খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

গুগলের সতর্কবার্তা! যে ঝুঁকিতে ৪০% অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী?

প্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৬ পূর্বাহ্ণ
গুগলের সতর্কবার্তা! যে ঝুঁকিতে ৪০% অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারকারী?

বিশ্বজুড়ে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে গুগল। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, সারা বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন এখন মারাত্মক নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব ডিভাইসে এমন সফটওয়্যার সংস্করণ ব্যবহৃত হচ্ছে, যেগুলোর জন্য আর নিয়মিত নিরাপত্তা প্যাচ বা আপডেট সরবরাহ করা হয় না।

গুগলের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এমন অপারেটিং সিস্টেমে চলছে, যেগুলোর নিরাপত্তা সহায়তা ইতোমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে এসব ফোন সহজেই ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ও বিভিন্ন সাইবার হামলার ঝুঁকিতে পড়ছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছর থেকেই অ্যান্ড্রয়েড ১২ এবং তার আগের সব সংস্করণের জন্য নিরাপত্তা আপডেট আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, এখনো সক্রিয় অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের মাত্র ৫৮ শতাংশ ব্যবহারকারী অ্যান্ড্রয়েড ১৩ বা তার পরবর্তী সংস্করণে আপডেট করেছেন।

সবচেয়ে নতুন সংস্করণ অ্যান্ড্রয়েড ১৬ বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে মাত্র ৭.৫ শতাংশ ডিভাইসে। যদিও অ্যান্ড্রয়েড ১৪ ও ১৫ ব্যবহারকারীর সংখ্যা যথাক্রমে ১৭.৯ ও ১৯.৩। এখনো কোটি কোটি ব্যবহারকারী পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সংস্করণেই নির্ভর করছেন, যা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নিরাপত্তা সংকটের আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।

নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, পুরোনো ও আপডেটহীন অ্যান্ড্রয়েড ফোন এখন সাইবার অপরাধীদের জন্য সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অফিসিয়াল সিকিউরিটি প্যাচ না থাকায় ব্যবহারকারীর অজান্তেই হ্যাকাররা ফোনে আড়ি পাততে পারে। এতে ব্যাংকিং তথ্য, ব্যক্তিগত বার্তা এমনকি আর্থিক লেনদেনসংক্রান্ত তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

বিশেষভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে তথাকথিত ‘ব্যাকগ্রাউন্ড স্পাইওয়্যার’ নিয়ে। এসব ক্ষতিকর সফটওয়্যার নীরবে ফোনে সক্রিয় থেকে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত চ্যাট, ছবি, কল লগ ও অনলাইন লেনদেনের তথ্য নজরদারিতে রাখে।

এই পরিস্থিতিতে গুগলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট পরামর্শ দেওয়া হয়েছে—যেসব ফোনে অ্যান্ড্রয়েড ১৩ বা তার পরবর্তী সংস্করণ নেই, কিংবা যেসব ডিভাইস আর নিয়মিত নিরাপত্তা আপডেট পাচ্ছে না, সেগুলো দ্রুত নতুন ডিভাইসে আপগ্রেড করা উচিত। পাশাপাশি ফোনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অটোমেটিক সফটওয়্যার আপডেট চালু রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলার ঘটনা বাড়তে থাকায় পুরোনো ও আপডেটহীন অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার বড় ধরনের ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গুগলের এই সতর্কবার্তা নতুন করে সেই ঝুঁকির কথাই মনে করিয়ে দিল। সচেতন না হলে ক্ষতির আশঙ্কা আরও বাড়বে।

সূত্র : কালবেলা

ফরিদপুরে খাল পুনঃখনন দেখিয়ে বন বিভাগের দুই শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে খাল পুনঃখনন দেখিয়ে বন বিভাগের দুই শতাধিক গাছ কাটার অভিযোগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে সরকারি খাল পুনঃখনন প্রকল্পকে ঘিরে বন বিভাগের সামাজিক বনায়নের কয়েকশ গাছ কেটে ফেলার অভিযোগে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, খাল খননের প্রয়োজনের অতিরিক্ত গাছ কেটে প্রভাবশালীরা তা লোপাট করেছে। এ ঘটনায় রাজনৈতিক প্রভাব, বন বিভাগের তদারকির দুর্বলতা এবং সামাজিক বনায়ন কমিটির ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের তীর উঠেছে স্থানীয় রাজনৈতিক বিএনপি নেতাদের দিকেও। যদিও ওই নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উপজেলার গুনবহা ইউনিয়নের নদীয়ারচাঁদ এলাকার ‘মধুমতি নদী থেকে কামারগ্রাম সুইচগেট পর্যন্ত’ প্রায় দুই কিলোমিটার খালের পুনঃখনন কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় বোয়ালমারীতে তিনটি খাল পুনঃখননের কাজ হচ্ছে। এর মধ্যে এই খালটির কাজ ঘিরেই সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।

সোমবার (১৮ মে) এ ঘটনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শিব্বির আহমেদকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী শনিবার (২৩ মে) সরেজমিন তদন্ত কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তদন্তে কতগুলো গাছ কাটা হয়েছে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত গাছ কাটা হয়েছে কিনা এবং কারা জড়িত, এসব বিষয় খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ফরিদপুর বন বিভাগের উদ্যোগে গুনবহা ইউনিয়নের তালতলা থেকে ভেন্নাতলা বাজার পর্যন্ত সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১০ হাজার গাছ রোপণ করা হয়। দীর্ঘদিনে নদের খালের দুই পাড়জুড়ে গড়ে ওঠে সবুজ বেষ্টনী। ওইসব গাছের মধ্যে অধিকাংশই ছিল মেহগনি ও শিশু প্রজাতির।

অভিযোগ উঠেছে, খাল পুনঃখননের সময় খালের দক্ষিণ পাড় থেকে অন্তত দুই থেকে তিন শতাধিক গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বন বিভাগের অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটা হয়েছে এবং নিয়ম অনুযায়ী কাটা গাছ বন বিভাগের জিম্মায় জমা না দিয়ে সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে “খাল কাটার নামে বৃক্ষ নিধন” শিরোনামে ভিডিও ও পোস্ট ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে।

এরপর গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে সামাজিক বনায়ন কমিটির সভাপতি ও নদেরচাঁদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক হেমায়েতউদ্দিনের বাড়ি থেকে কেটে ফেলা প্রায় শতাধিক গাছের কান্ড ও গুড়ি জব্দ করা হয়। ঘটনার পর থেকেই হেমায়েতউদ্দিন পলাতক রয়েছেন বলে সূত্র জানায়।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ উঠেছে, গুনবহা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলামের সমর্থকরাই গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, খাল খনন প্রকল্পের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকলেও গাছ কাটার ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এদিকে বন বিভাগের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, গাছ না কেটেও খাল খনন করা যেত। তাতে খাল থেকে যে মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে, সেই মাটি ধরে রাখতে গাছ থাকলে আরো ভালো হয়।

উপজেলা বন কর্মকর্তা দীন মোহাম্মদ মোল্লা বলেন, খাল ও খালপাড়ের গাছ পরিবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিছু ক্ষেত্রে খননকাজের সুবিধার্থে গাছ অপসারণের প্রয়োজন হতে পারে, তবে নিয়মের বাইরে কোনো কর্মকান্ড গ্রহণযোগ্য নয়। বন বিভাগ থেকে কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের কথা প্রথমদিকে তো শুনতেই চান না তারা, পরে না হয় আপনারা লেখালেখি করার কারণে হইতো সম্ভব হয়েছে গাছ কাটা ঠেকানো।

বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম রাকিবুল ইসলাম বলেন, বোয়ালমারী পাট উৎপাদনের একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। খালে পানি না থাকায় কৃষকরা পাট জাগ দিতে সমস্যায় পড়ছেন। খাল খননের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ সম্ভব হলে কৃষকরা উপকৃত হবেন। তবে নিয়মের বাইরে কোনো গাছ কাটা হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি জমির গাছ কেউ ব্যক্তিগতভাবে নিতে পারবে না; নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

ফরিদপুর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়া কোনো গাছ কাটার সুযোগ নেই। তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, উদ্ধারকৃত গাছের গুড়ি গুলি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

সুস্বাস্থ্যের জন্য সকালে কত কিলোমিটার হাঁটা উচিত?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:২২ পূর্বাহ্ণ
সুস্বাস্থ্যের জন্য সকালে কত কিলোমিটার হাঁটা উচিত?

সকালের হাঁটা কেবল একটি সাধারণ রুটিন নয়, বরং এটি একটি স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার মূল ভিত্তি। ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে একটু দ্রুত হাঁটা আপনার শরীর ও মন উভয়কেই পুনরুজ্জীবিত করে এবং সারাদিনের জন্য একটি ইতিবাচক সুর তৈরি করে দেয়। তবে হাঁটার সুফলগুলো পুরোপুরি পেতে হলে আমাদের জানা প্রয়োজন ঠিক কতটুকু এবং কীভাবে হাঁটা উচিত।

কার জন্য কতটুকু হাঁটা প্রয়োজন?

শারীরিক সক্ষমতা ও লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে হাঁটার দূরত্বকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে :

শিক্ষানবিশ পর্যায়: আপনি যদি নতুন হাঁটা শুরু করেন বা অনেক দিন পর শরীরচর্চায় ফেরেন, তবে শুরুতে খুব বেশি চাপ নেবেন না। প্রতিদিন ২ থেকে ৩ কিলোমিটার হাঁটার লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। এটি ধীরে ধীরে আপনার স্ট্যামিনা বা সহ্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

মধ্যম পর্যায়: যারা মোটামুটি শারীরিকভাবে সক্রিয় এবং ফিটনেস বজায় রাখতে চান, তাদের জন্য প্রতিদিন ৩ থেকে ৫ কিলোমিটার হাঁটা আদর্শ। এটি হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।

উন্নত পর্যায়: যারা আগে থেকেই ফিট এবং সহনশীলতা বৃদ্ধি করতে চান, তারা প্রতিদিন ৫ থেকে ৮ কিলোমিটার হাঁটতে পারেন। এটি অধিক ক্যালোরি পোড়ানোর পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

হাঁটার আদর্শ সময় ও ধারাবাহিকতা

সকাল সাড়ে ৫টা থেকে ৭টা পর্যন্ত সময়টি হাঁটার জন্য সবচেয়ে উপযোগী, কারণ এই সময়ে বাতাস সতেজ থাকে, তাপমাত্রা সহনীয় থাকে এবং চারপাশে কোলাহল কম থাকে। তবে আপনি যদি সকালে সময় না পান, তবে দিনের যে কোনো সময় হাঁটতে পারেন; কারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।

সকালে হাঁটার উল্লেখযোগ্য উপকারিতা

নিয়মিত সকালে হাঁটার নানাবিধ গুণাগুণ রয়েছে:

হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা: এটি রক্তচাপ কমায় এবং হৃদরোগের ঝুঁকি হ্রাস করে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত হাঁটা শরীরের অতিরিক্ত ক্যালোরি পুড়িয়ে মেদ কমাতে সাহায্য করে।

মানসিক প্রশান্তি: হাঁটার সময় শরীরে এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও বিষণ্নতা কমায়।

হজম ও ভালো ঘুম: এটি হজম প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে এবং রাতে গভীর ঘুমে সাহায্য করে।

হাঁটার প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় টিপস

হাঁটার অভিজ্ঞতা আনন্দদায়ক ও নিরাপদ করতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরি।

সঠিক জুতো ও পোশাক: আরামদায়ক ও সঠিক মাপের হাঁটার জুতো ব্যবহার করুন এবং আবহাওয়া অনুযায়ী হালকা পোশাক পরুন।

ওয়ার্ম-আপ: হাঁটা শুরুর আগে কয়েক মিনিট শরীর স্ট্রেচিং বা হালকা ব্যায়াম করে পেশিগুলোকে প্রস্তুত করে নিন।

পানি পান: হাঁটার আগে এক গ্লাস জল পান করুন এবং সঙ্গে জলের বোতল রাখুন, বিশেষ করে গরমের দিনে শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তথ্যসূত্র: দ্য ওয়েলনেস কর্নার

ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি থাকবে যে ৫ দিন?

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২৬, ৭:১৪ পূর্বাহ্ণ
ঈদে সংবাদপত্রে ছুটি থাকবে যে ৫ দিন?

আসন্ন ঈদুল আজহায় এবার সংবাদপত্রে পাঁচ দিন ছুটি থাকবে। সোমবার (১৮ মে) সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এ তথ্য জানিয়েছে।

নোয়াবের সভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরীর সই করা ছুটির নোটিশে বলা হয়, নোয়াবের নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে, সংবাদপত্রে ২৬ থেকে ৩০ মে ঈদুল আজহার ছুটি উদ্‌যাপন করা হবে। সে হিসাবে ২৭ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সংবাদপত্র প্রকাশিত হবে না।

প্রসঙ্গত, পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্যও ছুটির ঘোষণা দিয়েছে সরকার। আগামী ২৫ মে নির্বাহী আদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করায় এবারের ঈদে টানা সাত দিনের ছুটি উপভোগ করবেন তারা। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে ছুটি সমন্বয় করতে আগামী ২৩ মে (শনিবার) ও ২৪ মে (রোববার) অফিস খোলা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাহী আদেশে ২৫ মে ছুটি যুক্ত হওয়ায় চাকরিজীবীদের মধ্যে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদের দীর্ঘ সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হওয়ায় অনেকেই আগেভাগে রাজধানী ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জরুরি পরিষেবাগুলো এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, হাসপাতাল, ডাক, টেলিফোন ও ইন্টারনেট সেবাসহ জনজীবনের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলো যথারীতি চালু থাকবে। এ ছাড়া চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহনও ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জান্নাতুল ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। দীর্ঘ এই ছুটিকে কেন্দ্র করে সড়ক, রেল ও নৌপথে ঈদযাত্রার প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।