খুঁজুন
, ,

২০৩৯ সালে যে বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে পারে মুসলিম বিশ্ব?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:০৭ পূর্বাহ্ণ
২০৩৯ সালে যে বিরল ঘটনার সাক্ষী হতে পারে মুসলিম বিশ্ব?

সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মুসলিম বিশ্ব ২০৩৯ সালে একটি বিরল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনার সাক্ষী হতে যাচ্ছে। সে বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের একটি বছরের মধ্যেই তিনটি ঈদ উদযাপিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সৌদি আরবের প্রখ্যাত জলবায়ু ও জ্যোতির্বিদ্যা বিশেষজ্ঞ ড. আবদুল্লাহ আল মিসনাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে গালফ নিউজ

তিনি বলেন, হিজরি চান্দ্র ক্যালেন্ডার প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে যায়। এ ব্যবধানের কারণেই ২০৩৯ সালে এমন ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে।

ড. আল মিসনাদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ২০৩৯ সালের শুরুতেই প্রথম ঈদুল আজহা পালিত হবে। ওই বছরের ৬ জানুয়ারি (১০ জিলহজ ১৪৬০ হিজরি) পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে।

এরপর প্রায় এক বছর পর আবারও হিজরি বর্ষ পূর্ণচক্র সম্পন্ন করবে। ফলে একই গ্রেগরিয়ান বছরের শেষ দিকে দ্বিতীয়বারের মতো হজ অনুষ্ঠিত হবে এবং ২৬ ডিসেম্বর (১০ জিলহজ ১৪৬১ হিজরি) পালিত হবে আরেকটি ঈদুল আজহা।

এর অর্থ, ২০৩৯ সালে একই বছরে দুইবার হজ এবং দুইবার ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হবে, যা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। একই সঙ্গে দুটি হজ মৌসুমের আগেই পৃথকভাবে আরাফার দিনও পালিত হবে, যেদিন হাজিরা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হন।

এই দুই ঈদুল আজহার মাঝামাঝি সময়ে আরেকটি ঈদও পড়বে। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২০৩৯ সালের ১৯ অক্টোবর ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। ফলে একটি বছরে দুটি ঈদুল আজহা ও একটি ঈদুল ফিতর, অর্থাৎ মোট তিনটি ঈদ পালনের বিরল সুযোগ আসবে।

এদিকে, চান্দ্র ক্যালেন্ডারের এই স্থানান্তরের প্রভাব শুধু হজ মৌসুমেই সীমাবদ্ধ নয়। পবিত্র রমজান মাসেও একই ধরনের ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালে একই গ্রেগরিয়ান বছরের মধ্যে মুসলমানরা দুইবার রমজান মাস পালন করবেন—একবার জানুয়ারিতে এবং আবার ডিসেম্বর মাসে। এর আগে সর্বশেষ এমন ঘটনা ঘটেছিল ১৯৯৭ সালে। অর্থাৎ ৩৩ বছর পর আবারও এক বছরে দুই রমজান পালিত হবে।

উল্লেখ্য, ইসলামি হিজরি বর্ষ চান্দ্র মাসের ওপর নির্ভরশীল এবং এর মেয়াদ ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিন। অন্যদিকে গ্রেগরিয়ান বর্ষ সৌরভিত্তিক, যার দৈর্ঘ্য ৩৬৫ বা ৩৬৬ দিন। এই ব্যবধানের কারণেই ইসলামি তারিখগুলো প্রতি বছর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে কিছুটা এগিয়ে আসে।

সূত্র : গালফ নিউজ

ফরিদপুরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ভেস্তে গেল গোল্ডকাপ ফাইনাল, খেলা ছাড়াই মিলল শিরোপা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে রাজনৈতিক টানাপোড়েনে ভেস্তে গেল গোল্ডকাপ ফাইনাল, খেলা ছাড়াই মিলল শিরোপা

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়ায়নি। দুই দলের লড়াই দেখার অপেক্ষায় থাকা হাজারো দর্শকের হতাশার মধ্যেই প্রধান অতিথি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হওয়া রাজনৈতিক বিরোধে এক দল মাঠে না আসায় টুর্নামেন্টের পরিসমাপ্তি ঘটে ওয়াকওভারের মাধ্যমে। পরে টুর্নামেন্টের প্রচলিত নিয়ম অনুসারে মাঠে উপস্থিত দলকে চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে ট্রফি তুলে দেয় উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২২ জুলাই) আলফাডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর জামাল খসরু বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা গেছে, গত সোমবার (২০ জুলাই) উপজেলা গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল পৌরসভা-১ নবাব শাহ ফুটবল একাদশ ও পৌরসভা-২ ফুটবল একাদশের। মাঠ, দর্শক, রেফারি ও আনুষ্ঠানিকতার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন থাকলেও নির্ধারিত সময়ে পৌরসভা-১ নবাব শাহ ফুটবল একাদশের কোনো খেলোয়াড় মাঠে উপস্থিত হননি।

এ অবস্থায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত নূর মৌসুমী বৈরী আবহাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে প্রথমে খেলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
খেলা স্থগিতের ঘোষণায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন পৌরসভা-২ ফুটবল একাদশের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সমর্থকরা। তারা উপজেলা পরিষদের সামনে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন এবং প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস আলী মোল্লার হস্তক্ষেপে উপজেলা প্রশাসন টুর্নামেন্টের নিয়ম অনুযায়ী মাঠে উপস্থিত দলকে ওয়াকওভারে বিজয়ী ঘোষণা করে। একই রাতে তাদের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, পুরো ঘটনার নেপথ্যে ছিল প্রধান অতিথি নির্বাচন নিয়ে মতবিরোধ। আয়োজকদের আমন্ত্রণপত্রে স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. ইলিয়াস আলী মোল্লার নাম প্রধান অতিথি হিসেবে উল্লেখ করা হলে বিএনপির একটি পক্ষ আপত্তি তোলে। তাদের দাবি ছিল, বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী খন্দকার নাসীরুল ইসলামকে প্রধান অতিথি করা হোক। এ বিরোধের জের ধরেই উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান আব্বাসের নির্দেশে পৌরসভা-১ নবাব শাহ ফুটবল একাদশ মাঠে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বলে স্থানীয় একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান আব্বাসের বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুর জামাল খসরু বলেন, “প্রধান অতিথি নির্ধারণ নিয়েই মূল সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনকে সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার নাসীরুল ইসলামকে প্রধান অতিথি করার অনুরোধ করেছিলাম। কিন্তু বর্তমান সংসদ সদস্যকে প্রধান অতিথি এবং খন্দকার নাসীরুল ইসলামকে বিশেষ অতিথি করা হয়। যেহেতু পৌরসভা-১ নবাব শাহ ফুটবল একাদশ আমাদের সভাপতির এলাকার দল, তাই তারা মাঠে যায়নি। প্রশাসন প্রথমে খেলা পরে আয়োজনের কথা বললেও পরে রাতে অপর দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে ট্রফি দিয়েছে। বিষয়টি আমরা সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনা করব।”

অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত নূর মৌসুমী বলেন, “একটি দল মাঠে উপস্থিত না হওয়ায় ওয়াকওভার হয়েছে। টুর্নামেন্টের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মাঠে উপস্থিত দলকে বিজয়ী ঘোষণা করে ট্রফি দেওয়া হয়েছে। ওয়াকওভারের পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রশাসনের কাছে কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।”

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীদের মতে, খেলাধুলা সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের প্রতীক হলেও প্রধান অতিথি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক বিরোধের কারণে একটি বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত না হওয়া অত্যন্ত হতাশাজনক। তাদের আশা, ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজন রাজনৈতিক বিতর্কমুক্ত রেখে ক্রীড়ার স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

ফরিদপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে প্রাণ গেল গৃহবধূর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে প্রাণ গেল গৃহবধূর

ফরিদপুর শহরে পারিবারিক কলহের জেরে অভিমান করে বিষপান করেছেন এক গৃহবধূ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর নাম লিলি বেগম (৫০)। তিনি ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাড়োকান্দি এলাকার বাসিন্দা এবং মো. ইউনুছ শেখের স্ত্রী।

পরিবারের পক্ষ থেকে কোতয়ালী থানায় দেওয়া লিখিত আবেদনে নিহতের ছেলে মো. জামিল শেখ (৩২) জানান, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পারিবারিক কলহের কারণে অভিমান করে তার মা পরিবারের অগোচরে নিজ ঘরে গিয়ে ঘাস মারা বিষ পান করেন। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজন ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লিলি বেগম মারা যান। পরে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
আবেদনে জামিল শেখ আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পরামর্শ করতে গিয়ে থানায় মৃত্যুর সংবাদ জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। পরে তিনি থানায় এসে অপমৃত্যুর বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে ছেলে জামিল শেখ তার মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। ঘটনাটি অপমৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ
হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

ভ্রমণে বের হলে হোটেলে থাকা অনেকটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু হোটেলকক্ষে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখা যে কতটা জরুরি, তা সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনার পর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন দেশে এমনকি আমাদের দেশেও হোটেল রুমে লুকানো গোপন ক্যামেরা বসিয়ে অতিথিদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ধারণের ঘটনা সামনে এসেছে। শুধু গোপনীয়তা নয়, এই ধরনের কার্যকলাপ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে ভ্রমণে নিশ্চিন্তে থাকার আগে সতর্ক থাকা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

অনেকে মনে করেন, এসব গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করতে আলাদা কোনো আধুনিক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাস্তবে স্মার্টফোনই হতে পারে কার্যকর হাতিয়ার। হাতে থাকা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট, ক্যামেরা বা বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করেই সহজে গোপন ক্যামেরা চিহ্নিত করা সম্ভব। এমনকি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও অনেক সময় লুকানো ক্যামেরার খোঁজ পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্রমণে বের হলে সামান্য কিছু সচেতনতা আপনাকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে।

আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করে গোপন ক্যামেরার লেন্স খুঁজে পাওয়া সম্ভব। লুকানো ক্যামেরার লেন্স থেকে আলো প্রতিফলিত হয়। এজন্য কক্ষের সব আলো বন্ধ করে ফ্ল্যাশলাইট চালু করতে হবে। এরপর এয়ার ভেন্ট, ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্র, ঘড়ি বা আয়নার মতো জায়গায় আলো ফেলতে হবে। আলোয় যদি ক্ষুদ্র প্রতিফলন বা লেন্সের মতো কিছু দেখা যায়, সেটি সন্দেহজনক হতে পারে।

ক্যামেরার মাধ্যমে ইনফ্রারেড আলো শনাক্ত

গোপন ক্যামেরা থেকে নির্গত অতি লাল বা ইনফ্রারেড আলো খালি চোখে দেখা যায় না। তবে স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে তা শনাক্ত করা যায়। এজন্য কক্ষের আলো নিভিয়ে ফোনের ক্যামেরা চালু করে সন্দেহজনক স্থানগুলো স্ক্যান করতে হবে। ক্যামেরার স্ক্রিনে ক্ষুদ্র আলোকবিন্দু বা ঝলক দেখা গেলে সেটি ইনফ্রারেড আলো হতে পারে, যা গোপন ক্যামেরার উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

ক্যামেরা শনাক্তকারী অ্যাপ ব্যবহার

বর্তমানে স্মার্টফোনের জন্য এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে, যা দিয়ে গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করা সম্ভব। এসব অ্যাপ ইনফ্রারেড আলো, চৌম্বকক্ষেত্র বা অস্বাভাবিক সংকেত শনাক্ত করতে পারে। নির্ভরযোগ্য একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে রুমের সন্দেহজনক স্থানে পরীক্ষা করলেই সম্ভাব্য লুকানো ক্যামেরা ধরা পড়তে পারে।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সন্দেহজনক ডিভাইস শনাক্ত

অনেক গোপন ক্যামেরা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে। স্মার্টফোন দিয়ে রুমের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্র শনাক্ত করা সম্ভব। স্মার্টফোনের ওয়াই-ফাই সেটিংসে গিয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্রগুলোর তালিকা দেখতে হবে। তালিকায় যদি অপরিচিত বা সন্দেহজনক নামের ডিভাইস যেমন আইপি ক্যামেরা বা ক্যামেরা দেখা যায়, সেটি নিয়ে সতর্ক হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ভ্রমণের সময় হোটেলে ওঠার পর শুধু আরামের কথা না ভেবে নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সামান্য সচেতনতা আপনাকে অস্বস্তিকর এমনকি ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকেও রক্ষা করতে পারে।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া