খুঁজুন
, ,

‘ফেন্সী বাবু’

জাহাঙ্গীর আলম
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১:৪৯ অপরাহ্ণ
‘ফেন্সী বাবু’

নিত্যদিনই মাদক খেয়ে
ঘুম ঢুলঢুল চোখে,
ফেন্সিতে পেট ভরেন তিনি
জানে সর্ব লোকে।

শতেক খানিক ডিলার তাহার
হাজার খানেক খোর,
কেউবা ডাকাত কেউবা নেতা
কেউবা আবার চোর।

গুরুর আশির্বাদে সবাই
খায় চিবিয়ে গাঁজা,
ফেন্সী খোর এই ফেন্সী বাবু
এই শহরের রাজা!

হঠাৎ দেখি ফেন্সী বাবুর
খুব গর্জন মুখে,
নেশা মেশা উড়িয়ে দেবে
নিজের গ্রাম থেকে।

খুবতো হলো মিটিং মিছিল
রাখবো না আর নেশা,
যে যার মতো যাও পালিয়ে
ছাড়ো এমন পেশা।

সবার মাঝে কানাঘুষা
ডিলার উনি নিজে,
এই লোকেতেই বলছে কি সব
বলছে এসব কি-যে।

হাস্যকর এই ভাষণ মাষণ,
অভিনয়ে ভরা,
ওনার লোকে ওনার কাছে
দেবে নাকি ধরা?

খুব হেসেছি খুব হেসেছি
ক্যামনে এটা হয়?
ফেন্সি ডিলার এখন দেখি
আজব কথা কয়!

মাদক সেবী কখোনো কি
মাদক নির্মুল করে?
আগে নিজে হও ভাল হও
এসব মিটিং পরে।

মিটিং শেষে বাসায় গিয়ে
ফেন্সিতে দেও ঢোক,
ফেন্সি তোমার কাছে এখন
উচ্চ দামী কোক।

চিপসের প্যাকেট কেন অর্ধেক খালি মনে হয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
চিপসের প্যাকেট কেন অর্ধেক খালি মনে হয়?

চিপসের একটি প্যাকেট খোলার পর ভেতরে অল্প কিছু চিপস দেখে হতাশ হওয়া আমাদের অনেকেরই নিয়মিত অভিজ্ঞতা। প্যাকেটটি বাইরে থেকে বেশ ফোলা এবং বড় মনে হলেও, খোলার পর মনে হয় যেন অর্ধেকের বেশি জায়গাজুড়ে শুধুই বাতাস। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, তবে কি কোম্পানিগুলো আমাদের ঠকাচ্ছে?

সম্প্রতি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্ক্রিনে যেমন বিজ্ঞানের কারসাজি থাকে, তেমনি চিপসের প্যাকেটের এই ‘বাতাসে’র পেছনেও রয়েছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিক কারণ। নিচে কালবেলার পাঠকদের জন্য সেই কারণগুলো তুলে ধরা হলো:

১. প্যাকেটে আসলে কী থাকে?

অনেকেই মনে করেন চিপসের প্যাকেটে সাধারণ বাতাস ভরা থাকে। কিন্তু বাস্তবে এটি সাধারণ বাতাস নয়; বরং নাইট্রোজেন গ্যাস। সাধারণ বাতাসে অক্সিজেন থাকে, যা চিপসের তেলের সংস্পর্শে এসে সেটিকে দ্রুত নষ্ট বা দুর্গন্ধযুক্ত করে ফেলে। নাইট্রোজেন একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা খাবারের সাথে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়া করে না। ফলে চিপস দীর্ঘ সময় পর্যন্ত তাজা, মুচমুচে এবং সুস্বাদু থাকে।

২. সুরক্ষাকবচ বা ‘কুশন’ হিসেবে কাজ করে

চিপস অত্যন্ত ভঙ্গুর একটি খাবার। কারখানা থেকে গুদাম, তারপর ট্রাক বা ভ্যানে করে যখন এই প্যাকেটগুলো দোকানে পৌঁছায়, তখন এগুলোকে অনেক নাড়াচাড়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। প্যাকেটের ভেতরের নাইট্রোজেন গ্যাস একটি কুশন বা সুরক্ষা স্তরের মতো কাজ করে যা বাইরের চাপ শোষণ করে নেয়। যদি এই গ্যাস না থাকতো, তবে আপনার হাতে পৌঁছানোর আগেই চিপসগুলো ভেঙে গুঁড়ো হয়ে যেত।

৩. ওজন বনাম আয়তন

ভোক্তা হিসেবে আমাদের একটি সাধারণ ভুল ধারণা হলো, প্যাকেটের আকার দেখে চিপসের পরিমাণ আন্দাজ করা। কিন্তু প্যাকেটের গায়ে সবসময় পণ্যের নেট ওজন লেখা থাকে। চিপসের প্যাকেটটি বড় না ছোট, তার চেয়ে জরুরি হলো প্যাকেটের গায়ে লেখা ওজন অনুযায়ী চিপস ভেতরে আছে কি না। কোম্পানিগুলো মূলত ওজনের ভিত্তিতেই চিপস বিক্রি করে, আয়তনের ভিত্তিতে নয়।

৪. প্যাকেজিংয়ের ডিজাইন ও যন্ত্রপাতি

প্যাকেটের আকার নির্ধারণের ক্ষেত্রে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি এবং পরিবহনের সুবিধার কথা মাথায় রাখা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন আকৃতির চিপস নিরাপদে রাখার জন্য বাড়তি জায়গার প্রয়োজন হয়, যা ছোট প্যাকেটে সম্ভব নয়।

শেষকথা

পরের বার চিপসের প্যাকেট খুলে কম চিপস দেখে বিরক্ত হওয়ার আগে মনে রাখবেন, এই বাড়তি বাতাসটুকু আসলে আপনাকে পরিপূর্ণ এবং মুচমুচে চিপসের স্বাদ দেওয়ার জন্যই রাখা হয়েছে। এই সুরক্ষা ব্যবস্থা ছাড়া আপনার প্রিয় চিপসের সেই ‘ক্রাঞ্চি’ বা মচমচে ভাবটুকু হয়তো বজায় থাকতো না। অর্থাৎ, এই খালি জায়গাটি কোনো প্রতারণা নয়, বরং আপনার খাবারের গুণমান নিশ্চিত করার একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাট ধোয়ার সময় পুকুরে পড়ে প্রাণ গেল যুবকের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৯:৩৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পাট ধোয়ার সময় পুকুরে পড়ে প্রাণ গেল যুবকের

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় পাট ধোয়ার সময় পুকুরে পড়ে আলামিন শেখ (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার সকালে উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের রেনিনগর গ্রামে নিজ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলামিন ওই গ্রামের শামসুল শেখের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে আলামিন শেখ বাড়ির পাশের পুকুরে পাট ধোয়ার কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে মাথায় থাকা পাটের বোঝা পুকুরপাড়ে নামানোর সময় তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পানিতে পড়ে অচেতন হয়ে যান। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে বোয়ালমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আলামিন দীর্ঘদিন ধরে মৃগী রোগে ভুগছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পানিতে পড়ে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান, উপপরিদর্শক (এসআই) শিমুল মোল্লাসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নিহত ব্যক্তি মৃগী রোগে আক্রান্ত ছিলেন বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু (ইউডি) মামলা হয়েছে।

সালথায় ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৫:২৫ অপরাহ্ণ
সালথায় ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল

ফরিদপুরের সালথায় মো. আক্কাস মাতুব্বর (৪৮) নামে এক ইউপি সদস্যের ইয়াবা সেবনের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে ১২ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

যদিও দেড় বছর আগে জোর করে তাকে দিয়ে ইয়াবা সেবন করিয়ে ভিডিওটি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন ইউপি সদস্য আক্কাস। এদিকে ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আক্কাসকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

আক্কাস মাতুব্বর সালথা উপজেলার আটঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। তিনি একই ইউনিয়নের গৌড়দিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, একটি টিনের ঘরের খাটের ওপর খালি গায়ে বসে সরঞ্জাম ব্যবহার করে আগুন জ্বালিয়ে তিনি ইয়াবা সেবন করছেন। এ সময় তার সামনে বসে থাকা অপর এক অজ্ঞাত ব্যক্তির পা দেখা যায়। ধারনা করা হচ্ছে- তিনিই ভিডিওটি ধারণ করেন।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আক্কাস মাতুব্বর বলেন, ভিডিওটি প্রায় দেড় বছর আগের। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর পাশ্ববর্তী জেলার সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের হুগলাকান্দি এলাকায় তাকে কয়েকজন ব্যক্তি আটকে রেখে হয়রানি করেন। এ সময় জোরপূর্বক তার হাতে ইয়াবা দিয়ে সেবন করানো হয় এবং সেই ঘটনার ভিডিও ধারণ করা হয়। তবে কারা তাকে আটকে রেখেছিল, সে বিষয়ে তিনি কোনো নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দবির উদ্দিন বলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি নজরে আসার পর ওই ইউপি সদস্যকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।