খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৬ অপরাহ্ণ
“দেশে জ্বালানি সংকট নেই, কৃত্রিম সংকটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা”: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কার্যালয় পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী পানি ব্যবস্থাপনা, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে গৃহীত প্রস্তুতি সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন, চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে এবং জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল, জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যা, পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রতিমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলছে।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “দেশে বর্তমানে জ্বালানি তেলের কোনো ঘাটতি নেই। একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে কৃষকদের জন্য পর্যাপ্ত ডিজেল ও পেট্রোল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, নদীভাঙন রোধে সরকার বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এসব প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে সুরক্ষার আওতায় আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “নদীভাঙন শুধু অবকাঠামোগত নয়, এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা। তাই আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্থায়ী সমাধানের দিকে এগোচ্ছি।”

এর আগে, প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কার্যালয়ে পৌঁছালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে তাকে বরণ করে নেন।

সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

সদরপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা উদ্বোধন ও আলোচনা সভা

ফরিদপুরের সদরপুরে ভূমিসেবা মেলা ২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজন এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই ভূমিসেবা মেলার আয়োজন করা হয়। মেলার শুরুতে উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) নঈম উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শরীফ শাওন, সদরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল আল মামুন শাহ সহ উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, জনবান্ধব অটোমেটেড ভূমি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনগণকে এখন অনেক দ্রুত ও সহজে ভূমিসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে। ডিজিটাল এই সেবার সুফল যেন সাধারণ মানুষ সরাসরি ভোগ করতে পারেন, সেটাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ভূমি সেবাগ্রহীতা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলফাডাঙ্গায় শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ভূমি মেলা-২০২৬’

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
আলফাডাঙ্গায় শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ভূমি মেলা-২০২৬’

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি, জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী ‘ভূমি মেলা-২০২৬’। জনগণের দোরগোড়ায় সহজ, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর ভূমিসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে আলফাডাঙ্গা উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। মেলা চলবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত। উদ্বোধনের আগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি উপজেলা সদরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মেলায় ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা সম্পর্কে জনসাধারণকে অবহিত করতে তথ্য বুথ স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া নামজারি, খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর, ই-নামজারি, অনলাইন ভূমি সেবা ও স্মার্ট ভূমি ব্যবস্থাপনা বিষয়ে সরাসরি সেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে।

মেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত নূর মৌসুমীর সভাপতিত্বে এবং আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলন সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ কেএম রায়হানুর রহমান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিরা আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে ও শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. ভবেন বাইন, সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার বসিরউদ্দীন, উপ-সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার রেজাউল করিম, আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরজামাল খসরু, পৌর বিএনপির সভাপতি রবিউল হক রিপন এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামান মনিরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তিবর্গ।

এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা থেকে আগত তহসীলদার, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক, সুধী সমাজের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মেলায় অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনাকে ডিজিটাল ও জনবান্ধব করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভূমি মেলার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও সেবা সম্পর্কে সরাসরি ধারণা পাচ্ছেন, যা হয়রানি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পবিত্র হজের সওয়াবের পথে নেক আমল

রেহেনা ফেরদৌসী
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৬:৩৭ অপরাহ্ণ
পবিত্র হজের সওয়াবের পথে নেক আমল

হজ শুধু সফর নয়, এটি আত্মার পরিশুদ্ধির আহ্বান; আর ইসলামের সৌন্দর্য হলো, নেক আমলের দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। ইসলামের দয়ার দুয়ার সবার জন্য উন্মুক্তহজে যেতে না পারলেও আল্লাহর রহমত থেকে বঞ্চিত নন মুমিন- কিছু আমল এনে দিতে পারে হজের সমপর্যায়ের সওয়াব।

পবিত্র হজ ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম এবং প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন করা ফরজ। হজ কেবল একটি আনুষ্ঠানিক ইবাদত নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, ত্যাগ, ধৈর্য, তাকওয়া ও আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আত্মসমর্পণের এক মহিমান্বিত শিক্ষা। তবে বাস্তবতা হলো-সব মুসলমান আর্থিক, শারীরিক কিংবা পারিপার্শ্বিক কারণে হজ পালনের সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেন না।

কিন্তু ইসলাম এমন এক দয়াময় জীবনব্যবস্থা, যেখানে আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের জন্য রহমতের বহু দরজা উন্মুক্ত রেখেছেন। মহানবী (সাঃ) বিভিন্ন হাদিসে এমন কিছু নেক আমলের কথা সুসংবাদ হিসেবে জানিয়েছেন, যেগুলোর সওয়াব হজ বা ওমরাহর সমতুল্য কিংবা তার ন্যায় মর্যাদাপূর্ণ হতে পারে।

ফজর ও ইশরাকের আমল- দিনের শুরুতেই হজের সওয়াবের সম্ভাবনা:

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি জামাতে ফজরের নামাজ আদায় করে, এরপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকিরে মশগুল থাকে এবং পরে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করে, সে পূর্ণ হজ ও ওমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করতে পারে। এই হাদিস মুসলমানকে দিনের শুরুতেই ইবাদতের মাধ্যমে আত্মিক শক্তি অর্জনের আহ্বান জানায়।

জামাতে নামাজ- মসজিদে জামাতে নামাজ আদায়:

ইসলামের সামাজিক ও আধ্যাত্মিক সৌন্দর্যের প্রতীক। হাদিসে এসেছে, ফরজ নামাজের জন্য মসজিদে গমনকারী ব্যক্তি যেন হজের উদ্দেশ্যে বের হওয়া মুমিনের মর্যাদা লাভ করে। এতে বোঝা যায়, ইসলামে প্রতিদিনের ইবাদতের মধ্যেও কত বড় পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে।

দ্বীনি শিক্ষা ও জ্ঞানচর্চা- রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি মসজিদে যায় দ্বীনের জ্ঞান অর্জন বা শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে, তার জন্য পূর্ণ হজ আদায়কারীর ন্যায় সওয়াব রয়েছে। ইসলাম জ্ঞানকে শুধু ব্যক্তিগত উন্নতির মাধ্যম নয়, বরং ইবাদতের মর্যাদায় উন্নীত করেছে। তাই কোরআন-হাদিস শিক্ষা ও ইসলামী জ্ঞানচর্চা সমাজ গঠনের অন্যতম ভিত্তি।

রমজানের ওমরাহ- সহিহ হাদিসে এসেছে, রমজান মাসে ওমরাহ পালন রাসূল (সাঃ) এর সঙ্গে হজ পালনের সমপর্যায়ের সওয়াবের সুসংবাদ বহন করে। এটি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহের প্রকাশ, যা মুমিন হৃদয়কে আরও বেশি ইবাদতমুখী করে তোলে।

ইসলামের শিক্ষা- ইসলামে শুধু বাহ্যিক সামর্থ্য নয়, আন্তরিক নিয়তও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি হজের প্রকৃত ইচ্ছা রাখেন কিন্তু সামর্থ্যের অভাবে যেতে না পারেন, তবুও আল্লাহ তার নিয়ত ও প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করেন। এ কারণে মুসলমানের জীবনে নেক আমল, সৎ নিয়ত ও ধারাবাহিক ইবাদত অপরিসীম গুরুত্ব বহন করে।

পবিত্র হজের আকাক্ষা প্রতিটি ঈমানদার হৃদয়ের স্বপ্ন। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণে বিলম্ব হলেও হতাশ হওয়ার সুযোগ নেই। আল্লাহর রহমত সীমাহীন, আর তার পথে চলার সুযোগ অসংখ্য। তাই হজের সৌভাগ্য লাভের অপেক্ষার পাশাপাশি আমাদের উচিত নামাজ, জিকির, দ্বীনি শিক্ষা ও নেক আমলের মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা।

ইসলাম আমাদের শেখায়- আল্লাহ তাআলার রহমত কেবল নির্দিষ্ট স্থানে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আন্তরিক নিয়ত, বিশুদ্ধ ঈমান ও ধারাবাহিক নেক আমলের মধ্যেই তাঁর সন্তুষ্টির পথ উন্মুক্ত থাকে। তবে স্মরণ রাখা প্রয়োজন, হাদিসে বর্ণিত এসব আমল হজের ফজিলতপূর্ণ সওয়াবের সুসংবাদ বহন করলেও ফরজ হজের বিকল্প নয়। বরং এগুলো মুসলমানকে ইবাদতের প্রতি আরও আগ্রহী, সচেতন ও আল্লাহমুখী করে তোলার এক মহিমান্বিত প্রেরণা।

আসুন, হজের পবিত্র স্বপ্ন হৃদয়ে ধারণ করে নামাজ, জিকির, দ্বীনি জ্ঞানচর্চা ও সৎকর্মের মাধ্যমে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করি। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে তার ঘর জিয়ারতের সৌভাগ্য দান করুন এবং সেই সঙ্গে নেক আমলের মাধ্যমে তার সন্তুষ্টি অর্জনের তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: সহ-সম্পাদক, সমাজকল্যাণ বিভাগ, কেন্দ্রীয় পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)।