খুঁজুন
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

গরমে কেন এত ক্লান্ত লাগে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ
গরমে কেন এত ক্লান্ত লাগে?

পাড়ার মোড়ের দোকান থেকে টাটকা সবজি কিনে ঘরে ফিরেছেন হালিমা বেগম। কিন্তু ঘরে ফিরতেই তার শরীর বেশ দুর্বল লাগতে শুরু করল। এই তো এটুকু পথ! তবু বাইরে তীব্র গরমে ঘেমে একেবারে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন তিনি।

গরমের দিনগুলোতে আমাদের জনজীবনে যেন এটি খুব সাধারণ চিত্র। একটু সচেতনতা গ্রীষ্মের প্রখর তাপজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে পারে, আর অবহেলা কখনো কখনো মৃত্যুঝুঁকির কারণও হতে পারে। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক, গরমে ক্লান্ত লাগার কারণ এবং এই সময়ে সুস্থ থাকতে কোন বিষয়গুলো মেনে চলা জরুরি—সেই বিষয়ে।

বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি অ্যান্ড থেরাপিউটিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সীফাত জাহান শশী

গরমে কেন এত ক্লান্ত লাগে?

শরীর ঠান্ডা রাখতে বেশি শক্তি ব্যয় হয়

যখন আবহাওয়া খুব গরম থাকে, তখন শরীর ঘাম সৃষ্টি করে এবং রক্তনালীগুলো প্রসারিত করে নিজেকে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করে। শরীরকে ঠান্ডা রাখার এই প্রক্রিয়ায় অতিরিক্ত শক্তি ব্যয় হয়। ফলে শরীর দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

অতিরিক্ত ঘাম

অতিরিক্ত ঘামের কারণে শরীর থেকে পানি ও লবণের পরিমাণ কমে যায়। ঘামের সঙ্গে শুধু পানি নয়, সোডিয়াম, পটাশিয়ামসহ গুরুত্বপূর্ণ ইলেকট্রোলাইটও বের হয়ে যায়। এর ফলে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, পেশিতে টান ধরা, অবসাদ এবং মনোযোগ কমে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পানিশূন্যতা

পর্যাপ্ত পানি পান না করলে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এতে রক্তচাপ কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে এবং শরীরের কোষগুলোতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন ও পুষ্টি সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে না। ফলে শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।

ঘুমের সমস্যা

গরমের কারণে অনেকেরই ভালো ঘুম হয় না। রাতে অতিরিক্ত গরম, অস্বস্তি বা বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার ফলে ঘুমের মান কমে যায়। রাতে সঠিকভাবে ঘুম না হলে শরীর পর্যাপ্ত বিশ্রাম পায় না। এর ফলে দিনের শুরু থেকেই শরীর ভারী লাগে এবং সারাদিন ক্লান্তি অনুভূত হতে পারে।

রোদ ও তাপের প্রভাব

দীর্ঘ সময় রোদে থাকলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে হিট এগজস্টশন (অতিরিক্ত গরমের কারণে শরীরের ক্লান্তির অনুভূতি) হতে পারে। এর লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে অতিরিক্ত ঘাম, মাথাব্যথা, দুর্বলতা, বমিভাব ও ক্লান্তি।

অনেক ক্ষেত্রে হিট স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। হিট স্ট্রোক হলে শরীরের তাপমাত্রা অত্যন্ত বেড়ে যায় (সাধারণত ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি)। এ সময় ত্বক গরম ও শুষ্ক হয়ে যেতে পারে বা কখনো অতিরিক্ত ঘামও হতে পারে।

এছাড়া, মস্তিষ্ক ও আচরণে বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা দিতে পারে, যেমন: মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, অসংলগ্ন বা অস্বাভাবিক কথা বলা, অস্থিরতা এবং অজ্ঞান হয়ে যাওয়া। অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে তীব্র দুর্বলতা, দ্রুত হৃৎস্পন্দন, দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস এবং খিঁচুনি।

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে করণীয়

হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে দ্রুত ও সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এক্ষেত্রে যা করতে হবে:

রোগীকে দ্রুত ঠান্ডা স্থানে নিয়ে যেতে হবে।

আঁটসাঁট কাপড় খুলে দিতে হবে।

শরীরে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।

রোগীকে ফ্যানের নিচে রাখতে হবে বা বাতাস করতে হবে।

বরফ থাকলে বগল, ঘাড় ও কুঁচকিতে দিতে হবে।

রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে গিয়ে না থাকে, তাহলে অল্প অল্প করে পানি বা ওরস্যালাইন পান করাতে হবে।

যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। কারণ হিট স্ট্রোক প্রাণঘাতী হতে পারে এবং এর ফলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদযন্ত্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

কী করলে গরমে কম ক্লান্ত লাগবে?

গরমের সময় বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক মানুষ এবং বাইরে কাজ করেন যারা তাদের বেশি সতর্ক থাকতে হয়। এক্ষেত্রে করণীয়:

বেশি বেশি পানি পান করা

পিপাসা লাগার আগেই পানি পান করতে হবে। এর পাশাপাশি ডাবের পানি, লেবুর শরবত ও ওরস্যালাইন খাওয়া যেতে পারে।

হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া

ফলমূল, শাকসবজি এবং কম তেল-মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। এছাড়াও, গরমের দিনে হজমে সাহায্য করতে ও শরীরকে ঠান্ডা রাখতে তরমুজ, শসা ও টকদই বেশ উপকারী।

দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা

বিশেষ করে সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে তীব্র রোদ এড়িয়ে চলতে হবে।

ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরিধান

গরমের দিনগুলোতে আরামদায়ক, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরা উচিত। এতে শরীর কম গরম হয়।

পর্যাপ্ত ঘুমানো

দিন ও রাতের বেলায় ঘর ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করতে হবে। যাদের ঠান্ডাজনিত কোনো সমস্যা নেই, তারা ঘুমানোর আগে একটা শর্ট গোসল সেরে নিতে পারেন।

কখন ডাক্তার দেখানো জরুরি

যদি কারো ক্ষেত্রে নিচের এই বিষয়গুলো চোখে পড়ে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

খুব বেশি দুর্বলতা

অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

শ্বাসকষ্ট

বুক ধড়ফড় করা

জ্বরের মতো গরম লাগা

বিভ্রান্তি বা কথা জড়িয়ে যাওয়া

সূত্র : ডেইলি স্টার

আলফাডাঙ্গায় ভুয়া স্বাক্ষরে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্তের শাস্তি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় ভুয়া স্বাক্ষরে জমি হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, অভিযুক্তের শাস্তি চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় জাল দলিল, ভুয়া স্বাক্ষর ও প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের জমি নিজের নামে নামজারি করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শাম কাজী নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিজের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মো. শহিদুল ইসলাম।

বুধবার (৩ জুন) দুপুরে আলফাডাঙ্গা ডাকবাংলো সংলগ্ন এলাকায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন শহিদুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি তার বাবা অলিয়ার রহমান বৈধ দানপত্রের মাধ্যমে তাকে ৩ শতাংশ জমি প্রদান করেন। পরবর্তীতে গত ৬ মে ২০২৬ তারিখে ওই জমির নামজারির আবেদন করতে গেলে তিনি জানতে পারেন, জমিটি ইতোমধ্যে শাম কাজী নামের এক ব্যক্তি নিজের নামে নামজারি করে নিয়েছেন।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি ২০০৮ সালের একটি দলিল (নম্বর-৭৯১) দেখিয়ে জমিটির নামজারি সম্পন্ন করেন। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তিনি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে খোঁজ নিলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে। সেখানে সংরক্ষিত মূল দলিলে তার বাবা অলিয়ার রহমানের কোনো নাম, ছবি কিংবা স্বাক্ষর পাওয়া যায়নি। ফলে এটি সম্পূর্ণ জালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা দলিল বলে প্রতীয়মান হয়।

শহিদুল ইসলাম আরও বলেন, বিষয়টি সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর উপস্থাপন করা হলে তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। পরে প্রশাসন অভিযুক্ত শাম কাজীর নামে করা নামজারি বাতিল করে। তবে নামজারি বাতিল হলেও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এখনো দৃশ্যমান কোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অভিযুক্ত পক্ষ তাদের পরিবারকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করছে। ফলে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি প্রশাসনের কাছে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত মূল হোতা, সহযোগী এবং ভূমি অফিসের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। পাশাপাশি তার পরিবারকে নিরাপত্তা প্রদান এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) একেএম রায়হানূর রহমান বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অনিয়মের সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট নামজারি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাঁশের খুঁটি গলায় ঢুকে প্রাণ গেল গাছ ব্যবসায়ীর

জাকির হোসেন, নগরকান্দা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাঁশের খুঁটি গলায় ঢুকে প্রাণ গেল গাছ ব্যবসায়ীর

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে গাছ কাটার সময় দুর্ঘটনায় শেখ আকু (৬৫) নামে এক গাছ ব্যবসায়ীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ৮টার দিকে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।

নিহত শেখ আকু নগরকান্দা উপজেলার কুঞ্জনগর এলাকার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাছ কেনাবেচা ও কাটার ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে কৃষ্ণপুর এলাকায় একটি বড় গাছ কাটার কাজ করছিলেন শেখ আকু। গাছের ওপর অবস্থান করে কাজ করার সময় হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে তিনি নিচে পড়ে যান। এ সময় নিচে থাকা একটি বাঁশের খুঁটির ওপর আছড়ে পড়লে খুঁটিটি তার গলার ভেতর ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তবে আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে তাকে বাঁচানোর কোনো সুযোগ ছিল না।

নিহতের আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার বাড়িতে চলছে আহাজারি। দীর্ঘদিনের পরিচিত ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে এলাকায় তার সুনাম ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ জানান, ঘটনার বিষয়ে পুলিশ অবগত রয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বাবার সঙ্গে অভিমান, ঘাস মারা বিষ খেয়ে প্রাণ দিল যুবক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:০৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় বাবার সঙ্গে অভিমান, ঘাস মারা বিষ খেয়ে প্রাণ দিল যুবক

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বাবার সঙ্গে অভিমান করে ঘাস মারা বিষপান করা এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।

মৃত যুবকের নাম রুবেল ফকির (২০)। তিনি উপজেলার বোড়ইপাড়া গ্রামের নুরু ফকিরের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ঘুম থেকে উঠতে দেরি হওয়ায় বাবা নুরু ফকির ছেলেকে বকাঝকা করেন। বিষয়টি নিয়ে অভিমান করে রুবেল বাড়িতে থাকা কৃষি জমিতে ব্যবহৃত ঘাস মারা বিষ পান করেন।

পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

পরে একই দিন দুপুর ১টা ১০ মিনিটে রুবেলকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত বুধবার (৩ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বিষক্রিয়ার কারণে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি ঘটে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হলেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা পুলিশ হাসপাতাল মর্গে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”