খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

ব্যাক পেইন কমানোর সহজ ৮ উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৬ পূর্বাহ্ণ
ব্যাক পেইন কমানোর সহজ ৮ উপায়

বর্তমানে পিঠ বা কোমরের ব্যথা (ব্যাক পেইন) একটি অত্যন্ত সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। খেলাধুলার চোট থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন রোগের কারণে এই সমস্যা হতে পারে। তবে, জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তনের মাধ্যমে এই ব্যথা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ফরিদপুর প্রতিদিনের পাঠকদের জন্য নিচে ব্যাক পেইন কমানোর সহজ ৮টি উপায় তুলে ধরা হলো।

১. কোর মাসল বা শরীরের কেন্দ্রের পেশি শক্তিশালী করুন

আমাদের শরীরের উপরিভাগের পুরো ওজন বহন করে নিচের দিকের পিঠ বা কোমর। তাই মেরুদণ্ডকে সঠিক ভার বহনে সহায়তা করতে এর চারপাশের পেশিগুলোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। আমাদের দৈনন্দিন কাজে এই পেশিগুলো খুব একটা ব্যবহৃত হয় না, তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট কিছু ব্যায়ামের মাধ্যমে এগুলোকে সচল রাখতে হবে।

২. প্রতিদিন স্ট্রেচিং করার অভ্যাস

পেশি শক্ত হয়ে যাওয়া পিঠের ব্যথার অন্যতম প্রধান কারণ। পেশি যদি নমনীয় না থাকে, তবে তা মেরুদণ্ড ও হাড়ের সংযোগস্থলে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। সুস্থ মেরুদণ্ডের জন্য প্রতিদিন নিয়ম করে স্ট্রেচিং করার অভ্যাস করুন।

৩. বসার ভঙ্গিমা ঠিক রাখুন

দাঁড়িয়ে থাকার চেয়ে দীর্ঘক্ষণ ভুল ভঙ্গিতে বসে থাকলে মেরুদণ্ডের ডিস্কের ওপর অনেক বেশি চাপ পড়ে। তাই দীর্ঘক্ষণ একনাগাড়ে বসে না থেকে মাঝেমধ্যে উঠে হাঁটাচলা করুন।

৪. নিয়মিত হাঁটুন

হাঁটা শরীরের জন্য অত্যন্ত নিরাপদ এবং কার্যকর একটি ব্যায়াম। নিয়মিত দ্রুত গতিতে হাঁটলে শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে, যা পিঠের ওপর থেকে বাড়তি চাপের ঝুঁকি কমায়।

৫. ভারি বস্তু তোলার সময় সাবধানতা

ভারি কোনো কিছু তোলার সময় ভুলভাবে শরীর মোচড় দিলে পেশিতে টান লেগে তীব্র ব্যথা হতে পারে। কোনো কিছু তোলার সময় পিঠের ওপর চাপ না দিয়ে পায়ের পেশির শক্তি ব্যবহার করুন এবং প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য নিন।

৬. ঘুমানোর সঠিক ভঙ্গি

একেবারে সোজা হয়ে চিৎ হয়ে ঘুমালে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। তাই চিৎ হয়ে ঘুমানোর সময় হাঁটুর নিচে একটি বালিশ দিয়ে পা কিছুটা উঁচু করে রাখুন। আর যদি আপনি কাত হয়ে ঘুমান, তবে দুই হাঁটুর মাঝে একটি বালিশ রাখুন, এতে পিঠের ওপর চাপ কমবে।

৭. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

শরীরের বাড়তি ওজন পিঠের পেশি ও মেরুদণ্ডে অস্বাভাবিক চাপ সৃষ্টি করে। এর ফলে মেরুদণ্ড একদিকে হেলে যেতে পারে বা মেরুদণ্ডের হাড়ের স্বাভাবিক বক্রতা নষ্ট হতে পারে। তাই পিঠ ভালো রাখতে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি ।

৮. ধূমপান ত্যাগ করুন

ধূমপান মেরুদণ্ডের ডিস্কগুলোতে রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়, ফলে ডিস্কগুলো দ্রুত ক্ষয় হতে থাকে। এ ছাড়া ধূমপানের কারণে শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণ কমে যায় এবং নতুন হাড় গঠন ব্যাহত হয়, যা অস্টিওপরোসিসের মতো হাড়ের রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

সঠিক জীবনযাপনের মাধ্যমে পিঠের ব্যথা প্রতিরোধ করা সম্ভব হলেও, আঘাত বা চোটের কারণে ব্যথা তীব্র হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তথ্যসূত্র: ইউসি ডেভিস

 

স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও বঞ্চিত জনগণ: ফরিদপুরে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফরিদপুর অঞ্চলের উদ্যোগে উপজেলা ও থানা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অংশগ্রহণে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে ফরিদপুর শহরের মুসলিম মিশন প্রাঙ্গণে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা আমির মোহাম্মদ বদর উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও অঞ্চল পরিচালক ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ। এসময় ফরিদপুরসহ আশপাশের পাঁচ জেলার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও দেশের সাধারণ মানুষ কাঙ্ক্ষিত অধিকার ও ন্যায্য প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত। দীর্ঘদিন ধরে দেশে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার যথাযথভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি বলে তারা দাবি করেন।

তারা আরও অভিযোগ করেন, গত এক যুগের বেশি সময় ধরে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সীমিত ছিল। অনেকেই স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি; সত্য কথা বলায় অনেকে হয়রানি, গ্রেপ্তার কিংবা আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। কেউ কেউ দীর্ঘদিন বিনা বিচারে কারাগারে ছিলেন বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচন ও গণভোট প্রসঙ্গে তারা দাবি করেন, জনগণের মতামত যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তারা দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দখলদারিত্ব বন্ধের দাবি জানান। পাশাপাশি জ্বালানি সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির কথাও উল্লেখ করেন বক্তারা।

সম্মেলনে দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে দুর্নীতি, বিদ্যুৎ সংকট ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, অঞ্চল প্রধান শামসুল ইসলাম আল বরাটি, জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল ওহাব এবং জেলা নায়েবে আমির ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ফরিদপুরের ২০০ বছরের পুরনো জমিদার বাড়ির ‘বউঘাট’ খুড়ে নেওয়া হচ্ছে গুপ্তধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ২০০ বছরের পুরনো জমিদার বাড়ির ‘বউঘাট’ খুড়ে নেওয়া হচ্ছে গুপ্তধন

গুপ্তধনের লোভে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার প্রায় ২০০ বছরের পুরোনো বাইশরশি জমিদার বাড়ির ঐতিহাসিক ‘বউঘাট’ খুঁড়ে তছনছ করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, একটি অসাধু চক্র প্রকাশ্যেই খনন চালিয়ে সম্ভাব্য মূল্যবান প্রত্নসম্পদ লুট করছে।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, জমিদার বাড়ির পুকুর সংলগ্ন বউঘাটের নিচের অংশ খুঁড়ে মাটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। খননস্থলে ছড়িয়ে রয়েছে পাথরের ভাঙা মূর্তি, প্রাচীন তৈজসপত্রের অংশ, পাথরের থালা ও পূজার সামগ্রীর ভগ্নাংশ—যা স্থাপনাটির ঐতিহাসিক গুরুত্বেরই সাক্ষ্য বহন করছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সম্প্রতি পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় সুযোগ নেয় চক্রটি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দিনের বেলাতেই কয়েকজন ব্যক্তি মাটি খুঁড়ে তা পাশের পুকুরে ধুয়ে বিভিন্ন পুরোনো সামগ্রী সংগ্রহ করছে। তাদের হাতে স্বর্ণালংকার, পাথরের দাবার গুটি, গোলাকার বল, তামা ও রুপার মুদ্রা পাওয়া গেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা নিজেদের গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলা থেকে আসা বলে পরিচয় দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, একসময় এই জমিদার পরিবার ফরিদপুর ও বরিশালসহ ২২টি পরগনার শাসনভার পরিচালনা করত। যে বউঘাটে খনন চলছে, সেটি ছিল জমিদার পরিবারের নারীদের স্নানের স্থান এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। ধারণা করা হচ্ছে, স্নানের সময় হারিয়ে যাওয়া মূল্যবান রত্নের আশাতেই এই খননকাণ্ড চালানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে সদরপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিফাত আনজুম পিয়া বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে সদ্য জেনেছি। দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ইতিহাস ঘেঁটে জানা যায়, ১৭শ শতকের গোড়ায় লবণ ব্যবসার মাধ্যমে সাহা পরিবার বিপুল সম্পদের মালিক হয় এবং পরবর্তীতে ২২টি পরগনা ক্রয়ের মাধ্যমে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করে। ১৮শ শতক থেকে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ পর্যন্ত তাদের প্রভাব-প্রতিপত্তি ছিল সুদূরপ্রসারী।

একসময় প্রায় ৫০ একর জমির ওপর বিস্তৃত এই জমিদার বাড়িতে ছিল বাগানবাড়ি, শানবাঁধানো পুকুর, পূজামণ্ডপ এবং ছোট-বড় মিলিয়ে ১৪টি দালানকোঠা। বর্তমানে প্রায় ৩০ একর এলাকা টিকে থাকলেও বাকিটা দখল হয়ে গেছে। অবশিষ্ট স্থাপনাগুলোতে এখনো কারুকার্যময় দরজা-জানালা ও লোহার অলংকরণে অতীতের আভিজাত্যের ছাপ মিললেও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সেগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি বর্তমানে প্রায় অরক্ষিত। অভিযোগ রয়েছে, মূল্যবান কাঠ, লোহার কারুকাজ এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ধারাবাহিকভাবে লুট হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, রাতের বেলায় এলাকা অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়, এমনকি দিনের বেলাতেও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে।

উল্লেখ্য, জমিদার বাড়ির ভেতরেই উপজেলা ভূমি অফিস, ইউনিয়ন ভূমি অফিস এবং বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কার্যালয় থাকা সত্ত্বেও এর নিরাপত্তা ও সংরক্ষণে কার্যকর কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।

স্থানীয়দের জোর দাবি—অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি সংরক্ষণ এবং লুটপাট বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

টেক্সটে যে ১০ কথোপকথন করা উচিত নয়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০১ অপরাহ্ণ
টেক্সটে যে ১০ কথোপকথন করা উচিত নয়?

বর্তমানে ডিজিটাল যুগে খুদে বার্তা বা টেক্সটিং আমাদের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম হয়ে দাঁড়িয়েছে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে এটি ফোন কলের চেয়ে অনেক বেশি স্বস্তিদায়ক।

তবে থেরাপিস্টদের মতে, সব ধরনের আলাপ টেক্সটে করা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, কারণ এতে কণ্ঠস্বরের গভীরতা বা শারীরিক ভাষার অভাব থাকে, যা সহজেই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করতে পারে।

নিচে এমন ১০টি বিষয়ের তালিকা দেওয়া হলো যা টেক্সটে আলোচনা না করে সরাসরি বা ফোন কলে করা উচিত:

১. গভীর আবেগঘন কথোপকথন: টেক্সট সাধারণত হালকা বিষয়ের জন্য ভালো, কিন্তু ভারী বা গভীর আবেগ প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি যথেষ্ট নয়।

২. দ্বন্দ্ব বা সংঘাত: কোনো বিষয়ে মতবিরোধ হলে টেক্সটে তা মেটানোর চেষ্টা করবেন না। কণ্ঠস্বরের টোন ছাড়া টেক্সট অনেক সময় রূঢ় বা অবজ্ঞাপূর্ণ মনে হতে পারে, যা ঝগড়াকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

৩. ক্ষমা প্রার্থনা: আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাওয়ার জন্য সরাসরি কথা বলা প্রয়োজন। টেক্সটে ক্ষমা চাইলে তাতে আন্তরিকতার অভাব প্রকাশ পাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৪. সম্পর্কের স্থিতি পরিবর্তন: ব্রেকআপ বা সম্পর্কের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিয়ে টেক্সটে কথা বলা অনুচিত। এতে অপরপক্ষের প্রতি সম্মানের অভাব ফুটে ওঠে।

৫. ব্যক্তিগত বা পেশাদার সীমানা নির্ধারণ (Boundary Changes): নিজের কোনো নতুন সীমানা বা নিয়ম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরাসরি কথা বলাই শ্রেয়, যাতে কোনো অস্পষ্টতা না থাকে।

৬. দুঃসংবাদ বা ট্র্যাজেডি (Tragedy Information): মৃত্যু বা বড় কোনো দুর্ঘটনার খবর টেক্সটে দেওয়া অত্যন্ত অসংবেদনশীল। এই ধরনের পরিস্থিতিতে মানুষের কণ্ঠস্বরের সান্ত্বনা ও উপস্থিতি প্রয়োজন।

৭. সুক্ষ্ম ও স্পর্শকাতর বিষয়: যে সব বিষয়ে অনেক বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং আবেগের সূক্ষ্মতা প্রয়োজন, সেখানে টেক্সট ভুল বার্তার জন্ম দিতে পারে।

৮. দীর্ঘ এবং জটিল বর্ণনা: যদি কোনো ঘটনা খুব বিস্তারিত হয় বা লিখতে গিয়ে প্যারাগ্রাফের পর প্যারাগ্রাফ হয়ে যায়, তবে ফোন কল করাই ভালো।

৯. ব্যঙ্গ বা অস্পষ্ট কৌতুক: টেক্সটে কণ্ঠের টোন বোঝা যায় না বলে আপনার করা কৌতুকটি অন্যজন সিরিয়াসলি নিয়ে নিতে পারেন বা অপমানিত বোধ করতে পারেন।

১০. গভীর মানসিক সংযোগের মুহূর্ত: যখন কারো সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত হওয়া প্রয়োজন, তখন টেক্সট একটি বাধার মতো কাজ করে। কণ্ঠস্বরের উষ্ণতা ছাড়া প্রকৃত সংযোগ সম্ভব নয়।

কখন ফোন তুলবেন? থেরাপিস্ট ইভন ইনিয়াং-এর মতে, যদি কোনো বার্তা পড়ার পর আপনি নিজেকে রক্ষাত্মক মনে করেন, বা একই টেক্সট পাঁচবার পড়েও অর্থ বোঝার চেষ্টা করেন, তবে বুঝে নেবেন এখন টেক্সট বন্ধ করে ফোন করার সময় হয়েছে। মনে রাখবেন, যেসব আলাপে মানুষের উপস্থিতি এবং সহমর্মিতা প্রয়োজন, সেখানে একটি ফোন কল বা সরাসরি দেখা করাই সবচেয়ে কার্যকর।

তথ্যসূত্র : ভেরি ওয়েলমাইন্ড