খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১২ চৈত্র, ১৪৩২

সালথায় সংবাদ সংগ্রহে বাধা: সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, লিখিত অভিযোগ দায়ের

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
সালথায় সংবাদ সংগ্রহে বাধা: সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, লিখিত অভিযোগ দায়ের

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে বাধার মুখে পড়া ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন এক সাংবাদিক।

রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সালথার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ অভিযোগ করেন সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম।

অভিযোগকারী সাইফুল ইসলাম দৈনিক সমকাল পত্রিকার সালথা উপজেলা প্রতিনিধি এবং সালথা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, রবিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে সংবাদ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে সালথার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে করে বের হন। পথে রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর সাকিনের দাসের বাড়ি মোড় এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা ৫–৬ জন ব্যক্তি তার মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।

অভিযোগে বলা হয়, ওই ব্যক্তিরা তাকে ঘিরে ধরে নানা ধরনের হুমকি দেয় এবং প্রশ্ন তোলে—“তুই শুধু শামা ওবায়েদের নিউজ করিস কেন?” এ সময় তিনি জানান, সাংবাদিক হিসেবে সালথা উপজেলায় ঘটে যাওয়া সব বিষয়েই তিনি সংবাদ করেন। তখন অভিযুক্তরা পাল্টা হুমকি দিয়ে বলে, “কাল রাতে তোর গ্রামে ধলা হুজুরের মিটিং হচ্ছে, সেই নিউজ করিস নাই কেন?”

সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম তাদের জানান, তিনি ওই মিটিং সম্পর্কে অবগত ছিলেন না এবং সেখানে কোনো প্রার্থী বা সমর্থকের পক্ষ থেকে তাকে দাওয়াতও দেওয়া হয়নি। এরপর অভিযুক্তরা অভিযোগ তোলে যে, ফরিদপুর-২ আসনের রিকশা মার্কার প্রার্থী মাওলানা আকরাম আলী ওরফে ধলা হুজুরের পক্ষে বিএনপির প্রার্থী শামা ওবায়েদের সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে—সে বিষয়ে সংবাদ না করার কারণ জানতে চায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে ওই ব্যক্তিরা তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে এবং ১২ তারিখের পর “গাড়িচাপা দিয়ে সাংবাদিকতা শেখানো হবে” বলে ভয়ভীতি দেখায়। এতে তিনি গুরুতর নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমি একজন পেশাদার সাংবাদিক হিসেবে নিরপেক্ষভাবে সংবাদ সংগ্রহ করি। কিন্তু সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে যদি এভাবে হুমকি ও বাধার মুখে পড়তে হয়, তাহলে তা শুধু আমার জন্য নয়, পুরো সাংবাদিক সমাজের জন্য উদ্বেগজনক।”

এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ‘ফরিদপুর প্রতিদিন’-কে বলেন, “এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে।”

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিক মহলে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা অবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং সাংবাদিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।

 

পদ্মার বুকে ট্র্যাজেডি: বাস উদ্ধারে মিললো ১৮ মরদেহ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ এএম
পদ্মার বুকে ট্র্যাজেডি: বাস উদ্ধারে মিললো ১৮ মরদেহ

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি অবশেষে উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৮ জনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে রাজবাড়ী-নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) মো. হাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, নদী থেকে বাসটি টেনে তুলে পন্টুনে রাখা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর মধ্যে ১৩ জন নারী ও ৫ জন পুরুষ রয়েছেন। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩ জন।

এনডিসি আরও বলেন, বাসটি তল্লাশি শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে ভেতরে আর কোনো মরদেহ রয়েছে কি না। ঘটনার পর থেকে প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

বুধবার বিকেল সোয়া ৫টার দিকে ঘাটের ৩ নম্বর পন্টুন থেকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের ওই বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের এক কর্মকর্তা মোবাইলে বলেছিলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে— কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী সৌহার্দ্য পরিবহনের বাসটি ফেরিতে ওঠার সময় নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৫০ জন যাত্রী ছিলেন।

আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪৮ এএম
আজ মহান স্বাধীনতা দিবস

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবস। হাজার বছরের সংগ্রামমুখর বাঙালি জাতি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ তার বহুল কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা অর্জন করে।

স্বাধীন বাংলাদেশ এবার ৫৬ বছরে পদার্পণ করল। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।

১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় ১৯০ বছর ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন, শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয় এ অঞ্চল। ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হলেও পূর্ব বাংলার জনগণের ওপর নতুন করে শোষণের বোঝা চাপিয়ে দেয় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। ভারত বিভক্ত হয়ে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সেই পাকিস্তানের দুই অংশ—পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে ছিল হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব।

শুধু তাই নয়, ভাষা ও সংস্কৃতিতেও ছিল বিস্তর অমিল। তবুও পূর্ব বাংলাকে পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

রাষ্ট্র গঠনের শুরু থেকেই পূর্ব বাংলার মানুষ সীমাহীন শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন ও বৈষম্যের শিকার হতে থাকে—অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সব ক্ষেত্রেই। তবে এই পরিস্থিতি মেনে নেয়নি এ ভূখণ্ডের মানুষ।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বৈষম্যমূলক আচরণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে ছাত্র, কৃষক, শ্রমিকসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিবাদ ও আন্দোলনে গড়ে তোলে। ধীরে ধীরে এসব আন্দোলন জাতীয় সংগ্রামে রূপ নেয়, যা শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা ও মুক্তিসংগ্রামে পরিণত হয়।

পাকিস্তানের দুঃশাসন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে বাঙালি জাতি শুরু থেকেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামে। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই সংগ্রামের পথ প্রসারিত হয়। ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনসহ দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি ১৯৭১ সালে এসে উপনীত হয়।

এই আন্দোলনগুলো এক পর্যায়ে স্বাধীনতার দাবিতে পরিণত হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি করতে থাকে। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ঢাকায় এসে শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে আলোচনা করেন, কিন্তু তা প্রহসনে পরিণত হয়। ২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ইয়াহিয়া খান গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন এবং বাঙালির ওপর সশস্ত্র হামলার নির্দেশ দিয়ে যান।

২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু করে। ‘অপারেশন সার্চলাইট’-এর নামে চালানো এই হত্যাযজ্ঞের প্রেক্ষিতে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান (পরবর্তীকালে রাষ্ট্রপতি) চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের। একই রাতে পাকিস্তানি বাহিনী শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পাকিস্তানে নিয়ে যায়।

২৫ মার্চ রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগে অতর্কিত হামলা চালিয়ে ছাত্র-শিক্ষক, পুলিশ ও সামরিক সদস্যদের হত্যা করা হয়। নিরীহ মানুষের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়। এই পরিস্থিতিতে ২৬ মার্চ থেকেই ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক, বুদ্ধিজীবী, নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের মানুষ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামস বাহিনীও গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞে অংশ নেয়। এর বিরুদ্ধে অদম্য সাহস নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলে বীর বাঙালি। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর (ভারতীয় সেনাবাহিনী) যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় বাঙালি জাতির চূড়ান্ত বিজয়।

জাতির এই শ্রেষ্ঠ অর্জন, মহান স্বাধীনতা দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ মর্যাদায় উদযাপিত হচ্ছে। দিনটি সরকারি ছুটির দিন।

বেয়ালমারীর ৫শ বছরের পুরনো কাটাগড় মেলা শুরু হয়েছে আজ

বোয়ালমারী প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৫ মার্চ, ২০২৬, ১০:৪৯ পিএম
বেয়ালমারীর ৫শ বছরের পুরনো কাটাগড় মেলা শুরু হয়েছে আজ

এক বছর বন্ধ থাকার পর আবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ৫শ বছরের ঐতিহ্যবাহী কাটাগড় দেওয়ান শাগির শাহর মেলা।

বুধবার (২৫ মার্চ) থেকে আগামী সোমবার পর্যন্ত পাঁচ দিনব্যাপী এ মেলা ঘিরে ফরিদপুরের বোয়ালমারীর ২০টি গ্রামে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

মেলা উপলক্ষে উপজেলার কাটাগড়, সহস্রাইল, ভুলবাড়িয়া, কলিমাঝি, মাইটকুমরা, গঙ্গানন্দপুর, ছত্রকান্দা, সুর্যোগ, বন্ডপাশা, বয়রা, বামনগাতীসহ আশপাশের গ্রামের অধিকাংশ বাড়িতে আত্মীয়স্বজনের সমাগম থাকে। প্রতিবছর দেওয়ান শাগির শাহর মেলা শুরুর প্রতীক্ষায় থাকেন এ অঞ্চলের মানুষ।

স্থানীয়দের ভাষ্য, কাটাগড় মেলার বিশেষ ট্রেড মার্ক তালপাতার হাতপাখা। এ ছাড়া বাচ্চাদের খেলার সামগ্রী থেকে সাংসারিক নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস মেলায় বিক্রি হয়। এ উপলক্ষে বিভিন্ন জেলা থেকে আসে নানা রকম ফার্নিচার। মেলায় বড় আকারের মাছ নিয়ে উপস্থিত হন দূরদূরান্তের মাছ ব্যবসায়ীরা।

প্রতিবছর ২৫ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হলেও ২৬ মার্চ হয় বড় মেলা। মেলা উপলক্ষে শাগির শাহর আস্তানার চারপাশে বসে বাউল সাধকদের আধ্যাত্মিক গানের আসর। এতে মরমি গানের সুরে মোহিত হয় দর্শক-শ্রোতা।
এ বছর মেলা উপলক্ষে আগেই খোলা ডাকের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে মেলার মাঠ। গত রোববার সন্ধ্যায় দেওয়ান শাগির শাহর মাজার প্রাঙ্গণে এ ডাক অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলে প্রায় সাড়ে ২৯ লাখ টাকায় মেলা মাঠের বিভিন্ন অংশ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে ইজারা দেওয়া হয়েছে।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রকিবুল হাসান বলেন, কাটাগড়ের মেলা এই এলাকার ঐতিহ্যবাহী মেলা; মানুষের আনন্দ-উৎসবের একটা উপলক্ষ। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, মেলার মাঠ ডাকের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। এ বিষয়ে খোঁজ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।