খুঁজুন
, ,

ফাল্গুনের সকালে শীতের প্রত্যাবর্তন: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
ফাল্গুনের সকালে শীতের প্রত্যাবর্তন: ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেল ফরিদপুর

আজ ১৮ ফাল্গুন, মঙ্গলবার (৩ মার্চ)। বসন্তের মাঝামাঝি সময়ে এসে হঠাৎ ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে ফরিদপুরের জনপদ। শীত বিদায় নিলেও ভোরের এই কুয়াশা যেন শীতের চিরচেনা রূপকেই আবারও ফিরিয়ে আনল।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) ভোর থেকেই জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘন কুয়াশা দেখা যায়। সকাল ৮টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মহাসড়ক এবং গ্রামীণ জনপদ—সবখানেই ছিল কুয়াশার সাদা চাদর। দূরের ভবন, গাছপালা এমনকি চলন্ত যানবাহনও অস্পষ্ট হয়ে পড়ে। এতে করে সড়কে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলতে দেখা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া ছিল বেশ উষ্ণ। দিনের তাপমাত্রাও ধীরে ধীরে বাড়ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ভোরের দিকে তাপমাত্রা কমে গিয়ে কুয়াশার সৃষ্টি হয়। অনেকেই ভোরে ঘর থেকে বের হয়ে শীতের মতো অনুভূতি পান। কেউ কেউ আবার শীতের পোশাক বের করে পরেছেন।

কৃষকদের জন্য এই কুয়াশা কিছুটা স্বস্তির হলেও উদ্বেগও রয়েছে। বিশেষ করে বোরো ধান ও সবজি চাষিরা বলছেন, অতিরিক্ত কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। তবে স্বল্প সময়ের কুয়াশা জমির আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

শহরের শ্রমজীবী মানুষদের কাজে যেতে কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে। রিকশাচালক ও মোটরসাইকেল আরোহীরা কম দৃশ্যমানতার কারণে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করেন। ভোরে নদীপথেও নৌযান চলাচলে ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে এমন হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা দিতে পারে। রাতের তাপমাত্রা ও বাতাসের আর্দ্রতার তারতম্যের কারণেই মূলত এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে স্বাভাবিক আবহাওয়া ফিরে আসে।

ফাল্গুন মানেই রঙিন প্রকৃতি আর বসন্তের আমেজ। কিন্তু আজকের সকালটি যেন স্মরণ করিয়ে দিল—ঋতুর পালাবদলে প্রকৃতির খামখেয়ালিপনা অস্বাভাবিক নয়। শীতের বিদায়ের পরও মাঝে মাঝে এমন কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল ফরিদপুরবাসীর কাছে এক ভিন্ন অনুভূতি এনে দেয়।

PBGSI স্কিমে নির্বাচিত ৯৯০ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এখনো পুরস্কারহীন, বাড়ছে ক্ষোভ-হতাশা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
PBGSI স্কিমে নির্বাচিত ৯৯০ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক এখনো পুরস্কারহীন, বাড়ছে ক্ষোভ-হতাশা

পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস (PBGSI) স্কিমের আওতায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উপজেলা/থানা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক পুরস্কারের (UBTA/TBTA) জন্য দেশের ৪৯৫টি উপজেলা ও থানার মোট ৯৯০ জন শিক্ষক নির্বাচিত হলেও দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তারা এখনো ঘোষিত পুরস্কার পাননি। এতে নির্বাচিত শিক্ষকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাধ্যমিক শিক্ষা খাতে গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের কর্মদক্ষতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে PBGSI স্কিমের আওতায় প্রতিবছর উপজেলা ও থানা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচন করা হয়। নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষাদানের মান, শিক্ষার্থীদের ফলাফল, উদ্ভাবনী উদ্যোগ, সহশিক্ষা কার্যক্রমে ভূমিকা, নেতৃত্বের দক্ষতা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়নে অবদানের ভিত্তিতে শিক্ষক নির্বাচন করা হয়।

নির্বাচনের পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের তথ্য যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত তালিকা প্রেরণের নির্দেশনা দেয়। সেই প্রক্রিয়াও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু অর্থবছর শেষ হলেও এখনো পুরস্কার বিতরণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় নির্বাচিত শিক্ষকরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

শিক্ষকদের অভিযোগ, একই অর্থবছরে PBGSI স্কিমের আওতায় নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন হলেও শ্রেষ্ঠ শিক্ষকরা এখনো ঘোষিত সম্মাননা থেকে বঞ্চিত। এতে তারা নিজেদের অবমূল্যায়িত মনে করছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নির্বাচিত শিক্ষক বলেন, “এই স্বীকৃতি শুধু একটি পুরস্কার নয়; এটি একজন শিক্ষকের পেশাগত সম্মান, প্রেরণা ও কাজের মূল্যায়নের প্রতীক। দীর্ঘদিন অপেক্ষার পরও পুরস্কার না পাওয়ায় আমরা হতাশ। দ্রুত বিষয়টির সমাধান হওয়া উচিত।”

শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, সময়মতো এমন স্বীকৃতি প্রদান করলে শিক্ষকদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয় এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার মান উন্নয়নে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়। বিপরীতে অযৌক্তিক বিলম্ব শিক্ষকদের মনোবলকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

নির্বাচিত শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ঘোষিত পুরস্কার দ্রুত প্রদান করা হবে, যাতে শিক্ষকদের অবদান যথাযথভাবে স্বীকৃতি পায় এবং দেশের মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে তাদের উৎসাহ আরও বৃদ্ধি পায়।

সদরপুরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৩:০৬ অপরাহ্ণ
সদরপুরে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির উদ্যোগে ‘ক্যাশলেস বাংলাদেশ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। “লেনদেন হবে ক্যাশলেস, এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা ও ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) উদ্বোধন উপলক্ষে উপজেলা সদর বাজারের কলেজ মোড়ে অবস্থিত পূবালী ব্যাংক সদরপুর শাখার সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। সভাপতিত্ব করেন পূবালী ব্যাংক পিএলসির সদরপুর শাখার ব্যবস্থাপক মো: শাহাদাৎ হোসেন।

বক্তারা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ধারাবাহিকতায় ক্যাশলেস লেনদেন সময় সাশ্রয়ী, নিরাপদ ও স্বচ্ছ আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রাহকদের আধুনিক ব্যাংকিং সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এবং মোবাইল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক লেনদেন বাড়াতে এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

এ সময় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, গ্রাহক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কীভাবে ভিডিও ফাঁস হলো? জানালেন জামায়াত নেতা গাজী নজরুল

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১:৫১ অপরাহ্ণ
কীভাবে ভিডিও ফাঁস হলো? জানালেন জামায়াত নেতা গাজী নজরুল

সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার মুখে বিবৃতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা–৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি ভিডিওতে থাকা তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। একই সঙ্গে এই ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত গাড়িচালককে দায়ী করেছেন।

বিবৃতিতে দেওয়া তার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

আমি নিম্নস্বাক্ষরকারী এই মর্মে বর্ণনা করছি যে, গত ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আমার প্রথম স্ত্রী মোছা. মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মারিয়াম বেগম এবং মারিয়াম বেগমের মামা মো. ওবায়দুল্লাহকে নিয়ে আমার ব্যক্তিগত গাড়িযোগে মগবাজারস্থ মো. মাছুম বিল্লাহর ব্যবসায়ী অফিসে যাই। সেখানে আমরা আনুমানিক সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করি। জোহরের নামাজের আগে গাড়িচালক গাড়ি দেখার কথা বলে বাইরে যায়। বেশ কিছু সময় পর সে দ্রুত রুমে ফিরে এসে আমাদের সতর্ক থাকতে বলে আবার চলে যায়। কিছুক্ষণ পর সে পুনরায় ফিরে এসে দরজা খুলতে বললে আমার দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম দরজা খুলে দেন। সাথে সাথে ৫ থেকে ৭ জন অপরিচিত লোক রুমে ঢুকে আমাদের উপস্থিতির কারণ জানতে চেয়ে কৈফিয়ত দাবি করে। তারা আমাদের ব্যাগ ও পকেট তল্লাশি করে নিচে ৩-৪টি ঠিকাদারের দোকানে নিয়ে যায় এবং ১ লাখ টাকা দাবি করে। তাদের দাবি অনুযায়ী টাকা দেওয়ার পর তারা আমাদের সম্মানজনকভাবে সেখান থেকে যাওয়ার সুযোগ দেয়।

ইতোমধ্যে আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি। এরপর আমরা বাসায় চলে আসি। রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ আমাকে ফোন করে জানায় যে, মগবাজারের চাঁদাবাজদের হাত থেকে গাড়ি ছাড়াতে হলে আমার কাছে ৫ লাখ এবং আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর ভাই মো. মাছুম বিল্লাহর কাছে ১০ লাখ টাকা দিতে হবে। তবে প্রকৃত ঘটনা হলো, এই সমস্ত চক্রান্তের মূল নায়ক ছিল আমাদের গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ।

গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর দুলাভাইয়ের সাথে আমার দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মো. মাছুম বিল্লাহর দীর্ঘদিন ধরে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব চলছিল। অতীতে তাদের সম্পর্ক বেশ খারাপ হলেও বর্তমানে বাহ্যিক উন্নতি হলেও অভ্যন্তরীণ বিরোধ শেষ হয়নি। গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ চক্রান্ত করে আমাকে, আমার দ্বিতীয় স্ত্রী এবং আমার শ্বশুরের গাড়ি জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে নিজ স্বার্থ হাসিল করতে চেয়েছিল। পরবর্তীতে জনাব মাছুম বিল্লাহ বুদ্ধিমত্তার সাথে পরদিন রাত প্রায় ১২টার দিকে এক আত্মীয়ের (থানার চাকরিরত এসআই আমিনুর) সহায়তায় বিমানবন্দর সড়ক এলাকা থেকে গাড়ি ও গাড়িচালককে উদ্ধার করে বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে মারধর করা হলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে হুমকি দেয়— সে দেখে নেবে এবং আমার স্ত্রীর জীবন তার হাতের মুঠোয় রয়েছে।

গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ হিংসা ও স্বার্থের বশবর্তী হয়ে পূর্বে ওই অফিস কক্ষে থাকা সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ধারণকৃত আমাদের স্বামী-স্ত্রীর গোপন ভিডিও ফুটেজ মিডিয়ায় প্রচার করে তার হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা চালিয়েছে। যা সম্পূর্ণ বেআইনি, হিংসাত্মক, চক্রান্তমূলক এবং আমার বা আমাদের চরিত্র হননের সামিল।

আমি ও আমরা গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহর এহেন চক্রান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং চরিত্র হননের মতো অপকর্মের জন্য তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।