খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

প্রকৃত সাংবাদিক কারা?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:২৪ পূর্বাহ্ণ
প্রকৃত সাংবাদিক কারা?

দেশে ‘প্রকৃত সাংবাদিকদের’ একটি জাতীয় ডাটাবেজ তৈরির সরকারি ঘোষণা নতুন করে গণমাধ্যম অঙ্গনে আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অবাধ তথ্যপ্রবাহের যুগে সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং ভুয়া সাংবাদিকতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণসহ একটি পূর্ণাঙ্গ অনলাইন ডাটাবেজ তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। 

ঘোষণার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে— প্রকৃত সাংবাদিক কারা? কোন মানদণ্ডে তাদের নির্ধারণ করা হবে? এই দায়িত্ব কি সরকারের হাতে থাকবে, নাকি সাংবাদিক সংগঠন ও গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে তা নির্ধারিত হবে? রাষ্ট্র যখন সাংবাদিকের পরিচয় নির্ধারণ করবে, তখন সেটি পেশাগত শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নাকি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার অংশ— এ নিয়েও শুরু হয়েছে আলোচনা।

কেন ডাটাবেজের উদ্যোগ 

তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সাংবাদিকদের মর্যাদা রক্ষা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে ‘সাংবাদিক সুরক্ষা সহায়তা সেল’ গঠন করা হয়েছে। হুমকি, হামলা বা ডিজিটাল হয়রানির শিকার সাংবাদিকদের আইনি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা, নারী সাংবাদিকদের জন্য বিশেষ সুবিধা, ডিজিটাল নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ এবং জেলা পর্যায়ে সুরক্ষা উদ্যোগসহ সমন্বিত সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলার কাজ চলছে।

এই উদ্যোগগুলোর কার্যকর বাস্তবায়নের জন্যই সাংবাদিকদের একটি যাচাইযোগ্য জাতীয় ডাটাবেজ প্রয়োজন বলে মনে করছে সরকার।

তিনি আরও জানান, সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ নিশ্চিত করতে ১৯৭৪ সালের প্রেস কাউন্সিল আইন যুগোপযোগী করার প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

সরকারের যুক্তি  

তথ্য মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিবন্ধিত সংবাদমাধ্যমের বাইরে সাংবাদিক পরিচয়ে নানা অপকর্মের অভিযোগ বেড়েছে। প্রেস কার্ড ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, স্থানীয় পর্যায়ে প্রভাব খাটানো এবং অনিবন্ধিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মের বিস্তার প্রশাসন ও সাংবাদিক সংগঠন— উভয় পক্ষের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

সরকারের মতে, একটি যাচাইযোগ্য তালিকা থাকলে প্রকৃত সংবাদকর্মীদের শনাক্ত করা সহজ হবে এবং পেশার মর্যাদা রক্ষা পাবে। চিকিৎসক বা আইনজীবীদের মতো সাংবাদিকদেরও একটি স্বীকৃত ডাটাবেজ থাকা উচিত বলে মনে করছেন তারা।

‘প্রকৃত সাংবাদিক’ বলতে কী বোঝানো হচ্ছে 

সংশ্লিষ্ট মহলের ভাষ্য অনুযায়ী, যারা সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন, নিবন্ধিত সংবাদপত্র, টেলিভিশন বা অনলাইন গণমাধ্যমে সম্পাদকীয় কাঠামোর মধ্যে কাজ করেন এবং পেশাগত নৈতিকতা ও আইনি কাঠামোর আওতায় আছেন— তাদেরই সাধারণভাবে ‘প্রকৃত সাংবাদিক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ডাটাবেজ তৈরির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য যে মানদণ্ডগুলো আলোচনায় রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে— বৈধ প্রেস কার্ড, সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের নিয়োগপত্র, সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যপদ, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় কাজের প্রমাণ, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও উদ্বেগ।

ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন গণমাধ্যমের একটি অংশ। তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ‘ভুয়া সাংবাদিক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজি ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ রয়েছে। সঠিক তালিকা তৈরি হলে পেশার মর্যাদা বাড়বে।

তবে সাংবাদিকদের আরেক অংশ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলছেন, ‘প্রকৃত সাংবাদিক’ নির্ধারণের ক্ষমতা যদি পুরোপুরি সরকারের হাতে যায়, তাহলে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে।

পুরনো আলোচনা, নতুন উদ্যোগ 

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সভাপতি ও বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম আবদুল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির আলোচনা নতুন নয়; প্রায় এক দশক ধরে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।”

তিনি জানান, প্রথমে প্রেস কাউন্সিল এ উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করলে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে তাদের কর্তৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিষয়টি থেমে যায়। পরে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) একটি ডাটাবেজ তৈরির উদ্যোগ নিলেও তা অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে।

কল্যাণমূলক সুবিধা প্রকৃত সাংবাদিকদের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকেও ডাটাবেজ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সম্ভাব্য বিতর্ক এড়াতে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয় থেকে সেই উদ্যোগ স্থগিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

বর্তমান সরকারের সময়ে বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে বলেও উল্লেখ করেন এম আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, “কল্যাণ ট্রাস্টের সুবিধা সঠিকভাবে দিতে একটি ডাটাবেজ প্রয়োজন, এমন সিদ্ধান্ত তার দায়িত্ব ছাড়ার আগের বোর্ড সভায় নেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে যে ডাটাবেজের কথা বলা হচ্ছে, তা পূর্বের সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা কিনা— তা তিনি নিশ্চিত নন।”

বিতর্কের জায়গা কোথায় 

এম আবদুল্লাহ বলেন, “ডাটাবেজ তৈরির বড় জটিলতা শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রশ্নে। বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের একটি বড় অংশ মনে করে, সাংবাদিকতা মূলত বাস্তব অভিজ্ঞতা ও দক্ষতানির্ভর পেশা; শুধু একাডেমিক ডিগ্রি দিয়ে ভালো সাংবাদিক নির্ধারণ করা যায় না।”

তার ভাষায়, “অনেক উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তি সাংবাদিকতায় সফল হননি, আবার উচ্চমাধ্যমিক পাস করেও অনেকেই প্রতিষ্ঠিত সাংবাদিক হয়েছেন। দীর্ঘদিনের এই বিতর্কের গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করে যদি কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যায়, তাহলে তা সাংবাদিক সমাজের স্বাগত জানানো উচিত।”

সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

‘পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে’, মেয়েদের কাছে পেয়ে সালমা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:২৫ পূর্বাহ্ণ
‘পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে’, মেয়েদের কাছে পেয়ে সালমা

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা। গানের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনে নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এখন নিজের মত করেই আছেন তিনি।

সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দুই মেয়ের সঙ্গে নিজের কয়েকটি ছবি পোস্ট করে হৃদয়ের কথা শেয়ার করেছেন এই সংগীতশিল্পী। জানিয়েছেন, ব্যক্তি জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে দুই সন্তান নিয়ে অনেক ভালো আছেন তিনি।

দুই মেয়ের সঙ্গে নিজের ছবি পোস্ট করে সালমা লেখেন, ‘আমার দুনিয়াতে আমার সন্তানদের নিয়ে ভালো আছি। আমি মা- এটাই এখন আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

পোস্টে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন তার বড় মেয়ে স্নেহার কথা, যাকে তিনি নিজের কাছে ফিরে পাওয়াকে জীবনের বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন।

তিনি লেখেন, ‘আল্লাহ পাক তার বান্দাকে বেশি দিন কষ্টে রাখেন না।

আমার পাহাড় সমান বোঝা নেমে গেছে হৃদয় থেকে। আমার স্নেহা আমার কাছে চলে এসেছে।’
বাকি জীবন দুই মেয়ের সঙ্গে কাটিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে শেষে সালমা লেখেন, ‘কাজে মনোযোগ নেই। আমি সন্তানকে পেয়ে সব ভুলে গেছি। বাকি জীবনটা তোদের জন্য উৎসর্গ করলাম। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। ’

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সালমার। তাদের সংসারে জন্ম নেয় কন্যাসন্তান স্নেহা। তবে ২০১৬ সালে দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন এই দম্পতি।

প্রথম সংসারের বিচ্ছেদের সাড়ে তিন বছর পর ২০১৮ সালের শেষ দিনে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূরেকে বিয়ে করেন সালমা। কিন্তু সাত বছরের মাথায় এই সংসারও ভেঙে যায়। সালমা-সানাউল্লাহ দম্পতির সাইফা নামে এক মেয়ে রয়েছে।

বিশ্রামে মোস্তাফিজ-তাসকিন-নাহিদ, নতুন মুখ সাকলাইন-রিপন

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৯ পূর্বাহ্ণ
বিশ্রামে মোস্তাফিজ-তাসকিন-নাহিদ, নতুন মুখ সাকলাইন-রিপন

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে নতুন এক কৌশল গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

অভিজ্ঞ পেসারদের বিশ্রাম দিয়ে তরুণদের পরখ করে দেখার লক্ষ্যে প্রথম দুই ম্যাচের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডে আনা হয়েছে বড় চমক।

এই সিরিজে প্রথমবারের মতো জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন ২৮ বছর বয়সী পেসার আব্দুল গাফফার সাকলাইন।
দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পুরস্কার পেলেন সাকলাইন।

তার বৈচিত্র্যময় বোলিংয়ের পাশাপাশি লোয়ার অর্ডারে কার্যকর ব্যাটিং করার সক্ষমতা নির্বাচকদের নজর কেড়েছে। অন্যদিকে, অভিজ্ঞ পেস আক্রমণের তিন স্তম্ভ মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ ও নাহিদ রানাকে এই সিরিজে বিশ্রামে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড।
পেস ইউনিটে সাকলাইনের সঙ্গী হিসেবে দলে ফিরেছেন তরুণ পেসার রিপন মণ্ডল। ২০২৩ সালের এশিয়ান গেমসে দেশের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মূল জাতীয় দলে নিজেকে থিতু করার জন্য এই সিরিজটি রিপনের সামনে বড় সুযোগ হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির এই স্কোয়াডে নেতৃত্বের দায়িত্ব পালন করবেন লিটন কুমার দাস, আর তার ডেপুটি হিসেবে থাকছেন মোহাম্মদ সাইফ হাসান।

প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির জন্য বাংলাদেশ স্কোয়াড:

লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), মোহাম্মদ পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান তামিম, মোহাম্মদ সাইফ হাসান (সহ-অধিনায়ক), শামীম হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, কাজী নুরুল হাসান সোহান, শেখ মাহেদী হাসান, নাসুম আহমেদ, রিশাদ হোসেন, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান সাকিব, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন।

সৃষ্টি নয়, স্রষ্টাই একমাত্র উপাস্য

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
সৃষ্টি নয়, স্রষ্টাই একমাত্র উপাস্য

মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
أَمِ ٱتَّخَذُوۤاْ آلِهَةً مِّنَ ٱلأَرْضِ هُمْ يُنشِرُونَ (٢١)
সরল অনুবাদ :
তারা যেসব মাটির দেবতা গ্রহণ করেছে, সেগুলি কি মৃতকে জীবিত করতে সক্ষম?

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা

আরবের মুশরিকরা মাটির তৈরী যেসব দেবতা গ্রহন করেছিলো সেগুলো যে সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট সেটা বুঝানো উদ্দেশ্য। তাই জিজ্ঞাসা করা হয়েছে অস্বীকৃতির জন্য।

অর্থাৎ, যারা কোন জিনিসেরই ক্ষমতা রাখে না তাদেরকে কিভাবে মুশরিকরা আল্লাহর শরিক বানায় ও তাদের ইবাদত করে? (তাফসিরে আহসানুল বায়ান)
يُنشِرُونَ মানে হচ্ছে, কোন পড়ে থাকা প্রাণহীন বস্তুকে তুলে দাঁড় করিয়ে দেয়া। (কুরতুবি)

এতে আয়াতের অর্থ দাঁড়ায়, যেসব সত্তাকে তারা ইলাহ হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছে এবং যাদের তারা নিজেদের উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করছে তাদের মধ্যে কি এমন কেউ আছে যে, নিষ্প্রাণ বস্তুর বুকে সামান্য প্রাণ সঞ্চার করতে পারে? যদি এক আল্লাহ ছাড়া এটা আর কেউ করতে সক্ষম না হন- আর মুশরিকরা তো নিজেরাই একথা স্বীকার করে যে, আল্লাহ ছাড়া এটা করতে আর কেউ সক্ষম না – তাহলে এতকিছুর পরও তারা কিভাবে এগুলোকে উপাস্য হিসাবে গ্রহণ করছে এবং কেন করছে? (ইবন কাসির, ফাতহুল কাদির, তাফসিরে জাকারিয়া)

শিক্ষা ও বিধান

১. মানুষ যেসব মাটির বা সৃষ্টি করা জিনিসকে উপাস্য বানায়, তারা কোনো ক্ষমতার অধিকারী নয়।

প্রকৃত ক্ষমতা শুধু আল্লাহর।
২. মূর্তি বা যা সৃষ্টি করা হয়েছে তা কখন-ই কোনো কিছুকে জীবন দিতে পারে না।
তাই এই আয়াতের উত্তর হলো- স্পষ্ট: না। জীবন দেওয়া ও নেওয়া একমাত্র আল্লাহর কাজ।

৩. অন্ধ অনুসরণ নয়—যুক্তি দিয়ে ভাবতে হবে। যদি কোনো ‘দেবতা’ জীবন দিতে না পারে, তবে সে কিভাবে উপাস্য হতে পারে?
৪. মানুষ যা নিজেরাই সৃষ্টি করে (যেমন মূর্তি), তা কখনোই সৃষ্টিকর্তা হতে পারে না। সৃষ্টি আর স্রষ্টার পার্থক্য এই আয়াতে স্পষ্ট। তাই সব মানুষকে এক আল্লাহর ইবাদতে মনোনিবেশ করা উচিত।

সৌজন্যে: কালের কণ্ঠ