খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ফরিদপুরে কৃষকের পাটখেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে কৃষকের পাটখেতে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ

ফরিদপুর সদর উপজেলার গেরদা ইউনিয়নের পশড়া গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা পাটখেতে পচননাশক ঔষধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবুল হোসেন ওরফে বাক্কু মিয়া কোতয়ালী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বুধবার (০৩ জুন) দুপুরে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় দায়ের করা অভিযোগে আবুল হোসেন (৬৬) জানান, পশড়া মৌজার একটি পৈত্রিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশী সহিদ বেপারী, জাহিদ বেপারী ও আক্কাস বেপারীর সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে। জমি নিয়ে বিভিন্ন সময় মনোমালিন্য ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, বিবাদীরা প্রায়ই তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে এবং বিভিন্নভাবে জমি দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে একাধিকবার মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলেও কোনো সমাধান হয়নি।
লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১ জুন সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে অভিযুক্তরা তার মালিকানাধীন জমিতে থাকা পাটখেতে পচননাশক ঔষধ প্রয়োগ করে ফসল নষ্ট করে দেয়। এতে প্রায় ২৫ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভুক্তভোগী আরও জানান, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ডে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি কিংবা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় লোকজন অবগত রয়েছেন এবং প্রয়োজন হলে সাক্ষ্য দিতে পারবেন।

অভিযোগে উল্লিখিত তফসিল অনুযায়ী, বিরোধপূর্ণ জমিটি কোতয়ালী থানাধীন ৯৯ নম্বর কৈজুরী মৌজার এসএ দাগ নং-২৬৮২ এবং বিএস দাগ নং-৩৭০৪ এর অন্তর্ভুক্ত ১৯ শতাংশ জমি।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

পুষ্টি থাকলেও যে কারণে মাশরুম খেলে মৃত্যু হতে পারে?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৪১ পূর্বাহ্ণ
পুষ্টি থাকলেও যে কারণে মাশরুম খেলে মৃত্যু হতে পারে?

বিশ্বের অনেক দেশেই মাশরুম একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ খাবার। মাশরুম রক্তচাপ কমাতে, টিউমার কোষের বিরুদ্ধে, বহুমূত্র রোগীদের জন্য, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে, বাত-ব্যথার মতো রোগের বিরুদ্ধে উপকারী বলে বিজ্ঞানীরা দেখতে পেয়েছেন।

তবে প্রকৃতিতে মাশরুমের হাজার রকমের জাত রয়েছে এবং এগুলোর অনেকগুলো মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেমন শুধু উত্তর আমেরিকায়ই মাশরুমের ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির রয়েছে। খাবার হিসেবে গ্রহণ করলে এগুলোর ২০ শতাংশই মানুষকে অসুস্থ করে দিতে পারে, আর শতকরা এক ভাগ তাৎক্ষণিকভাবে মানুষ মেরেও ফেলতে পারে।

মাশরুমের নানা জাতের মধ্যে বাংলাদেশে ৮-১০টি জাতের চাষ হয়ে থাকে।

কিন্তু বাংলাদেশেই পাওয়া যায় মাশরুমের এমন অনেক জাত, বিশেষ করে বুনো মাশরুম, অনেক সময় শরীরের জন্য বিষাক্ত ও ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম বলেছেন, পরিচিত জাতের বাইরে অন্য মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম কখনোই খাওয়া উচিত নয়। কারণ মাশরুম শরীরের জন্য উপকারী হলেও সব মাশরুম উপকারী নয়। বরং অনেক মাশরুম মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বিশেষ করে ব্যাঙের ছাতা বলে পরিচিত বুনো মাশরুমে এক ধরনের ছত্রাক থাকে, যা লিভার-কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

তথ্যসূত্র : বিবিসি বাংলা

ঘরোয়া কৌশলে যেভাবে কমানো যাবে বিদ্যুৎ বিল?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
ঘরোয়া কৌশলে যেভাবে কমানো যাবে বিদ্যুৎ বিল?

ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এখন শুধু ব্যক্তিগত প্রয়োজন নয়, বরং জাতীয় দায়িত্বও। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দৈনন্দিন জীবনে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তুললেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব।

এতে যেমন কমবে মাসিক বিলের চাপ, তেমনি জাতীয় গ্রিডের ওপরও চাপ কমবে। তাই বিদ্যুতের কার্যকর ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সবার জানা উচিত যে বিষয়গুলো

দেশে গ্রীষ্মকাল এলেই বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতে বাড়তি ব্যবহার সামাল দিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাকেও বাড়তি চাপ মোকাবিলা করতে হয়।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতন ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের একটি বড় অংশ সাশ্রয় করা সম্ভব।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. এম. তামিম বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার বন্ধ করা। অনেক সময় আমরা প্রয়োজন না থাকলেও বাতি, ফ্যান কিংবা বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালু রাখি। এই অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারলে উল্লেখযোগ্য সাশ্রয় সম্ভব।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো—

এলইডি বাতির ব্যবহার বাড়ানো

প্রচলিত বাল্বের তুলনায় এলইডি বাতি অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ করে এবং দীর্ঘদিন ব্যবহার করা যায়। তাই বাসা কিংবা অফিসে এলইডি প্রযুক্তির আলো ব্যবহার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অন্যতম কার্যকর উপায়।

প্রয়োজন না হলে যন্ত্র বন্ধ রাখা

মোবাইল চার্জার, টেলিভিশন, কম্পিউটার কিংবা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্র অনেক সময় ব্যবহার না হলেও বিদ্যুতের সংযোগে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব যন্ত্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের সঠিক ব্যবহার

গরমের সময় এসির ব্যবহার বাড়লেও তাপমাত্রা অযথা কমিয়ে রাখলে বিদ্যুৎ খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ২৪ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এসি চালালে আরাম ও সাশ্রয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান বলেন, এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দরজা-জানালা বন্ধ রাখা এবং নিয়মিত সার্ভিসিং করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে যন্ত্রের দক্ষতা বাড়ে এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে।

প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবহার

দিনের বেলায় যথাসম্ভব প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা এবং ঘরে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখা গেলে বৈদ্যুতিক আলো ও ফ্যানের ওপর নির্ভরতা কমে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি কেনা

নতুন ফ্রিজ, এসি বা অন্যান্য গৃহস্থালি যন্ত্রপাতি কেনার সময় বিদ্যুৎ দক্ষতা বিবেচনা করা উচিত। কম বিদ্যুৎ খরচ করে এমন প্রযুক্তি দীর্ঘমেয়াদে অর্থ সাশ্রয়ে সহায়ক হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু প্রযুক্তি নয়, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে ব্যবহারকারীর সচেতনতা। পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়েও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বিদ্যুৎ সাশ্রয় মানে শুধু নিজের বিল কমানো নয়; এটি জাতীয় সম্পদের সুরক্ষা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আজ থেকেই বিদ্যুতের অপচয় রোধে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে বাবার অপমানের প্রতিবাদ, ঢাবি শিক্ষার্থীর মাথা ফাটাল দুর্বৃত্তরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ৬:৫৫ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বাবার অপমানের প্রতিবাদ, ঢাবি শিক্ষার্থীর মাথা ফাটাল দুর্বৃত্তরা

ফরিদপুরের নগরকান্দায় বাবার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের প্রতিবাদ করায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর ওপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তার মাথা ফেটে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লাগে।

আহত মলয় কান্তি বিশ্বাস নিশান (২৬) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের প্রাচ্যকলা বিভাগের মাস্টার্স প্রথম পর্বের শিক্ষার্থী। তিনি নগরকান্দা পৌরসভার মধ্যজগদিয়া মহল্লার বাসিন্দা এবং সোনালী ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা নলিনী কান্তি বিশ্বাসের ছেলে।

বুধবার (০৩ জুন) সন্ধ্যায় নগরকান্দা পৌরসভার মধ্যজগদিয়া মহল্লায় মহেন্দ্র নারায়ণ একাডেমি (এম.এন. একাডেমি) সংলগ্ন সড়কে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে তাকে উদ্ধার করে নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি নিজ বাসায় চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ মে বিকেলে নলিনী কান্তি বিশ্বাসের এক প্রতিবেশীর তালগাছ থেকে দলবল নিয়ে তাল পাড়তে যান নগরকান্দা পৌরসভার জুঙ্গুরদী মহল্লার বাসিন্দা আরমান হোসেন (৩২)। এ সময় নলিনী বিশ্বাস তাদের তাল পাড়তে নিষেধ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় আরমান ও তার সহযোগীরা নলিনী বিশ্বাসকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

বিষয়টি জানতে পেরে মলয় কান্তি বিশ্বাস ঘটনাস্থলে গিয়ে তার বাবার সঙ্গে এমন আচরণের কারণ জানতে চান এবং এর প্রতিবাদ করেন। তখন আরমান হোসেন তাকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।

আহত মলয় কান্তি বিশ্বাস জানান, বুধবার সন্ধ্যায় তিনি দুই বন্ধুকে নিয়ে মোটরসাইকেলে বের হওয়ার সময় বাড়ির সামনের সড়কে একটি হাইয়েস মাইক্রোবাস দিয়ে তার পথরোধ করা হয়। এরপর আরমান হোসেন ও তার সহযোগীরা বাঁশ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান।

তিনি বলেন, “কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা আমাকে এলোপাতাড়ি মারতে শুরু করে। বাঁশের আঘাতে মাথা ফেটে যায়। হাত, পিঠ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পাই। আমার সঙ্গে থাকা বন্ধু বিকাশ পালকেও মারধর করা হয়েছে।”

স্থানীয়রা এগিয়ে এসে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। হামলার পর অভিযুক্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।

নগরকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. তাসমিমা আক্তার বলেন, “রোগীর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মাথায় গুরুতর আঘাত লেগে ক্ষত সৃষ্টি হওয়ায় সেখানে তিনটি সেলাই দিতে হয়েছে। তাকে অন্তত দুই দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে বাসা নিকটবর্তী হওয়ায় তিনি বাসায় গিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছেন।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত আরমান হোসেন বলেন, “আপনি আমার সামনে এসে বক্তব্য নিয়ে যান।” তবে হামলার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেননি।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম রসুল সামদানি আজাদ বলেন, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী থানায় এসে মৌখিক অভিযোগ করেছেন। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে ঘটনার ছবি ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”