খুঁজুন
, ,

প্রেম ভাঙার কষ্ট ভুলতে কতদিন লাগে—যে চমকপ্রদ তথ্য দিলো বিশেষজ্ঞরা?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ
প্রেম ভাঙার কষ্ট ভুলতে কতদিন লাগে—যে চমকপ্রদ তথ্য দিলো বিশেষজ্ঞরা?

জীবনের বাস্তবতায় মৃত্যু যেমন অনিবার্য, ঠিক তেমনি সম্পর্কের জগতে বিচ্ছেদও এক নির্মম বাস্তবতা। তবু এই বিচ্ছেদ যখন নিজের জীবনে এসে দাঁড়ায়, তখন পুরো পৃথিবীটাই যেন হঠাৎ থমকে যায়। প্রতিদিনের পরিচিত মানুষটি—যার সঙ্গে সকাল শুরু হতো, যার কণ্ঠে রাত শেষ হতো, হঠাৎ করে একদিন সে আর থাকে না। সেই শূন্যতা শুধু সম্পর্ক ভাঙার নয়, নিজের জীবনের একটা বড় অংশ হারানোরও।

বিচ্ছেদের যন্ত্রণা এমন এক ব্যথা, যা চিৎকার করে নয়; নীরবে, ধীরে ধীরে মনটাকে কুরে কুরে খায়। কেউ সেই কষ্ট ভুলতে ডুবে যান বইয়ের পাতায়, কেউ গানের সুরে খুঁজেন স্বস্তি। কেউ আবার নিজেকে ব্যস্ত রাখেন কাজের ভিড়ে, যেন ভাবার সময় না থাকে। কিন্তু সত্যি বলতে, এসব কিছুই সাময়িক। তাতে যে পুরোপুরি যন্ত্রণামুক্তি হয়, তা বলা যায় না। কিছু কষ্ট থাকে, যা মানুষ আজীবন মনের গভীরে যত্ন করে লালন করে।

তবু আশপাশে তাকালেই দেখা যায়, কেউ তুলনামূলকভাবে সহজেই বিচ্ছেদের যন্ত্রণা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যান, আবার কেউ দীর্ঘ সময় ধরে সেই ব্যথা বয়ে বেড়ান। প্রশ্ন একটাই, একজন মানুষকে ভুলে নতুন করে এগিয়ে যেতে আসলে কতটা সময় লাগে?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রত্যেক মানুষের জন্যই একটি নির্দিষ্ট সময় প্রয়োজন হয়। তার আগে কোনোভাবেই পুরোপুরি পিছু ছাড়ে না বিচ্ছেদের কষ্ট।

বিচ্ছেদ মানে শুধু একজন মানুষকে হারানো নয়

চিকিৎসকদের মতে, বিচ্ছেদ মানে কেবল একজন মানুষ জীবন থেকে সরে যাওয়া নয়। ছোট্ট এই শব্দের ভেতর লুকিয়ে থাকে বিশাল এক পরিবর্তন। একটি বিচ্ছেদ পুরো জীবনটাকেই নতুন করে সাজাতে বাধ্য করে—প্রতিদিনের অভ্যাস, রুটিন, এমনকি ভাবনার ধরনও বদলে যায়।

যার সঙ্গে প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতের বিছানায় যাওয়া পর্যন্ত কথা হতো, হঠাৎ করে সে নেই; এই বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া ভীষণ কষ্টের। এক লহমায় বদলে যায় চারপাশ। যদিও সময়ের নিয়মে বদলে যাওয়াটাই স্বাভাবিক, কিন্তু সেই পরিবর্তনকে মেনে নেওয়া সহজ হয় না কারও পক্ষেই।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, বিচ্ছেদ মানে দৈনন্দিন রুটিন ভেঙে যাওয়া, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা স্বপ্নগুলোর চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাওয়া। আর এই ভাঙন থেকেই জন্ম নেয় গভীর মানসিক যন্ত্রণা।

কেন কারও বেশি, কারও কম সময় লাগে?

বিচ্ছেদের যন্ত্রণা ভুলতে একেক জন একেক রকম সময় নেন। কেউ কয়েক মাসের মধ্যেই নিজেকে নতুন করে গুছিয়ে নিতে পারেন। আবার কেউ বছরের পর বছর প্রাক্তনের স্মৃতির হাতছানি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন না।

এক্ষেত্রে বিচ্ছেদের পেছনের কারণটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। অমীমাংসিত দ্বন্দ্ব, ভবিষ্যৎ নিয়ে দেখা অপূর্ণ স্বপ্ন; এসবই সামনে এগোনোর পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রেই যারা বিচ্ছেদ মেনে নিতে পারেন না, তারা নিজেদের চেয়ে সঙ্গীকে বেশি ভালোবেসেছেন।

তবে এটিই একমাত্র কারণ নয়। যে সম্পর্ক কোনো ক্লোজার ছাড়াই শেষ হয়ে যায়—অর্থাৎ যেখানে অনেক কথা, অনেক প্রশ্ন অমীমাংসিত থেকে যায়; সেখান থেকে বেরিয়ে আসা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি কষ্টের।

সময় কি সব ঠিক করে দেয়?

বিশেষজ্ঞরা একবাক্যে স্বীকার করছেন, সময় নিজের নিয়মেই সবকিছু সহজ করে দেয়। কারও ক্ষেত্রে সেই সময় কম লাগে, কারও ক্ষেত্রে বেশি। কিন্তু একটা সময়ের পর প্রাক্তনের স্মৃতি ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়, জীবন এগিয়ে যায় নিজের গতিতে।

তবু সত্যিটা হলো, মনের এক কোণে প্রাক্তনের অস্তিত্ব থেকে যায় আজীবন। কোনো এক মেঘলা বিকেলে, কোনো মন খারাপের রাতে হঠাৎ করেই তারা উঁকি দেন স্মৃতির জানালায়। সেটাই হয়তো বিচ্ছেদের সবচেয়ে মানবিক দিক; ভুলে যাওয়া নয়, বরং নিয়ে বেঁচে থাকা।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন

সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের সালথায় মো. মাহাবুবুর রহমান পাঞ্জু (৪৮) নামে কার্যক্রম নিষিদ্ধ এক আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে তাকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে বুধবার (৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হওয়া পাঞ্জু বল্লভদী ইউনিয়নের মধ্য ফুলবাড়িয়া গ্রামের মো. মজিবুর রহমান মোল্যার ছেলে। তিনি বল্লভদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা পাঞ্জুকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিস্ফোরকদ্রব্য আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৩ অপরাহ্ণ
সংবাদ প্রকাশের পর কানাইলাল শীলের জন্মভিটায় ডিসি, মিউজিয়াম নির্মাণের আশ্বাস

উপমহাদেশের কিংবদন্তি দোতারা বাদক, একুশে পদকপ্রাপ্ত লোকশিল্পী কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম সরেজমিনে তাঁর জন্মভিটা পরিদর্শন করেছেন এবং স্মৃতিবিজড়িত ওই স্থান সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া ইউনিয়নের লস্করপুর গ্রামে কানাই লাল শীলের বাড়ি পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন, লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিরু আলী ফকির, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সংস্কৃতিকর্মী ও এলাকাবাসী।

পরিদর্শনকালে কানাই লাল শীলের বাড়িতে যাতায়াতের জন্য একটি উন্নত সড়ক নির্মাণ, একটি সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ এবং তাঁর ব্যবহৃত স্মারক সংরক্ষণের জন্য একটি আধুনিক মিউজিয়াম নির্মাণের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে ইউএনওকে নির্দেশনা দেন জেলা প্রশাসক।

এ সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, “কানাই লাল শীল শুধু ফরিদপুর বা বাংলাদেশের নন, তিনি পুরো উপমহাদেশের লোকসংগীতের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত স্থান সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কীভাবে এই বাড়িটিকে একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানে রূপ দেওয়া যায়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। খুব দ্রুতই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হবে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন বলেন, “জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী কানাই লাল শীলের বাড়ি সংরক্ষণ, সংগীত শিক্ষালয়, স্মৃতিস্তম্ভ ও মিউজিয়াম নির্মাণসহ সম্ভাব্য সব উদ্যোগের বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। স্থানীয়দের মতামত নিয়েও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।”

ফরিদপুরের লেখক ও গবেষক মফিজ ইমাম মিলন বলেন, “এটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। দীর্ঘদিন ধরে আমরা কানাই লাল শীলের স্মৃতি সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছি। সংবাদ প্রকাশের পর প্রশাসনের এমন দ্রুত পদক্ষেপ সত্যিই আশাব্যঞ্জক। পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে এটি শুধু একটি স্মৃতিবিজড়িত স্থানই নয়, বাংলা লোকসংগীত গবেষণা ও সাংস্কৃতিক চর্চার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।”

এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে কানাই লাল শীলের অবহেলিত জন্মভিটা, জরাজীর্ণ স্মৃতিফলক, অরক্ষিত স্মারক এবং পরিবারের দীর্ঘদিনের হতাশার চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষের পাশাপাশি প্রশাসনেরও দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষণায় সীমাবদ্ধ না থেকে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে উপমহাদেশের এই কিংবদন্তি শিল্পীর স্মৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ করা হবে।

ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে লোডশেডিং-দ্রব্যমূল্যে অতিষ্ঠ জনজীবন, প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

গ্যাস সংকট, ভয়াবহ লোডশেডিং, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনের দুর্ভোগের কথা তুলে ধরে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে ফরিদপুরে স্মারকলিপি দিয়েছে ১১ দলীয় ঐক্য।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর বরাবর এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। পরে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন। স্মারকলিপি গ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, চলমান গ্যাস সংকট ও দীর্ঘস্থায়ী লোডশেডিংয়ের কারণে দেশের শিল্প-কারখানা, কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং গৃহস্থালির স্বাভাবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা এবং বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমেও বিরূপ প্রভাব পড়ছে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজ, সবজি, মাছ-মাংসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রা ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল আদায়ের বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

স্মারকলিপিতে সাত দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও মানসম্মত বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্য পুনর্বিবেচনা, অভিযোগকৃত অতিরিক্ত বা ভুয়া বিল তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে বাজার তদারকি জোরদার, মজুতদারি ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা, নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এবং জনভোগান্তি নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া।

স্মারকলিপিতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জনস্বার্থ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, ১১ দলীয় ঐক্য ফরিদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক ও জেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন, সদস্য সচিব ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আমজাদ হোসেন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি কামরুল ইসলাম, মাওলানা নাজমুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব, নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদ, পৌর শাখার সভাপতি ড. এহসানুল মোহাম্মদ রুবেলসহ ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।