খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

কোন সময় গোসল করলে শরীর থাকে সবচেয়ে সুস্থ?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৭:০৪ পূর্বাহ্ণ
কোন সময় গোসল করলে শরীর থাকে সবচেয়ে সুস্থ?

অনেকের দিনের শুরুই হয় গোসল দিয়ে। সকাল সকাল গোসল সেরে তারপর নাশতা, অফিস কিংবা দিনের অন্যান্য কাজ; এটাই দক্ষিণ এশিয়ার অনেক মানুষের অভ্যাস। কিন্তু বিশ্বের সব জায়গায় কি একই রীতি? আসলে তা নয়। পূর্ব এশিয়ার অনেক দেশে আবার দিনের শেষে গোসল করাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

তাহলে প্রশ্ন হলো, শরীরের জন্য কোন সময় গোসল করা ভালো? সকালে, নাকি রাতে? এ নিয়ে সংস্কৃতি, অভ্যাস এবং বিজ্ঞানের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা।

সকালে গোসলের অভ্যাস

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে, বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশে সকালে গোসল করার প্রচলন বহু পুরোনো। প্রাচীন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গ্রন্থেও সকালের স্নানকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রাচীন ভারতীয় শাস্ত্র ও আয়ুর্বেদে বলা হয়েছে, সকালে গোসল করলে শরীর সতেজ হয় এবং মনও চাঙা হয়ে ওঠে। এতে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, অলসতা কমে এবং দিনের কাজ শুরু করার জন্য শক্তি পাওয়া যায়।

এ ছাড়া গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ার দেশগুলোতে ঘাম ও গরম থেকে স্বস্তি পেতেও সকালের গোসল অনেকের কাছে বেশ কার্যকর।

কেন রাতে গোসল পছন্দ পূর্ব এশিয়ায়?

অন্যদিকে জাপান, চীন বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে আবার দিনের শেষে গোসল করাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সারাদিনের কাজ শেষে শরীর ও মনকে স্বস্তি দেওয়ার একটি উপায় হিসেবে তারা রাতের গোসলকে দেখে।

বিজ্ঞান কী বলছে?

গবেষকদের মতে, সকাল ও রাত; দুই সময়েই গোসলের কিছু উপকারিতা রয়েছে।

সকালে গোসল করলে মস্তিষ্ক দ্রুত সতেজ হয়ে ওঠে এবং শরীর ‘অ্যালার্ট’ অবস্থায় চলে যায়। ফলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়তে পারে।

অন্যদিকে ঘুমানোর অন্তত এক থেকে দেড় ঘণ্টা আগে হালকা গরম পানিতে গোসল করলে শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে। এতে মেলাটোনিন নামের একটি হরমোনের নিঃসরণ বাড়তে সাহায্য করে, যা ভালো ঘুমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে কোন সময়টি ভালো?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোসলের সেরা সময় আসলে নির্ভর করে ব্যক্তির জীবনযাত্রা ও দৈনন্দিন অভ্যাসের ওপর।

আপনি যদি সকালে কাজ শুরু করার আগে শরীরকে সতেজ করতে চান, তাহলে সকালে গোসল করা উপকারী হতে পারে। আবার দিনের ক্লান্তি দূর করে শান্ত ঘুম চাইলে রাতে গোসল করাও ভালো একটি অভ্যাস।

অনেকেই এখন আধুনিক জীবনযাত্রায় দুই সময়েই গোসল করার অভ্যাস গড়ে তুলছেন, সকালে সতেজ থাকতে এবং রাতে ক্লান্তি দূর করতে।

সূত্র : টিভি নাইন বাংলা

ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দৈনিক পুনরুত্থান পত্রিকার ১৩তম বর্ষপূর্তি উদযাপন

ফরিদপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে দৈনিক পুনরুত্থান-এর ১৩তম বর্ষপূর্তি। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনকে ঘিরে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ছিল আনন্দঘন র‍্যালি, আলোচনা সভা, দোয়া ও কেক কাটা—যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক ও শিক্ষকদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকাল ১০টায় একটি বর্ণিল র‍্যালি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‍্যালি শেষে সকাল ১১টায় শুরু হয় আলোচনা সভা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক পুনরুত্থানের সহযোগী ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মিজান উর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খরসূতী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. সাদীন উর রহমান।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- মাগুরার মহম্মদপুর আমিনুর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রাক্তন অধ্যাপক ও প্রবীণ শিক্ষাবিদ মো. আবুল কালাম আজাদ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “সৎ ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা সমাজকে আলোকিত করে এবং একটি গণমাধ্যমের দীর্ঘ পথচলার পেছনে থাকে নিরলস পরিশ্রম ও জনগণের আস্থা।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন- প্রথিতযশা সাংবাদিক ও সমকাল প্রতিনিধি কাজী আমিনুল ইসলাম। তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতার বিকাশে দৈনিক পুনরুত্থানের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের আহ্বান জানান।

দ্বিতীয় পর্বের শুরুতে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন খরসূতী চন্দ্র কিশোর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ আল মাসউদ। পরে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে পত্রিকাটির উত্তরোত্তর সফলতা কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক (ইসলাম শিক্ষা) মো. নিজাম উদ্দিন।

খরসূতী সরকারি কলেজের প্রভাষক গৌতম সিংহের সুনিপুণ উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য মো. নায়েব আলী, বোয়ালমারী উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান মো. নবির হোসেন চুন্ন, চিকিৎসক ডা. মো. জিকরুল হক সিকদারসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, সাংবাদিক ও সুধীজন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের প্রভাষক, সহকারী অধ্যাপক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে কেক কেটে ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দৈনিক পুনরুত্থান স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও জনমানুষের কথা তুলে ধরে পাঠকমহলে আস্থা অর্জন করেছে। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের দর্পণ হিসেবে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত সেই কবির খান গ্রেপ্তার

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আলোচিত সেই কবির খান গ্রেপ্তার

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া আসামি চরহরিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কবির খানকে (৫৩) অবশেষে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের হরিচন্ডিপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চরভদ্রাসন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) এনামুল হক খানের নেতৃত্বে একটি দল দোহার থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে কবির খানকে গ্রেপ্তার করে। তিনি চরভদ্রাসন উপজেলার চরহরিরামপুর ইউনিয়নের চর সালেপুর গ্রামের মৃত সুরমান খানের ছেলে। স্থানীয়ভাবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভূমিদস্যু হিসেবে পরিচিত এবং তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মুন্সির চর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে কবির খানকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। কিন্তু গ্রেপ্তারের পরপরই তাকে মোটরসাইকেলে তোলার সময় তার স্বজন ও অনুসারীরা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে পুলিশ সদস্যরা গুরুতর আহত হন এবং পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কবির খানকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই রফিকুজ্জামান। তার সঙ্গে ছিলেন এসআই মোজাম্মেল হক, এসআই কাজী রিপন, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) সোহেল রানা ও কনস্টেবল উজ্জ্বলসহ মোট পাঁচজন পুলিশ সদস্য। হামলার সময় এসআই রফিকুজ্জামানসহ সকল সদস্য আহত হন বলে জানা গেছে।

এ ঘটনায় পুলিশ দ্রুত অভিযান জোরদার করে এবং সংশ্লিষ্ট এলাকায় তল্লাশি চালায়। একই ঘটনায় মঙ্গলবার চরহরিরামপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে আলমগীর (২৫) নামে এক সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে থানা পুলিশ।

চরভদ্রাসন থানার এসআই এনামুল হক খান জানান, কবির খানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে থেকেই দুটি মামলা রয়েছে। এছাড়া পুলিশের ওপর হামলা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় জড়িত অন্যান্যদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা যায়।

 

ফরিদপুরে জাকাত ফান্ডে গড়ে উঠলো লুৎফরের মুদি দোকান, বদলে যাচ্ছে জীবন

মাহবুব হোসেন পিয়াল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জাকাত ফান্ডে গড়ে উঠলো লুৎফরের মুদি দোকান, বদলে যাচ্ছে জীবন

ফরিদপুর শহরতলীর ভাজনডাঙ্গা এলাকায় ভুবনেশ্বর নদীর তীরে এক অসহায় মানুষের স্বপ্ন পূরণের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সামাজিক সংগঠন “আমরা করবো জয়”। সংগঠনটির জাকাত ফান্ডের অর্থায়নে লুৎফর রহমান নামে এক অস্বচ্ছল ব্যক্তির জন্য একটি মুদি দোকান নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে, যা তার জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টায় আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দোকানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে দোকানটির কার্যক্রমের সূচনা করেন ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব হোসেন পিয়াল। উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আবুল খায়ের বাউল।

জানা গেছে, প্রায় ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই দোকানটি সম্পূর্ণভাবে জাকাত ফান্ডের অর্থ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার সন্ধানে সংগ্রামরত লুৎফর রহমান ভুবনেশ্বর নদীর তীরে একটি ছোট দোকান গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছিল না। পরে স্থানীয় সমাজসেবী আহমেদ সৌরভের উদ্যোগে “আমরা করবো জয়” সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার স্বপ্ন পূরণের পথ তৈরি হয়।

উদ্বোধনী বক্তব্যে মাহাবুব হোসেন পিয়াল বলেন, “সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের নৈতিক কর্তব্যও। লুৎফরের মতো একজন মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলার মাধ্যমে আমরা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারছি—এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”

ডা. আহমেদ সৌরভ বলেন, “জাকাত শুধু দান নয়, এটি একটি সামাজিক বিনিয়োগ। আমরা চেষ্টা করছি এমনভাবে সহায়তা করতে, যাতে মানুষ দীর্ঘমেয়াদে স্বাবলম্বী হতে পারে। লুৎফরের এই দোকান তার জীবনে স্থায়ী পরিবর্তন আনবে বলে আমরা আশাবাদী।”

উদ্যোক্তারা জানান, তারা চান সমাজে এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে উঠুক যেখানে মানুষ ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এই উদ্যোগ সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।

স্থানীয় বাসিন্দারাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের মানবিক ও বাস্তবমুখী সহায়তা সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং অন্যদেরও এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ফয়সাল কবির পাভেল, সোহরাবুল ইসলাম ডালিম, মো. রুপম হোসেন, সাইমুর রহমান সিয়াম, জাকিব আহাম্মেদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।