খুঁজুন
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩

বীজসহ ফল খাওয়ানোর আগে শিশুর জন্য যা জানা জরুরি?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৯ পূর্বাহ্ণ
বীজসহ ফল খাওয়ানোর আগে শিশুর জন্য যা জানা জরুরি?

শিশুদের খাওয়ার প্রতি এমনিতেই অনীহা লক্ষ্য করা যায়। তার ওপর যদি হয় ফল তাহলে আর কোনো কথা নেই। তবে বাড়ন্ত শিশুদের পুষ্টির জন্য প্রয়োজন ফল।

শিশু বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে নতুন স্বাদের সঙ্গে পরিচিত হয়। ফলমূল থেকে সে পায় প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও পুষ্টি উপাদান। সাধারণত ছয় মাস বয়সের পর থেকেই অল্প পরিমাণে সম্পূরক খাবার শুরু করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সব খাবার শিশুর জন্য সমান নিরাপদ নয়।

বিশেষ করে বীজযুক্ত ফল খাওয়ানোর ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। সব ফল যে শিশুর জন্য নয় তা অনেকেই জানেন না। বিশেষ করে বীজযুক্ত ফল দেওয়ার আগে মানতে হবে প্রয়োজনীয় সতর্কতা।

চলুন কেন সতর্কতা প্রয়োজন জেনে নেওয়া যাক—

ফলের বীজ ছোট হলেও ঝুঁকি বড় হতে পারে—বিশেষ করে শিশুর ক্ষেত্রে। বরই, লিচু বা জামের মতো বড় বীজযুক্ত ফল তো আছেই, আপেল, আঙুর, কমলা কিংবা ডালিমের মতো তুলনামূলক ছোট বীজযুক্ত ফল খাওয়ার সময়ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। অসাবধানতায় বীজ শ্বাসনালিতে আটকে যেতে পারে। এমনকি কিছু কলাতেও সূক্ষ্ম বীজ থাকে, যা শিশুর জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।

সতর্ক না থাকলে কী ঘটতে পারে—

খাবার গিলতে মুখ ও গলার একাধিক পেশি সমন্বিতভাবে কাজ করে। তখনই আমরা বুঝে খেতে পারি— কোন অংশটি মুখে যাবে, আর কোনটি ফেলে দিতে হবে। প্রাপ্তবয়স্কদের এই নিয়ন্ত্রণ তুলনামূলকভাবে সুসংগঠিত হলেও শিশুদের ক্ষেত্রে তা পুরোপুরি বিকশিত হয় না।

ফলে শক্ত বা ছোট কোনো বস্তু তাদের গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। বিশেষ করে বীজের মতো শক্ত উপাদান শ্বাসনালিতে আটকে গেলে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে।

ফল খাওয়ার সময় এমন দুর্ঘটনা তুলনামূলক বেশি ঘটে। কারণ ফল সাধারণত পিচ্ছিল ধরনের। তাই অসাবধানতায় বীজ সহজেই গলার দিকে সরে যেতে পারে। এমনকি শক্ত ফলের ছোট টুকরোও শিশুর গলায় আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

যে বয়সে যেভাবে ফলমূল দেবেন

শিশুকে ফল খাওয়ানোর ক্ষেত্রে সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই। ছয় মাস বয়স পার হলে সম্পূরক খাবারের অংশ হিসেবে ফল দেওয়া শুরু করা যায়। তবে শুরুতে শুধু ফলের নরম অংশ দিতে হবে। বীজ ও খোসা সম্পূর্ণ ফেলে দিয়ে নরম অংশ ভালোভাবে কচলে বা মিহি করে খাওয়াতে হবে। আপেলের মতো শক্ত ফল আগে সেদ্ধ করে নরম করে নিয়ে তারপর মিহি করে দেওয়া উচিত।

শিশু যখন ধীরে ধীরে চিবিয়ে খেতে শিখবে, তখন নরম ফল ছোট ছোট টুকরো করে দেওয়া যেতে পারে। এ সময়ও বীজ ও খোসা এড়িয়ে চলতে হবে। দুই বছর বয়স পূর্ণ হলে টুকরো না করেও ফল হাতে দেওয়া যায়, তবে তখনও অবশ্যই সব ধরনের বীজ ফেলে দিতে হবে।

সাধারণত পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হলে সুস্থ শিশুকে বীজসহ কিছু ফল খেতে দেওয়া যেতে পারে। তবু লিচু, জাম বা বরইয়ের মতো বড় বীজযুক্ত ফল পুরোটা একসঙ্গে মুখে দিতে না দেওয়াই ভালো। বরং বীজ বাইরে রেখে চারপাশের অংশ খাওয়ার অভ্যাস শেখানো নিরাপদ।

এখন জেনে নেই জীবন বাঁচানোর কৌশল

শিশু যখন খাবার খায়, তখন তার পাশে অন্তত একজন দায়িত্বশীল প্রাপ্তবয়স্কের উপস্থিতি থাকা জরুরি। শ্বাসনালিতে কিছু আটকে গেলে কী লক্ষণ দেখা দেয় এবং সেই মুহূর্তে কীভাবে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হয়— এসব বিষয়ে আগে থেকেই ধারণা রাখা প্রয়োজন। জীবনরক্ষাকারী সিপিআর প্রশিক্ষণ নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ জরুরি পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক সঠিক পদক্ষেপই একটি শিশুর জীবন বাঁচাতে পারে।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আবহমান বাংলার ঐতিহ্য লাঠি খেলা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দকে ঘিরে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী লাঠি খেলা।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে চরভদ্রাসন সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের পাকড় গাছের নিচে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে গ্রামীণ বাংলার প্রাচীন ক্রীড়া ঐতিহ্যের এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।

লাঠি খেলায় অংশ নেয় ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার ধোপাডাঙ্গা-চাদপুর এলাকার অভিজ্ঞ লাঠিয়াল দল। তারা দলবদ্ধ ও এককভাবে নানা কৌশলী ও শৈল্পিক লাঠি খেলার প্রদর্শনী উপস্থাপন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন। ঢোলের তালে তালে লাঠিয়ালদের দৃষ্টিনন্দন পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দেয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুরাইয়া মমতাজ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন, চরভদ্রাসন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইয়াকুব আলীসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা। এ সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং নানা শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক মানুষ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।

আয়োজকরা জানান, গ্রামীণ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে। লাঠি খেলা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং এটি বাঙালির ইতিহাস ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একসময় আত্মরক্ষার কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত এই খেলা এখন লোকজ সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

অনুষ্ঠানে আগত দর্শনার্থীরা এমন আয়োজনকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যগুলো টিকিয়ে রাখতে নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ প্রয়োজন। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করতে এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যাতে গ্রামীণ ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশে নতুন গতি সঞ্চার করা যায়।

ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৫৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে ফরিদপুরের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণাঢ্য ও প্রাণবন্ত আয়োজন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ১০টায় প্রতিষ্ঠানটির ড্রিলশেড প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবের রঙে রঙিন হয়ে ওঠে।

দিনের শুরুতেই শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী মঙ্গল শোভাযাত্রা। বাঙালির হাজার বছরের সংস্কৃতির প্রতীক নানা রঙের মুখোশ, পাখি, গ্রামীণ জীবনচিত্র ও লোকজ উপকরণে সাজানো শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসজুড়ে ঘুরে এক অনন্য আবহ তৈরি করে। এ সময় শিক্ষার্থীদের রঙিন পোশাক, আলপনা আঁকা প্রাঙ্গণ এবং বৈশাখী সাজ সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

শোভাযাত্রা শেষে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা যৌথভাবে নৃত্য, গান, আবৃত্তি এবং নাটিকার মাধ্যমে বাঙালির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মুক্তচিন্তার চেতনাকে তুলে ধরেন। বিশেষ করে বৈশাখী গান ও লোকজ পরিবেশনা উপস্থিত দর্শকদের মাঝে বাড়তি আনন্দের সঞ্চার করে। অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল শৃঙ্খলা, সৌন্দর্য ও অংশগ্রহণের এক অনন্য সমন্বয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আব্দুল কায়ুম শেখ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ফাতেমা ইসলাম। এছাড়াও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, পহেলা বৈশাখ শুধু একটি উৎসব নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক। নতুন বছরের সূচনায় সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা। তারা আরও বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশীয় সংস্কৃতির প্রতি ভালোবাসা ও সচেতনতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সবমিলিয়ে দিনব্যাপী এ আয়োজন ছিল আনন্দ, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক মিলনমেলা, যা অংশগ্রহণকারীদের মনে নববর্ষের নতুন উদ্দীপনা জাগিয়ে তোলে।

পহেলা বৈশাখে সাজ: গরমেও থাকুন সতেজ ও আকর্ষণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৩৮ অপরাহ্ণ
পহেলা বৈশাখে সাজ: গরমেও থাকুন সতেজ ও আকর্ষণীয়

সারা বছরের অপেক্ষার পর সেই কাঙ্ক্ষিত সকালে বাইরে যাওয়ার আগে মেকআপ করতে তাড়াহুড়ো না করে একটু সময় নিয়ে তৈরি হোন। প্রথমে এক টুকরো বরফ মুখে ঘষে নিন।

এতে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ভালো থাকবে এবং গরমে ত্বকও স্বস্তি পাবে।
ত্বকের সঙ্গে মিলিয়ে ফাউন্ডেশন মুখে, চোখের ওপর-নিচে ও গলায় লাগিয়ে একটি ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিন।

মেকআপের পরও যদি চোখের নিচে কালি, মুখে দাগ বা ভাঁজ দেখা যায়, তাহলে কনসিলার ব্যবহার করুন। এরপর কমপ্যাক্ট পাউডার লাগিয়ে নিন।

চোখের ওপর পুরো পাতাজুড়ে বেস আইশ্যাডো লাগান। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে বা দুই শেড মিলিয়ে আইশ্যাডো ব্যবহার করতে পারেন।

ভ্রূর ঠিক নিচে হাইলাইটার লাগান। কাজল চোখের ভেতরে লাগিয়ে ওপরে ও নিচে আইলাইনার দিন। যারা আইলাইনার ব্যবহার করতে চান না, তারা গাঢ় করে কাজল লাগাতে পারেন। সবশেষে দুই কোট মাসকারা ব্যবহার করুন।
নাক একটু মোটা বা বড় হলে দুই পাশে ডার্ক শেডের ফাউন্ডেশন ব্যবহার করে শার্প লুক দিতে পারেন। নাকের ওপরের অংশে লাইট শেডের ফাউন্ডেশন ও কমপ্যাক্ট লাগান।

গোলাপি বা বাদামি শেডের ব্লাশন ব্রাশে নিয়ে গালের আপেল পয়েন্টে লাগান।

লিপস্টিক ব্যবহারের আগে ঠোঁটে হালকা পাউডার লাগিয়ে নিন। এরপর লিপ পেন্সিল দিয়ে আউটলাইন এঁকে লিপ ব্রাশ দিয়ে লিপস্টিক লাগান।

পহেলা বৈশাখে গরম বেশি থাকে, তাই চুল খোলা না রেখে হালকা ভলিউম দিয়ে সেট করে নিতে পারেন। পেছনে চুল আটকানোর জায়গায় পছন্দের ফুল ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে খোঁপাও করতে পারেন।

বৈশাখের সাজে হাতভর্তি রেশমি চুড়ি, পোশাকের সঙ্গে মানানসই কানের দুল এবং কপালে টিপ বা আলপনা সাজকে পূর্ণতা দেয়।

পহেলা বৈশাখে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ ব্যবহার করা ভালো। সঙ্গে ওয়েট টিস্যু ও কিছুটা লুজ পাউডার রাখুন। ত্বক ঘেমে গেলে মুছে নিয়ে আবার পাউডার দিয়ে মেকআপ সেট করে নিতে পারবেন।