই খাবার বিতরণের এ কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতেও অসহায় ও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড অব্যাহত চেষ্টা করবো।