খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩২

ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মকে পুজি করে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:২০ পিএম
ফরিদপুরে সড়ক নির্মাণ কাজে অনিয়মকে পুজি করে দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ

ফরিদপুর পৌরসভার একটি সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। একই সাথে নির্মাণ শ্রমিকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কাজে বাঁধা দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে। তবে, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ওই পক্ষটি।

ফরিদপুর পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, পৌরসভার প্রকৌশলী বিভাগের অধীনে ১৪নং ওয়ার্ডের হাড়োকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ৩৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৮৮ মিটার ইউনিব্লক সড়ক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছেন। কাজটি বাস্তবায়ন করছেন মেসার্স মির্জা কনস্ট্রাকশন নামে সিরাজগঞ্জের একটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এছাড়া কাজটির তদারকিতে রয়েছেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও স্থানীয় বাসিন্দা মুরাদ শেখ নামে এক ব্যক্তি এবং গত তিনমাস আগে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

জানা যায়, গত শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সড়ক নির্মাণ কাজে বাঁধা দেন স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক বাহার শেখের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জন ব্যক্তি। তাঁরা নির্মাণ শ্রমিকদের হাত-পা কেটে ফেলার হুমকিও দেন বলে করিম আলী শেখ নামে এক শ্রমিক অভিযোগ করেন। এছাড়া দুই লাখ টাকা চাদা দাবির অভিযোগ করেন ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি মুরাদ শেখ।

ঘটনাটি নিয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সড়কটি নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। সেখানে প্রায় ২০ জনের একদল লোক অবস্থান করছেন। তাঁদের নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বাহার শেখ ও শামিম হোসেন ওরফে সামিউল নামে দুই ব্যক্তিকে। এ সময় তাঁরা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে ঘুরে ঘুরে সাংবাদিকদের সামনে উত্থাপন করেন।

তাঁরা অভিযোগ করে বলেন, ব্যবহৃত ব্লকের মধ্যে নিম্নমানের উপদান রয়েছে, পুরুত্ব (এসএ) ৬ ইঞ্চির পরিবর্তে তিন ইঞ্চি রয়েছে। এছাড়া পলিথিন ও ময়লা মিশ্রিত মাটি ব্যবহার, নিম্নমানের ইট-খোয়ার ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব অভিযোগ তুলে কখনও আবার নির্মাণ শ্রমিকদের ওপর চড়াও হোন, কখনও আবার কাজ বন্ধ রাখার জন্য শ্রমিকদের নির্দেশ দেন। এক পর্যায়ে সেখানে কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপস্থিত হোন এবং কাজে বাঁধা না দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন।

এ সময় অভিযোগ তুলে মুরাদ শেখ বলেন, ‘তিনমাস যাবৎ কাজ চলতেছে এখানে কিন্তু হঠাৎ করেই এসে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে বাহার শেখকে আমার বাসায় আসতে বলি এবং আসার পরে জানতে চাই কি কারণে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। তখন বাহার আমাকে বলে ঠিকাদারকে আমাদের দুই লাখ টাকা দিতে বলেন। আমার বাসার মধ্যেই বসে এই টাকা চেয়েছে, তখন বাহারের সাথে সুব্রত নামে এক লোকও উপস্থিত ছিল। পরবর্তীতে আমি ঠিকাদারকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম এবং গতকাল পৌরসভায় জানানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে বাহার শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি পাল্টা অভিযোগ করেন। বাহার শেখ বলেন, শুক্রবার ইফতারির পরে মুরাদ শেখ নিজেই আমাকে দেখা করতে বলে এবং কয় টাকা ঘুষ দেয়া লাগবে-সেটা আমি দেখব। সে আমাকে প্রলোভন দেখিয়ে ও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে তাঁর বাসায় ডেকে নেয়। আমি ভিডিওর মাধ্যমে অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দেয়া হয়েছে এবং ঠিকাদার চক্রটি আমাকে ফাঁদে আটকিয়ে ফেলায়ছে।

এদিকে অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে নির্মাণকাজের দায়িত্বরত উপ সহকারী প্রকৌশলী মো. লাইজিং হোসেন রাজু বলেন, কাজে কিছুটা অনিয়ম হচ্ছে আমিও দেখেছি এবং সে বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এটাকে পুজি করে স্থানীয় একটি গ্রুপ টাকা দাবি করেছে বলে শুনেছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর প্রশাসক স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. সোহরাব হোসেন বলেন, কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি এবং ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্বাহী কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে। এছাড়া চাঁদা দাবির বিষয়ে কেউ আমার কাছে অভিযোগ দেয়নি।

‘নক্ষত্রেরও পতন হয়’

গোলাম কিবরিয়া
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৯ এএম
‘নক্ষত্রেরও পতন হয়’

আকাশের ওই আলোকবর্তিকা, যাকে ভাবো অবিনাশী,
সময়ের টানে তারও চিবুকে জমে বিষাদের রাশি।
উজ্জ্বল শিখা জ্বেলে যে জানায় অস্তিত্বের দোহাই,
মহাকালের গর্ভে একদিন সেও হয়ে যায় ছাই।
​অহংকারের উচ্চাসনে যার নিত্য বসবাস,
আঁধারে বিলীন হওয়াই তার চরম ইতিহাস।

নক্ষত্র ঝরলে আকাশ কি আর রয় না আগের মতো?
শূন্যতা ঠিকই ভরে ওঠে, আড়ালে শুকায় ক্ষত।
​আসলে উচ্চতা মানেই পতন আর ধূলিকণার টান,
শেষের আগে কেউই বোঝে না এই ধরণীর বিধান।
​যাদের দাপটে কাঁপে মেদিনী, জৌলুস ঝরে গায়,
তারাও তো একদিন ম্লান হয় নিঃসঙ্গ বিদায়।

শিখর ছোঁয়া মানেই তো নয় চিরস্থায়ী কোনো ঘর,
মাটির পৃথিবীতে সবাই আমরা দু’দিনের যাযাবর।
​আলোর নেশায় মত্ত যারা ভুলে যায় নিজ ছায়া,
দিনশেষে সবই মিছে খেলা, স্রেফ কুহেলিকা মায়া।

অন্ধকারই শেষ গন্তব্য, নিভে যায় সব প্রাণ,
অস্তিত্বের লড়াই শেষে থাকে শুধু ব্যবধান।
​রাজপ্রাসাদ কি কুঁড়েঘর, ওই নক্ষত্র কি ধূলি—
সবাইকে তো থামতে হবে এক সমান পাল্লায় ঝুলি।

চরভদ্রাসনে ভেজাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান, একদিনেই ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

মুস্তাফিজুর রহমান শিমুল, চরভদ্রাসন:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ এএম
চরভদ্রাসনে ভেজাল ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান, একদিনেই ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

ফরিদপুরের চরভদ্রাসন সদর বাজারে ভেজাল পণ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ছয়টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রমজানকে সামনে রেখে বাজারে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং ভোক্তাদের নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে এ মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন চরভদ্রাসন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) যায়েদ হোছাইন এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মাহমুদুল হাসান।

অভিযানে সদর বাজারের বিভিন্ন দোকান পরিদর্শন করে বেশ কিছু অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। ভেজাল কসমেটিকস উৎপাদন ও বিপণনের দায়ে ‘সিনহা কসমেটিকস’কে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪১ ও ৫০ ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করার অপরাধে ‘হাসান স্টোর’কে ১ হাজার টাকা, ‘লিটন স্টোর’কে ২ হাজার টাকা এবং ‘আমিন স্টোর’কে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া ভেজাল শিশুখাদ্য বিক্রির অভিযোগে ‘সিরাজ স্টোর’কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। পরবর্তীতে একই অভিযানে আরও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তারা জানান, রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা, ভেজাল পণ্য প্রতিরোধ এবং ক্রেতাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত বাজার তদারকি অব্যাহত থাকবে। তারা ব্যবসায়ীদের আইন মেনে চলার আহ্বান জানান এবং ভোক্তাদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন।

সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে, যাতে বাজারে স্বচ্ছতা ও নিরাপদ পণ্য নিশ্চিত করা যায়।

ফরিদপুরে ভুয়া ভ্যাট কর্মকর্তা কারাগারে

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৩ পিএম
ফরিদপুরে ভুয়া ভ্যাট কর্মকর্তা কারাগারে

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে ভ্যাট কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে দুটি ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। এক ঘটনায় ভুয়া ভ্যাট কর্মকর্তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। অন্যদিকে কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের এক সিপাহীর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে, যদিও তিনি তা অস্বীকার করেছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে বোয়ালমারী গরুহাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্বপন ঘোষ (৫৬) নামে এক ব্যক্তিকে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। আদালত পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শিব্বির আহমেদ।

আদালত সূত্রে জানা যায়, স্বপন ঘোষ বোয়ালমারী পৌর বাজারের একটি প্রেসে গিয়ে নিজেকে ফরিদপুর ভ্যাট অফিসের কর্মকর্তা পরিচয় দেন। তিনি ভ্যাট বকেয়ার কথা বলে টাকা দাবি করেন। অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও তিনি দুই দফায় ৮ হাজার টাকা আদায় করেছিলেন। পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ সময় বোয়ালমারী থানার ওসি মো. আনোয়ার হোসেনসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শিব্বির আহমেদ জানান, “ভুয়া পরিচয়ে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

এদিকে বোয়ালমারী উপজেলার সাতৈর বাজারের ব্যবসায়ী প্রান্ত সাহা অভিযোগ করেছেন, কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের সিপাহী মুস্তাইন শাহ মামুন তার দোকানে গিয়ে ৩০ হাজার টাকা দাবি করেন। না দিলে ৫ থেকে ৭ লাখ টাকার ভ্যাট ফাঁকির মামলা দেওয়ার হুমকি দেন।

ভুক্তভোগী প্রান্ত সাহা জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে টাকা না দিলে মামলা করা হবে বলে আলটিমেটাম দেওয়া হয়। পরে তিনি ৫ হাজার টাকা দিতে চাইলে অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা টের পেয়ে তাকে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন।

তবে সিপাহী মুস্তাইন শাহ মামুন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি সরকারি কাজে বোয়ালমারীতে গিয়েছিলাম। ব্যবসায়ী নিজেই আমাকে টাকা দিতে চেয়েছিলেন, যা আমি প্রত্যাখ্যান করেছি। পরে আমাকে অপদস্ত করা হয় এবং পুলিশ এসে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আমার পরিচয় নিশ্চিত করে আমাকে উদ্ধার করে। আমি কোনো ঘুষ নিইনি।”

এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, ভুয়া কর্মকর্তা স্বপন ঘোষ কখনো নিজেকে মুস্তাইন শাহ মামুন হিসেবেও পরিচয় দিতেন এবং নিজেকে বড় কর্মকর্তা দাবি করতেন। ফলে দুই ঘটনার মধ্যে কোনো ধরনের যোগসাজস রয়েছে কি না—এ বিষয়টি খতিয়ে দেখার প্রশাসনের কাছে দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া ঘটনা দুটির পর স্থানীয় ব্যবসায়ীরা সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।