খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ২০২৬, ২ আষাঢ়, ১৪৩৩

মাথার পেছনের অংশে ব্যথা হয় কেন, এটি কীসের ইঙ্গিত?

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ
মাথার পেছনের অংশে ব্যথা হয় কেন, এটি কীসের ইঙ্গিত?

মাথাব্যথা আমাদের জীবনের এক অতি সাধারণ সমস্যা। তবে ব্যথার স্থান এবং ধরন অনেক সময় গুরুতর কোনো সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। বিশেষ করে মাথার পেছনের অংশে ব্যথা হলে আমরা অনেকেই চিন্তিত হয়ে পড়ি। এই ব্যথা কেন হয় এবং এটি কীসের সংকেত হতে পারে, তা নিয়ে আজকের আলোচনা।

ব্যথার নেপথ্যে সাধারণ কিছু কারণ

মাথার পেছনের অংশে ব্যথার সবচেয়ে বড় কারণ হলো টেনশন হেডেক বা দুশ্চিন্তাজনিত মাথাব্যথা। প্রায় ৯০ শতাংশ প্রাথমিক মাথাব্যথাই এই ধরনের হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে মাথার পেছনের অংশে এক ধরনের চাপ বা আঁটসাঁট অনুভূতি হয়, যা অনেক সময় ঘাড় এবং চোখের দিকেও ছড়িয়ে পড়ে। মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা অবসাদ এর অন্যতম প্রধান কারণ।

এছাড়া মাইগ্রেনও মাথার পেছনের ব্যথার জন্য দায়ী হতে পারে। যদিও মাইগ্রেন সাধারণত মাথার একপাশে হয়, তবে অনেক সময় এটি পুরো মাথায় বা পেছনের অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ‘অক্সিপিটাল মাইগ্রেন’ এর ক্ষেত্রে মাথার খুলির নিচ থেকে শুরু করে তালু পর্যন্ত জ্বালাপোড়া বা বৈদ্যুতিক শকের মতো অনুভূতি হতে পারে।

জীবনযাত্রার প্রভাব ও সংকেত

আমাদের প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসও মাথার পেছনের ব্যথার কারণ হতে পারে:

বসার ভঙ্গি: দীর্ঘক্ষণ কুঁজো হয়ে বসে কাজ করলে কাঁধ এবং ঘাড়ের পেশিতে টান পড়ে। এর ফলে পেশিতে ছোট ছোট গিঁটের মতো সৃষ্টি হয় যা মস্তিষ্কে ব্যথার সংকেত পাঠায়।

পানিশূন্যতা: শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাব হলে মাথাব্যথা শুরু হতে পারে। গরম আবহাওয়ায় এটি আরও বেশি দেখা দেয়।

শারীরিক পরিশ্রম: অতিরিক্ত ব্যায়াম বা কঠোর পরিশ্রমের পর রক্তনালী প্রসারিত হওয়ার কারণে মাথায় স্পন্দন বা দপদপানির মতো ব্যথা হতে পারে।

গুরুতর কিছু ইঙ্গিত

মাথার পেছনের ব্যথা সব সময় সাধারণ নাও হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটি অক্সিপিটাল নিউরালজিয়া বা স্নায়ুর সমস্যার ইঙ্গিত দেয়, যেখানে হঠাৎ করে তীব্র ছুরিকাঘাতের মতো ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া ঘাড়ের হাড়ের সমস্যা বা স্পাইনাল আর্থ্রাইটিস থেকেও সার্ভিকোজেনিক মাথাব্যথা হতে পারে। বিরল ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের টিউমার বা রক্তচাপের অস্বাভাবিক পরিবর্তনও পেছনের ব্যথার কারণ হতে পারে।

ঘরোয়া প্রতিকার ও সমাধান

ব্যথা কমাতে কিছু সহজ উপায় মেনে চলা যেতে পারে:

তাপ বা ঠান্ডা থেরাপি: পেশির টান কমাতে গরম সেঁক এবং প্রদাহ কমাতে বরফ বা ঠান্ডা সেঁক বেশ কার্যকর।

লাইফস্টাইল পরিবর্তন: নিয়মিত পর্যাপ্ত ঘুম, প্রচুর পানি পান এবং সুষম খাবার গ্রহণ মাইগ্রেন ও টেনশন হেডেক কমাতে সাহায্য করে।

ম্যাসাজ: ঘাড় ও কাঁধের পেশি শিথিল করতে হালকা ম্যাসাজ বেশ ফলদায়ক হতে পারে।

ওষুধ: সাধারণ ব্যথায় আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসিটামিনোফেন জাতীয় ওটিসি ঔষধ সেবন করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে হওয়া ভালো।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

মাথাব্যথা যদি নিচের লক্ষণগুলোর সাথে দেখা দেয়, তবে কালক্ষেপণ না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে:

– যদি এটি আপনার জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হয়।

– মাথাব্যথার সাথে যদি উচ্চ জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা বিভ্রান্তি দেখা দেয়।

– শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা দৃষ্টিশক্তি ঘোলা হয়ে গেলে।

– মাথায় আঘাত পাওয়ার পর ব্যথা শুরু হলে।

মাথার পেছনের ব্যথা অবহেলা না করে এর কারণ বুঝে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে সুস্থ থাকা সম্ভব। সচেতনতাই হতে পারে আপনার সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি।

তথ্যসূত্র: ভেরিওয়েল হেলথ

ফরিদপুরে ময়লারস্তুপে কুকুরে টানছিল নবজাতকের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ময়লারস্তুপে কুকুরে টানছিল নবজাতকের লাশ

ফরিদপুরে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নবজাতকটির গর্ভকালীন বয়স আনুমানিক বয়স ৫ থেকে ৬ মাস হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

সোমবার (১৪ জুন) বিকালে জেলা সদরের কানাইপুর বাজারের কানাইপুর স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান ফটক সংলগ্ন ময়লার স্তুপ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ময়লার স্তুপে একদল কুকুর নবজাতকের রক্তমাখা মরদেহটি নিয়ে টানাটানি করছিল৷ এছাড়া মাঝে মাঝে কামড়িয়ে খাচ্ছিল। বিষয়টি দেখে স্থানীয় কয়েক ব্যক্তি এগিয়ে যায় এবং নিশ্চিত হয়ে ৯৯৯- এ কল দিয়ে পুলিশকে অবগত করেন। পরে কোতয়ালী থানা পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়৷

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কোতয়ালী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) খায়রুল বাশার বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবজাতকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। ধারণা করা যাচ্ছে, কেউ গর্ভপাত করে রাতের আঁধারে ফেলে রেখে গিয়েছে৷ ঘটনাটি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের মাধ্যমে দাফন করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ফরিদপুরে নারী ও তরুণদের মধ্যে জরায়ু ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা 

হাসানউজ্জামান, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৮:১৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে নারী ও তরুণদের মধ্যে জরায়ু ক্যানসার প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা 

ফরিদপুরে নারী ও তরুণদের মধ্যে সার্ভিকাল (জরায়ু) ক্যানসার প্রতিরোধ, HPV ভ্যাকসিন এবং নিয়মিত স্ক্রিনিং সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কমিউনিটি সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৪ ও ১৫ জুন দিনব্যাপী ফরিদপুর শহরের রবিদাসপল্লী এবং বিন্দুপাড়ায় এ কার্যক্রমের আয়োজন করে উন্নয়ন সংস্থা নন্দিতা সুরক্ষা। বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (BLAST)-এর সূচনা প্রকল্পের আওতায়
সভাগুলোতে সার্ভিকাল ক্যানসারের কারণ, লক্ষণ, ঝুঁকির কারণ, প্রতিরোধের উপায়, HPV ভ্যাকসিনের গুরুত্ব এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সচেতনতামূলক সভায় রবিদাস পল্লিতে রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেনারেল হাসপাতালের গাইনী বিভাগের সহকারী অধ্যাপক  ডা. সুলতানা বেগম। বিন্দুপাড়ার সভায় উপস্থিত ছিলেন- ফরিদপুরের ডা. জাহেদ মেমোরিয়াল শিশু হাসপাতালের গাইনী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. ফয়জুন্নাহার হেমা।

তারা দুটি এলাকার ৬০ জন নারীর মাঝে সার্ভিকাল ক্যানসারের ঝুঁকির কারণ, লক্ষণ, HPV সংক্রমণ, HPV ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

নন্দিতা সুরক্ষার নির্বাহী পরিচালক তাহিয়াতুল জান্নাত রেমি বলেন, বাংলাদেশে সার্ভিকাল ক্যানসার নারীদের মধ্যে অন্যতম সাধারণ ক্যানসার হলেও সময়মতো সচেতনতা, HPV টিকা গ্রহণ এবং নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এ রোগ অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে তথ্যের অভাব, সামাজিক সংকোচ এবং স্বাস্থ্যসেবায় সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এখনও অনেক নারী প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

তিনি জানান, নন্দিতা সুরক্ষা মোট পাঁচটি সেশনে  ১৫০ জন নারী ও তরুণ-তরুণীর অংশগ্রহণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। নারীর স্বাস্থ্য অধিকার, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার (SRHR) এবং স্বাস্থ্যসেবায় সমঅধিকার নিশ্চিত করতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে নন্দিতা সুরক্ষা।

আয়োজকদের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্ভিকাল ক্যানসার সম্পর্কে সঠিক ধারণা বৃদ্ধি পাবে, ভুল ধারণা ও সামাজিক সংকোচ কমবে এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে উঠবে।

 

ফরিদপুরে ২০ বছরের কাঁচা রাস্তায় ভোগান্তিতে ১০ গ্রামবাসী

মাহবুব হোসেন পিয়াল, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৭:৫১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ২০ বছরের কাঁচা রাস্তায় ভোগান্তিতে ১০ গ্রামবাসী

ফরিদপুরে প্রায় ২০ বছর আগে এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত কাঁচা রাস্তা নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে অন্তত ১০ টি গ্রামের বাসিন্দাদের।  তাঁদের অভিযোগ, রাজনৈতিক বৈষম্যের শিকার হয়ে গত ২০ বছর উন্নয়ন বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। তবে বর্তমান সরকার ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে রাস্তাটি পাকা করণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ভাঙাচোরা কাঁচা রাস্তাটি মেরামত করে পাকা করণের দাবিতে মানববন্ধনও করেছেন এলাকাবাসী। সোমবার (১৪ জুন) দুপুরে ফরিদপুর জেলা সদরের চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের কছিমউদ্দিন বেপারীর ডাঙ্গী গ্রামে বিধ্বস্ত সড়কের সামনে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করেন তারা। এতে আশপাশের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারাও অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী জানান, সড়কটি দিয়ে কছিমউদ্দিনের ডাঙ্গীর পাশাপাশি মিনাজউদ্দিন মোল্যার ডাঙ্গী, আনছার মাতুব্বরের ডাঙ্গী, মগরম মাতুব্বরের ডাঙ্গী, নিমাই শেখের পাড়া, দেলোনমল্লিকের ডাঙ্গী ও বাজু মোল্যার ডাঙ্গী সহ প্রায় ১০ টি গ্রামের মানুষের যাতায়াত রয়েছে। এছাড়াও সড়কটি দিয়ে চরমাধবদিয়া ময়েজউদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়ে শতাধিক শিক্ষার্থীর।

বর্তমানে সড়কটি বেহালদশায় পরিণত হয়ে তীব্র ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাঁদের৷ স্থানীয় বাসিন্দারা কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াত করতে না পারায় কখনও ভ্যানে ঠেলে; কখনও কাঠের তৈরি চৌকি কাঁধে ঝুলিয়ে এক থেকে দেড় কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে মূল সড়কে আসতে হয় তাঁদের। মাঠ থেকে ফসল বাড়িতে আনতেও কষ্ট হয় তাঁদের৷ কখনও কখনও ভ্যান উল্টে দুর্ঘটনার শিকারও হচ্ছেন। তবে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয় বর্ষা মৌসুমে। এ সময়ে সড়কটি পানিতে তলিয়ে যায়; আবার সামান্য বৃষ্টিতে কাঁদায় পরিণত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মমিনখার হাট-গোয়ালন্দ আঞ্চলিক সড়কের সংযোগ সড়ক এটি। আঞ্চলিক সড়কটির ইয়াছিন ব্রিজ থেকে দেলোন মল্লিকের ডাঙ্গী জামে মসজিদ পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার জুড়ে সড়কটির দৈর্ঘ্য। সড়কটির শুরুতে প্রায় ২’শ মিটার ব্যক্তিগত উদ্যোগে ইট বিছিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় এক সৌদিপ্রবাসী৷ সেটিও বৃষ্টিতে ভেঙে পড়েছে। এরপর থেকে কাঁচা রাস্তাটির অধিকাংশ অংশজুড়ে দুই পাশ ভেঙে রয়েছে। বর্তমানে যা যান চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তারমধ্যে দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে ছুটে চলছে ছোট যানবাহনগুলো।

স্থানীয় প্রবীণ বাসিন্দা জলিল শেখ বলেন- ‘রাস্তাডার এমন অবস্থা হইছে যে কওয়ার (বলার) মতো জায়গ্যাই নাই! এই জায়গাডা যে এম্বায় (এভাবে) নইলো (রইলো)- কেউ দেখলো না। কেউ কয় না যে- রাস্তাডা সাইরা (মেরামত) দেই। এহন এই রাস্তাডা জানি পাকা হইয়্যা যায়- সেজন্য এমপির কাছে আবেদন জানাই।

স্থানীয় ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন- ” দীর্ঘদিন সরকার আসছে-গেছে কিন্তু আমাদের রাস্তার কোনো উন্নয়ন করেনি। অনেকবার কাজও এসেছে কিন্তু অন্য জায়গায় নিয়ে গেছে। কারন, আমরা আওয়ামীলীগরে কখনও ভোট না দেওয়ায় কোনঠাসা করে রাখা হয়েছে।’

তবে সড়কটি দীর্ঘদিন যাবৎ নিজ অর্থায়নে মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করার ব্যবস্থা করে আসছেন স্থানীয় সৌদ প্রবাসী ও ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক শেখ। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কালভার্ট ও একটি নান্দনিক মসজিদও নির্মাণ করা হয়েছে। এই প্রবাসী বলেন- “গত ১৭ বছর আমাদের বলা হয়েছে- এই এলাকার মানুষ আওয়ামালীগকে ভোট দেয় না, কিছুই করা যাবে না। যার কারনে বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ রাস্তা মনে হয় এটিই।’

এ সময় তিনিসহ এলাকাবাসী ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফের কাছে সড়কটি অতিদ্রুত মেরামতসহ পাকাকরণের দাবি জানান। এছাড়া মানববন্ধনে ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দেন জাহিদ ব্যাপারী, মোতালেব শেখ, মো. বাদশা মন্ডলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।