ওজন কমাতে রাতে কী খাবেন, কী এড়িয়ে চলবেন?
আধুনিক জীবনে ওজন নিয়ন্ত্রণ নিঃসন্দেহে বেশ বড় এক চ্যালেঞ্জ। তবে জীবনধারায় সাদামাটা কিছু পরিবর্তন আনলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ হয়। শরীরে দ্রুত মেদ জমে। কিন্তু তা ঝরাতে গেলেই রাতের ঘুম উড়ে যায়।
ডায়েট ও শরীরচর্চা ছাড়া ওজন কমানো সহজ নয়। তবে ওজন কমাতে গিয়ে চর্বির বদলে মাংসপেশি ঝরে গেলেও মুশকিল।
তাই রাতে ঘুমোনোর সময়েও যাতে মেদ গলে, সে দিকে নজর দেওয়া জরুরি। ঘুমোলেও বিপাক ক্রিয়া চলতে থাকে।
তাই ডিনারে এমন কিছু খাবার খেতে হবে, যা আপনার সারাদিনের পরিশ্রমকে নষ্ট করবে না। উল্টো ওজন কমাতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি মাঝরাতে হঠাৎ খিদে পাওয়ার প্রবণতাও বন্ধ হবে। জেনে নিন রাতে কী কী খাবার খাবার খেলে ওজন কমবে-
ডিম
দিনের যে কোনো সময়ে ২-৩টি ডিম অনায়াসে খাওয়া যায়।
তবে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ১-২ ঘণ্টা আগে ১টা ডিম সিদ্ধ খেতে পারেন। প্রোটিনে ভরপুর এই খাবার পেশির ক্ষয় পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রাতে ডিম খেলেও হজমে কোনো সমস্যা হয় না।
মরিচ
রাতে ঝাল-ঝাল খাবার রাখতে পারেন। কাঁচা মরিচ বা মরিচ গুঁড়া দিয়ে রান্না করা খাবার খেতে পারেন।
মরিচে থাকা ক্যাপসাইসিন থার্মোজেনেসিস প্রক্রিয়াকে বুস্ট করে। অর্থাৎ শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে চর্বি গলাতে সাহায্য করে। পাশাপাশি বিপাক হার উন্নত করে। তাই ডিনারে ঝাল খাবার খেলে ঘুমোনোর সময়ে ওজন কমবে। এ ছাড়া কুসুম গরম পানিতে এক চিমটে মরিচ গুঁড়া মিশিয়েও খেতে পারেন।
আপেল সিডার ভিনেগার
ওজন কমাতে সাহায্য করে অ্যাপেল সিডার ভিনেগারও। স্বাদে ভালো না হলেও মেটাবলিজম বাড়াতে এই ভিনেগারের জুড়ি মেলা ভার। এক গ্লাস পানিতে এক চামচ আপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে পান করুন। এতে ক্যালোরি গলে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এই পানীয়তে চুমুক দিন।
ড্যান্ডেলিয়ন ও ক্যামোমাইলের পানীয়
রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে চুমুক দিতে পারেন ভেষজ পানীয়তে। ড্যান্ডেলিয়ন বা ক্যামোমাইলের পানীয় খেতে পারেন। এই ধরনের পানীয়তে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ঘুমের সমস্যা দূর করে। এ ছাড়া এতে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এই ধরনের পানীয় রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পান করতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন
Array