খুঁজুন
, ,

ফরিদপুরে ভুয়া সাংবাদিকতার দাপট: অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধ জরুরি

হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ)
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরে ভুয়া সাংবাদিকতার দাপট: অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে এখনই প্রতিরোধ জরুরি

ফরিদপুরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে একদল ভুয়া বা কথিত সাংবাদিক। এরা সাংবাদিকতার নাম ভাঙিয়ে সাধারণ মানুষ, ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে। কোথাও এদের ধরে উত্তম-মধ্যম দিয়ে পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে—এটাই এখন নিয়মিত চিত্র।

প্রশ্ন হলো, যাদের কোনো বেতন নেই, কোনো প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম নেই—তাদের ইনকামের উৎস কী? উত্তর একটাই: চাঁদাবাজি ও ভয় দেখানো।

এই তথাকথিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য স্পষ্ট। সকালে বের হয় কোথায় মাটি কাটা হচ্ছে, কোথায় বালু উত্তোলন চলছে, কোথায় অবৈধ কারখানা রয়েছে—এসব খোঁজ নিতে। এরপর সেখানে গিয়ে দলবেঁধে হাজির হয়ে টাকা দাবি করে বসে। না দিলে হুমকি—ফেসবুকে “নিউজ” যাবে, ভিডিও ভাইরাল হবে।

এদের আরেকটি নিয়মিত আড্ডা সরকারি অফিস চত্বর। কারণ সেখানে কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর অনিয়ম কিংবা দুর্নীতির তথ্য পেলেই শুরু হয় টাকার মহোৎসব। চোরে চোরে মাসতুতো ভাই—এই সুযোগে উভয় পক্ষই লাভবান হয়, আর ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রকৃত সাংবাদিকতা।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব অনিয়ম নিয়ে তারা কখনো মূলধারার কোনো নিউজ লেখে না। লেখার দক্ষতা নেই, নেই কোনো স্বীকৃত মিডিয়া হাউস। ভরসা বলতে একটি ফেসবুক আইডি বা পেজ—যার ভয় দেখিয়ে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী, মাটি ও বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়।

শোনা যাচ্ছে, ফরিদপুর শহরের একাধিক আবাসিক হোটেল ও অবৈধ কারখানা থেকে নিয়মিত মাসোয়ারা তুলছে এই ভুয়া সাংবাদিক চক্র। আর এর বদনামের বোঝা বইতে হচ্ছে প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীদের।

অথচ মূলধারার সাংবাদিকরা সারাদিন নিউজের পেছনে ছুটে বেড়ান। পরিবারের দিকে তাকানোর সময় পান না, পকেটে টাকা আছে কি নেই—সেটা দেখারও ফুরসত নেই। সেই সুযোগে কথিত সাংবাদিকরা অখ্যাত পত্রিকার নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন সরকারি অফিস থেকে বিজ্ঞাপনও হাতিয়ে নিচ্ছে।

সময় এসেছে এই অপসাংবাদিকতা রুখে দেওয়ার। সাংবাদিকতার সম্মান ও অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ভুয়া সাংবাদিকদের প্রতিহত করতেই হবে। প্রশাসন আপনাদের পাশে আছে—এটা বিশ্বাস রেখে এসব ভণ্ডদের ধরে আইনের আওতায় আনতে হবে।

নতুন বাংলায় আমার লড়াই হবে অপসাংবাদিকতা ও ভুয়া সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে। এই চক্রের কারণে হেনস্তার শিকার হতে পারে—তাতে আমার কিছু আসে যায় না। সমাজকে জঞ্জালমুক্ত করাই একমাত্র পাথেয় হয়ে গেছে।

লেখক : হাসান মাতুব্বর (শ্রাবণ), ফরিদপুর প্রতিনিধি, দৈনিক আজকের পত্রিকা।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই যুবক নিহত

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে এজাজুল মিয়া (২০) ও স্বাধীন সরকার (২০) নামের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন।

​সোমবার (২ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

​নিহত এজাজুল মিয়া ভাঙ্গা পৌরসভার হাজরাহাটি গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে এবং স্বাধীন সরকার নগরকান্দা উপজেলার জিয়াকুলি গ্রামের শাহাদাৎ সরকারের ছেলে।

​আহতরা হলেন—নগরকান্দার জিয়াকুলি গ্রামের রহমান মাতুব্বরের ছেলে নাসিম মাতুব্বর (২০) এবং ভাঙ্গা পৌরসভার ভারইডাঙ্গা গ্রামের শওকত আলীর ছেলে রাজন আলী (২১)। তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় দুটি মোটরসাইকেলে করে চার যুবক বিশ্বরোড গোলচত্বর এলাকায় ঘুরতে বের হন। পথিমধ্যে বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেল দুটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই মোটরসাইকেল চালক নিহত হন।

​ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদ আহম্মেদ জানান, ভাঙ্গা গোলচত্বর এলাকায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

শিক্ষায় শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার পেলেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর:
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৩৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষায় শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি পুরস্কার পেলেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান

শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ‘শেরে বাংলা এ,কে ফজলুল হক স্মৃতি’ পুরস্কার পেলেন ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দীর নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুর রহমান। সম্প্রতি ‘স্বাধীনতা সংসদ’ আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান, প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও দক্ষ নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবে এর আগেও বিভিন্ন পর্যায়ে সম্মাননা পেয়েছেন অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান। জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক মূল্যায়নে তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন। সালথা উপজেলায় একাধিকবার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানপ্রধান নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি ফরিদপুর জেলা পর্যায়েও শ্রেষ্ঠ কলেজপ্রধানের স্বীকৃতি অর্জন করেন তিনি।

নবকাম পল্লী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পাঠদানে উৎসাহিত করা, ঝরে পড়া রোধ এবং প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন ওবায়দুর রহমান। তার নেতৃত্বে কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম ও পরিবেশের উন্নয়নে নানা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

অধ্যক্ষের এ পুরস্কার অর্জনের খবরে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যক্তি ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।

পুরস্কার পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় অধ্যক্ষ মো. ওবায়দুর রহমান ‘ফরিদপুর প্রতিদিন‘-কে বলেন, ‘যেকোনো স্বীকৃতি কর্মক্ষেত্রে দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠা বাড়িয়ে দেয়। এ সম্মাননা আমার একার নয়; এটি নবকাম পল্লী কলেজ, সহকর্মী শিক্ষক এবং সালথাবাসীর ভালোবাসার ফসল।’

তিনি বলেন, শিক্ষার প্রসার ও সমাজকল্যাণে ভবিষ্যতেও কাজ করে যেতে চান। এ জন্য তিনি সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।

শীতের আগমনী

সোহানুর রহমান
প্রকাশিত: সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:২১ অপরাহ্ণ
শীতের আগমনী

তাপমাত্রা আজ ২৯, আগামীকালও ২৯,আর কয়েকদিন পরেই তা নেমে আসবে ২৩-২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ঊষালগ্নে আমাদের বিছানার দক্ষিণ পাশের জানলার থাই গ্লাসে শিমুল তুলার মতো স্বচ্ছ কুয়াশা জমবে,
সাথে বইবে উত্তরের ঝিরিঝিরি বাতাস।

​তোমার কপালের কালো টিপের দিব্যি—
তাতে আমি এতটুকু শিহরিত নই;
বরং আমি তো কল্পনায় বিভোর,
২৩-২৪ তাপমাত্রায় তোমার নিঃশ্বাসের হালকা উষ্ণ বাতাস আমার দাড়ির লোমকূপকে শিহরিত করবে!

​আমাদের বাসার ছাদে গাঁদা, চামেলি, চন্দ্রমল্লিকা ফুটবে,
অফিসের প্রান্তর ভরে উঠবে ক্যালেন্ডিলা, জারবেরা, কসমস আর অ্যাস্টার ফুলে।

​তোমার চোখের কাজলের দিব্যি—
তাতে আমার কোনো আগ্রহ নেই;
বরং আমি তো ভেবেই ব্যাকুল,
২০-২১ তাপমাত্রায় তোমার নিঃশ্বাসের কুয়াশার স্নিগ্ধতা আমার চোখের সুপারসিলিয়াকে ছুঁয়ে যাবে!

​ভেড়ামারা রেলস্টেশন, ফারাকপুর দক্ষিণ রেলগেটসহ অসংখ্য মোড়ে মোড়ে সরিষা বাটা, ধনিয়া পাতার ভর্তা আর চিতই পিঠার সাথে মিলবে গরম কালাই রুটি;

আর ভাপাপিঠা তো কমন!
​তোমার চুলের খোঁপার দিব্যি—
তাতে আমার সামান্য মনোযোগ নেই;
বরং আমি তো পরিকল্পনায় ব্যস্ত,
১৬-১৭ তাপমাত্রায় তোমার মুখের ভাপ ছড়িয়ে তুমি ড্রাগন হবে,
আর আমি হব মনস্টার!