খুঁজুন
শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১৩ চৈত্র, ১৪৩২

কর্মক্ষেত্রে নিজেকে রিলাক্স রাখার ২০ টি উপায়, জেনে নিন

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৬ এএম
কর্মক্ষেত্রে নিজেকে রিলাক্স রাখার ২০ টি উপায়, জেনে নিন

কর্মক্ষেত্রে নিজেকে রিলাক্স রাখার ২০ টি উপায়, জেনে নিন।

১. পোমোডোরো টেকনিক: ২৫ মিনিট কাজ করার পর ৫ মিনিটের একটি ছোট বিরতি নিন। এতে মস্তিষ্কের ক্লান্তি দূর হয়।

২. ডিপ ব্রিদিং (গভীর শ্বাস): যখনই খুব চাপ অনুভব করবেন, চোখ বন্ধ করে কয়েকবার লম্বা শ্বাস নিন এবং ছাড়ুন।

৩. ডেস্ক স্ট্রেচিং: চেয়ারে বসেই ঘাড়, হাত এবং পিঠের কিছু হালকা ব্যায়াম বা স্ট্রেচিং করে নিন।

৪. হাঁটাহাঁটি: লাঞ্চ ব্রেকের সময় বা কাজের ফাঁকে অন্তত ৫-১০ মিনিট অফিসের ভেতরে বা খোলা জায়গায় একটু হাঁটুন।

৫. পানির ঝাপটা: খুব ক্লান্ত লাগলে চোখে-মুখে ঠান্ডা পানির ঝাপটা দিন, এটি তাৎক্ষণিক সতেজতা দেয়।

৬. গান শোনা: যদি সুযোগ থাকে, কাজ করার সময় হালকা বা ইনস্ট্রুমেন্টাল গান শুনতে পারেন।

৭. গাছ রাখা: আপনার ডেস্কে ছোট একটি ইনডোর প্ল্যান্ট (যেমন: মানিপ্ল্যান্ট বা ক্যাকটাস) রাখতে পারেন। সবুজ রং মানসিক প্রশান্তি দেয়।

৮. ডেস্ক গুছিয়ে রাখা: অগোছালো ডেস্ক মানসিক চাপ বাড়ায়। কাজের জায়গাটি পরিষ্কার ও পরিপাটি রাখুন।

৯. পজিটিভ সেলফ-টক: নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন। “আমি এটা পারব” বা “সব ঠিক হয়ে যাবে”—এমন ইতিবাচক চিন্তা করুন।

১০. মাইন্ডফুলনেস: বর্তমানে মনোযোগ দিন। অতীত বা ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা না করে বর্তমান কাজটিতে মনোনিবেশ করুন।

১১. পর্যাপ্ত পানি পান: ডিহাইড্রেশন বা পানির অভাব শরীরকে দ্রুত ক্লান্ত করে দেয়, তাই সারাদিন প্রচুর পানি পান করুন।

১২. ক্যাফেইন নিয়ন্ত্রণ: অতিরিক্ত চা বা কফি সাময়িক শক্তি দিলেও পরে অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। তাই এগুলো পরিমিত পান করুন।

১৩. স্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস: ভাজাপোড়া বাদ দিয়ে ফল বা বাদাম জাতীয় পুষ্টিকর খাবার সাথে রাখুন।

১৪. পর্যাপ্ত ঘুম: রাতে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ভালো ঘুম হলে পরদিন কর্মক্ষেত্রে নিজেকে অনেক বেশি রিলাক্স লাগে।

১৫. টু-ডু লিস্ট: দিনের শুরুতেই কাজের একটি তালিকা তৈরি করুন। সবচেয়ে কঠিন কাজগুলো সকালেই শেষ করার চেষ্টা করুন।

১৬. মাল্টিটাস্কিং এড়িয়ে চলা: একসাথে অনেক কাজ না করে একটি সময়ে একটি কাজেই মনোযোগ দিন।

১৭. ‘না’ বলতে শেখা: আপনার সাধ্যের বাইরে অতিরিক্ত কাজের দায়িত্ব না নেওয়াই ভালো।

১৮. সহকর্মীদের সাথে আড্ডা: কাজের ফাঁকে সহকর্মীদের সাথে ছোটখাটো মজার আলাপ বা হাসাহাসি স্ট্রেস কমাতে দারুণ কার্যকর।

১৯. স্ক্রিন থেকে বিরতি: একটানা কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে না থেকে মাঝে মাঝে দূরে জানালার বাইরে বা অন্য কোথাও তাকান।

২০. অফিসের কাজ অফিসেই রাখা: চেষ্টা করুন অফিসের কাজ বাড়িতে না নিতে। ব্যক্তিগত সময়টুকু নিজের মত উপভোগ করুন।

টিপস: মনে রাখবেন, ছোট ছোট পরিবর্তনই বড় মানসিক শান্তি এনে দিতে পারে। আজ থেকেই এর মধ্যে যেকোনো ৩-৪টি অভ্যাস শুরু করে দেখুন!

বাম্পার ফলনেও চোখে জল—ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষে লোকসানে কৃষক

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:০১ এএম
বাম্পার ফলনেও চোখে জল—ফরিদপুরে পেঁয়াজ চাষে লোকসানে কৃষক

ফরিদপুর জেলায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হলেও বাজারে আশানুরূপ দাম না পাওয়ায় চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন কৃষকরা। উৎপাদন খরচ বেড়ে গেলেও বিক্রয়মূল্য কম থাকায় অধিকাংশ চাষিই এখন লোকসানের মুখে পড়েছেন। এতে করে কৃষকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও হতাশা।

জেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বর্তমানে প্রতি মন (৪০ কেজি) পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায়। অথচ কৃষকদের দাবি, অন্তত ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা মন দরে বিক্রি করতে পারলে তারা কিছুটা লাভের মুখ দেখতে পারতেন। কিন্তু বর্তমান দামে উৎপাদন খরচই উঠছে না।

সালথা উপজেলার বালিয়াগট্টি হাটে পেঁয়াজ বিক্রি করতে আসা কৃষক ছত্তার মাতুব্বর বলেন, “এবার ফলন ভালো হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বাজারে এসে দেখি দাম নেই। ৮০০-৯০০ টাকায় বিক্রি করে সার, বীজ, সেচ আর শ্রমিকের খরচই ওঠে না। আমাদের পুরোই লস হচ্ছে।”

একই উপজেলার আরেক কৃষক রহিম শেখ জানান, “এক বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন যে দামে বিক্রি হচ্ছে, তাতে ১০ হাজার টাকাও ফিরে আসবে কিনা সন্দেহ। এভাবে চলতে থাকলে আগামী মৌসুমে পেঁয়াজ চাষ বন্ধ করে দিতে হবে।”

ভাঙ্গা উপজেলার কৃষক মজিবর মোল্লা বলেন, “পেঁয়াজ তুলতে শ্রমিকের মজুরি, পরিবহন খরচ—সব মিলিয়ে এখন খরচ অনেক বেশি। কিন্তু বাজারে সিন্ডিকেট আর আমদানির কারণে দাম পড়ে গেছে। আমরা উৎপাদন করি, কিন্তু লাভ পায় অন্যরা।”

কৃষকদের অভিযোগ, স্থানীয় বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজের প্রভাবের কারণে দেশীয় পেঁয়াজের দাম কমে গেছে। এতে করে মাঠ পর্যায়ের চাষিরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ডিডিএ) কৃষিবিদ মো. শাহাদুজ্জামান বলেন, “এবার জেলায় পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে। তবে বাজার ব্যবস্থাপনা ও সরবরাহের ভারসাম্য না থাকায় দাম কমে গেছে। কৃষকদের ক্ষতি কমাতে সংরক্ষণ সুবিধা বৃদ্ধি, বাজার তদারকি এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা জরুরি।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেঁয়াজ সংরক্ষণের জন্য আধুনিক কোল্ড স্টোরেজের অভাব এবং পরিকল্পিত বিপণন ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে কৃষকরা বাধ্য হয়ে কম দামে পণ্য বিক্রি করছেন। যদি সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ ও বাজার ব্যবস্থাপনা উন্নত করা যায়, তাহলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পেতে পারেন।

এদিকে কৃষকদের দাবি, দ্রুত বাজারে ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে এবং আমদানি নিয়ন্ত্রণসহ মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহ হারাবেন কৃষকরা, যা দেশের সামগ্রিক কৃষি উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

জুমার নামাজের গুরুত্ব-ফজিলত

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৬ এএম
জুমার নামাজের গুরুত্ব-ফজিলত

আল্লাহ্ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন (জুমার) নামাযের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম, যদি তোমরা বুঝো।’ (সুরা জুমুআ, আয়াত :০৯)

একদিকে আল্লাহ তাআলা জুমার নামাজে উপস্থিত হওয়ার কঠিন নির্দেশ দিয়েছেন, অন্যদিকে জুমার নামাজ আদায় করার বিপুল ফযিলত রেখেছেন। যে যতো আগে আসবে, সে ততোবেশি লাভবান হবে।

 

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘শুক্রবার দিন মসজিদের প্রতিটি দরজায় ফেরেশতারা অবস্থান করে এবং (জুমার নামাজের) আগমনকারীদের নাম ক্রমানূসারে লিপিবদ্ধ করতে থাকে। অতঃপর ইমাম যখন (মিম্বরে) বসেন, তারা লেখাগুলো গুটিয়ে নেয় এবং যিক্‌র (খুতবা) শোনার জন্য চলে আসে। মসজিদে যে আগে আসে, তার উদাহরণ সে ব্যাক্তির মত যে একটি উটনী কোরবানি করেছে। তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি গাভী কোরবানি করেছে।

 

তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি ভেড়া কোরবানি করেছে এবং তার পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি মুরগি দান করেছে। পরবর্তীজনের দৃষ্টান্ত তার মত যে একটি ডিম দান করেছে।’ (মুসলিম, হাদিস নং: ২০২১)

শুধু তাই নয়, জুমার নামাজ জন্য মসজিদের দিকে অগ্রসর হলে, প্রতি কদমে এক বছর নফল রোযা ও নামায পড়ার সওয়াব পাওয়া যায় এবং জুমার নামাজ আদায় করলে দশ দিনের গোনাহ মাফ হয়।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি জুমার দিনে সকাল সকাল গোসল করল এবং গোসল করাল, তারপর ইমামের কাছে গিয়ে বসে চুপ করে মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল, প্রত্যেক কদমের বিনিময়ে সে এক বছরের রোজা ও নামাজের সওয়াব পাবে।

’ (তিরমিজি, হাদিস নং : ৪৯৮)

আল্লাহর রাসুল (সা.) আরও বলেন, ‘জুমার দিনে যে ব্যক্তি গোসল করে জুমার নামাজের জন্য যায় এবং সামর্থ্য অনুযায়ী নামাজ আদায় করে, এরপর ইমাম খুতবা শেষ করা পর্যন্ত নীরব থাকে। এরপর ইমামের সঙ্গে নামাজ আদায় করে। তবে তার এ জুমা থেকে পরবর্তী জুমা পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।’ (মুসলিম, হাদিস নং : ২০২৪)

বস্তুত জুমার নামাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও বরকতময়। আমরা অনেকেই জুমার নামাজকে অবহেলা করে থাকি।

 

অযথা ও বিনা কারণে কখনও জুমার নামাজ পরিত্যাগ করা যায় না। এ ব্যাপারে শরিয়তে কঠিন সতর্কবাণী দেওয়া হয়েছে। রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি অবহেলা করে তিন জুমা পরিত্যাগ করে, আল্লাহ তাআলা তার হৃদয় মোহরাঙ্কিত করে দেন।’ (তিরমিজি হাদিস নং : ৫০২)

আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে জুমর নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

 

ব্যবসার বরকত নষ্ট করে যে ৭ কাজ?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৮:৫৫ এএম
ব্যবসার বরকত নষ্ট করে যে ৭ কাজ?

ব্যবসা শুধু লাভ-ক্ষতির হিসাব নয়, এটি একটি আমানত, একটি ইবাদতও বটে। ইসলামে হালাল উপার্জনকে যেমন অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তেমনি সততা ও ন্যায়পরায়ণতার ওপরও দেওয়া হয়েছে কঠোর নির্দেশনা।

অনেক সময় দেখা যায়, ব্যবসায় সবকিছু ঠিকঠাক চললেও হঠাৎ করেই বরকত উঠে যায়। আয় থাকে, কিন্তু শান্তি থাকে না; বিক্রি হয়, কিন্তু উন্নতি আসে না।

এর পেছনে বড় কারণ হতে পারে কিছু গোপন গোনাহ বা অনৈতিক চর্চা, যা অজান্তেই আমাদের ব্যবসাকে গ্রাস করে ফেলে।

পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এমন কিছু কাজের ব্যাপারে স্পষ্ট সতর্কবার্তা এসেছে, যেগুলো ব্যবসার বরকত নষ্ট করে দেয় এবং আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হয়। তাই একজন মুসলিম ব্যবসায়ীর জন্য জরুরি হলো, শুধু লাভের দিকে নয়, বরং হালাল-হারাম ও নৈতিকতার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া। নিচে এমনই ৭টি কাজ তুলে ধরা হলো, যা থেকে বেঁচে থাকলে ব্যবসায় আসবে প্রকৃত বরকত ও কল্যাণ।

১. মাপে কম দেওয়া

আমাদের আশপাশের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মাপে কম দেওয়ার অভিযোগ শোনা যায়। অথচ পবিত্র কোরআনে এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘বহু দুর্ভোগ আছে তাদের, যারা মাপে কম দেয়, যারা মানুষের কাছ থেকে যখন মেপে নেয় পূর্ণমাত্রায় নেয় আর যখন অন্যকে মেপে বা ওজন করে দেয়, তখন কমিয়ে দেয়। তারা কি চিন্তা করে না, তাদেরকে জীবিত করে ওঠানো হবে? এক মহাদিবসে, যেদিন সমস্ত মানুষ রাব্বুল আলামিনের সামনে দাঁড়াবে।’ (সুরা মুতাফফিফিন : ১-৬)

২. পণ্যের মান নিয়ে প্রতারণা

অনেক সময় ক্রেতার অগোচরে ভালো পণ্যের ভেতরে নিম্নমানের পণ্য মিশিয়ে দেওয়া হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন, যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, তার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। (আবু দাউদ : ৩৪৫২)

৩. সুদি লেনদেন করা

সুদ ব্যবসার বরকত নির্মূল করে দেয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, আল্লাহ সুদকে মিটিয়ে দেন এবং সদকাকে বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ কোনো অতি কুফরকারী পাপীকে ভালোবাসেন না। (সুরা বাকারা : ২৭৬)

৪. ত্রুটি গোপন করে পণ্য বিক্রি

পণ্যের কোনো দোষ থাকলে তা ক্রেতাকে স্পষ্ট করে জানানো বিক্রেতার নৈতিক ও ধর্মীয় দায়িত্ব। পণ্যের ত্রুটি গোপন করে কিছু বিক্রি করা বৈধ নয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, মুসলমান মুসলমানের ভাই। অতএব কোনো মুসলমানের পক্ষে তার ভাইয়ের কাছে পণ্যের ত্রুটি বর্ণনা না করে তা বিক্রি করা বৈধ নয়। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ২২৪৬)

৫. ঋণ পরিশোধে বিলম্ব করা

ব্যবসা পরিচালনার প্রয়োজনে অনেকে ঋণ গ্রহণ করেন। কিন্তু সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পাওনাদারের অর্থ পরিশোধে গড়িমসি করেন। ইসলামে এ ধরনের কাজকে ‘জুলুম’ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ধনী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম। (বোখারি : ২২৮৭)

৬. মিথ্যা শপথ করা

পণ্যের গুণাগুণ বর্ণনা করতে গিয়ে বা ক্রেতার আস্থা অর্জনে মিথ্যা শপথ করা একটি বড় গোনাহ। হাদিস অনুযায়ী, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা সেই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলবেন না এবং তাকে পবিত্র করবেন না, যে মিথ্যা শপথের মাধ্যমে পণ্য চালিয়ে দেয়। (সুনানে নাসাঈ : ৫৩৩৩)

৭. অবৈধ মজুদদারি করা

অধিক মুনাফার আশায় পণ্য আটকে রেখে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা ইসলামে নিষিদ্ধ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মুসলমানদের বিরুদ্ধে খাদ্যদ্রব্য মজুদদারি করে, আল্লাহ তাকে কুষ্ঠরোগ ও দারিদ্র্যের কশাঘাতে শাস্তি দেন। (সুনানে ইবনে মাজাহ : ২১৫৫)