খুঁজুন
বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

‘একটি বাড়ির ইতিহাস ও বেদনা’

তন্ময় উদ্দৌলা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৫৬ পিএম
‘একটি বাড়ির ইতিহাস ও বেদনা’

এটা আমার দাদাবাড়ি। ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ফলিয়া গ্রামের এই বাড়িটি ‘ফলিয়া জমিদার বাড়ি’ নামে পরিচিত। প্রায় এক শতাব্দী আগে আমার প্রপিতামহ, প্রয়াত জমিদার মুন্সী দুদু মিয়া এই বাড়িটি নির্মাণ করেন।

বর্তমানে বাড়িটিতে এখনও তাঁর দুই ছেলে—সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আরকান উদ্দৌলা (বাকা মিয়া) এবং সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সোজা উদ্দৌলার স্ত্রী-সন্তানরা (আমাদের দাদিরা, বাবা-চাচারা ও তাদের সন্তানেরা) বসবাস করছেন।

এক সময় এই বাড়ি ছিল এলাকার মানুষের জন্য উন্মুক্ত দরজা—আতিথেয়তা, সহায়তা ও সামাজিক বন্ধনের একটি কেন্দ্র। আশেপাশের দুই-তিন উপজেলার এমন মানুষ খুব কমই আছেন, যারা কোনো না কোনোভাবে এই বাড়ির আতিথেয়তা পাননি বা উপকৃত হননি। আশেপাশের উপজেলার অনেক সম্মানিত ও সমৃদ্ধ মানুষের কাছ থেকেই আমি নিজে এই কথাগুলো শুনেছি।

এই বাড়ির প্রতিষ্ঠাতা জমিদার মরহুম মুন্সী দুদু মিয়া শিক্ষা বিস্তারের জন্য নিজ বাড়ির পাশেই একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী গ্রাম গঙ্গানন্দপুর (বোয়ালমারী উপজেলায়) একটি মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহ নির্মাণ করেন। নড়াইলের জমিদার বাবু বন বিহারীর কাছ থেকে জমিদারির গোড়াপত্তন কেনার পর তিনি নড়াইল জেলা শহরের উন্নয়নের জন্যও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে নিজের জমি দান করেন—যা আজও মানুষের মুখে মুখে শোনা যায়।

জমিদারের বড় ছেলে বাকা মিয়া এবং সোজা মিয়া কেমন মানুষ ছিলেন, তাঁদের চলাফেরা কেমন ছিল, কতটা আন্তরিকতা ও সৌহার্দ্যবোধ তাঁদের মধ্যে ছিল—সেসব গল্প আজও আশেপাশের উপজেলার মুরব্বিদের মুখে শোনা যায়। চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় তাঁরা নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পদ বিক্রি করেও মানুষের কল্যাণে ব্যয় করেছেন। শুধু তাই নয়, বহু গৃহহীন মানুষকে বসবাসের সুযোগ করে দিতে তারা দুই ভাই অনেক জমিও দান করেছেন।

এই বাড়ির তৃতীয় প্রজন্ম (আমাদের বাবা-চাচারা) এবং চতুর্থ প্রজন্ম (আমরা ও আমাদের কাজিনরা) এখন দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে আছি। কেউ আমেরিকায়, কেউ অস্ট্রেলিয়ায়; কেউ দেশের সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করছেন, কেউ জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকতা করছে, কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ছে, কেউ নামকরা মেডিকেল কলেজে এমবিবিএস পড়ছে, আবার কেউ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছে। সবাই নিজের জায়গা থেকে পরিশ্রম করে নিজেদের গড়ে তোলার চেষ্টা করছে—এটাই আমাদের গর্ব।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমাদের মধ্যেই কেউ কেউ এই বাড়ির সম্মান ধুলোর সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে। উপকার তো দূরের কথা, বর্তমানে এই বাড়ির কিছু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণে বহু সাধারণ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে—কেউ কেউ প্রায় নিঃস্ব হয়ে পথে বসার উপক্রম। এমনকি এখন এই ঐতিহ্যবাহী বাড়ির ইট খুলে বিক্রি করার চেষ্টাও কেউ কেউ করছে। ইতিমধ্যে তারা বাড়ির ভেতরের কিছু জমিজমা বিক্রি করা শুরু করেছে, যা এই বাড়ির ঐতিহ্যকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

এ কারণেই আমরা চাই, আমাদের পরিবারের ওইসব খারাপ মানুষ যেন তাদের যা কিছু আছে সব বিক্রি করে দিয়ে চিরতরে এই গ্রাম এবং আমাদের পরিবার থেকে সরে যায়। তা না হলে আমাদের পূর্বপুরুষদের নাম ভাঙিয়ে তারা একের পর এক অন্যায় করে যাবে আশেপাশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে, যার দায় শেষ পর্যন্ত আমাদের সবার ওপরই এসে পড়বে।

তাই তাদের অপকর্মের কোনো দায় আমরা নিতে চাই না। বরং তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে আমরা আমাদের পরিবারকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে চাই।

হয়তো খুব বেশি দিন আর এই বাড়িটি থাকবে না।
তাই বুকভরা কষ্ট নিয়েই, ইতিহাসের এই শেষ স্মৃতিটুকু ধরে রাখার জন্য আজ বাড়িটির ছবি প্রকাশ করলাম।

কারণ একটি বাড়ি শুধু ইট-পাথরের গাঁথুনি নয়—এটি একটি পরিবারের ইতিহাস, স্মৃতি এবং পরিচয়ের অংশ।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

ভাঙ্গায় হত্যা ও ডাকাতি মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে এসপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ পিএম
ভাঙ্গায় হত্যা ও ডাকাতি মামলার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে এসপি, ঘটনাস্থল পরিদর্শন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় সংঘটিত একাধিক হত্যা ও ডাকাতি মামলার তদন্ত জোরদার করতে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকা পরিদর্শন করে মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং তদন্তে গতি আনতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাঙ্গা থানায় সম্প্রতি দায়ের হওয়া একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার মধ্যে রয়েছে—মামলা নং ২৮/২৮ (তারিখ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩০২/৩৪), মামলা নং ২৯/২৯ (তারিখ: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩৯৫/৩৯৭) এবং মামলা নং ১২/৪৫ (তারিখ: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ধারা ৩০২/২০১/৩৪)। এসব মামলায় হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় পুলিশ সুপার সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর তদন্তকারী কর্মকর্তাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি ঘটনাগুলোর আদ্যোপান্ত পর্যালোচনা করে দ্রুত প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি সহ্য করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এ সময় তিনি ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে বলে আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, “অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্তের স্বার্থে আমরা সব ধরনের প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহার করছি। খুব দ্রুতই এসব ঘটনার মূল রহস্য উদ্ঘাটন করা সম্ভব হবে বলে আশা করছি।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. রিজওয়ান দিপু, ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আলীমসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তারা।

স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা করছেন, পুলিশের সক্রিয় তৎপরতায় দ্রুতই অপরাধীরা ধরা পড়বে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটবে।

ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু, মিলবে দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:১৬ পিএম
ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু, মিলবে দ্রুত ও নির্ভুল পরীক্ষা

ফরিদপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত ও সহজলভ্য করতে ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স হাসপাতালে নতুন প্যাথলজি বিভাগের উদ্বোধন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই আধুনিক বিভাগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্যরা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দিনরাত নিরলস পরিশ্রম করেন। তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই লক্ষ্য থেকেই ফরিদপুর পুলিশ হাসপাতালে আধুনিক প্যাথলজি বিভাগ চালু করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “এই বিভাগের মাধ্যমে দ্রুত, নির্ভুল ও আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে রোগ নির্ণয় সম্ভব হবে। এতে করে সদস্যদের বাইরে গিয়ে পরীক্ষা করানোর ঝামেলা কমবে এবং সময় ও অর্থ দুটিই সাশ্রয় হবে।”

তিনি জানান, নতুন প্যাথলজি বিভাগে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সংযোজন করা হয়েছে এবং দক্ষ জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রক্ত, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার নির্ভরযোগ্য রিপোর্ট স্বল্প সময়ে পাওয়া যাবে। ভবিষ্যতে এ হাসপাতালের সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মো. রায়হান গফুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আজমীর হোসেন এবং ফরিদপুর পুলিশ লাইন্স হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. সৈয়দ হাসানুল কবীর মিশুসহ জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সদস্যরা।

এসময় কয়েকজন পুলিশ সদস্য জানান, আগে ছোটখাটো পরীক্ষার জন্যও বাইরে যেতে হতো, যা সময়সাপেক্ষ ও ব্যয়বহুল ছিল। নতুন প্যাথলজি বিভাগ চালু হওয়ায় এখন হাসপাতালে বসেই দ্রুত পরীক্ষা করা সম্ভব হবে, যা তাদের জন্য অনেক স্বস্তির বিষয়।

পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি তাদের পরিবারও এই সেবার আওতায় আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। ফলে সার্বিকভাবে পুলিশ সদস্যদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন জেলা পুলিশ।

আলফাডাঙ্গায় ক্ষেতে গিয়ে কৃষকের কান্না—রাতে তুলে নিয়ে গেল ৫০ মন পেঁয়াজ

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম
আলফাডাঙ্গায় ক্ষেতে গিয়ে কৃষকের কান্না—রাতে তুলে নিয়ে গেল ৫০ মন পেঁয়াজ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় রাতের অন্ধকারে এক কৃষকের পেঁয়াজ ক্ষেত থেকে আনুমানিক ৫০ মন পেঁয়াজ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ১নং বুড়াইচ ইউনিয়নের শিয়ালদী গ্রামে। ভুক্তভোগী কৃষক মো. ইনামুল হক (রুবেল) জানান, তিনি চলতি মৌসুমে শিয়ালদী ও শৈলমারী মৌজায় প্রায় ৩ একর জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেন। ভালো ফলনের আশায় তিনি সার, সেচ ও পরিচর্যায় যথেষ্ট শ্রম ও অর্থ বিনিয়োগ করেন।

তিনি বলেন, “গত ২২ ফেব্রুয়ারি রাত আনুমানিক ৮টার দিকে প্রতিদিনের মতো ক্ষেত পরিদর্শন করে বাড়ি ফিরে যাই। পরদিন সকালে আবার ক্ষেতে গিয়ে দেখি, ক্ষেতের বড় অংশ থেকে পাকা ও আধা-পাকা পেঁয়াজ তুলে নিয়ে গেছে চোরেরা। প্রায় ৫০ মন পেঁয়াজ নেই।”

তিনি আরও জানান, কিছু পেঁয়াজ ক্ষেতের মধ্যেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে ছিল, যা দেখে ধারণা করা হচ্ছে চোরেরা তাড়াহুড়ো করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

স্থানীয়দের মতে, সংঘবদ্ধ চক্র রাতের আঁধারে পরিকল্পিতভাবে এই চুরি সংঘটিত করেছে। কৃষকদের কষ্টার্জিত ফসল এভাবে লুট হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে কৃষিজ পণ্য চুরির ঘটনা বাড়ায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মো. ইদ্রিস শেখ (৬০), মো. রমিজ উদ্দিন (২৫) ও মো. ফারুক আহম্মেদ (৬০) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কৃষক আলফাডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হাসনাত খান বলেন, “আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

স্থানীয় কৃষকরা দ্রুত তদন্ত করে চোরদের গ্রেপ্তার এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।