খুঁজুন
শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ১৮ বৈশাখ, ১৪৩৩

কারা বেশি হাসে, পুরুষ নাকি নারী?

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৭:৪৮ পূর্বাহ্ণ
কারা বেশি হাসে, পুরুষ নাকি নারী?

হাসি মানুষের একটি সহজাত বৈশিষ্ট্য হলেও নারী ও পুরুষের হাসির ধরণ এবং হাসানোর ক্ষমতার মধ্যে কিছু চমৎকার পার্থক্য রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, যদিও আমরা সবাই হাসতে ভালোবাসি, তবুও কে হাসছেন আর কে হাসাচ্ছেন—এই ক্ষেত্রে লিঙ্গভেদে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

কে বেশি হাসেন?

রবার্ট প্রোভাইন নামক একজন গবেষকের ১২০০টি ঘটনার ওপর ভিত্তি করে করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষ ও নারী উভয়ই হাসলেও নারীরাই বেশি হাসেন। বিশেষ করে যখন দুই বা ততোধিক নারী একত্রে কথা বলেন, তখন হাসির মাত্রা থাকে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে, পুরুষরা নিজেদের মধ্যে কথা বলার সময় নারীদের তুলনায় প্রায় অর্ধেক পরিমাণ কম হাসেন। এমনকি নারী-পুরুষের মিশ্র আড্ডায় দেখা গেছে, নারীরা পুরুষদের তুলনায় প্রায় ১২৬ শতাংশ বেশি হাসেন। সহজ কথায়, পুরুষরা হাসানোর ভূমিকা পালন করেন আর নারীরা সেই হাসির মূল দর্শক হিসেবে আবির্ভূত হন।

হাসানোর কারিগর কে?

গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষরা সাধারণত কৌতুক বা রসিকতার মাধ্যমে অন্যকে হাসাতে বেশি পছন্দ করেন। শৈশবের ‘ক্লাস ক্লাউন’ বা ক্লাসের কৌতুকপ্রিয় ছাত্রটি সাধারণত একজন ছেলেই হয়ে থাকে। সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটও এখানে ভূমিকা রাখে। যেমন: কমেডি শো বা লাইভ সার্কিটগুলোতে পুরুষ কমেডিয়ানদের আধিপত্য বেশি দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে নারীরা রসবোধ সম্পন্ন পুরুষদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হন এবং পুরুষরাও এমন নারীদের পছন্দ করেন যারা তাদের রসিকতার প্রশংসা করেন।

মস্তিষ্কের রসায়ন কী বলে?

নারীদের এই বেশি হাসার পেছনে মস্তিষ্কের গঠন ও নিউরোকেমিস্ট্রির বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মজার কোনো কার্টুন বা কৌতুক শোনার সময় নারীদের মস্তিষ্কের ‘ডোপামিন’ বা রিওয়ার্ড সেন্টার এবং শব্দ তৈরির অঞ্চলগুলো পুরুষদের তুলনায় বেশি সক্রিয় হয়ে ওঠে। জোকসটি যত বেশি মজার হয়, নারীদের মস্তিষ্কের কোষগুলো তত বেশি আনন্দিত হয়। অন্যদিকে, পুরুষদের ক্ষেত্রে এই সক্রিয়তা মাঝারি মানের থাকে। ধারণা করা হয়, নারীরা অনেক বেশি খোলা মনে রসিকতা গ্রহণ করেন, যেখানে পুরুষরা কৌতুক বলার সময় প্রত্যাশার চাপে থাকেন বলে নিজেরা ততটা আনন্দ পান না।

সম্পর্কের সেতুবন্ধনে হাসি

হাসি কেবল বিনোদন নয়, এটি দুজনের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ঘনিষ্ঠতা বাড়াতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০ জন দম্পতির মধ্যে ৯ জনই মনে করেন সুস্থ সম্পর্কের জন্য রসবোধ অত্যন্ত জরুরি।

সুখী ও দীর্ঘস্থায়ী দম্পতিরা (যারা ৪৫ বছরের বেশি সময় একসাথে আছেন) মনে করেন, তাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হলো একসাথে হাসতে পারা।

মানুষ একা থাকলে কেবল মুচকি হাসে, কিন্তু প্রাণ খুলে হাসার জন্য অন্য একজনের সঙ্গ প্রয়োজন হয়। পরিশেষে বলা যায়, নারী ও পুরুষের হাসির এই বৈচিত্র্য আসলে একে অপরের পরিপূরক। পুরুষরা হাসির খোরাক জোগাতে ভালোবাসেন আর নারীরা সেই হাসিতে মেতে উঠে সম্পর্কের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলেন।

তথ্যসূত্রসাইকোলজি টুডে.কম

যে ৬ রোগ নিয়ে হজে না যাওয়ার নির্দেশনা সৌদির?

ইসলাম ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৪৩ পূর্বাহ্ণ
যে ৬ রোগ নিয়ে হজে না যাওয়ার নির্দেশনা সৌদির?

পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা সামনে রেখে পুণ্যার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ স্বাস্থ্যবিধি ও কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সৌদি আরব। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু দীর্ঘস্থায়ী ও গুরুতর শারীরিক জটিলতা থাকলে এবার হজের অনুমতি বা পারমিট পাওয়া যাবে না।

সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, পুণ্যার্থীরা যাতে হজের কঠিন আনুষ্ঠানিকতাগুলো নিরাপদে এবং কোনো বড় ধরনের শারীরিক জটিলতা ছাড়াই সম্পন্ন করতে পারেন, সেজন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সৌদি কর্তৃপক্ষের তালিকা অনুযায়ী, যেসব শারীরিক অবস্থায় এবার হজ করা যাবে না তার মধ্যে রয়েছে কিডনির জটিলতা বা ডায়ালাইসিস প্রয়োজন এমন অবস্থা, হার্ট ফেইলিউর বা হৃৎপিণ্ডের গুরুতর সমস্যা, লিভার সিরোসিস, জটিল মানসিক রোগ অথবা স্মৃতিভ্রংশ বা ডিমেনশিয়া, বার্ধক্যজনিত চরম শারীরিক দুর্বলতা এবং এমন অন্তঃসত্ত্বা নারী, যারা গর্ভধারণের শেষ তিন মাস বা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছেন।

এদিকে, রোগব্যাধির তালিকার পাশাপাশি টিকাদানের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে সৌদি আরব। সকল পুণ্যার্থীর জন্য ‘মেনিনোকোক্কাল মেনিনজাইটিস’ ভ্যাকসিন নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। হজ শুরুর অন্তত ১০ দিন আগে এই টিকার একটি ডোজ নিতে হবে।

এ ছাড়া উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তি যেমন—বয়স্ক, গর্ভবতী নারী এবং যাদের দীর্ঘস্থায়ী রোগ (শ্বাসকষ্ট, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগ) আছে, তাদের জন্য কোভিড-১৯ এবং সিজনাল ইনফ্লুয়েঞ্জার আপডেট ডোজ নেওয়ার জোরালো পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ

হাঁটলেই পায়ে ব্যথা করে? প্রতিরোধের ৫ উপায়

স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ
হাঁটলেই পায়ে ব্যথা করে? প্রতিরোধের ৫ উপায়

হাঁটলেই পায়ে ব্যথা— এটা অনেকেরই নিত্যদিনের ভোগান্তি। সামান্য হাঁটাহাঁটিতেই পা ভারী লাগা, টান ধরা বা ব্যথা শুরু হওয়ায় অনেকেই স্বাভাবিক চলাফেরাতেই অস্বস্তি অনুভব করেন। ফলে দৈনন্দিন কাজেও ধীরগতি আসে, কেউ কেউ আবার ব্যথার ভয়ে হাঁটা-চলাও কমিয়ে দেন। কিন্তু এই সমস্যাকে শুধু সাধারণ ক্লান্তি ভেবে এড়িয়ে যাওয়া ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, পায়ের ব্যথার পেছনে থাকতে পারে পেশির অতিরিক্ত চাপ, প্রদাহ, জয়েন্টের সমস্যা কিংবা স্নায়ুর জটিলতাসহ নানা শারীরিক কারণ। তাই সঠিক কারণ চিহ্নিত করা এবং সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতালের চিফ কনসালট্যান্ট এম ইয়াছিন আলী একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত নিবন্ধে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন কী কারণে হাঁটলেই পায়ে ব্যথা হয় এবং কীভাবে সহজ কিছু অভ্যাস ও চিকিৎসা মেনে এই সমস্যা প্রতিরোধ করা যায়।

কেন ব্যথা হয়

হাঁটার সময় পায়ে ব্যথার অন্যতম কারণ পেশির অতিরিক্ত চাপ বা মাসল স্ট্রেইন।

টানা দীর্ঘ সময় হাঁটা, হঠাৎ বেশি ব্যায়াম বা সঠিক ওয়ার্ম আপ না করে হাঁটা শুরু করলে পেশিতে টান পড়ে ব্যথা হতে পারে।

আরেকটি সাধারণ কারণ প্লান্টার ফ্যাসাইটিস। এতে পায়ের পাতার নিচের অংশে প্রদাহ হয়।

জয়েন্টের সমস্যা, যেমন হাঁটু বা গোড়ালির অস্টিওআর্থ্রাইটিস থাকলে ব্যথা হতে পারে।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে এ সমস্যা বাড়তে দেখা যায়।

স্নায়ুর সমস্যা বা নার্ভ কমপ্রেশন যেমন সায়াটিকা থাকলে কোমর থেকে পা পর্যন্ত ব্যথা ছড়িয়ে যেতে পারে।

কিছু ক্ষেত্রে রক্ত চলাচলের সমস্যা যেমন পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ থাকলে হাঁটার সময় পায়ে ব্যথার সৃষ্টি হয়, যা বিশ্রামে কমে যায়।

যা করতে হবে

প্রথমেই ব্যথার সঠিক কারণ নির্ণয় করাটা জরুরি।

ব্যথা বেশি হলে কিছুদিন বিশ্রাম নিন। আক্রান্ত স্থানে বরফ সেঁক দিন (১৫–২০ মিনিট, দিনে ২–৩ বার)।

স্ট্রেচিং ও স্ট্রেনদেনিং এক্সারসাইজ পায়ের পেশি ও লিগামেন্টকে শক্তিশালী করে। বিশেষ করে কাফ মাসল বা পায়ের মাংসপেশির ব্যায়াম খুব উপকারী।

আরামদায়ক জুতা ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ। শক্ত বা অনুপযুক্ত জুতা ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে।

অতিরিক্ত ওজন পায়ের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে, ফলে ব্যথা বাড়ে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।

দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যথা বা প্রদাহনাশক ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।

যদি সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তাহলে আলট্রাসাউন্ড থেরাপি, শকওয়েভ থেরাপি বা বিশেষ অর্থোপেডিক চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

প্রতিরোধের উপায়

১. নিয়মিত হালকা ব্যায়াম ও স্ট্রেচিং করুন।

২. হঠাৎ করে অতিরিক্ত হাঁটা বা দৌড়ানো এড়িয়ে চলুন।

৩. হাঁটা বা ব্যায়ামের শুরুতে ওয়ার্ম আপ করবেন।

৪. প্রতিদিনের কাজে সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখুন।

৫. দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা কমিয়ে আনতে হবে।

দেরিতে বেতন দিলে কী করবেন, জেনে নিন ৪ করণীয়

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ
দেরিতে বেতন দিলে কী করবেন, জেনে নিন ৪ করণীয়

সারা মাসের হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে প্রতিটি চাকুরিজীবীর মনেই এক চিলতে স্বস্তি নিয়ে আসে মোবাইলে আসা বেতনের সেই কাঙ্ক্ষিত মেসেজটি। তবে পরিস্থিতির ফেরে সেই মেসেজ আসতে দেরি হলে অনেক সময় দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জমতে শুরু করে।

বাড়ি ভাড়া, বাজার খরচ থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক নানা বিলের চাপে হিমশিম খেতে হয় অনেককেই। কিন্তু এমন পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে বা আতঙ্কিত না হয়ে মাথা ঠান্ডা রেখে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বেতন সময়মতো না পেলে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।

১. প্রথমেই কারণ অনুসন্ধান করুন

বেতন আসতে দেরি হলে প্রথমেই আতঙ্কিত হবেন না। অনেক সময় প্রশাসনিক বা কারিগরি ত্রুটির কারণে এমনটা হতে পারে। তাই প্রথমেই এইচআর বা অ্যাকাউন্টস বিভাগে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হোন যে, কোনো ব্যাংক জটিলতা বা ডাটা এন্ট্রিতে ভুল হয়েছে কি না। এছাড়া সমস্যাটি কেবল আপনার একার নাকি অন্য সহকর্মীদেরও একই অবস্থা, সেটিও কথা বলে জেনে নিন।

২. আইনি অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকুন

বাংলাদেশের শ্রম আইন অনুযায়ী কর্মীদের অধিকার সংরক্ষিত রয়েছে। বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী, মাস শেষ হওয়ার পরবর্তী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে কর্মীর বেতন পরিশোধ করা মালিকপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। যদি বেতন দীর্ঘ সময় আটকে থাকে, তবে আপনি শ্রম আদালতে অভিযোগ জানাতে পারেন। অনেক ক্ষেত্রে আদালত বিলম্বের জন্য ২৫% পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে। এছাড়া যেকোনো আইনি সহায়তার জন্য শ্রম অধিদপ্তরের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন।

৩. আর্থিক ব্যবস্থাপনায় কৌশলী হোন

বেতন দেরিতে আসলেও জীবনযাত্রা থেমে থাকে না। এই সময়ে আর্থিক সংকট সামলাতে বাড়ি ভাড়া, ইউটিলিটি বিল এবং খাবারের মতো মৌলিক ও জরুরি খরচগুলোকে তালিকার শীর্ষে রাখুন। যদি ক্রেডিট কার্ডের কিস্তি বা অন্য কোনো বড় বিল থাকে, তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে পেমেন্টের সময় কিছুটা বাড়িয়ে নেওয়ার অনুরোধ করতে পারেন। ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি এড়াতে প্রতি মাসের আয় থেকে কিছুটা সঞ্চয় করে ৩-৬ মাসের জীবনযাত্রার ব্যয়ের সমান একটি ‘ইমারজেন্সি ফান্ড’ গড়ে তোলা জরুরি।

৪. পেশাদারিত্ব বজায় রাখা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

সংকটকালীন সময়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বেতন নিয়ে হওয়া যাবতীয় আলাপ-আলোচনা, ইমেইল বা চিঠির রেকর্ড বা প্রমাণ নিজের কাছে রাখুন। কর্মক্ষেত্রে সাময়িক সমস্যার কারণে কাজে ফাঁকি না দিয়ে বরং নিজের পেশাদারিত্ব বজায় রাখুন।তবে মনে রাখবেন, বেতন নিয়মিত দেরিতে হওয়া যদি কোনো প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, তবে নিজের ক্যারিয়ারের স্বার্থে নতুন চাকরির খোঁজ শুরু করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শ্রমিক আইন ২০০৬, টিভি নাইন বাংলা, টিভিএস