খুঁজুন
, ,

স্বপ্ন কেন দেখি? জানুন মজার তথ্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৫ পূর্বাহ্ণ
স্বপ্ন কেন দেখি? জানুন মজার তথ্য

আমরা সবাই স্বপ্ন দেখি। কিছু স্বপ্ন আমরা মনে রাখি, মানে খুঁজি, কখনো বাস্তবের সঙ্গে মেলাতেও চেষ্টা করি। 

আসুন স্বপ্ন নিয়ে বেশ কিছু মজার তথ্য জেনে নেই: 

আমরা মনে করি স্বপ্ন নাকি সাদা-কালো হয়। কিন্তু এ ধারণাটা মোটেই ঠিক না।

শতকরা মাত্র ১২ ভাগ লোক সাদা-কালো স্বপ্ন দেখেন। বাকিদের স্বপ্নে ধরা দেয় নানা রং।

আমরা যে স্বপ্ন দেখি তার অধিকাংশই হারিয়ে ফেলি বা ভুলে যাই। তবে তন্দ্রাচ্ছন্ন অবস্থায় যদি আপনি কোনো স্বপ্ন দেখেন তাহলে তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রায় সবই আপনার মনে থাকবে।

সাধারণত ভোরের স্বপ্নগুলো এমন হয়।

এমন মানুষ খুব কমই আছেন যারা রাতে মাত্র একটি স্বপ্ন দেখেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই একজন মানুষ প্রতি রাতে পাঁচ-সাতটি স্বপ্ন দেখেন। কখনো কখনো তা ডজনও ছাড়িয়ে যায়।

স্বপ্ন নিয়ে আরেকটি মজার তথ্য হলো- তিন থেকে আট বছরের শিশুরা যে স্বপ্ন দেখে তার বেশির ভাগই দুঃস্বপ্ন।
জানেন কি? অন্ধরাও স্বপ্ন দেখেন। যারা জন্মান্ধ নয়, জন্মের পর কোনো কারণে অন্ধ হয়ে গেছেন তাদের স্বপ্ন দৃশ্য যোগ্যই হয়।

স্বপ্নে আমরা এমন অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখি যা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। বিষয়গুলো ব্যক্তি মানুষের ওপর নির্ভর করে।

যা আমরা বাস্তবে বা টিভিতে দেখি, কিন্তু যেগুলো ঠিক মনে করতে পারি না। আমাদের অবচেতন মনের কোনো এক কোনায় তা হয়তো জমা থাকে। আর স্বপ্নে এরই প্রতিফলনই দেখতে পাই আমরা।

নারী-পুরুষের স্বপ্নের ধরণ আলাদা। পুরুষের সাধারণত স্বপ্নেও তাদের লিঙ্গের প্রতিনিধিত্ব করে। কিন্তু নারীর স্বপ্ন সার্বজনীন।
শুধু মানুষই নয় স্বপ্ন দেখে পশুরাও। পশুদের ওপর পরিচালিত আলাদা গবেষণায় দেখা গেছে, মানুষ ঘুমের সময় স্বপ্ন দেখলে যে কার্যকলাপগুলো করে, স্বপ্ন দেখা অবস্থায় পশুদের মস্তিষ্কের কার্যক্রমও মানুষের মতোই হয়।

আপনি যদি লক্ষ্য করেন তাহলে দেখবেন যে একটি কুকুর যদি ঘুমের মধ্যে তার থাবা নাড়ায়, তার অর্থ সে স্বপ্নে দৌড়াচ্ছে। যদি লক্ষ্য করেন কুকুরটি ঘুমের ভেতর শব্দ করছে তার মানে হলো সে স্বপ্নে কোনো কিছু দেখে ঘেউ ঘেউ শব্দ করছে।

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের পর কলেজছাত্রীর মৃত্যু, ‘ভুল চিকিৎসার’ অভিযোগে তদন্ত কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১:০৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিস অপারেশনের পর কলেজছাত্রীর মৃত্যু, ‘ভুল চিকিৎসার’ অভিযোগে তদন্ত কমিটি

ফরিদপুরে অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশনের পর এক কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বজনদের অভিযোগ, ভুল অপারেশন ও চিকিৎসকের অবহেলার কারণেই ১৭ বছর বয়সী কলেজছাত্রী আয়েশা আফরিনের মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে জানিয়েছে। এ ঘটনায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

নিহত আয়েশা আফরিন সদরপুর উপজেলার আকোটের চর ইউনিয়নের কৈলাশের ডাঙ্গী গ্রামের প্রবাসী লিটন মাতুব্বরের মেয়ে। তিনি ফরিদপুর সরকারি ইয়াসিন কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্বজনদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তীব্র পেটব্যথা নিয়ে আয়েশাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে অবস্থিত আল জারা প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসক তাকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস শনাক্ত করে রাত ৯টার দিকে ভর্তি করেন। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়।

পরিবারের দাবি, অপারেশনের পর থেকেই আয়েশার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। রাত ৩টার দিকে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় শহরের টেপাখোলা এলাকার রেজোয়ান মোল্লা হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

নিহতের মা আলেয়া বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় অ্যাপেন্ডিসাইটিসের অপারেশন করাতে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকের ভুলের কারণেই আজ আমার মেয়েকে হারাতে হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”

স্বজনদের অভিযোগ, অপারেশনটি করেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. আতিকুল আহসান। ঘটনার পর থেকে তাকে হাসপাতালে পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এদিকে, আয়েশার মৃত্যুর খবরে ক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতাল প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করেন। এ সময় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। পরে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সঠিক নয়। তবে তারা এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যামেরার সামনে কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, “ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তে কারও গাফিলতি বা দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ মিললে স্বাস্থ্য বিভাগের বিধি অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় ইংল্যান্ড

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় ইংল্যান্ড

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে হেরে শিরোপার স্বপ্ন শেষ হয়েছিল ইংল্যান্ডের। ফ্রান্সও শেষ চারে স্পেনের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল। তবে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে হতাশা ঝেড়ে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল থ্রি লায়ন্সরা। বুকায়ো সাকার হ্যাট্রিকে গতবারের রানারআপ ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড।

শনিবার (১৮ জুলাই) দিবাগত রাত ৩ টায় অনুষ্ঠিত খেলায় মিয়ামি স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। মাত্র তৃতীয় মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ডেকলান রাইস। ফ্রান্সের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে বল পেয়ে দূরপাল্লার শটে গোল করেন ইংলিশ মিডফিল্ডার।

এরপর ১৯তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন এজরি কনসা। ডেকলান রাইসের নিখুঁত ক্রসে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে জড়ান তিনি।

দুই গোলে পিছিয়ে পড়ে আরও চাপে পড়ে যায় ফ্রান্স। সেই সুযোগে ৩৭তম মিনিটে তৃতীয় গোল পায় ইংল্যান্ড। মার্কাস র‍্যাশফোর্ডের তৈরি করা আক্রমণ থেকে গোল করেন বুকায়ো সাকা।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও গোল করেন সাকা। ফলে বিরতিতে ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধেই ফ্রান্সের জালে চারবার বল পাঠিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় তারা।

এদিন প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডের আক্রমণভাগ ছিল দুর্দান্ত। সাকার গতি ও দক্ষতা ফ্রান্সের রক্ষণকে বারবার বিপদে ফেলেছে। অন্যদিকে ফরাসি প্রথমার্ধে দলকে দেখা গেছে ছন্নছাড়া। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও তার সতীর্থরা আক্রমণে তেমন কোনো ধার তৈরি করতে পারেননি।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। প্রথমার্ধে দুর্দান্ত আধিপত্য দেখিয়ে ইংল্যান্ড ম্যাচটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিলেও দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্সের প্রত্যাবর্তন ম্যাচটিকে রোমাঞ্চকর করে তোলে। আক্রমণের ধার বাড়িয়ে ইংল্যান্ডের রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করে ফ্রান্স। সেই চাপ থেকেই ব্যবধান কমাতে শুরু করে তারা। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পে ফ্রান্সের হয়ে গোল করে ব্যবধান কমান। ম্যাচের ৫৪ মিনিটে ফ্রান্সের হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন বারকোলা। এরপর ম্যাচের ৬৬ মিনিটে আরও একটি গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন ফরাসি অধিনায়ক।

শেষ মুহূর্তে ম্যাচের ৮৭ মিনিটে পেনাল্টির সুযোগ পায় ইংল্যান্ড। পেনাল্টিতে ফ্রান্সে জালে আবারও বল জড়ান সাকা। এতে হ্যাট্রিকের দেখা পান ইংলিশ এই তারকা। এছাড়া অতিরিক্ত সময়ের ৮ মিনিটে ইংল্যন্ডের হয়ে ৬ নম্বর গোলটি করেন বেলিংহাম।

এদিকে সমতায় ফেরার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে থাকে ফরাসিরা। এর ফল হিসেবে ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ৬ মিনিটের সময় আবারও ইংলেন্ডের জালে বল জড়ান ফ্রান্সের ডেম্বেলে।

তবে শেষ পর্যন্ত ৬-৪ গোলের নাটকীয় জয় নিয়ে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড। অন্যদিকে সেমিফাইনালে স্পেনের কাছে হারের পর তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও পরাজয় নিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ করে ফ্রান্স।

সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভেঙেছিল ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে হতাশ হয়েছিল ফ্রান্স। ফলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি দুই দলের জন্যই ছিল বিশ্বকাপ শেষ করার শেষ সুযোগ। ম্যাচের আগে এই লড়াই নিয়ে দুই দলেই কিছুটা অনাগ্রহ থাকলেও মাঠে তার কোনো ছাপ দেখা যায়নি ইংল্যান্ডের খেলায়।

এই জয়ে সেমিফাইনালের হতাশা কিছুটা হলেও ভুলতে পারল ইংল্যান্ড। বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠতে না পারলেও তৃতীয় স্থান নিয়ে দেশে ফিরছে তারা। অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য ম্যাচটি হয়ে উঠল হতাশার আরেকটি অধ্যায়।

এর আগে ১৯৯০ সালের ইতালি বিশ্বকাপে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইতালির কাছে ২-১ গোলে হেরে চতুর্থ হয়েছিল ইংল্যান্ড। তাই ২০২৬ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসে প্রথমবার তৃতীয় স্থান অর্জন। একই সঙ্গে এটি ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর ইংল্যান্ডের সেরা ফলও।

বর্ষাকালে তেজপাতার পানি পান করার উপকারিতা জানুন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৩ পূর্বাহ্ণ
বর্ষাকালে তেজপাতার পানি পান করার উপকারিতা জানুন

রান্নার স্বাদ ও ঘ্রাণ বাড়াতে ব্যবহৃত পরিচিত মসলা তেজপাতা শুধু খাবারের উপকরণ নয়, এর রয়েছে নানা ভেষজ গুণও। আয়ুর্বেদে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উপায়ে তেজপাতা ব্যবহার হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা বা হজমের সমস্যায় অনেকেই তেজপাতা ভেজানো বা ফোটানো পানি পান করে থাকেন।

তেজপাতায় থাকা পলিফেনল, ফ্ল্যাভনয়েড ও ভিটামিন সি-এর মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়তা করতে পারে। এসব উপাদান কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে এবং প্রদাহ কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

হজমের সমস্যা কমাতেও তেজপাতার ব্যবহার প্রচলিত। এতে থাকা কিছু উপাদান হজম প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে পারে এবং বদহজম, পেটফাঁপা বা হালকা পেটের অস্বস্তি কমাতে উপকারী হতে পারে।

কিছু গবেষণায় তেজপাতার উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা ও গ্লুকোজ বিপাকে সম্ভাব্য প্রভাবের বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি কোনোভাবেই ওষুধের বিকল্প নয়; স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অংশ হিসেবে এটি গ্রহণের আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

তেজপাতায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অন্যান্য উপাদান হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্যও সহায়ক হতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো শরীরে প্রদাহ কমাতে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে পারে।

এ ছাড়া তেজপাতায় থাকা ভিটামিন এ, ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করতে পারে। ঋতু পরিবর্তনের সময়ে সর্দি-কাশির মতো সাধারণ সমস্যায় অনেকে তেজপাতা ফোটানো পানি পান করেন।

তবে তেজপাতার পানি পান করলেই সব ধরনের রোগ দূর হবে—এমন প্রমাণ নেই। যেকোনো স্বাস্থ্যসমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া জরুরি।

সূত্র : যুগান্তর