খুঁজুন
, ,

নারীর অধিকার ও সমতার বার্তা, ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নারী দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ২:২৫ অপরাহ্ণ
নারীর অধিকার ও সমতার বার্তা, ফরিদপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে নারী দিবস পালিত

‘সমতা, মর্যাদা ও ক্ষমতায়ন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে রবিবার (০৮ মার্চ) সকালে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, নারী সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। র‍্যালি শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

ফরিদপুর জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসান মোল্যার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ফরিদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) ফাতেমা ইসলাম, সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান, এফডিএফ-এর উপদেষ্টা আশরাফুল ইসলাম, টিআইবি’র সহ-সভাপতি মনোয়ারা মোরশেদ, সমাজকর্মী জান্নাতুল তাহিয়া রিমি, তাহসিন জেবা ও জান্নাতুল খাতুন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মাশউদা হোসেন। তিনি নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সার্বিক উন্নয়নে নারীদের অবদান অপরিসীম। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীরা আজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। নারীর অংশগ্রহণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়।

বক্তারা আরও বলেন, সমাজে এখনো কিছু গোষ্ঠী নারীদের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। নারী নির্যাতন, বৈষম্য ও সামাজিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে সবাইকে সচেতন হতে হবে।নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধে সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বক্তারা ফরিদপুরকে একটি নিরাপদ ও নারীবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক মর্যাদার ক্ষেত্রে নারীদের আরও বেশি সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এর আগে প্রধান অতিথি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দিবসটির কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নারী সংগঠন ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

ফরিদপুরে মন্দিরের তালা কেটে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি-স্বর্ণালংকার চুরি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে মন্দিরের তালা কেটে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি-স্বর্ণালংকার চুরি

ফরিদপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী পুরাতন কালীবাড়ী এলাকার ২নং উত্তর কালীবাড়ী মন্দিরে এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জেনারেল হাসপাতাল সংলগ্ন এই মন্দির থেকে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তি, আনুমানিক ৭-৮ ভরি স্বর্ণালংকার ও ১০ ভরি রূপার সামগ্রীসহ মূল্যবান ধর্মীয় সরঞ্জাম চুরি হয়ে গেছে।

​এ ঘটনায় রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে মন্দিরের সেবায়েত ও পরিচালনা কমিটির সভাপতি কুশল চক্রবর্তী কোতয়ালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

​অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিত্যপূজা শেষে মন্দির ও কেচি গেটে তালা লাগিয়ে বাড়ি যান সেবায়েত দেবী প্রসাদ চক্রবর্তী (পানু)। পরদিন রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে তিনি আবারও পূজা দিতে এসে দেখেন মন্দিরের মূল ফটকসহ ভেতরের সবকটি তালা কাটা। ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, কষ্টিপাথরের মূল কালীমূর্তিটি গায়েব। এছাড়া মূর্তির গায়ে থাকা প্রায় ৭-৮ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, পিতলের তৈরি বিষ্ণু, রাধাকৃষ্ণ ও মনসা মূর্তি এবং মহাদেবের শিবলিঙ্গের সঙ্গে থাকা ৮-১০ ভরির রূপার সাপ চুরি হয়ে গেছে।

​পরবর্তীকালে আশপাশে খোঁজাখুঁজি করে মন্দিরের পাশের একটি পরিত্যক্ত ভবন থেকে কষ্টিপাথরের কালীমূর্তির পায়ের পাতার অংশ এবং মহাদেবের অংশটি ভাঙা অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর কোনো সন্ধান মেলেনি। মন্দির কর্তৃপক্ষের ধারণা, শনিবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে রোববার ভোর সাড়ে ৫টার মধ্যে যেকোনো সময় এ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

​খবর পেয়ে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেন এবং কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

​এ বিষয়ে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “মন্দিরে চুরির খবর পেয়েই পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি হওয়া মূর্তি ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশ ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে। আশা করছি দ্রুতই অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘর অগোছালো হয় যে অভ্যাসে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
ঘর অগোছালো হয় যে অভ্যাসে?

পরিপাটি একটি ঘরে ঢুকলেই মনটা যেন একটু শান্ত হয়ে আসে। ঘর খুব দামি আসবাবে সাজানো না হলেও পরিচ্ছন্নতা ও গোছানো পরিবেশ তার সৌন্দর্য অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

বিপরীতে, চারপাশে কাপড়ের স্তূপ, এলোমেলো বই, ব্যবহৃত কাপ-প্লেট কিংবা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা ছোটখাটো জিনিস ঘরের সৌন্দর্য নষ্ট করার পাশাপাশি অস্বস্তিও তৈরি করতে পারে।

অনেকেই ভাবেন, ঘর পরিষ্কার রাখতে হলে প্রতিদিন অনেকটা সময় দিতে হবে।

আসলে নিয়মিত বড়সড় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার চেয়ে কিছু ছোট অভ্যাস পরিবর্তন করাই বেশি কার্যকর। প্রতিদিনের ব্যবহারে কয়েকটি বিষয়ে সচেতন হলেই ঘর অনেকটা গোছানো রাখা সম্ভব।

চেয়ারকে কাপড় রাখার জায়গা বানাবেন না

বাইরে থেকে এসে পোশাক খুলে চেয়ারে রেখে দেওয়ার অভ্যাস অনেকেরই। একটি-দুটি পোশাক থেকে ধীরে ধীরে সেটিই কাপড়ের স্তূপে পরিণত হয়।

ফলে গোছানো ঘরও মুহূর্তে এলোমেলো দেখাতে শুরু করে।

ব্যবহৃত পোশাক খুলে সঙ্গে সঙ্গে ঠিক করুন সেটি ধোয়ার জন্য যাবে, নাকি আবার পরা যাবে। ধোয়ার কাপড় নির্দিষ্ট ঝুড়ি বা স্থানে রাখুন। আর পরিষ্কার পোশাক ভাঁজ করে আলমারি বা নির্দিষ্ট জায়গায় তুলে রাখুন।

পোশাকের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা রাখুন

আলমারিতে জায়গার সংকট থাকলে ঘরের একটি সুবিধাজনক অংশে ছোট র‌্যাক, হুক বা হ্যাঙ্গার ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে প্রতিদিনের ব্যবহারের পোশাক আলাদা করে রাখা সহজ হয়।

যে জিনিসের নির্দিষ্ট জায়গা থাকে, সেটি ব্যবহারের পর আবার সেখানে ফেরত রাখার অভ্যাসও তৈরি হয়। এতে ঘরে অপ্রয়োজনীয়ভাবে কাপড় ছড়িয়ে থাকার প্রবণতা কমে।

ঘুম থেকে উঠে বিছানা গুছিয়ে নিন

সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানা যেমন আছে তেমনই রেখে দেওয়া পুরো ঘরের চেহারাটাই বদলে দিতে পারে। বিছানা অগোছালো থাকলে পরিষ্কার ঘরও এলোমেলো মনে হয়। তাই দিনের শুরুতেই চাদর ঠিক করে বালিশগুলো গুছিয়ে রাখুন। এতে খুব বেশি সময় লাগে না, অথচ ঘরের সামগ্রিক পরিবেশ অনেক বেশি পরিপাটি দেখায়। দিনের শুরুতে একটি ছোট কাজ শেষ করার মানসিক স্বস্তিও পাওয়া যায়।

ছোট জিনিসের জন্য নির্দিষ্ট একটি জায়গা বানান

চাবি, রিমোট, কলম, চার্জার, প্রসাধনী কিংবা নানা ধরনের ছোটখাটো জিনিস কোথাও রেখে দেওয়ার অভ্যাস থেকেই ঘরে সবচেয়ে বেশি বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়।

এসব জিনিসের জন্য একটি ছোট বাক্স, ঝুড়ি, ড্রয়ার কিংবা ঢাকনাযুক্ত ট্রে ব্যবহার করতে পারেন। ব্যবহারের পর জিনিসটি নির্দিষ্ট জায়গায় ফিরিয়ে রাখলেই টেবিল ও ঘরের অন্যান্য অংশ অনেক বেশি পরিষ্কার থাকবে।

ব্যবহারের পর জিনিস যেখানে থাকার কথা, সেখানে রাখুন

চা বা কফি খাওয়ার পর কাপ টেবিলেই পড়ে থাকা, খালি পানির বোতল ঘরে জমিয়ে রাখা কিংবা খাবারের প্লেট-বাটি ব্যবহারের পর সরিয়ে না নেওয়া, এসব ছোট অভ্যাসই ঘর দ্রুত অগোছালো করে ফেলে।

একটি সহজ নিয়ম মেনে চলতে পারেন, যে জিনিস যেখানে থাকার কথা, কাজ শেষ হওয়ার পর সেটি সেখানেই ফিরিয়ে রাখুন। কাপ রান্নাঘরে, নোংরা বাসন নির্দিষ্ট স্থানে এবং খালি বোতল বা আবর্জনা যথাস্থানে রাখার অভ্যাস করুন।

পরিষ্কার ঘরের রহস্য বড় কাজে নয়, ছোট অভ্যাসে

ঘর সব সময় ঝকঝকে রাখতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিষ্কার করার প্রয়োজন নেই। বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট কাজ সময়মতো করে ফেলাই সবচেয়ে সহজ উপায়। কাপড় জমতে না দেওয়া, সকালে বিছানা গুছিয়ে নেওয়া, ছোট জিনিস এক জায়গায় রাখা এবং ব্যবহারের পর জিনিস যথাস্থানে ফিরিয়ে দেওয়ার অভ্যাস তৈরি করতে পারলেই ঘর অনেক বেশি পরিপাটি থাকবে।

মনে রাখুন, অগোছালো ঘর একদিনে তৈরি হয় না, দপ্রতিদিনের ছোট ছোট অবহেলাতেই তার শুরু। একইভাবে, গোছানো ঘরও তৈরি হয় প্রতিদিনের ছোট ছোট যত্নে।

ফরিদপুরে জেলা গাইড ক্যাম্পের ‘মহা তাঁবু জলসা’

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে জেলা গাইড ক্যাম্পের ‘মহা তাঁবু জলসা’

‘যোগ্য গাইড, যোগ্য নেতৃত্ব’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরে জেলা গাইড ক্যাম্প-২০২৬-এর বর্ণাঢ্য ‘মহা তাঁবু জলসা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস অ্যাসোসিয়েশন, ফরিদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​অনুষ্ঠানে ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আফজাল হোসেন খান পলাশ, তাঁর সহধর্মিনী ফারজানা খান, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিষ্ণু পদ ঘোষাল, বাংলাদেশ গার্ল গাইড অ্যাসোসিয়েশনের জেলা কমিশনার রেহেনা জাহান রানি, উপজেলা কমিশনার মোসাম্মৎ শামসুন্নাহার এবং জেলা সাধারণ সম্পাদক ফিরোজা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

​এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁবু জলসা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

​উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা গাইডিং কার্যক্রমের সম্প্রসারণ, শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশ, অনুশাসন ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। আলোচনা পর্ব শেষে অংশগ্রহণকারী গার্ল গাইডদের অংশগ্রহণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়। পরবর্তীতে অতিথিবৃন্দ পুরো গাইড ক্যাম্প ঘুরে দেখেন।

​হালিমা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা রেহেনা প্রিয়ার সঞ্চালনায় আয়োজিত এ ক্যাম্পে ফরিদপুর সদরসহ জেলার ৯টি উপজেলার ২৭টি বিদ্যালয়ের মোট ১৭৫ জন গার্ল গাইড সদস্য অংশ নেয়।