খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২৭ মাঘ, ১৪৩২

ফরিদপুরে তেলের লড়ির চাপায় প্রাণ গেল দুই ‌মোটরসাইকেল আরোহীর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ জুন, ২০২৫, ১১:১৫ এএম
ফরিদপুরে তেলের লড়ির চাপায় প্রাণ গেল দুই ‌মোটরসাইকেল আরোহীর

ফরিদপুরে তেলের লড়ির চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে জেলা সদরের মুন্সী বাজার বাইপাস সড়কের বরকতের মার্কেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ফরিদপুর সদরের কৈজুরী ইউনিয়নের সাচিয়া গ্রামের ক্ষিতীশ মজুমদারের ছেলে শ্রীবাস মজুমদার (৩০) ও একই এলাকার জালাল মোল্লার ছেলে রাশেদ মোল্লা (২৫)।

জানা গেছে, ‌সোমবার রাত ‌সাড়ে ৯ টার দিকে ফরিদপুর সদরের মুন্সী বাজার বাইপাস সড়কে বরকতের মার্কেটের সামনে একটি মোটর সাইকেলকে একটি তেলের লড়ি (ট্রাকের) চাপা দেয়। এসময় মোটর সাইকেল আরোহী শ্রীবাস মজুমদার ঘটনাস্থলেই নিহত হন। মারাত্মক আহত হয় রাসেদ মোল্লা নামের অপর যুবক। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ড ভর্তি করলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক রাশেদকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

ফরিদপুরের করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন চৌধুরী বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তেলের লড়ি মোটরসাইকেলকে চাপা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। তাই তেলের লড়িটি আটক করা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ফরিদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০০ পিএম
ফরিদপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সাবেক ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী তানিয়া আক্তার রুমা (৪৬)-এর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, ফরিদপুরে মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, তানিয়া আক্তারের বিরুদ্ধে প্রায় ১ কোটি ৮৬ লাখ ৮০ হাজার ৯৪৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ২৩ লাখ ৩২ হাজার ৯৮০ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি রুজু করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, তানিয়া আক্তার তার দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত তথ্য গোপন করেন এবং আয়-উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, তার ঘোষিত আয়ের তুলনায় সম্পদের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেশি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই শেষে দুদক আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করে।

তানিয়া আক্তার রুমা ফরিদপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা। তিনি সাবেক ফরিদপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনের স্ত্রী। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোজাফিজ মামলাটির বাদী হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া গেছে।

দুদকের ফরিদপুরের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক রতন কুমার দাস ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে জানান, সম্পদের উৎস, ব্যাংক লেনদেন, স্থাবর সম্পত্তি ও অন্যান্য আর্থিক নথিপত্র বিশ্লেষণ করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মামলা দায়ের করা হয়। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

এদিকে, অভিযোগের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে তানিয়া আক্তার বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে দুদক বলছে, তদন্তে আরও তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুদকের এ মামলাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, মামলার তদন্ত ও পরবর্তী কার্যক্রমের ওপরই নির্ভর করবে এর চূড়ান্ত রিপোর্ট।

‘উৎসবমুখর ও ফ্রি-ফেয়ার নির্বাচন হবে, সহিংসতায় কঠোর ব্যবস্থা’ —ফরিদপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০২ পিএম
‘উৎসবমুখর ও ফ্রি-ফেয়ার নির্বাচন হবে, সহিংসতায় কঠোর ব্যবস্থা’ —ফরিদপুরে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে ফরিদপুর অঞ্চলে কঠোর নিরাপত্তা প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অবঃ)। তিনি বলেছেন, এবারের নির্বাচন হবে “উৎসবমুখর ও ফ্রি-ফেয়ার” এবং সহিংসতার কোনো শঙ্কা নেই। তবে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

সভায় ফরিদপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়। পাঁচ জেলার দায়িত্বরত তিন বাহিনীর অধিনায়ক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এতে উপস্থিত ছিলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন— “এই নির্বাচনটা খুবই উৎসবমুখর হবে এবং ফ্রি-ফেয়ার হবে। কোনো ধরনের শঙ্কা নেই। এবারের মতো এত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অতীতে নিয়োগের নজির নেই।”

তিনি বলেন, “আগের নির্বাচনগুলোতে যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, এবার এখন পর্যন্ত সেরকম কিছু হয়নি। আমরা আশা করি সামনে আর হবে না। তবে নির্বাচনের দিন যদি কেউ সহিংসতা করে, তাহলে দেখতে পারবেন কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।”

নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন এবং ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি। যেসব কেন্দ্রে স্থায়ী বাউন্ডারি নেই, সেখানে অস্থায়ীভাবে বাঁশের ঘেরা দিয়ে সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে।

তিনি বলেন—“এবার বিশেষ ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনীও ভোট প্রাঙ্গণে প্রবেশ করতে পারবে। আমাদের জ্যেষ্ঠ সচিব প্রয়োজনীয় সমন্বয় করেছেন, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।”

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, নির্বাচনী এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত ফোর্স মোতায়েন থাকবে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সামগ্রিক প্রস্তুতি সন্তোষজনক উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব নাসিমুল গণি, বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিকসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডালিম খাওয়ার ১৩ উপকারিতা

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৬ এএম
ডালিম খাওয়ার ১৩ উপকারিতা

ফলটির নাম ডালিম। চীনে বলা হয় লাকি ফ্রুট। ফলটি দেখতে চমৎকার আর খেতেও দারুণ। ডালিম খুব একটা সস্তা না হওয়াতে অনেকে এটি এড়িয়ে চলেন।

কিন্তু ডালিম ফলে অসংখ্য উপকারিতা রয়েছে। অন্তত ফলটি খাবারের তালিকায় রাখা উচিত বলে জানিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।

ডালিম স্বাস্থ্য ও ত্বকের জন্যও খুব ভালো। ডালিমে আছে এন্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ।

ডালিম ফল হিসেবে খাওয়ার পাশাপাশি ফ্রুট সালাদ, স্মুদি, জুস, কাস্টার্ডেও ব্যবহার করা যায়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ডালিম খেলে কি কি উপকার হয় –

১. সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখে

ডালিম সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি রোধ করে ত্বককে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে। এতে আছে এন্টি-অক্সিডেন্ট যা শরীরের যাবতীয় জীবাণুকে অপসারণ করে। ডালিমের মধ্যকার অ্যালার্জিক এসিড ত্বকে টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা কমায়।

২. ভিটামিন ‘সি’ এর ভালো উৎস

প্রতিদিন একটি ডালিম খেলে ১৭ শতাংশ ভিটামিন ‘সি’ শরীরে প্রবেশ করে। আমরা জানি ভিটামিন ‘সি’ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। একই সঙ্গে ঠাণ্ডা ও কাশির প্রকোপ থেকে সুরক্ষা দেয়।

৩. ত্বককে রাখে তারুণ্যদীপ্ত

ডালিমের রস ত্বকে বলিরেখা পড়তে দেয় না ও ত্বকের কোষকে দীর্ঘায়ু করে। এটি কোলাজেন ও অ্যালাস্টিন উৎপাদনেও সাহায্য করে।

এই দুটি উপাদানই ত্বককে সজীব ও তরুণ রাখে।

৪. ত্বকের প্রদাহ কমায়
ডালিমে আছে এন্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ত্বকে আরাম দেয়। আরও আছে ট্রিকোসেনিক এসিড ও ওমেগা-৫ ফ্যাটি এসিড যা শুষ্ক ও রুক্ষ ত্বককে আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনে।

৫. ক্যান্সার প্রতিরোধক

ডালিমের রস ক্যান্সারের সেল তৈরি হতে দেয় না। বিশেষ করে মূত্রনালীর ক্যান্সার দমনে এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে।

৫. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে

যারা ডায়াবেটিসের রোগী তারা অনায়েসে খেতে পারেন ডালিম। কারণ এতে আছে ডায়েট্রি ফাইবার যা রক্তের শর্করা কমিয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৬. হৃৎপিণ্ডকে ভালো রাখে

ডালিম রক্তের কোলেস্ট্রলের মাত্রা কমিয়ে আনে ও রক্তে এইচডিএল নামের এক প্রকার কোলেস্ট্রল সরবরাহ করে যা উচ্চ রক্তচাপ কমিয়ে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমায়। এছাড়াও ডালিম ট্যানিন, এনেথোসায়ানিনস ও পলিফেনলসের ভালো উৎস যা আপনার হৃদয়কে রাখে সুস্থ।

৭. ব্রণ ও ব্রণের দাগ

ডালিম হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় রাখে বিধায় পেট পরিষ্কার থাকে ও ত্বকে ব্রণ দেখা দেয় না। ডালিম ভিটামিন ‘সি’ যা ত্বকের তেল গ্রন্থিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

৮. হাইড্রেশন

ডালিম ত্বককে হাইড্রেট করে। এক্ষেত্রে এটি গ্রিন-টির চাইতেও ভালো।

৯. আলজেইমার্স

আলজেইমার্সের রোগীদের জন্য এটি খুব ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে। স্মৃতিশক্তি প্রখর করতেও এর জুড়ি নেই।

১০. ওজন কমায়

প্রতিদিন ডালিম খেলে শরীরে পর্যাপ্ত পরিমান পুষ্টি প্রবেশ করে ও এর মধ্যকার উপাদান শরীরে বাড়তি মেদ জমতে দেয় না।

১১. পাকস্থলী

ডালিম বিপাক প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করে। এটি ডায়েরিয়া ও বমির উপদ্রপ কমায়। এছাড়াও এটি পেটের যেকোনও সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম।

১২. রক্তনালীকে সুরক্ষিত রাখে

ডালিম রক্তনালীকে সুরক্ষিত রাখে ও প্লেক জমতে দেয় না। ফলে স্ট্রোকের সম্ভাবনা কমে যায় বহু অংশে।

১৩. চুল পড়া রোধ করে

ডালিম মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় ও চুলপড়া কমায়। এটি চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝরঝরে ভাবও এনে দেয়।