খুঁজুন
, ,

আপনি কেমন মানুষ? বলে দেবে আপনার প্রোফাইল পিকচার

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৩ পূর্বাহ্ণ
আপনি কেমন মানুষ? বলে দেবে আপনার প্রোফাইল পিকচার

প্রচলিত বাংলায় একটি প্রবাদ আছে, ‘আগে দর্শনধারী, পরে গুণবিচারী’। যার অর্থ বাহ্যিক রূপ বা প্রথম ইমপ্রেশন দেখে কোনো কিছু বিচার করা এবং পরে তার অভ্যন্তরীণ গুণাগুণ বা আসল চরিত্র পরখ করা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারীদের বেলায় যেন এই প্রবাদ একেবারেই সামঞ্জস্যপূর্ণ। যারা সারাদিনে সময় পান না, তারাও অন্তত ঘুমের আগে কিছুক্ষণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোরাঘুরি করেন।

যখন কাউকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেন, সবার আগে চোখ পড়বে তার প্রোফাইল পিকচারের দিকে। যে প্রোফাইল পিকচার যতটা আকর্ষণীয় মনে হয়, আমরা সেই প্রোফাইল দেখতেই বেশি আগ্রহী হই। মজার বিষয় হলো, আপনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রোফাইল পিকচার হিসেবে যে ছবিটি ব্যবহার করেছেন, সেটি দেখে কিন্তু আপনার সম্পর্কে কিছুটা হলেও বলে দেওয়া সম্ভব। চলুন তাহলে এবার মিলিয়ে নিই,

প্রোফাইল পিকচারে সেলফি

বিশ্বায়নের এই সময়ে ছবি তোলার জন্য এখন আর অন্যের সাহায্যের দরকার পড়ে না। কারণ, প্রত্যেক স্মার্টফোনেই রয়েছে সেলফি মুড। অনেকের প্রোফাইল পিকচারে সেলফি দেখতে পাবেন। এ ক্ষেত্রে যদি কারও প্রোফাইল পিকচারে সেলফি আপলোড করা থাকে, তবে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে, তিনি সবার আগে নিজেকেই বেশি গুরুত্ব দেন। অন্য কারও ওপর ঠিক ভরসা করতে পারেন না। ছবি তোলার ক্ষেত্রেও সেটি কাজ করে।

ঘুরে বেড়ানোর ছবি

কেউ নিভৃতে ঘরে থাকাতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন, কেউ আবার ঘুরে বেড়াতে। যদি কারও প্রোফাইল পিকচারে ঘুরতে যাওয়ার ছবি দেওয়া থাকে, তবে ধরে নেবেন সে আর কেউ নয়, একজন ভ্রমণপ্রেমী। আর তাই সবসময় তার প্রোফাইলে ঘুরে বেড়ানোর ছবি আপ করেন।

গাছ-লতাপাতা ইত্যাদি

কেউ কেউ তার প্রোফাইলে গাছ, লতাপাতা, ফুল-ফল, পশু-পাখির ছবি দিয়ে রাখেন। এমনটা দেখলে বুঝবেন আইডির মালিক সম্ভবত অন্যদের বিভ্রান্ত করে দিতে চাইছেন। হতে পারে, তিনি নিজের জীবন নিয়েও খুব বেশি সিরিয়াস নন।

ক্রুপ করা ছবি

অনেকে প্রোফাইল পিকচারে ক্রপ করা ছবি ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এ ধরনের ছবি প্রোফাইলে থাকলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি নিজের চেহারা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী নন।

শৈশবের ছবি

মানুষ স্মৃতিপ্রেমী। অতীত স্মৃতি বরাবরই মানুষকে কাছে টানে। তাই অনেকে প্রোফাইলে শৈশবের ছবি দিয়ে রাখতে পছন্দ করেন। আপনি যদি কারও প্রোফাইলে এমন ছবি দেখতে পান তবে বুঝবেন, আইডির মালিক নিজের ফেলে আসা ছেলেবেলাকে অনেক বেশি মিস করেন।

সঙ্গীর ছবি

যারা প্রোফাইল পিকচারে নিজের সঙ্গীর সঙ্গের ছবি ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করেন, তাদের সম্পর্কে সহজেই ধারণা পাওয়া যায় যে তারা সঙ্গীকে অনেক বেশি গুরুত্ব দেন। বেশিভাগ মানুষ প্রোফাইল পিকচারে নিজের ছবি ব্যবহার করে থাকেন। সেখানে কেউ সঙ্গীর সঙ্গে ছবি আপলোড করলে বুঝতে হবে তাদের সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা একটু বেশিই।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

আলফাডাঙ্গায় চার দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ, মাকে ফিরে পেতে তিন শিশুর আকুতি

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৬ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় চার দিন ধরে নিখোঁজ গৃহবধূ, মাকে ফিরে পেতে তিন শিশুর আকুতি

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় স্বামী ও তিন শিশু সন্তান রেখে চার দিন ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ রয়েছেন আশরাপিয়া পিংকী (৩৫) নামে এক গৃহবধূ। গত ৭ জুলাই (মঙ্গলবার) সকালে সন্তানদের বই কেনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় পরিবারজুড়ে নেমে এসেছে উৎকণ্ঠা। সবচেয়ে বেশি অসহায় হয়ে পড়েছে পিংকীর তিন শিশু সন্তান, যারা বারবার মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানাচ্ছে।

নিখোঁজ পিংকী আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়নের ফলিয়া গ্রামের মো. হোসেন মৃধার স্ত্রী। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রয়েছে। হোসেন মৃধা জাহাজের প্রথম শ্রেণির মাস্টার এবং পাশাপাশি জাহাজ-সংক্রান্ত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।

এ ঘটনায় পিংকীর স্বামী হোসেন মৃধা তার শাশুড়িসহ আটজনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে, পিংকীর মা সালমা বেগমও মেয়ের সন্ধান চেয়ে থানায় পৃথক একটি অভিযোগ দিয়েছেন। ফলে ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে ফলিয়া গ্রামের আমজাদ হোসেনের মেয়ে আশরাপিয়া পিংকীর সঙ্গে একই গ্রামের মনিহাল মৃধার ছেলে হোসেন মৃধার বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন তারা ঢাকার উত্তরায় বসবাস করতেন।

হোসেন মৃধার দাবি, শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা বিভিন্ন সময় তার কাছ থেকে প্রায় ১১ লাখ টাকা নিয়েছেন। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরত এক ব্যবসায়িক অংশীদারের পাঠানো ৬০ লাখ টাকা শ্যালকের ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর পর থেকেই স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের আচরণ বদলে যায়। তিনি টাকা ফেরত চাইলে নানা টালবাহানা, ভয়ভীতি এবং বিরোধের সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গত ২৯ জুন পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাকে মারধরের শিকার হতে হয়। পরে আত্মীয়-স্বজনের মধ্যস্থতায় বিষয়টি মীমাংসা হলে তিনি পরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন এবং সন্তানদের স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

হোসেন মৃধার ভাষ্য, গত ৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পিংকী সন্তানদের বই কেনার কথা বলে আলফাডাঙ্গা সদর বাজারের উদ্দেশ্যে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায় এবং তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। বিষয়টি জানাতে শাশুড়ির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি অসহযোগিতামূলক আচরণ করেন বলেও অভিযোগ করেন হোসেন।

তিনি বলেন, “চার দিন হয়ে গেল। আমার স্ত্রী কোথায় আছে জানি না। সবচেয়ে কষ্টের বিষয়, আমার তিনটি সন্তান মায়ের জন্য কান্নাকাটি করছে। আমরা চাই, তাকে দ্রুত খুঁজে বের করা হোক।”

এদিকে, পিংকীর আপন চাচা মুন্নু মোল্যা ও সাবেক ইউপি সদস্য ছালাম মোল্যাসহ কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি দাবি করেন, হোসেন মৃধা শান্ত স্বভাবের মানুষ। তাদের ধারণা, পারিবারিক ও আর্থিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্ত ছাড়া নিশ্চিত করে কিছু বলা সম্ভব নয় বলেও তারা মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সব অভিযোগ অস্বীকার করে পিংকীর মা সালমা বেগম বলেন, “আমার মেয়ের ওপর প্রায়ই নির্যাতন করা হতো। তাকে মারধর করা হতো। আমার মেয়েও তাদের বাড়ি থেকেই নিখোঁজ হয়েছে। সে কোথায় আছে, আমরাও জানি না। আমিও থানায় অভিযোগ করেছি। আমিও আমার মেয়েকে ফিরে পেতে চাই।”

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান বলেন, “উভয় পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধানে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।”

‘ব্যর্থ প্রেমিক’

এমডি কামাল হোসেন
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৮ অপরাহ্ণ
‘ব্যর্থ প্রেমিক’

কলেজ পড়তে দু’বছর ছিলাম এক গ্রামে,
ধরা পড়লাম ষোড়শী এক ম্যাডামের প্রেমে।
মেয়েটি বড়ই সাদাসিধে নেই কোন লাজ,
আমার পিছু লাগল সুন্দরী ছাড়লো না পাছ।

অনেক বুঝিয়েছি শোনো হে রূপসী ম্যাডাম,
তোমাকে ভালবাসলে অবশেষে পাবো কি দাম?
চোখে অশ্রু এনে বলল সেদিন শ্লথ গলায়,
কি যে বলেন জনাব, আপনি বিনা কে আমার?

করুন কন্ঠে পাগল হয়ে দিলাম তারে মন,
ভালোবাসা লুকিয়ে লুকিয়ে করলামনা কম।
আমাদের ভালোবাসা ঠিক যখনি গভীরে,
তখনই জানাজানি হলো বেশ কিছুটা বাহিরে।

সুমির বয়স্ক মাতা বড়ই সারল্য পনা,
আমাদের ভালোবাসায় হলো নাকো আনমনা।
ভাই তাহার খুবই চতুর মেনে নেবে না কিছু,
সেদিন থেকে আমাদের পিছে নিলেন তিনি পিছু।

হঠাৎ পড়লাম ধরা সুমীর ভাই এর কাছে,
বাড়ি থেকে অপমান হয়ে নামতে হল মাঠে।
আশা ছিল পরীক্ষা শেষে ফিরবো নিজের দেশে,
এদেখি অপমান হয়ে চলছি পাগল ভেসে।

ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিবের স্ত্রীর মৃত্যুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর শোক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ফরিদপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব এ.কে.এম কিবরিয়া স্বপনের স্ত্রী মেহেজাবিন আক্তার লোটাসের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (ফরিদপুর বিভাগ) শামা ওবায়েদ ইসলাম। এছাড়াও ফরিদপুর -৩ সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল।

শুক্রবার (১০ জুলাই) এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একইসঙ্গে, তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং এই গভীর শোক সহ্য করার মতো ধৈর্য ও শক্তি দানের জন্য মহান আল্লাহর নিকট দোয়া করেন।

একইভাবে শোক জানিয়েছেন ফরিদপুর সদর আসনের এমপি চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ, ফরিদপুর-৪ আসনের এমপি শহিদুল ইসলাম বাবুল, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক আবজাল হোসেন খান পলাশ, মাদারীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক খন্দকার মাশুকুর রহমান, ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কবিরুল ইসলাম সিদ্দিকী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, মেহেজাবিন আক্তার লোটাস গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি স্বামী, দুই পুত্র এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বাদ জুম্মা  শহরের চকবাজার জামে মসজিদে মরহুমার নামাজের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে দল মত নির্বিশেষে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীর ও পেশার মানুষ অংশ নেন। পরে আলীপুর গোরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।