খুঁজুন
বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

জন্ম নিবন্ধন কি চেয়ারম্যানের ইচ্ছাধীন, লস্করদিয়া ইউনিয়নে নাগরিক সেবার লজ্জাজনক চিত্র!

সাইফুল্লাহ আল নাসিম
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪০ অপরাহ্ণ
জন্ম নিবন্ধন কি চেয়ারম্যানের ইচ্ছাধীন, লস্করদিয়া ইউনিয়নে নাগরিক সেবার লজ্জাজনক চিত্র!

সোমবার ফরিদপুরের নগরকান্দার লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে গিয়েছিলাম জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত একটি সাধারণ কাজের জন্য। আবেদনটি আগেই অনলাইনে সম্পন্ন করা ছিল। ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার একমাত্র কারণ ছিল কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অনলাইনে এক ক্লিক অনুমোদন নেওয়া—যা কয়েক মিনিটেই শেষ হওয়ার কথা।

কিন্তু সেখানে গিয়ে জানানো হয়, জন্ম নিবন্ধনের কাজ আজ সারাদিন বন্ধ। কারণ? ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব পোর্টালে লগইনের জন্য যে OTP প্রয়োজন, সেটি চেয়ারম্যান “দিতে পারবেন না”। এমনকি OTP-এর জন্য তাঁকে ফোন দেওয়াও নিষেধ করা হয়েছে। কোনো নোটিশ নেই, নেই কোনো লিখিত ব্যাখ্যা, নেই কোনো বিকল্প ব্যবস্থা।
প্রশ্ন হচ্ছে—জন্ম নিবন্ধন কি কোনো ব্যক্তির ইচ্ছাধীন বিষয়? রাষ্ট্রীয় একটি নাগরিক সেবা কি এভাবে একক সিদ্ধান্তে বন্ধ রাখা যায়?

সমস্যা যদি সার্ভারজনিত হতো, তাহলে সেটি সহজেই মেনে নেওয়া যেত। কিন্তু বাস্তবতা হলো—সিস্টেম সচল ছিল। কাজ বন্ধ ছিল কেবল প্রশাসনিক গাফিলতি ও দায়িত্বহীনতার কারণে।

সমাধানের আশায় সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে একাধিকবার ফোন করা হয়। ভেবেছিলাম, তিনি ব্যস্ত আছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও কোনো সাড়া মেলেনি। ফোন ধরেননি, কোনো ব্যাখ্যাও দেননি।

এতে স্বাভাবিকভাবেই কিছু গুরুতর প্রশ্ন সামনে আসে—
কোন আইনে বা কোন ক্ষমতায় কোনো ইউনিয়ন পরিষদ নাগরিক সেবা বন্ধ রাখে?
একজন জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতির কারণে রাষ্ট্রীয় সেবা কেন থেমে যাবে?

নাগরিক হয়রানির দায় কার?
এই অব্যবস্থাপনার জবাব কে দেবে?
দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এই প্রশ্নগুলোর কোনো উত্তর নেই।
কেবল নীরবতা, অবহেলা এবং দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা।

জন্ম নিবন্ধন একটি মৌলিক নাগরিক অধিকার। এটি শিক্ষা, চিকিৎসা, ভোটাধিকারসহ বহু নাগরিক সেবার ভিত্তি। সেই সেবাকে ইচ্ছামতো বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে দিনের পর দিন ইউনিয়ন পরিষদের চক্কর কাটতে বাধ্য করা—এটি কেবল অদক্ষতা নয়, এটি সরাসরি নাগরিক অধিকারের লঙ্ঘন।
আমরা কেউ দয়া চাইতে যাইনি।
আমরা রাষ্ট্রের কাছে আমাদের ন্যায্য অধিকার চাইতে গিয়েছিলাম।

এই লেখার মাধ্যমে লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে জন্ম নিবন্ধন সেবায় চলমান অব্যবস্থাপনা, দায়িত্বহীনতা ও নাগরিক হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা দাবি করছি।
— একজন ভুক্তভোগী নাগরিক

 

ফরিদপুর প্রতিদিনের সম্পাদকীয় নোট:

লস্করদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের জন্ম নিবন্ধন সংক্রান্ত এই অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। জন্ম নিবন্ধন একটি সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় নাগরিক সেবা—যা কোনো ব্যক্তি বা জনপ্রতিনিধির ইচ্ছা-অনিচ্ছার ওপর নির্ভরশীল হতে পারে না।

একজন চেয়ারম্যান OTP “দিতে পারবেন না”—এই অজুহাতে পুরো দিন নাগরিক সেবা বন্ধ রাখা আইন, প্রশাসনিক বিধি ও সুশাসনের চরম লঙ্ঘন। জনপ্রতিনিধির অনুপস্থিতি বা অনাগ্রহ কোনোভাবেই নাগরিক সেবা স্থগিতের বৈধ কারণ হতে পারে না।

এই ঘটনায় স্থানীয় সরকার বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে বিষয়টি খতিয়ে দেখা উচিত। একই সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যায়ে জন্ম নিবন্ধনসহ ডিজিটাল সেবা কার্যক্রমে কেন বিকল্প দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নেই—সে প্রশ্নেরও জবাব দিতে হবে।
নাগরিক সেবা কোনো অনুগ্রহ নয়। এটি রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা।

এই ধরনের দায়িত্বহীনতা ও প্রশাসনিক অবহেলা চলতে থাকলে সাধারণ মানুষের আস্থা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার ওপর মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হবে—যার দায় এড়ানোর সুযোগ কারও নেই।

 

পাঠকের লেখা

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ২:১৮ অপরাহ্ণ
তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে, নাসির-তামিমা খালাস

তালাক ছাড়াই অন্যের স্ত্রীকে বিয়ে করার অভিযোগে জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম এ রায় দেন।

এর আগে বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম রায়ের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

গত ১৬ এপ্রিল মামলাটিতে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

মামলাটিতে বাদীপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত। এরপর আসামিরা সাফাই সাক্ষ্য দেন।

মামলাটিতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনও শেষ হয়।
২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাম্মির সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়।

তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রাকিবের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাদের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মকভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

এ মামলায় ২০২২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ক্রিকেটার নাসির হোসেন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। তবে নাসিরের শাশুড়ি সুমি আক্তারকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপর একই বছরের ৬ মার্চ মহানগর দায়রা জজ আদালতে নাসির ও তামিমা অভিযোগ গঠনের আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন করেন। অন্যদিকে সুমি আক্তারকে অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন বাদীপক্ষ।

২০২৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষের রিভিশন আবেদন নামঞ্জুর করে ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুর্শিদ আহাম্মেদ মামলাটির বিচার চলবে বলে আদেশ দেন। এরপর নাসির ও তামিমার বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ

ফরিদপুর জেলা কারাগারে বন্দিদের মানবিক ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার অংশ হিসেবে সকল বন্দির মাঝে মৌসুমী ফল লিচু বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে জেলা কারাগার প্রাঙ্গণে এ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্দিদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত বিভিন্ন কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর ফল লিচু বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

লিচু বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া এবং জেলার মনির হোসেন। তারা বন্দিদের খোঁজখবর নেন এবং কারাগারের সার্বিক পরিবেশ ও বন্দিদের কল্যাণমূলক বিষয়গুলো পরিদর্শন করেন।

এ সময় জেল সুপার শওকত হোসেন মিয়া বলেন, বন্দিদের মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং তাদের সুস্থতা নিশ্চিত করতে কারা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বিভিন্ন কল্যাণমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। বন্দিদের জন্য স্বাস্থ্যকর খাদ্য, চিকিৎসাসেবা, বিনোদন ও পুনর্বাসনমূলক কার্যক্রমের পাশাপাশি মৌসুমী ফল বিতরণও তার একটি অংশ।

তিনি আরও বলেন, কারাগার শুধু শাস্তি প্রদানের স্থান নয়, বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। বন্দিদের মানসিক বিকাশ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

লিচু বিতরণ পেয়ে বন্দিদের মধ্যেও সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা যায়। কারা কর্তৃপক্ষের এমন উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ফরিদপুর জেলা কারাগার সূত্রে জানা গেছে, ভবিষ্যতেও বন্দিদের কল্যাণ ও সুস্থতা নিশ্চিত করতে এ ধরনের মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

মিজানুর রহমান, সদরপুর:
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬, ৮:১২ পূর্বাহ্ণ
সদরপুরের পদ্মাবেষ্টিত ইউনিয়নে নির্মাণ হচ্ছে পরিষদ ভবন, অবসান হবে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার পদ্মাবেষ্টিত প্রত্যন্ত চরাঞ্চল দিয়ারা নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়ন অবশেষে পেতে যাচ্ছে নিজস্ব ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। দীর্ঘদিন ধরে পরিষদ ভবন না থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিতে ট্রলারে প্রায় দুই ঘণ্টা পদ্মা নদী পাড়ি দিয়ে উপজেলা সদরে যেতে হতো। প্রায় দুই হাজার পরিবারের এই ইউনিয়নে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে ইউনিয়নের নুরুদ্দিন সরদার কান্দী বাজার সংলগ্ন এলাকায় সেমি-পাকা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাজহারুল ইসলাম।

এর আগে একই ইউনিয়নের উপজেলা প্রশাসন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন জেলা প্রশাসক মাজহারুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শরীফ শাওন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সরদার, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন, উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব ভবন না থাকায় প্রয়োজনীয় সেবা গ্রহণে তাদের নানা ধরনের দুর্ভোগ পোহাতে হতো। নতুন ভবন নির্মিত হলে ইউনিয়নবাসী নিজ এলাকাতেই সহজে নাগরিক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এতে চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সরকারি সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

এদিকে বহুদিনের প্রত্যাশিত ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে। স্থানীয়দের আশা, দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে চরাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।