খুঁজুন
শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

শীতে ঘুম বেশি পাওয়ার কারণ কী? জানাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:১২ পূর্বাহ্ণ
শীতে ঘুম বেশি পাওয়ার কারণ কী? জানাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান

শীত পড়লেই অনেকের সকালে ঘুম থেকে উঠতে কষ্ট হয়, আর দিনভর এক ধরনের অদ্ভুত ক্লান্তি বা ঘুমঘুম ভাব লেগেই থাকে। অন্য ঋতুতে যেখানে ‘ঘুম ঠিকমতো হয়নি’ এই অনুভূতিটা তেমন জোরালো হয় না, সেখানে ঠান্ডা আবহাওয়ায় বিষয়টি যেন আরও বেশি চোখে পড়ে।

আপনার যদি এমনটা মনে হয়, তাহলে আপনি একা নন। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ শীত মৌসুমে একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান। চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের মতে, মৌসুমি পরিবর্তনের সঙ্গে মানুষের ঘুমের চাহিদাও বদলে যায়।

শীতকালে কেন ঘুম বাড়ে?

মানুষের শরীরে একটি প্রাকৃতিক ‘বডি ক্লক’ বা জৈবঘড়ি রয়েছে, যা সূর্যের আলোকে ভিত্তি করে ঘুম ও জাগরণের সময় নির্ধারণ করে।

বাইরে সূর্যের আলো থাকলে আমরা বেশি সক্রিয় থাকি, আর সূর্য ডুবে গেলে শরীরে ক্লান্তি ও ঝিমুনি ভর করে। এদিকে, শীতকালে সূর্যের আলো কমে যাওয়ার ফলে শরীরে মেলাটোনিন নামের একটি হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোনটি ঘুমের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মৌসুমে ঠান্ডা পড়লে মেলাটোনিন তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত শুরু হয়।

ফলে আগেভাগেই ঘুম ঘুম ভাব আসে। শুধু ঘুমের সময় নয়, ঘুমের মানের ওপরও আলো বড় প্রভাব ফেলে। শীতকালে দীর্ঘ সময় অন্ধকার থাকায় শরীর সারা বছরের ঘুমের ঘাটতি পূরণ করার চেষ্টা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, শীতকালে গভীর ঘুমের সময় প্রায় ৩০ মিনিট পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। এই গভীর ঘুম মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ এই সময় স্মৃতিশক্তি উন্নত হয়, মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা বাড়ে, মেজাজ ভালো থাকে এবং শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়। এ ছাড়া গভীর ঘুমের সময় মস্তিষ্কের কার্যকলাপ বেড়ে যায় এবং তখনই মানুষ স্বপ্ন দেখে। এই প্রক্রিয়াগুলোই শরীর ও মনের সুস্থতার জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

ঋতু অনুযায়ী ঘুমের অভ্যাস বদলানো জরুরি

গবেষকরা বলছেন, ফলাফল থেকে প্রথমবারের মতো স্পষ্ট হয়েছে, ঘুমের অভ্যাস ঋতুভেদে বদলানো দরকার। অর্থাৎ শীতকালে তুলনামূলকভাবে একটু আগেই ঘুমাতে যাওয়া শরীরের জন্য উপকারী।

যদিও দৈনন্দিন ব্যস্ততার কারণে সারা বছর মানুষের ঘুমের সময় মোটামুটি একই থাকে, তবু বাস্তবতা হলো—শীতকালে মানুষের মস্তিষ্ক স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা ধীর হয়ে যায় এবং তখন শরীর বেশি ঘুমের দাবি জানায়।

শেষ কথা

শীতকালে বেশি ঘুম পাওয়া অলসতা বা দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং এটি শরীরের একটি স্বাভাবিক জৈব প্রতিক্রিয়া। তবে দৈনন্দিন জীবনে এই পরিবর্তন যদি অতিরিক্ত মনে হয়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই শ্রেয়।

সূত্র : জিও নিউজ

যে ৬ রোগ নিয়ে হজে না যাওয়ার নির্দেশনা সৌদির?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ
যে ৬ রোগ নিয়ে হজে না যাওয়ার নির্দেশনা সৌদির?

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সামনে রেখে পুণ্যার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি ও কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর শারীরিক জটিলতা থাকলে এবার হজের অনুমতি বা পারমিট পাওয়া যাবে না।

সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীরা যাতে হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতাগুলো নিরাপদে এবং কোনো বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা, হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা, লিভার সিরোসিস, জটিল মানসিক রোগ অথবা স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া, বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা এবং এমন অন্তঃসত্ত্বা নারী, যারা গর্ভধারণের শেষ তিন মাস বা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন।

এদিকে, রোগব্যাধির তালিকার পাশাপাশি টিকাদানের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে সৌদি আরব। সকল পুণ্যার্থীর জন্য ‘মেনিনোকোক্কাল মেনিনজাইটিস’ ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হজ শুরুর অন্তত ১০ দিন আগে এই টিকার একটি ডোজ নিতে হবে।

এ ছাড়া উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি যেমন—বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং যাদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ (শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ) আছে, তাদের জন্য কোভিড-১৯ এবং সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার আপডেট ডোজ নেওয়ার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

হাঁটলেই পায়ে ব্যথা করে? প্রতিরোধের ৫ উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
হাঁটলেই পায়ে ব্যথা করে? প্রতিরোধের ৫ উপায়

হাঁটলেই পায়ে ব্যথা— এটা অনেকেরই নিত্যদিনের ভোগান্তি। সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই পা ভারী লাগা, টান ধরা বা ব্যথা শুরু হওয়ায় অনেকেই স্বাভাবিক চলাফেরাতেই অস্বস্তি অনুভব করেন। ফলে দৈনন্দিন কাজেও ধীরগতি আসে, কেউ কেউ আবার ব্যথার ভয়ে হাঁটা-চলাও কমিয়ে দেন। কিন্তু এই সমস্যাকে শুধু সাধারণ ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ের ব্যথার পেছনে থাকতে পারে পেশির অতিরিক্ত চাপ, প্রদাহ, জয়েন্টের সমস্যা কিংবা স্নায়ুর জটিলতাসহ নানা শারীরিক কারণ। তাই সঠিক কারণ চিহ্নিত করা এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট এম ইয়াছিন আলী একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত নিবন্ধে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কী কারণে হাঁটলেই পায়ে ব্যথা হয় এবং কীভাবে সহজ কিছু অভ্যাস ও চিকিৎসা মেনে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।

কেন ব্যথা হয়

হাঁটার সময় পায়ে ব্যথার অন্যতম কারণ পেশির অতিরিক্ত চাপ বা মাসল স্ট্রেইন।

টানা দীর্ঘ সময় হাঁটা, হঠাৎ বেশি ব্যায়াম বা সঠিক ওয়ার্ম আপ না করে হাঁটা শুরু করলে পেশিতে টান পড়ে ব্যথা হতে পারে।

আরেকটি সাধারণ কারণ প্লান্টার ফ্যাসাইটিস। এতে পায়ের পাতার নিচের অংশে প্রদাহ হয়।

জয়েন্টের সমস্যা, যেমন হাঁটু বা গোড়ালির অস্টিওআর্থ্রাইটিস থাকলে ব্যথা হতে পারে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এ সমস্যা বাড়তে দেখা যায়।

স্নায়ুর সমস্যা বা নার্ভ কমপ্রেশন যেমন সায়াটিকা থাকলে কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে রক্ত চলাচলের সমস্যা যেমন পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ থাকলে হাঁটার সময় পায়ে ব্যথার সৃষ্টি হয়, যা বিশ্রামে কমে যায়।

যা করতে হবে

প্রথমেই ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করাটা জরুরি।

ব্যথা বেশি হলে কিছুদিন বিশ্রাম নিন। আক্রান্ত স্থানে বরফ সেঁক দিন (১৫–২০ মিনিট, দিনে ২–৩ বার)।

স্ট্রেচিং ও স্ট্রেনদেনিং এক্সারসাইজ পায়ের পেশি ও লিগামেন্টকে শক্তিশালী করে। বিশেষ করে কাফ মাসল বা পায়ের মাংসপেশির ব্যায়াম খুব উপকারী।

আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। শক্ত বা অনুপযুক্ত জুতা ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অতিরিক্ত ওজন পায়ের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যথা বাড়ে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথা বা প্রদাহনাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।

যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে আলট্রাসাউন্ড থেরাপি, শকওয়েভ থেরাপি বা বিশেষ অর্থোপেডিক চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়

১. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং করুন।

২. হঠাৎ করে অতিরিক্ত হাঁটা বা দৌড়ানো এড়িয়ে চলুন।

৩. হাঁটা বা ব্যায়ামের শুরুতে ওয়ার্ম আপ করবেন।

৪. প্রতিদিনের কাজে সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখুন।

৫. দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা কমিয়ে আনতে হবে।

দেরিতে বেতন দিলে কী করবেন, জেনে নিন ৪ করণীয়

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
দেরিতে বেতন দিলে কী করবেন, জেনে নিন ৪ করণীয়

সারা মাসের হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে প্রতিটি চাকুরিজীবীর মনেই এক চিলতে স্বস্তি নিয়ে আসে মোবাইলে আসা বেতনের সেই কাঙ্ক্ষিত মেসেজটি। তবে পরিস্থিতির ফেরে সেই মেসেজ আসতে দেরি হলে অনেক সময় দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জমতে শুরু করে।

বাড়ি ভাড়া, বাজার খরচ থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক নানা বিলের চাপে হিমশিম খেতে হয় অনেককেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে বা আতঙ্কিত না হয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বেতন সময়মতো না পেলে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।

১. প্রথমেই কারণ অনুসন্ধান করুন

বেতন আসতে দেরি হলে প্রথমেই আতঙ্কিত হবেন না। অনেক সময় প্রশাসনিক বা কারিগরি ত্রুটির কারণে এমনটা হতে পারে। তাই প্রথমেই এইচআর বা অ্যাকাউন্টস বিভাগে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হোন যে, কোনো ব্যাংক জটিলতা বা ডাটা এন্ট্রিতে ভুল হয়েছে কি না। এছাড়া সমস্যাটি কেবল আপনার একার নাকি অন্য সহকর্মীদেরও একই অবস্থা, সেটিও কথা বলে জেনে নিন।

২. আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন

বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী কর্মীদের অধিকার সংরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, মাস শেষ হওয়ার পরবর্তী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কর্মীর বেতন পরিশোধ করা মালিকপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। যদি বেতন দীর্ঘ সময় আটকে থাকে, তবে আপনি শ্রম আদালতে অভিযোগ জানাতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে আদালত বিলম্বের জন্য ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে। এছাড়া যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য শ্রম অধিদপ্তরের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।

৩. আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কৌশলী হোন

বেতন দেরিতে আসলেও জীবনযাত্রা থেমে থাকে না। এই সময়ে আর্থিক সংকট সামলাতে বাড়ি ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং খাবারের মতো মৌলিক ও জরুরি খরচগুলোকে তালিকার শীর্ষে রাখুন। যদি ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি বা অন্য কোনো বড় বিল থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পেমেন্টের সময় কিছুটা বাড়িয়ে নেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে প্রতি মাসের আয় থেকে কিছুটা সঞ্চয় করে ৩-৬ মাসের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সমান একটি ‘ইমারজেন্সি ফান্ড’ গড়ে তোলা জরুরি।

৪. পেশাদারিত্ব বজায় রাখা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সংকটকালীন সময়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বেতন নিয়ে হওয়া যাবতীয় আলাপ-আলোচনা, ইমেইল বা চিঠির রেকর্ড বা প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। কর্মক্ষেত্রে সাময়িক সমস্যার কারণে কাজে ফাঁকি না দিয়ে বরং নিজের পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।তবে মনে রাখবেন, বেতন নিয়মিত দেরিতে হওয়া যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, তবে নিজের ক্যারিয়ারের স্বার্থে নতুন চাকরির খোঁজ শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রমিক আইন ২০০৬, টিভি নাইন বাংলা, টিভিএস