খুঁজুন
, ,

হলুদ পানি: প্রতিদিনের অভ্যাসেই সুস্থতার চাবিকাঠি

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৬ পূর্বাহ্ণ
হলুদ পানি: প্রতিদিনের অভ্যাসেই সুস্থতার চাবিকাঠি

প্রাচীনকাল থেকেই ঘরোয়া চিকিৎসায় হলুদের ব্যবহার চলে আসছে। রান্নায় রং ও স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি দেহকে ভেতর থেকে সুস্থ রাখতে এই মসলা যুগ যুগ ধরে মানুষের ভরসা। সাম্প্রতিক সময়ে স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে হলুদ মেশানো পানি পান করার অভ্যাস বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ও পরিমিত পরিমাণে হলুদ পানি পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, হজম শক্তি উন্নত হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়:

হলুদ অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এটি শরীরকে ক্ষতিকর ফ্রি র‌্যাডিকেলের প্রভাব থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করে। নিয়মিত হলুদ পানি পান করলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়, ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে এবং শরীর থাকে আরও সতেজ ও কর্মক্ষম।

হজম শক্তি উন্নত করে:

হলুদ পানি হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। গ্যাস, বদহজম ও পেটের অস্বস্তি কমাতে এটি কার্যকর। হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ হজমতন্ত্রের প্রদাহ কমিয়ে সার্বিক হজম স্বাস্থ্য উন্নত করে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক:

খালি পেটে হলুদ পানি পান করলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এটি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ পাওয়া গেছে।

প্রদাহ কমাতে কার্যকর:

হলুদের অন্যতম উপাদান কারকিউমিন শরীরের প্রদাহ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিয়মিত হলুদ পানি পান করলে দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহ কমতে পারে, যা বিভিন্ন জটিল ও দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি হ্রাসে সহায়ক।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়:

পরিমিত মাত্রায় হলুদ পানি পান হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, যেকোনো স্বাস্থ্যকর অভ্যাস শুরু করার আগে নিজের শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসক বা স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। কারণ ভালো কোনো উপাদানও সঠিক মাত্রা ও নিয়ম মেনে গ্রহণ করলেই প্রকৃত উপকার পাওয়া যায়।

সচেতন খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত পরিমিত হলুদ পানি হতে পারে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনের একটি সহজ ও কার্যকর সহায়ক

আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২২ পূর্বাহ্ণ
আলফাডাঙ্গার ইউএনওর সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জোবায়ের হাবিবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নেতৃবৃন্দ।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুর ১২টায় আলফাডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

​এ সময় ফরিদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক আজিজ, সাবেক কার্যনির্বাহী সদস্য কৃষিবিদ শাহরিয়ার আজম ও আলফাডাঙ্গা উপজেলা যুব অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. রঞ্জুসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

​সাক্ষাৎকালে নেতারা ইউএনওর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। একই সঙ্গে তারা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও স্থানীয় সমস্যা নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:০১ পূর্বাহ্ণ
ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়?

ওজন কমলে শরীরের চর্বি আসলে কোথায় যায়? এ প্রশ্নের উত্তর অনেকেরই অজানা। গবেষকদের মতে, শরীরে জমে থাকা চর্বির বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত শ্বাসের সঙ্গে কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার (০১ সেপ্টেম্বর) ইউরো নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব বার্মিংহামের দুই গবেষক ‘দ্য কনভারসেশন’-এ প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানান, শরীরের চর্বি কমার প্রক্রিয়া শুরু হয় যখন খাবার থেকে পাওয়া শক্তির চেয়ে শরীরের শক্তির চাহিদা বেশি হয়। তখন শরীর জমিয়ে রাখা চর্বি থেকে শক্তি নেওয়া শুরু করে।

খাবারের চর্বি হজমের পর ফ্যাটি অ্যাসিডে ভেঙে যায়। শরীর প্রয়োজনীয় অংশ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে। অতিরিক্ত অংশ ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তরিত হয়ে চর্বি কোষে জমা থাকে।

শরীরে মূলত দুই ধরনের চর্বি জমে- ত্বকের নিচে থাকা সাবকিউটেনিয়াস ফ্যাট এবং শরীরের ভেতরে বিভিন্ন অঙ্গের চারপাশে জমা ভিসেরাল ফ্যাট।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি হলে হরমোন ও স্নায়ুর সংকেতের মাধ্যমে চর্বি কোষে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড ভাঙতে শুরু করে। এরপর ফ্যাটি অ্যাসিড কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ায় গিয়ে শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। এ সময় কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি তৈরি হয়।

গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, শরীর থেকে হারানো চর্বির প্রায় ৮৪ শতাংশ কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়ে শ্বাসের সঙ্গে বের হয়ে যায়। বাকি প্রায় ১৬ শতাংশ পানি হিসেবে ঘাম, প্রস্রাবসহ বিভিন্ন শারীরিক তরলের মাধ্যমে বের হয়।

তবে এই হারগুলো আনুমানিক বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। শরীরের সব ধরনের নির্গমন নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা কঠিন।

গবেষকরা আরও বলেন, দ্রুত শ্বাস নিলেই চর্বি কমে না। শ্বাস-প্রশ্বাস চর্বি ভাঙার কারণ নয়; বরং চর্বি ভাঙার পর তৈরি হওয়া পদার্থ শরীর থেকে বের হওয়ার একটি পথ।

শরীরে ক্যালরি ঘাটতি তৈরি করাই চর্বি কমানোর মূল বিষয়। খাবার নিয়ন্ত্রণ ও শারীরিক পরিশ্রমের মাধ্যমে এই ঘাটতি তৈরি করা যায়।

সূত্র: ইউরো নিউজ

সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
সালথায় আড়াই লাখ টাকার নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ

ফরিদপুরের সালথায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালিয়ে অন্তত আড়াই লাখ টাকা মূল্যের ৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারী জাল জব্দ করা হয়েছে।

​বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মুরাটিয়া বিলে এ অভিযান চালানো হয়। পরে জব্দ করা জালগুলো আইন ও বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দবির উদ্দিন।

​অভিযানকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তরুণ বসু, সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আনিসুর রহমানসহ পুলিশ বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

​সালথা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন জানান, চায়না দুয়ারী জাল মাছের পোনা ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। দেশে সব ধরনের নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে উপজেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রাখবে।

​একই সঙ্গে নিষিদ্ধ জালের অশুভ প্রভাব থেকে দেশীয় প্রজাতি রক্ষায় স্থানীয় সাধারণ জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।