খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান কোথায়?

রায়হানুল ইসলাম
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান কোথায়?

রোহিঙ্গা সংকট আজ আর কেবল একটি মানবিক ইস্যু নয়; এটি দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা, কূটনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। সাত বছরের বেশি সময় ধরে লক্ষাধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়ে আছে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে।

মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে-এটি আন্তর্জাতিক মহলে প্রশংসিত। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী আশ্রয় কোনো স্থায়ী সমাধান নয়। বাস্তবতা হলো, নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন ছাড়া এই সংকটের টেকসই পথ নেই।

শুরু থেকেই বাংলাদেশ স্পষ্ট করেছে-রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক, তাদের নিজভূমিতেই ফিরতে হবে। কিন্তু প্রত্যাবাসনের প্রশ্নে সবচেয়ে বড় বাধা হলো আস্থা। যারা সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছে, তারা কেবল আশ্বাসে ফিরবে না; তারা চায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা, নাগরিকত্বের স্বীকৃতি এবং পুনর্বাসনের বাস্তব পরিকল্পনা। অতীতের অভিজ্ঞতা তাদের শিখিয়েছে, নিরাপত্তাহীন পরিবেশে ফেরা মানে আবারও অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেওয়া।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার তিনটি শর্ত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত-নিরাপদ, স্বেচ্ছা এবং মর্যাদাপূর্ণ। এই তিনটি শব্দই সমান গুরুত্বপূর্ণ। নিরাপদ মানে কেবল সহিংসতা না থাকা নয়; সেখানে থাকতে হবে আইনি সুরক্ষা, চলাচলের স্বাধীনতা ও জীবিকার সুযোগ। স্বেচ্ছা মানে কোনো ধরনের চাপ, প্রলোভন বা জবরদস্তি ছাড়া নিজ ইচ্ছায় ফিরে যাওয়া। আর মর্যাদাপূর্ণ মানে মানবিক অধিকারকে সম্মান জানিয়ে পূর্ণ নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তব অগ্রগতি সীমিত। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। নিন্দা প্রস্তাব ও বিবৃতির বাইরে কার্যকর চাপ কতটা প্রয়োগ করা হয়েছে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে বটে, কিন্তু মানবিক সহায়তা কখনো রাজনৈতিক সমাধানের বিকল্প হতে পারে না। বরং দীর্ঘস্থায়ী শিবির-নির্ভরতা নতুন সামাজিক ও নিরাপত্তা জটিলতা তৈরি করছে।

কক্সবাজার অঞ্চলে জনসংখ্যার চাপ, পরিবেশগত ক্ষতি, স্থানীয় অর্থনীতির ভারসাম্যহীনতা-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি জটিল হচ্ছে। তরুণ প্রজন্ম দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পে বেড়ে উঠছে, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সীমিত সুযোগ নিয়ে। এই প্রজন্মের হতাশা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্যও ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই সংকট দীর্ঘায়িত হওয়া কারও জন্যই মঙ্গলজনক নয়।

মিয়ানমারের রাজনৈতিক বাস্তবতাও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে। অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও ক্ষমতার টানাপড়েনের মধ্যে রোহিঙ্গা ইস্যু অগ্রাধিকার পাচ্ছে না। অথচ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তাদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা মিয়ানমারের দায়িত্ব। কেবল অবকাঠামো নির্মাণ বা গ্রহণকেন্দ্র প্রস্তুত করলেই চলবে না; প্রয়োজন বিশ্বাসযোগ্য পরিবেশ সৃষ্টি করা। রোহিঙ্গাদের জন্য নিরাপদ অঞ্চল, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং নাগরিকত্বের সুস্পষ্ট রূপরেখা ছাড়া প্রত্যাবাসন কার্যকর হবে না।

এখানে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো যদি সমন্বিত অবস্থান নেয়, তবে কূটনৈতিক চাপ বাড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শক্তিগুলোরও দায়িত্ব আছে। মানবাধিকার প্রশ্নে নীতিগত অবস্থান কেবল বিবৃতিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; প্রয়োজন বাস্তব পদক্ষেপ। নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক চাপ ও আলোচনার সমন্বয়েই একটি কার্যকর পরিবেশ তৈরি হতে পারে।

বাংলাদেশের জন্য চ্যালেঞ্জ হলো-মানবিক দায়িত্ব পালন অব্যাহত রেখে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে সক্রিয় রাখা। একই সঙ্গে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখা জরুরি। ভাসানচরসহ বিভিন্ন পুনর্বাসন উদ্যোগ সাময়িক স্বস্তি দিলেও চূড়ান্ত সমাধান নয়। লক্ষ্য একটাই-নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসন।

প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া তাড়াহুড়ো করে শুরু করলে তা উল্টো ফল দিতে পারে। অতীতে কয়েক দফা উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে মূলত আস্থার অভাবে। এবার যদি উদ্যোগ নেওয়া হয়, তবে তা হতে হবে স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিকভাবে পর্যবেক্ষিত। রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা, তাদের মতামত শোনা এবং বাস্তব চাহিদা বোঝা জরুরি। সমাধান চাপিয়ে দেওয়া যায় না; তা গড়ে তুলতে হয় আস্থার ভিত্তিতে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। রোহিঙ্গারা কোনো পরিসংখ্যান নয়; তারা বাস্তুচ্যুত মানুষ। তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত রেখে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। নিরাপদ, স্বেচ্ছা ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন তাই কেবল একটি কূটনৈতিক লক্ষ্য নয়; এটি মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

এই সংকটের স্থায়ী সমাধান একদিনে আসবে না। কিন্তু রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং বাস্তবমুখী পদক্ষেপ থাকলে পথ তৈরি হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী শিবির-জীবন কোনো জাতির জন্য ভবিষ্যৎ নয়। রোহিঙ্গাদেরও একটি মাতৃভূমি আছে-সেই মাতৃভূমিতেই অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই একমাত্র টেকসই সমাধান। অন্য সব পথ সাময়িক, অসম্পূর্ণ এবং অনিশ্চিত।

লেখক : রায়হানুল ইসলাম, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

 

ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুরে বিয়ের প্রলোভনে তরুণীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় ২৩ বছরের এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের অভিনয় করে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হলেন- উপজেলার বুরাইচ ইউনিয়নের টিকরপাড়া গ্রামের মো. লিটন মোল্লা (৩৩), একই ইউনিয়নের কটুরাকান্দি গ্রামের সবুজ মোল্লা (২৩) ও টাবনী গ্রামের আলী শরীফ (২০)।

ভুক্তভোগী নারীর এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণীর সঙ্গে মো. লিটন মোল্লার গত দুই মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে লিটন মোল্লা বিয়ের প্রলোভনে ওই তরুণীকে সবুজ মোল্লার বাড়িতে নিয়ে যান। পরে লিটন, সবুজ ও আলী শরীফ ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করেন।

এদিকে ধর্ষণের শিকার ওই তরুণীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালিত ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে।

আলফাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির তাইজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে ওই তরুণী বাদী হয়ে ওই তিন ব্যক্তিকে আসামি মামলা দায়ের করেন। পরে বিকেলের মধ্যে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে অভিযান চালিয়ে উল্লেখিত তিন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘

ওসি আরও বলেন, গ্রেফতার হওয়া তিন আসামিকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

শরিফুল ইসলাম
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৬ অপরাহ্ণ
“আধুনিকতার দূরত্ব মুছে ফিরে আসুক বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যার উঠোনের আড্ডা”

একসময় গ্রামবাংলার সন্ধ্যা ছিলো অন্যরকম এক পরিবেশ। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকার নেমে এলে মানুষ একে একে জড়ো হতো কারও বাড়ির উঠোনে। শুরু হতো গানের আসর – কখনও ভাটিয়ালি, কখনও পালাগান, আবার কখনও মুর্শিদী গানে। আপন মুর্শিদের প্রতি আবেগে ঝড়তো চোখের জল।

সেই আসর ছিল না শুধু বিনোদনের জায়গা, বরং ছিল ইহলৌকিক ও পারলৌকিক সংযোগস্থল। দিনভর ক্লান্তি, দুঃখ-কষ্ট, অভিমান – সব কিছু মিলিয়ে যেত একসাথে বসার আনন্দে।

আজ প্রযুক্তির যুগে আমরা অনেক এগিয়েছি, কিন্তু সেই উঠোনভরা সম্প্রীতি যেন হারিয়ে গেছে। বিদ্যুতের আলো আমাদের ঘর আলোকিত করেছে ঠিকই, কিন্তু মানুষের মন যান্ত্রিক ও স্বার্থের আখরা বানিয়েছে । এখন প্রত্যেকে নিজ নিজ মোবাইল বা টেলিভিশনের পর্দায় ডুবে থাকে; পাশের মানুষের সাথে কথা বলার সময়ও যেন কমে গেছে।

গ্রামের সেই সন্ধ্যার গান আমাদের শিখিয়েছে – সম্পর্ক গড়তে বড় আয়োজন লাগে না, দরকার শুধু আন্তরিকতা আর একসাথে থাকার ইচ্ছা। সমাজে ভেদাভেদ, হিংসা, দূরত্ব কমাতে আবারও দরকার এমন ছোট ছোট উদ্যোগ।

হয়তো আমরা পুরোপুরি সেই দিনগুলো ফিরিয়ে আনতে পারব না, কিন্তু চেষ্টা করলে অন্তত মানুষের মাঝে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসা আর ভ্রাতৃত্ববোধকে জাগিয়ে তুলতে পারি।

লেখক: সাংবাদিক, ফরিদপুর

‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
‘ফেলো’ সম্মাননা পেলেন ফরিদপুর-৩ আসনের এমপি নায়াব ইউসুফ

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য চৌধুরী নায়াব ইউসুফ দেশের সর্বোচ্চ কৌশলগত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) থেকে ‘ক্যাপস্টোন কোর্স ২০২৬/১’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন। কোর্সটি সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি ‘ফেলো অব দ্য ক্যাপস্টোন কোর্স’ হিসেবে সম্মানিত হয়েছেন, যা দেশের নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত।

রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সমাপ্ত হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যা কোর্সটির গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও স্পষ্ট করে।

এনডিসির কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল এমডি ফয়জুর রহমান স্বাক্ষরিত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নায়াব ইউসুফ জাতীয় নিরাপত্তা, কৌশলগত নেতৃত্ব, নীতি প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনা বিষয়ে উচ্চতর জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ব্যক্তিরাই বেশি থাকেন, ফলে এখানে অর্জিত অভিজ্ঞতা বাস্তব নীতিনির্ধারণে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজের ক্যাপস্টোন কোর্সটি মূলত দেশের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারক, সামরিক কর্মকর্তা, বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।

এতে অংশগ্রহণকারীদের জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামো, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ভূরাজনীতি, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সংকট ব্যবস্থাপনা এবং আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনার বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

কোর্স চলাকালে বিভিন্ন সেমিনার, কর্মশালা, গ্রুপ আলোচনা, কেস স্টাডি এবং বাস্তবভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা সমসাময়িক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে গভীরভাবে কাজ করার সুযোগ পান। এছাড়া নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সমন্বিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, নায়াব ইউসুফ এই প্রশিক্ষণে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে তার নেতৃত্বগুণ, বিশ্লেষণী দক্ষতা এবং নীতি নির্ধারণের সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ করেছেন। সহপাঠী ও প্রশিক্ষকদের মূল্যায়নেও তিনি একজন মনোযোগী ও দক্ষ অংশগ্রহণকারী হিসেবে প্রশংসিত হন।

ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে নায়াব ইউসুফ দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও জনসেবামূলক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার এই নতুন অর্জন ভবিষ্যতে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।