খুঁজুন
, ,

মাথার বালিশে হলুদ দাগ কেন হয়, এটা কি কোনও রোগের সংকেত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ পূর্বাহ্ণ
মাথার বালিশে হলুদ দাগ কেন হয়, এটা কি কোনও রোগের সংকেত?

ঘুম থেকে উঠে বালিশে চোখ পড়তেই যদি হলুদ দাগ নজরে আসে, তখন অনেকেই অস্বস্তিতে পড়েন। কেউ ভাবেন, এটা হয়তো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, আবার কেউ ভয় পান; এটা কি শরীরের কোনো সমস্যার ইঙ্গিত?

বাস্তবতা হলো, বালিশে হলুদ দাগ খুবই সাধারণ একটি বিষয়। তবে এটিকে একেবারে অবহেলা করাও ঠিক নয়। কারণ, এই দাগ আপনার স্বাস্থ্য ও ঘুমের অভ্যাস সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারে।

কেন হয় বালিশে হলুদ দাগ?

বালিশে হলুদ দাগ মূলত সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জমে থাকা বিভিন্ন উপাদানের কারণে তৈরি হয়। বালিশের কাভার কিছুটা সুরক্ষা দিলেও, ভেতরের বালিশ এসব শোষণ করে নেয়। ফলে ধীরে ধীরে দাগ স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

শুধু দাগই নয়, এই জমে থাকা উপাদানগুলো বালিশে আর্দ্র ও উষ্ণ পরিবেশ তৈরি করে, যেখানে সহজেই ব্যাকটেরিয়া ও ডাস্ট মাইটস জন্মাতে পারে।

এটা কি কোনো রোগের সংকেত?

সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট রোগের লক্ষণ না হলেও, হলুদ দাগ একটি ‘হাইজিন ও স্বাস্থ্য সতর্ক সংকেত’ বলা যেতে পারে।

কারণ আর্দ্র পরিবেশে জীবাণু দ্রুত বাড়ে। পাশাপাশি ডাস্ট মাইটস অ্যালার্জি বাড়াতে পারে, শ্বাসকষ্ট বা অ্যাজমার সমস্যা বাড়তে পারে এবং ত্বকে ব্রণ বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যবহৃত বালিশে বিভিন্ন ধরনের ফাঙ্গাসও থাকতে পারে, যা শ্বাসতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

ঘুমের সময় কী কী কারণে দাগ হয়?

রাতে ঘুমানোর সময় কয়েকটি বিষয় একসঙ্গে কাজ করে—

১. ঘাম: শরীরের ঘাম বালিশে জমে

২. বডি অয়েল: ত্বকের তেল ঘামের সঙ্গে মিশে দাগ তৈরি করে

৩. মৃত ত্বক: প্রতিদিন ঝরে পড়া কোষ বালিশে জমে

৪. চুল ও ত্বকের পণ্য: ব্যবহৃত কেমিক্যাল বালিশে লেগে থাকে

৫. লালা: অনেকের অজান্তেই ঘুমের সময় বের হয়

৬. আর্দ্রতা: সবকিছু মিলে ভেজা পরিবেশ তৈরি করে

কীভাবে দাগ প্রতিরোধ করবেন?

কিছু সহজ অভ্যাসেই বালিশ পরিষ্কার রাখা সম্ভব—

১. বালিশে প্রটেক্টর বা ওয়াটারপ্রুফ কভার ব্যবহার করুন

২. সপ্তাহে অন্তত একবার বালিশের কভার ধুয়ে ফেলুন

৩. প্রতিদিন বালিশ রোদে বা বাতাসে রাখুন

৪. নিয়মিত ঝেড়ে নিন

এই অভ্যাসগুলো শুধু দাগ কমায় না, বরং ঘুমের মানও উন্নত করে।

দাগ পড়ে গেলে কী করবেন?

বালিশে দাগ পড়ে গেলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। কেয়ার লেবেল দেখে বালিশ ধুয়ে ফেলুন। তবে, হালকা দাগে সাধারণ ওয়াশই যথেষ্ট।

আর বেশি দাগ হলে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (১:৫ অনুপাতে পানি মিশিয়ে) অথবা ভিনেগার (১:৩ অনুপাতে পানি মিশিয়ে) ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া রোদে শুকালে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুও কমে।

শেষ কথা

বালিশে হলুদ দাগ দেখলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই, তবে অবহেলা করাও ঠিক নয়। এটি আপনার শরীর, ঘুমের অভ্যাস ও পরিচ্ছন্নতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, সঠিক ব্যবহার ও সময়মতো পরিবর্তন; এই তিনটি অভ্যাসই আপনাকে দেবে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও আরামদায়ক ঘুম।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

 

ফরিদপুরে আকিকার অনুষ্ঠানের মিষ্টি খেয়ে অসুস্থ ৮ শিশু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১:৩৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে আকিকার অনুষ্ঠানের মিষ্টি খেয়ে অসুস্থ ৮ শিশু

ফরিদপুর সদর উপজেলার বাখুন্ডায় এক স্বজনের বাড়ির আকিকা অনুষ্ঠান থেকে কেনা মিষ্টি খেয়ে আট শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় দায় অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট মিষ্টি দোকানের মালিক।

​মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে বাখুন্ডা পূর্বপাড়ায় আকরাম খান ও মাসুদের বাড়িতে মিষ্টি খাওয়ার পরপরই শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে। চিকিৎসাধীন শিশুরা হলো— তাসফিয়া, তাওহিদ, সুমাইয়া, সামিয়া, সানভীর, শাহাদ, মাহাদি ও সাইম। তাদের সবার বয়স ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে।

​পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আকিকার অনুষ্ঠানে অংশ নিতে আসা স্বজন হারুন সরদার দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় খলিল মন্ডলের হাটের ‘মোল্লা হোটেল অ্যান্ড মিষ্ঠান্ন ভাণ্ডার’ থেকে মিষ্টি কেনেন। খাওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে শিশুরা একের পর এক বমি করতে শুরু করে। প্রথমে ওরস্যালাইন দিয়ে চেষ্টা করা হলেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় সন্ধ্যা সাড় ৭টার দিকে তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগে ভর্তি করা হয়।

​দায় অস্বীকার করে মোল্লা হোটেল অ্যান্ড মিষ্ঠান্ন ভাণ্ডারের মালিক জিয়ারত মোল্লা বলেন, “আমার দোকান থেকে নিয়মিত বহু মানুষ মিষ্টি নিচ্ছেন, কেউ অসুস্থ হয়নি। আপনারা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। মিষ্টি কেনার পর অন্য কোনো কারণে বা ভেজালের কারণে এমনটা হতে পারে।”

​হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান, শিশু দুটিকে জরুরি সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

​ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করে চরমাধবদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তুহিনুর রহমান মন্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ওই দোকানের মিষ্টি খেয়েই শিশুরা অসুস্থ হয়েছে। বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ: কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

সালথা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
সালথায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ: কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার

জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনায় ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন কৃষকলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

​বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা মোন্তারমোড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

​গ্রেপ্তার হওয়া মো. আমিন খন্দকার (৪৫) সোনাপুর ইউনিয়নের চান্দাখোলা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক।

​পুলিশ জানায়, সোনাপুর ইউনিয়নের বড় বাংরাইল গ্রামের মনির বিশ্বাসের সঙ্গে মিশরু মিয়ার জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বিকেলে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলে এই ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া।

​সংঘর্ষের সময় অন্তত ১০টি বসতবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিদের দেওয়া হয়েছে প্রাথমিক চিকিৎসা।

​সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান জানান, মঙ্গলবার বিকেলের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় দায়ের করা মামলার আসামি ছিলেন আমিন খন্দকার। এছাড়া তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বুধবার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহারে কি ব্রেন টিউমার হয়? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৭ পূর্বাহ্ণ
দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহারে কি ব্রেন টিউমার হয়? যা বলছেন বিশেষজ্ঞ

ভূমিকা বর্তমান যুগে আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্মার্টফোন। সকালে ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমাতে যাওয়া পর্যন্ত হাতছাড়া হয় না এই প্রযুক্তি। কিন্তু এই অফুরন্ত ফোন ব্যবহারের সাথে সাথেই আমাদের মনের কোণে উঁকি দেয় একটি বড় সংশয়; দীর্ঘক্ষণ ফোন ব্যবহার করলে কি ব্রেন টিউমার হতে পারে? কিংবা বাড়ির পাশে থাকা মোবাইল টাওয়ার কি আমাদের ক্যান্সারের ঝুঁকিতে ফেলছে?

দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই বিতর্ক ও সাধারণ মানুষের মনের ভয় দূর করতে সম্প্রতি ‘হিন্দুস্তান টাইমস’-এর লাইফস্টাইল বিভাগে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন ভারতের ফরিদাবাদের মারেঙ্গো এশিয়া হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ডিরেক্টর এবং মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের প্রধান ড. সানি জৈন।

তার মতে, মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন বা মোবাইল টাওয়ারের কাছাকাছি থাকার কারণে ব্রেন টিউমার বা ক্যান্সারের আশঙ্কাটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত ভুল ধারণা বা ‘মিথ’।

তিনি বলেন, মোবাইল টাওয়ার বা সেলফোনের দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ব্রেন টিউমার হতে পারে—এমন দাবির সপক্ষে আজ পর্যন্ত কোনো বিজ্ঞানসম্মত তত্ত্ব বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। চিকিৎসা পরিভাষায় একে তিনি ‘করিডোর নলেজ’ বা লোকমুখে ছড়িয়ে পড়া ভিত্তিহীন তথ্য হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

বিশেষজ্ঞ এই চিকিৎসকের দাবি, সমাজের এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়া এই মনগড়া তথ্যগুলোই কালক্রমে মানুষের মনে অবৈজ্ঞানিক ভয়ের জন্ম দেয়, যার সাথে বাস্তব বিজ্ঞানের কোনো সম্পর্ক নেই।

রেডিয়েশনের প্রকারভেদ: আয়নাইজিং বনাম নন-আয়নাইজিং

ড. জৈনের মতে, রেডিয়েশনের সব ধরন এক নয় এবং আমাদের ভয়ের মূল কারণ হলো সব ধরনের রেডিয়েশনকে এক পাল্লায় মাপা। ক্ষতিকারক প্রভাবের ওপর ভিত্তি করে রেডিয়েশনকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:

১. আয়নাইজিং রেডিয়েশন: এই ধরনের রেডিয়েশনের শক্তি অত্যন্ত বেশি থাকে। এটি মানবদেহের কোষ ভেদ করে প্রবেশ করতে পারে এবং সরাসরি ডিএনএ বা জিনগত কাঠামো ভেঙে ফেলতে সক্ষম। এই ডিএনএ মিউটেশন বা বিকৃতির ফলেই পরবর্তীতে ক্যান্সার বা টিউমার সৃষ্টি হয়।

২. নন-আয়নাইজিং রেডিয়েশন: মোবাইল ফোন এবং মোবাইল টাওয়ার থেকে যে রেডিয়েশন নির্গত হয়, তা মূলত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি (Radiofrequency energy) তরঙ্গ, যা সম্পূর্ণভাবে নন-আয়নাইজিং রেডিয়েশনের অন্তর্ভুক্ত।

মোবাইল রেডিয়েশন কি ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে?

ড. সানি জৈন স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যে, মোবাইল ফোন বা টাওয়ার থেকে নির্গত রেডিওফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গের শক্তি অত্যন্ত দুর্বল। মানবদেহের কোষে প্রবেশ করে ডিএনএ ভেঙে ফেলার মতো কোনো শক্তি বা ক্ষমতা নন-আয়নাইজিং রেডিয়েশনের নেই। সুতরাং, এই দুর্বল রেডিও তরঙ্গ আমাদের শরীরের ডিএনএ বা জিনের কোনো ক্ষতি করতে পারে না, যার ফলে ক্যান্সার বা ব্রেন টিউমার হওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না।

বৈশ্বিক গবেষণা ও ডব্লিউএইচও-র মতামত

মোবাইল রেডিয়েশনের সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বিশ্বজুড়ে বছরের পর বছর ধরে ব্যাপক গবেষণা চালানো হয়েছে। ড. জৈন উল্লেখ করেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক গবেষণা এবং দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণমূলক ট্র্যাকিং, যেমন—‘কসমস’ স্টাডি, নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মোবাইল ফোন ব্যবহার কিংবা মোবাইল টাওয়ারের কাছাকাছি বসবাসের সাথে ব্রেন টিউমারের সরাসরি কোনো সম্পর্ক বা কারণ খুঁজে পায়নি। বিজ্ঞানের বর্তমান প্রমাণ অনুযায়ী, সব রেডিয়েশনের কার্যকারিতা ও শক্তির মাত্রা ভিন্ন হওয়ায় মোবাইল ফোন নিয়ে অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস