খুঁজুন
, ,

শিশুর বারবার ঠান্ডা-কাশি কেন হয়? কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

ডা. মো. শাহিনুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫০ পূর্বাহ্ণ
শিশুর বারবার ঠান্ডা-কাশি কেন হয়? কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

“ডাক্তার সাহেব, আমার বাচ্চার ঠান্ডা-কাশি যেন ভালোই হতে চায় না! ওষুধ খেলে কিছুদিন ভালো থাকে, আবার শুরু হয়ে যায়। কেন এমন হচ্ছে?”

চেম্বারে অভিভাবকদের কাছ থেকে এই প্রশ্নটি প্রায়ই শুনা যায়। আসলে শিশুদের বারবার ঠান্ডা-কাশি হওয়ার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সব শিশুর কারণও এক নয়।

🔹 প্রধান কারণগুলো হলো—

১. বারবার ভাইরাস সংক্রমণ:

ছোট শিশুদের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা এখনও পুরোপুরি পরিপক্ব হয়নি। স্কুল, ডে-কেয়ার বা অন্য শিশুদের সংস্পর্শে এলে তারা বারবার বিভিন্ন ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তাই বছরে কয়েকবার ঠান্ডা-কাশি হওয়া অনেক শিশুর ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক।

২. অ্যালার্জির প্রবণতা:

যেসব শিশুর নিজের বা পরিবারের সদস্যদের অ্যালার্জি, অ্যাজমা বা একজিমার ইতিহাস আছে, তাদের বারবার নাক দিয়ে পানি পড়া, হাঁচি, নাক বন্ধ ও কাশি হতে পারে।

৩. অ্যাজমা বা বারবার Wheezing হওয়া:

শিশুর কাশির সঙ্গে যদি বুকে বাঁশির মতো শব্দ হয়, শ্বাসকষ্ট হয়, রাতে বা ভোরে কাশি বাড়ে অথবা দৌড়ালে-খেলাধুলা করলে কাশি বেড়ে যায়—তাহলে অ্যাজমা বা wheezing-এর প্রবণতা আছে কি না, তা মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

৪. নাকের অ্যালার্জি ও অ্যাডিনয়েড বড় হওয়া:

শিশুর নাক বন্ধ থাকা, মুখ হাঁ করে ঘুমানো, নাক ডাকা, বারবার সর্দি হওয়া এবং গলায় সর্দি পড়ার কারণে দীর্ঘদিন কাশি থাকতে পারে।

৫. পরিবেশগত কারণ:

ধুলাবালি, ধোঁয়া, সিগারেটের ধোঁয়া, বায়ুদূষণ, তীব্র সুগন্ধি বা অন্যান্য irritant শিশুর শ্বাসনালির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।

৬. অপুষ্টি ও অন্যান্য শারীরিক সমস্যা:

শিশুর সুষম পুষ্টির অভাব বা কিছু অন্তর্নিহিত অসুস্থতার কারণে সংক্রমণের প্রবণতা বাড়তে পারে। তবে বারবার ঠান্ডা-কাশি হলেই শিশুর “রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কম”—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক নয়।

৭. কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য রোগ:

দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ, যক্ষ্মা, জন্মগত হৃদ্‌রোগ, ফুসফুসের সমস্যা, খাবার বা অন্য কিছু শ্বাসনালিতে চলে যাওয়া এবং বিরল ক্ষেত্রে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার সমস্যার কারণেও বারবার বা দীর্ঘদিন কাশি হতে পারে।

কখন দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?

শিশুর শ্বাসকষ্ট হলে, বুক দেবে গেলে, ঠোঁট নীলচে হয়ে গেলে, দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে, কাশির সঙ্গে রক্ত গেলে, বারবার নিউমোনিয়া হলে, ওজন না বাড়লে বা শিশুকে বারবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হলে অবশ্যই বিস্তারিত মূল্যায়ন প্রয়োজন।

অভিভাবকদের প্রতি পরামর্শ:

শিশুর বারবার ঠান্ডা-কাশি হলেই ভয় পাবেন না, আবার অবহেলাও করবেন না।

শুধু প্রতিবার কাশির ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোই সমাধান নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—কেন শিশুর বারবার ঠান্ডা-কাশি হচ্ছে, সেই কারণটি খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও নিয়মিত ফলোআপ করা।

মনে রাখবেন, সঠিক কারণ নির্ণয়, উপযুক্ত চিকিৎসা এবং নিয়মিত ফলোআপের মাধ্যমে অধিকাংশ শিশুর বারবার ঠান্ডা-কাশির সমস্যা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

লেখক: শিশু বিশেষজ্ঞ, ফরিদপুর

‘ফুটপাতের সেই নারী, যাকে দেখেও কেউ দেখেনি’

হারুন-অর-রশীদ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬, ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
‘ফুটপাতের সেই নারী, যাকে দেখেও কেউ দেখেনি’

সন্ধ্যা পেরিয়ে ঘড়ির কাঁটা রাত আটটার দিকে এগোচ্ছে। ফরিদপুর শহরের জেলা কারাগারের সামনের ব্যস্ত সড়কটি তখনও জেগে আছে। একের পর এক ট্রাক, অটোরিকশা আর মোটরসাইকেল ছুটে যাচ্ছে নিজেদের গন্তব্যে। আকাশ থেকে টুপটাপ বৃষ্টি পড়ছে—এমন বৃষ্টি, যা ভেজায়ও, আবার অদ্ভুত এক বিষণ্নতাও ছড়িয়ে দেয়।

সেই ব্যস্ততার মাঝেই রাস্তার পাশের ফুটপাতে বসে আছেন এক উসকোখুসকো চুলের নারী। বয়স কত, তা বোঝার উপায় নেই। ময়লা কাপড়ে জড়ানো শরীর, ক্লান্ত চোখ, শুকিয়ে যাওয়া মুখ। তিনি ছিন্নমূল, নাকি মানসিক ভারসাম্যহীন—কেউ জানে না। হয়তো জানার প্রয়োজনও মনে করেনি কেউ।

মানুষগুলো পাশ কাটিয়ে চলে যাচ্ছে। কারও হাতে বাজারের ব্যাগ, কারও হাতে অফিসের ফাইল, কেউ আবার মোবাইলের পর্দায় ডুবে আছে। কিন্তু একবারের জন্যও কেউ থেমে জিজ্ঞেস করল না, “মা, আজ কিছু খেয়েছেন?”

নারীটি নিজের সঙ্গেই কথা বলছেন। কখনো হেসে উঠছেন, কখনো আবার অদৃশ্য কাউকে উদ্দেশ করে অভিমান করছেন। মনে হয়, তারও একদিন সংসার ছিল। হয়তো কোনো সন্তানের মুখে তিনি ভাত তুলে দিতেন, হয়তো কেউ তাকে “মা” বলে ডাকত। সময়ের নিষ্ঠুর স্রোতে সব হারিয়ে আজ তিনি শুধু শহরের এক কোণে পড়ে থাকা বিস্মৃত মানুষ।

সড়কের লাইটের মিটিমিটি আলো এসে পড়ছে তার গায়ে। সেই আলো যেন তাকে আলোকিত করছে না, বরং আমাদের অন্ধত্বকেই স্পষ্ট করে দিচ্ছে। রাত যত গভীর হবে, ফুটপাতটাই হবে তার বিছানা। আকাশ হবে তার ছাদ, আর বৃষ্টির শব্দ হবে রাতের সঙ্গীত।

আমরা প্রতিদিন অসংখ্য খবর পড়ি, অসংখ্য ঘটনা দেখি। কিন্তু এমন একটি মানুষের নীরব কান্না কোনো শিরোনাম হয় না। কারণ তিনি গুরুত্বপূর্ণ নন; তিনি ভোট নন, ক্ষমতা নন, আলোচনার বিষয়ও নন।

হয়তো আগামীকালও তিনি এখানেই বসে থাকবেন। আবারও হাজার মানুষ তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাবে। কেউ তাকাবে না, কেউ থামবে না। তবু পৃথিবী তখনও দাবি করবে—মানুষ নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে মানবিক প্রাণী।

হয়তো সত্যিকারের মানবতা শুরু হয় না বড় বড় দান দিয়ে; শুরু হয় একটি প্রশ্ন থেকে—”আপনি কি আজ কিছু খেয়েছেন?” কখনো কখনো একটি উষ্ণ দৃষ্টি, একটি শুকনো কাপড়, কিংবা এক প্লেট ভাতই একজন মানুষের কাছে পুরো পৃথিবী হয়ে উঠতে পারে।

লেখক : সংবাদকর্মী, ফরিদপুর।

ফরিদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

মো. ইকবাল হোসেন, আলফাডাঙ্গা:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় দিনদুপুরে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে প্রায় ৩ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (৮ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার শেখর ইউনিয়নের ছত্রকান্দা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত ব্যবসায়ী সৈয়দ সোহরাব আলী (৪৮) বর্তমানে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সহস্ররাইল বাজারের রড ও সিমেন্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ সোহরাব আলী বুধবার সকালে ব্যবসার প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্যে মোটরসাইকেলে করে আলফাডাঙ্গার দিকে রওনা হন। পথে ছত্রকান্দা এলাকার খালেক মাস্টারের বাড়ির সামনে পৌঁছালে মুখোশধারী তিন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে।

এ সময় দুর্বৃত্তরা তার কাছে থাকা টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। একপর্যায়ে টাকার ব্যাগ ছিনিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় সোহরাব আলীকে উদ্ধার করে আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে বোয়ালমারী থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আলামত সংগ্রহ করে।

আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. বাকির হোসেন জানান, আহত সোহরাব আলীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার বাঁ পায়ে গভীর ক্ষত হওয়ায় ছয়টি সেলাই দিতে হয়েছে। এছাড়াও শরীরের বিভিন্ন অংশে জখম রয়েছে। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং পুরোপুরি সুস্থ হতে কিছুটা সময় লাগবে।

বোয়ালমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”

স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
স্বাস্থ্যসেবার নামে অনিয়ম, ফরিদপুরে দুই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা

ফরিদপুর শহরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোতে চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। লাইসেন্স নবায়ন না করা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব, নিবন্ধিত চিকিৎসক ও দক্ষ জনবল না রাখা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট ব্যবহারসহ একাধিক অভিযোগে এ জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে ফরিদপুর শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো ও জান্নাতুল সুলতানা।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, চিকিৎসাসেবার মান, স্বাস্থ্যবিধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের উপস্থিতি যাচাই করা হয়। এ সময় শহরের পশ্চিম খাবাসপুর এলাকায় অবস্থিত নিউ লাইফ জেনারেল হাসপাতালে একাধিক গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়ে। প্রতিষ্ঠানটিতে লাইসেন্স নবায়ন না করা, অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) পর্যাপ্ত জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জামের অভাব, সার্বক্ষণিক নিবন্ধিত চিকিৎসক না থাকা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং চিকিৎসাসেবার প্রয়োজনীয় মানদণ্ড অনুসরণ না করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

একই অভিযানে আলিফ ডিজিটাল ল্যাব প্রাইভেট ক্লিনিকেও বিভিন্ন অনিয়মের সত্যতা পাওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানটিতে মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট সংরক্ষণ, নিবন্ধিত প্যাথলজিস্ট ও প্রয়োজনীয় টেকনিশিয়ানের অভাব এবং বিধি অনুযায়ী সেবা পরিচালনায় ব্যত্যয় ঘটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইনসানা তানজিন ইকো বলেন, “মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা, অনিয়ম বা প্রতারণা বরদাশত করা হবে না। রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে। লাইসেন্সবিহীন কিংবা নিয়ম না মেনে পরিচালিত হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।”

তিনি আরও জানান, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে পরিচালিত হতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযানকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মো. বজলুর রশিদ খান, স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সার্বিক সহযোগিতা করেন।