খুঁজুন
, ,

শিং ভাঙা পশু কি কোরবানি করা যাবে?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২০ মে, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
শিং ভাঙা পশু কি কোরবানি করা যাবে?

ইসলাম সামর্থ্যবান মুসলিমদের জন্য কোরবানি আদায় বাধ্যতামূলক করেছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘অতএব তুমি তোমার রবের উদ্দেশে নামাজ আদায় করো এবং কোরবানি করো’ (সুরা কাওসার: ২)। তাই প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থমস্তিষ্ক সম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন-অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে, তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। (আলমুহিতুল বুরহানি: ৮/৪৫৫, ফাতাওয়া তাতারখানিয়া: ১৭/৪০৫)

হাদিসে রাসুল (সা.) হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, ‘যার কোরবানি করার সামর্থ্য আছে অথচ সে কোরবানি করল না, সে যেন আমাদের ঈদগাহের নিকটবর্তী না হয়।’ (মুসনাদে আহমদ: ২/৩২১, মুস্তাদরাকে হাকেম: ৭৬৩৯, আত্তারগীব ওয়াত্তারহীব: ২/১৫৫)

কোরবানির দিতে হয় অহিংস্র গৃহপালিত চতুষ্পদ জন্তু দিয়ে। শরিয়তে কোরবানি দেওয়ার ক্ষেত্রে উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, দুম্বা ইত্যাদি পছন্দের পশু। মহানবী (সা.) উট, গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা ছাড়া অন্য কোনো পশু কোরবানির অনুমোদন দেননি। তাই এসব পশু দিয়েই কোরবানি করতে হবে। পশুর ক্ষেত্রে সুস্থ ও ত্রুটিমুক্ত পশু নির্বাচন করা আবশ্যক। বড় ধরনের অসুস্থতা বা ত্রুটি আছে এমন পশু দিয়ে কোরবানি শুদ্ধ হয় না। হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘চার প্রকারের পশু কোরবানি করলে তা যথেষ্ট হবে না। অন্ধ পশু যার অন্ধত্ব সুস্পষ্ট, রুগ্ন পশু যার রোগ সুস্পষ্ট, খোঁড়া পশু যার পঙ্গুত্ব সুস্পষ্ট এবং কৃশকায় দুর্বল পশু যার হাড়ের মজ্জা শুকিয়ে গেছে। উবাইদ (রা.) বলেন, আমি ক্রটিযুক্ত কানবিশিষ্ট পশু কোরবানি করা অপছন্দ করি। বারাআ (রা.) বলেন, যে ধরনের পশু তুমি নিজে অপছন্দ করো তা পরিহার করো, কিন্তু অন্যদের জন্য তা হারাম করো না ‘ (ইবনে মাজাহ: ৩১৪৪)

এখন প্রশ্ন জাগে, কোরবানির জন্য কেনা বা কোরবানির জন্য নির্ধারণ করা পশুর যদি জন্মগতভাবে শিং না থাকে বা শিং ভেঙে যায়, তাহলে এই পশু দিয়ে কোরবানি হবে কি না?

এ প্রসঙ্গে ইসলামি গবেষণা পত্রিকা মাসিক আল কাউসারে বলা হয়েছে, ‘যে পশুর শিং একেবারে গোড়া থেকে ভেঙ্গে গেছে, যে কারণে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; সে পশুর কোরবানি জায়েজ নয়। কিন্তু শিং ভাঙ্গার কারণে মস্তিষ্কে যদি আঘাত না পৌঁছে তাহলে সেই পশু দ্বারা কোরবানি জায়েজ। তাই যে পশুর অর্ধেক শিং বা কিছু শিং ফেটে বা ভেঙ্গে গেছে কিংবা শিং একেবারে উঠেইনি, সে পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ। (তিরমিজি: ১/২৭৬, আবু দাউদ: ৩৮৮, বাদায়েউস সানায়ে: ৪/২১৬, রদ্দুল মুহতার: ৬/৩২৪, আলমগীরী: ৫/২৯৭)

সূত্র : মাসিক আল কাউসার পত্রিকা

ফরিদপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে প্রাণ গেল গৃহবধূর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে পারিবারিক কলহের জেরে বিষপানে প্রাণ গেল গৃহবধূর

ফরিদপুর শহরে পারিবারিক কলহের জেরে অভিমান করে বিষপান করেছেন এক গৃহবধূ। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত গৃহবধূর নাম লিলি বেগম (৫০)। তিনি ফরিদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাড়োকান্দি এলাকার বাসিন্দা এবং মো. ইউনুছ শেখের স্ত্রী।

পরিবারের পক্ষ থেকে কোতয়ালী থানায় দেওয়া লিখিত আবেদনে নিহতের ছেলে মো. জামিল শেখ (৩২) জানান, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে পারিবারিক কলহের কারণে অভিমান করে তার মা পরিবারের অগোচরে নিজ ঘরে গিয়ে ঘাস মারা বিষ পান করেন। কিছুক্ষণ পর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজন ও প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একই দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে লিলি বেগম মারা যান। পরে তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।
আবেদনে জামিল শেখ আরও উল্লেখ করেন, বিষয়টি নিয়ে আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে পরামর্শ করতে গিয়ে থানায় মৃত্যুর সংবাদ জানাতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। পরে তিনি থানায় এসে অপমৃত্যুর বিষয়টি লিখিতভাবে অবহিত করেন এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানান।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে ছেলে জামিল শেখ তার মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ফরিদপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হাসান বলেন, “পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত আবেদন পাওয়া গেছে। ঘটনাটি অপমৃত্যু হিসেবে নথিভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৮ পূর্বাহ্ণ
হোটেলকক্ষে গোপন ক্যামেরা? মোবাইল দিয়ে শনাক্ত করবেন যেভাবে

ভ্রমণে বের হলে হোটেলে থাকা অনেকটাই স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু হোটেলকক্ষে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখা যে কতটা জরুরি, তা সাম্প্রতিক সময়ের নানা ঘটনার পর আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

বিভিন্ন দেশে এমনকি আমাদের দেশেও হোটেল রুমে লুকানো গোপন ক্যামেরা বসিয়ে অতিথিদের ব্যক্তিগত মুহূর্ত ধারণের ঘটনা সামনে এসেছে। শুধু গোপনীয়তা নয়, এই ধরনের কার্যকলাপ ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ফলে ভ্রমণে নিশ্চিন্তে থাকার আগে সতর্ক থাকা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

অনেকে মনে করেন, এসব গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করতে আলাদা কোনো আধুনিক যন্ত্রের প্রয়োজন হয়। কিন্তু বাস্তবে স্মার্টফোনই হতে পারে কার্যকর হাতিয়ার। হাতে থাকা মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট, ক্যামেরা বা বিশেষ অ্যাপ ব্যবহার করেই সহজে গোপন ক্যামেরা চিহ্নিত করা সম্ভব। এমনকি ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও অনেক সময় লুকানো ক্যামেরার খোঁজ পাওয়া যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভ্রমণে বের হলে সামান্য কিছু সচেতনতা আপনাকে বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে।

আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করে গোপন ক্যামেরার লেন্স খুঁজে পাওয়া সম্ভব। লুকানো ক্যামেরার লেন্স থেকে আলো প্রতিফলিত হয়। এজন্য কক্ষের সব আলো বন্ধ করে ফ্ল্যাশলাইট চালু করতে হবে। এরপর এয়ার ভেন্ট, ধোঁয়া শনাক্তকারী যন্ত্র, ঘড়ি বা আয়নার মতো জায়গায় আলো ফেলতে হবে। আলোয় যদি ক্ষুদ্র প্রতিফলন বা লেন্সের মতো কিছু দেখা যায়, সেটি সন্দেহজনক হতে পারে।

ক্যামেরার মাধ্যমে ইনফ্রারেড আলো শনাক্ত

গোপন ক্যামেরা থেকে নির্গত অতি লাল বা ইনফ্রারেড আলো খালি চোখে দেখা যায় না। তবে স্মার্টফোনের ক্যামেরা দিয়ে তা শনাক্ত করা যায়। এজন্য কক্ষের আলো নিভিয়ে ফোনের ক্যামেরা চালু করে সন্দেহজনক স্থানগুলো স্ক্যান করতে হবে। ক্যামেরার স্ক্রিনে ক্ষুদ্র আলোকবিন্দু বা ঝলক দেখা গেলে সেটি ইনফ্রারেড আলো হতে পারে, যা গোপন ক্যামেরার উপস্থিতির ইঙ্গিত দেয়।

ক্যামেরা শনাক্তকারী অ্যাপ ব্যবহার

বর্তমানে স্মার্টফোনের জন্য এমন অনেক অ্যাপ রয়েছে, যা দিয়ে গোপন ক্যামেরা শনাক্ত করা সম্ভব। এসব অ্যাপ ইনফ্রারেড আলো, চৌম্বকক্ষেত্র বা অস্বাভাবিক সংকেত শনাক্ত করতে পারে। নির্ভরযোগ্য একটি অ্যাপ ডাউনলোড করে রুমের সন্দেহজনক স্থানে পরীক্ষা করলেই সম্ভাব্য লুকানো ক্যামেরা ধরা পড়তে পারে।

ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে সন্দেহজনক ডিভাইস শনাক্ত

অনেক গোপন ক্যামেরা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে। স্মার্টফোন দিয়ে রুমের ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্র শনাক্ত করা সম্ভব। স্মার্টফোনের ওয়াই-ফাই সেটিংসে গিয়ে নেটওয়ার্কে যুক্ত যন্ত্রগুলোর তালিকা দেখতে হবে। তালিকায় যদি অপরিচিত বা সন্দেহজনক নামের ডিভাইস যেমন আইপি ক্যামেরা বা ক্যামেরা দেখা যায়, সেটি নিয়ে সতর্ক হতে হবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ভ্রমণের সময় হোটেলে ওঠার পর শুধু আরামের কথা না ভেবে নিরাপত্তার দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সামান্য সচেতনতা আপনাকে অস্বস্তিকর এমনকি ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকেও রক্ষা করতে পারে।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

ফরিদপুরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা, ‘আগমনী বার্তা’র ১ লাখ ফলোয়ার উদযাপন

ফরিদপুর প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা, ‘আগমনী বার্তা’র ১ লাখ ফলোয়ার উদযাপন

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার জনপ্রিয় ফেসবুকভিত্তিক সংবাদ ও তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘আগমনী বার্তা’ এক লাখ ফলোয়ারের মাইলফলক স্পর্শ করায় পেজটির প্রতিষ্ঠাতা ও এডমিন সোহাগ মাতুব্বরকে সংবর্ধনা দিয়েছেন উপজেলার কন্টেন্ট ক্রিয়েটররা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভাঙ্গায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটি ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রাফেজ মাহমুদ, সোহেল রানা, তুহিন মুন্সী, সাগর মাহমুদ ও রাসেল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নূরুল ইসলাম, রেজাউল শেখ, সোহাগ মোল্লা, জিয়া শিকদার, ফারুক তালুকদার, হারুন-অর-রশীদ তালুকদার, সুমন মোল্লাসহ উপজেলার বিভিন্ন কন্টেন্ট ক্রিয়েটর ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং তথ্যপ্রচার, জনসচেতনতা সৃষ্টি এবং ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই দায়িত্বশীল, তথ্যভিত্তিক ও মানসম্মত কন্টেন্ট তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের সৃজনশীলতা বিকাশ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে সমাজকল্যাণে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

সংবর্ধনা গ্রহণকালে ‘আগমনী বার্তা’ পেজের প্রতিষ্ঠাতা ও এডমিন সোহাগ মাতুব্বর বলেন, “এক লাখ ফলোয়ার অর্জন আমার একার সাফল্য নয়। এটি আমার সকল দর্শক, ফলোয়ার, শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সহকর্মীদের ভালোবাসা ও আস্থার ফল। ভবিষ্যতেও ভাঙ্গার মানুষের কথা, স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা এবং ইতিবাচক সংবাদ তুলে ধরতে নিরলসভাবে কাজ করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানের শেষে সংবর্ধনা স্মারক প্রদান, কেক কাটা, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং মধ্যাহ্নভোজের মধ্য দিয়ে আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। স্থানীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ইতিবাচক প্রতিযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতেও এ আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত অতিথিরা।