খুঁজুন
, ,

সালথায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য সহ গ্রেপ্তার ২

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫, ৫:৪১ অপরাহ্ণ
সালথায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য সহ গ্রেপ্তার ২
ফরিদপুরের সালথায় রাজীব সরদার (২৮) নামে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সক্রিয় সদস্য ও একাধিক পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার আসামী লালন বিশ্বাসকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১১ জুন) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃতদের ফরিদপুরের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ডাকাত দলের সদস্য রাজীব খুলনার খানজাহান আলী থানার ঝাপদিপুর গ্রামের মৃত সুলতান সরদারের ছেলে ও লালন বিশ্বাস সালথা উপজেলার যদুনন্দী গ্রামের মৃত রুকমান বিশ্বাসের ছেলে।
গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আতাউর রহমান বলেন, আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য রাজীব সরদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র, ডাকাতি, ছিনতাই ও চুরি সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০টি মামলা রয়েছে। নিজের নাম, বাবা ও মায়ের নাম গোপন রেখে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিল রাজীব। উপজেলার ফুলবাড়িয়া মামার বাড়ির এলাকার মানুষের সহযোগিতায় মঙ্গলবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপরদিকে বুধবার (১১ জুন) সকালে উপজেলার যদুনন্দী এলাকা থেকে চারটি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা সহ ১৫ টি মামলার আসামী লালন বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

ফরিদপুরে ফুটপাত দখলে নাকাল পথচারী, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটছেন নগরবাসী

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে ফুটপাত দখলে নাকাল পথচারী, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়কে হাঁটছেন নগরবাসী

ফরিদপুর পৌর এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের ফুটপাত দখল করে দোকানপাট, ভাসমান ব্যবসা ও অবৈধ স্থাপনা গড়ে ওঠায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারীরা। হাঁটার জন্য নির্মিত ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে শিশু, শিক্ষার্থী, নারী, বৃদ্ধসহ সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ব্যস্ত সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যেমন দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে, তেমনি সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। দীর্ঘদিন ধরে এ সমস্যা চললেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।

সম্প্রতি শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জনতা ব্যাংক মোড়, হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারসংলগ্ন সড়ক, থানা মোড়, গোয়ালচামট, রাজবাড়ী রাস্তার মোড়, টেপাখোলা সড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ফুটপাতের বড় অংশ দখল করে বসেছে ভাসমান দোকান। কোথাও ফলের দোকান, কোথাও চা-স্টল, আবার কোথাও পোশাক, জুতা কিংবা সবজির অস্থায়ী দোকান। অনেক স্থায়ী দোকানদারও তাদের পণ্য ফুটপাতে সাজিয়ে রেখেছেন। ফলে পথচারীদের জন্য ফুটপাত কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

শহরের আলীপুর এলাকার বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বলেন, “ফুটপাত দিয়ে হাঁটার কোনো সুযোগই নেই। বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটতে হয়। মোটরসাইকেল, অটোরিকশা ও বাসের ভিড়ে প্রতিদিন ভয় নিয়ে চলাচল করতে হয়। ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে বের হলে আরও বেশি আতঙ্কে থাকতে হয়।”

সরকারি রাজেন্দ্র কলেজের শিক্ষার্থী তানিয়া আক্তার বলেন, “কলেজে যাতায়াতের সময় ফুটপাত ব্যবহার করতে পারি না। দোকান আর ক্রেতাদের ভিড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে থাকে। বাধ্য হয়ে গাড়ির পাশ দিয়ে হাঁটতে হয়। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনার মুখোমুখি হতে হয়।”

গোয়ালচামট এলাকার গৃহিণী নাসরিন বেগম বলেন, “বাজার করতে গেলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়তে হয়। শিশুদের নিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্টকর। ফুটপাত সাধারণ মানুষের জন্য, কিন্তু এখন সেটি ব্যবসার জায়গায় পরিণত হয়েছে।”

রিকশাচালক আব্দুল কাদের বলেন, “ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ রাস্তায় হাঁটে। এতে যানবাহনের গতি কমে যায় এবং প্রায়ই যানজট সৃষ্টি হয়। ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটছে।”

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কয়েকজনের দাবি, জীবিকার তাগিদেই তারা ফুটপাতে ব্যবসা করছেন। তাদের ভাষ্য, বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা না থাকায় বাধ্য হয়ে তারা এখানে বসছেন। তবে তারা স্বীকার করেন, এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সদস্য সাংবাদিক হাসানউজ্জামান বলেন, ফুটপাত মূলত পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলের কারণে এর উদ্দেশ্যই ব্যাহত হচ্ছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা না করায় দখলদাররা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কয়েকদিন কিংবা কয়েকঘন্টার পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে আসে।

ফরিদপুর নাগরিক মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর কান্তি বালা বলেন, শুধু উচ্ছেদ অভিযান চালালেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না। ফুটপাত দখলকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ভাসমান ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ নিতে হবে। একই সঙ্গে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করা গেলে নগরবাসী নিরাপদে ফুটপাত ব্যবহার করতে পারবেন।

তিনি আরও, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে ফুটপাত পথচারীদের জন্য উন্মুক্ত করবে। অন্যথায় প্রতিদিনের এই ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়বে।

এ বিষয়ে ফরিদপুরের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি আবরাব নাদিম ইতু বলেন, “ফুটপাত কোনোভাবেই ব্যবসা করার জায়গা নয়। এটি পথচারীদের নিরাপদ চলাচলের জন্য নির্মিত। ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে সড়কে হাঁটছে, যা দুর্ঘটনার বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তার স্বার্থে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে হবে। একই সঙ্গে ভাসমান ব্যবসায়ীদের জন্য বিকল্প স্থান নির্ধারণ করাও প্রয়োজন।”

ফরিদপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, “পৌরসভা নিয়মিতভাবে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখতে অভিযান পরিচালনা করছে। তবে উচ্ছেদের পর অনেকেই আবার ফুটপাত দখল করে বসে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। খুব শিগগিরই প্রশাসনের সহযোগিতায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। পাশাপাশি যেসব ভাসমান ব্যবসায়ী জীবিকার জন্য ফুটপাতে বসেন, তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটিও বিবেচনা করা হচ্ছে।”

ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ
ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস হলে যে ৮ কাজ করবেন?

ডিজিটাল যুগে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মানুষের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি বাড়িয়েছে নতুন ধরনের ঝুঁকিও। ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও অনুমতি ছাড়া ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা এখন আর বিরল নয়।

কখনো হ্যাকিং, কখনো প্রতারণা, কখনো সম্পর্কের অবনতি, আবার কখনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি ভুয়া ভিডিওও মানুষের ব্যক্তিগত জীবনকে বিপর্যস্ত করে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঠান্ডা মাথায় দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিলে ক্ষতি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

আতঙ্কিত না হয়ে পরিস্থিতি বুঝুন

নিজের ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়ার খবর শুনে স্বাভাবিকভাবেই মানসিক চাপ তৈরি হয়। তবে প্রথমেই নিশ্চিত হতে হবে, ভিডিওটি সত্যিই আপনার কি না, নাকি সম্পাদনা বা এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে। একই সঙ্গে এটি কোথায় এবং কীভাবে ছড়াচ্ছে, সেটিও বোঝার চেষ্টা করুন।

প্রমাণ সংরক্ষণ করুন

ভিডিওটি যে প্ল্যাটফর্মে রয়েছে, তার লিঙ্ক, স্ক্রিনশট, আপলোডকারীর নাম, প্রকাশের সময়সহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করুন। এগুলো পরবর্তী সময়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে কাজে আসবে।

ভিডিওটি ছড়াতে সাহায্য করবেন না

অনেকে রাগ বা আতঙ্কে ভিডিওটি ডাউনলোড করে পরিচিতদের কাছে পাঠান বা বিভিন্ন জায়গায় শেয়ার করে জানান যে, এটি মুছে ফেলতে হবে। এতে উল্টো ভিডিওটি আরও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই নিজেও ভিডিওটি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।

সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মে দ্রুত অভিযোগ করুন

ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, এক্স (সাবেক টুইটার), ইউটিউবসহ প্রায় সব বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই ব্যক্তিগত বা সম্মতি ছাড়া প্রকাশিত অন্তরঙ্গ কনটেন্ট অপসারণের ব্যবস্থা রয়েছে। নির্ধারিত রিপোর্টিং অপশন ব্যবহার করে দ্রুত অভিযোগ জানান। অনেক ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়।

আইনি সহায়তা নিন

অনুমতি ছাড়া ব্যক্তিগত ভিডিও প্রকাশ করা অনেক দেশেই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশেও তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার অপরাধসংক্রান্ত প্রচলিত আইনের আওতায় অভিযোগ করার সুযোগ রয়েছে। প্রয়োজন হলে নিকটস্থ থানার পাশাপাশি পুলিশের সাইবার ইউনিট বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিন।

পাসওয়ার্ড বদলে ফেলুন

ভিডিওটি যদি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে ফাঁস হয়ে থাকে, তাহলে অবিলম্বে ইমেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ক্লাউড স্টোরেজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। সম্ভব হলে টু ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (2FA) চালু করুন।

পরিচিতদের আগেই জানিয়ে দিন

ঘনিষ্ঠ পরিবার, বন্ধু বা কর্মস্থলের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের সত্য ঘটনা সংক্ষেপে জানিয়ে রাখলে ভুল বোঝাবুঝি কমে। এতে কেউ ভিডিওটি পেলে বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও কমে যায়।

মানসিক চাপকে অবহেলা করবেন না

ব্যক্তিগত ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে অনেকেই লজ্জা, ভয়, উদ্বেগ কিংবা বিষণ্নতায় ভুগতে পারেন। এ সময় নিজেকে একা না রেখে বিশ্বস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজন হলে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের সহায়তা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

ভবিষ্যতের জন্য সতর্কতা

এ ধরনের ঘটনার ঝুঁকি কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ক্লাউডে সংরক্ষণ করলে শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করুন।

অপরিচিত লিঙ্ক বা ফাইল খুলবেন না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাইভেসি সেটিংস নিয়মিত পর্যালোচনা করুন।

মোবাইল ও কম্পিউটারে নিরাপত্তা হালনাগাদ রাখুন।

কাউকে ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও পাঠানোর আগে সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনা করুন।

এআই প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি ভুয়া ভিডিও (ডিপফেক) সম্পর্কেও সচেতন থাকুন।

ভুক্তভোগীকে দোষারোপ নয়

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন, অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিগত ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন। এমন ঘটনার শিকার ব্যক্তিকে দোষারোপ বা উপহাস না করে সহানুভূতিশীল হওয়া এবং আইনি ও মানসিক সহায়তা পেতে সহযোগিতা করা সমাজের দায়িত্ব।

ব্যক্তিগত ভিডিও ভাইরাল হওয়া নিঃসন্দেহে একটি কঠিন অভিজ্ঞতা। তবে আতঙ্ক নয়, সচেতনতা, দ্রুত পদক্ষেপ এবং প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তাই এমন পরিস্থিতি মোকাবিলার সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

ফেডারেল ট্রেড কমিশন (এফটিসি) কনজিউমার অ্যাডভাইস ও বাংলাদেশ পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অবলম্বনে

Slovenské kasína – top online kasína podľa hodnotenia hráčov

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
Slovenské kasína – top online kasína podľa hodnotenia hráčov

Slovenské kasína – top online kasína podľa hodnotenia hráčov

Keď hľadáte si dobré online kasíno, ktoré je zodpovedné a ponúka vynikajúce bonusy, odporúčame casino online sk. Toto online kasínové miesto je jednou z najlepších možností pre slovenských hráčov. Vyhovuje všetkým požiadavkám, ktoré majú hráči na mysli, a ponúka širokú škálu hreňových her.

Na slovenske kasiny si môžete vybrať z viacerých online kasín, ktoré sú zodpovedné a poskytujú bezpečné a uživatelské prostredie. Hlavné kľúčové vlastnosti, ktoré sú významné pre hráčov, sú bezpečnosť, odhodlanie a široká škála hreňových her. Naše hodnotenia sú založené na skutočnom zážitku hráčov, ktorí si vyberú jedno z týchto online kasín.

Keď hľadáte online kasínové miesto, ktoré je zodpovedné a ponúka vynikajúce bonusy, odporúčame online casino slovensko. Toto online kasínové miesto je jednou z najlepších možností pre slovenských hráčov. Vyhovuje všetkým požiadavkám, ktoré majú hráči na mysli, a ponúka širokú škálu hreňových her.

Na sk casino si môžete vybrať z viacerých online kasín, ktoré sú zodpovedné a poskytujú bezpečné a uživatelské prostredie. Hlavné kľúčové vlastnosti, ktoré sú významné pre hráčov, sú bezpečnosť, odhodlanie a široká škála hreňových her. Naše hodnotenia sú založené na skutočnom zážitku hráčov, ktorí si vyberú jedno z týchto online kasín.

Rekomendácia pre najlepšie online kasína v Slovensku

Keď nové online casino hľadáte online kasína v Slovensku, môžete sa zameriavať na Slovenske Online Kasina, ktoré sú známe svojou bezpečnosťou a odhodlaním poskytnúť hráčom skvělý zážitok. Slovenske Kasina online sú výborným miestom na zábavu a finančnú získanú, a to bez obav o bezpečnosť. Slovenske Online Kasina ponúkajú širokú škálu hraní, od klasických slotov po komplexné hry ako blackjack alebo poker.

Na Slovenske Online Kasina sa vždy zaoberajú novými a inovatívnymi hrami, čo znamená, že vždy nájdete nové a zábavné zápasy. Slovenske Online Kasina sú tiež známe svojou schopnosťou poskytnúť výhodné bonusy a súkromie hráčom. Slovenske Online Kasina sú však nie len zábavné, ale tiež bezpečné, čo je dôležité, keď hrajete online. Slovenske Online Kasina sú regulované a poskytujú všetkých hráčov vysokú úroveň ochrany.

Keď hľadáte online kasín, ktoré sú v Slovensku, Slovenske Online Kasina sú jednou z najlepších možností. Slovenske Online Kasina ponúkajú širokú škálu hraní, výhodné bonusy a vysokú úroveň bezpečnosti. Slovenske Online Kasina sú tiež známe svojou schopnosťou poskytnúť výhodné podmienky a výhody hráčom. Slovenske Online Kasina sú však nie len zábavné, ale tiež bezpečné, čo je dôležité, keď hrajete online.

Keď hľadáte online kasína v Slovensku, Slovenske Online Kasina sú jednou z najlepších možností. Slovenske Online Kasina ponúkajú širokú škálu hraní, výhodné bonusy a vysokú úroveň bezpečnosti. Slovenske Online Kasina sú tiež známe svojou schopnosťou poskytnúť výhodné podmienky a výhody hráčom. Slovenske Online Kasina sú však nie len zábavné, ale tiež bezpečné, čo je dôležité, keď hrajete online. Slovenske Online Kasina sú výborným miestom na zábavu a finančnú získanú, a to bez obav o bezpečnosť.

Reputácia a bezpečnosť vybraných kasína

Slovenské online kasína, ako napríklad Slovenské kasína, majú záväzok poskytovať bezpečné a zodpovedné hranie. Každé z týchto kasín musí spĺňať strietne kontrolované kritériá, ktoré zaručujú, že sú zodpovedné a bezpečné. Slovenské kasína, ako Slovenské kasína, sú založené na transparentnosti a zodpovednosti, čo znamená, že ich hry sú vyhodnotené a certifikované tretích strán, aby sa uistili, že sú bezpečné a spravodlivé.

Bezpečnosť je na prvom mieste pre Slovenské kasína. Každé zmeny v zákonebnej štruktúre alebo technológiách je hneď implementované, aby sa uistili, že ich systémy sú vždy na najnovšej verzi. Tieto kroky znamenajú, že hra na Slovenských kasínach je v bezpečí, a že sú všetci hrači chránení pred potenciálnymi rizikami. Slovenské kasína, ako Slovenské kasína, sú tiež zodpovedné za to, aby ich hrači boli informovaní o všetkých možnostях bezpečného hrania, ako je napríklad zodpovedné hranie a možnosť nastavenia hranieových hranic.